Home Blog Page 29

সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সামরিক উপদেষ্টাসহ নিহত ১৭

0

গত এপ্রিলে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে কনস্যুলেট ভবনে ইসরায়েলি হামলায় সাত কর্মকর্তাসহ নিহত হন ইরানের সিনিয়র কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা জাহেদি। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়ে পড়ে ইরান ও ইসরায়েল।

এবার নতুন করে সোমবার (৩ জুন) সিরিয়ায় ইরানি ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলায় নিহত হয়েছেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) এক সামরিক উপদেষ্টা। একই সঙ্গে মারা গেছে অন্তত আরও ১৬ জন।

আইআরজিসির বরাত দিয়ে ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, গত রাতে সিরিয়ার উত্তরের শহর আলেপ্পোতে ইহুদিবাদী ইসরায়েলি হামলায় আইআরজিসির এক উপদেষ্টা নিহত হয়েছেন। নিহত ওই সামরিক উপদেষ্টার নাম সাইদ আবিয়ার।
এক বিবৃতিতে সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, ‘পশ্চিম আলেপ্পো প্রদেশের হাইয়ানে এক কারখানায় ইসরায়েলি হামলায় সিরিয়ান এবং বিদেশি যোদ্ধাসহ ইরানপন্থি গোষ্ঠীর ১৬ জন সদস্য নিহত হয়েছে।

গত মার্চে অবজারভেটরি গ্রুপটি ইসরায়েলি হামলায় আরও ৫২ জন নিহত হওয়ার খবর জানায়। ওই হামলায় ৩৮ সিরিয়ান সরকারি সৈন্য, ৭ হিজবুল্লাহ সদস্য এবং ৭ ইরানপন্থি যোদ্ধা মারা যায়।

গত মাসে ভয়াবহ এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান। এ ঘটনার মাসও পেরোয়নি এখনো। গাজায় চলমান যুদ্ধের মাঝে, ইরানের সঙ্গেও যুদ্ধংদেহি পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়ছে ইসরায়েল।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর পাল্টা জবাব হিসেবে গাজায় নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। শুধু তাই নয়, হিজবুল্লাহ এবং লেবানন ও সিরিয়ায় ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন গোষ্ঠী লক্ষ্য করেও হামলা চালাচ্ছে দেশটি। তবে সোমবারের এ হামলা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

হিজবুল্লাহর হামলায় পুড়েছে ইসরায়েলের ১০ বর্গকিমি এলাকা

0

ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তজুড়ে ব্যাপক রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এ হামলায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে প্রায় ১০ হাজার ডুনাম বা ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকা।

সোমবার রাত থেকে ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তে রকেট ও ড্রোনের সাহায্যে হামলা চালানো শুরু করে হিজবুল্লাহ।

ইসরায়েলের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসেস জানিয়েছে, তাদের ৩০টির বেশি অগ্নিনির্বাপক ইউনিট আগুন নেভানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলে গ্যালিলি এলাকার বেশ কয়েকটি বড় রাস্তায় চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর এসব হামলায় কোনো প্রাণহানি বা বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

এর আগে, গত রোববার ইসরায়েলের উত্তরে হিজবুল্লাহর ছোড়া রকেটের কারণে বুশফায়ারের ফলে প্রকৃতির সংরক্ষণাগারসহ খোলা জায়গায় ১০ হাজার ডুনাম বা ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকার গাছপালা পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে, ইসরায়েল প্রকৃতি ও পার্ক কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, কয়েক ডজন দমকল ইউনিট গোলান হাইটস এবং অন্যান্য অঞ্চলের কাৎজরিন শহরে ছোড়া রকেটের কারণে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করেছেন। সোমবারও কিছু এলাকা জ্বলছিল।

ইসরায়েলি নেচার অ্যান্ড পার্ক অথোরিটির গোলান জেলার পরিচালক শ্যারন লেভি সোমবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নিউজকে বলেছেন, হিজবুল্লাহর ছোড়া রকেটে সৃষ্ট আগুনের ইহুদিয়া ফরেস্ট নেচার রিজার্ভ, হাইকিং ট্রেইল ও রিজার্ভের ব্ল্যাক ক্যানিয়ন অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলো পুড়ে গেছে।
খবর টাইমস অব ইসরায়েল

চা শ্রমিকদের প্রয়োজনে সবই করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

0

চা শ্রমিকদের প্রয়োজনে সবই করবে সরকার বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চা শ্রমিকরা আর ভাসমান থাকবে না। তাদের যা প্রয়োজন সবই করবে সরকার।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চা দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, চা বাগানের শ্রমিকরা ভাসমান অবস্থায় থাকবে না। তাদের ভালো রাখার সব ব্যবস্থা নেবে সরকার। তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নিশ্চিত করা হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চা শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছিলেন জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, জাতির পিতা চা শ্রমিকদের জন্য যা করেছিলেন শ্রমিকরা তা ভোলেননি।

আওয়ামী লীগের উদ্যোগের ফলেই উত্তরাঞ্চলে চা বাগানের সংখ্যা বাড়ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চা শিল্পকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গে চা উৎপাদন সম্প্রসারণে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পঞ্চগড়ে চা বাগান সফল হওয়ায় উত্তরবঙ্গে তা বিস্তার লাভ করেছে।

চা দেশের মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিতে সহায়তা করছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের চা চাষ বিভিন্ন এলাকায় চলে গেছে। যেখানে আমাদের সামান্য চা উৎপাদন হতো, সেখানে চা উৎপাদন এবং গ্রহণও বেড়েছে। পঞ্চগড়ে আঙ্গিনায়ও চা হচ্ছে, তারা তরকারিও ফলায়, চায়ের গাছও লাগায়। চা আমাদের অর্থকরী ফসল হচ্ছে। যেটা দেশের মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিতে সহায়তা করছে। চায়ের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে।

বিভিন্ন ফ্লেভারের চা বাজারজাত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের রুচি বদলে গেছে। বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভারের চায়ের চাহিদা বেড়েছে। বাজারে হার্বাল টি, মশলা টি, তুলসি পাতার চা, জেসমিন টি, এগুলো চলে। শুধু চা পাতা বাল্কে বিক্রি না করে, ভ্যালু অ্যাড করেন। তাহলে ভালো দাম পাবেন। পাট পাতা থেকেও চা তৈরি হয়। এ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। খামারিরা বলছেন, এটি নাকি ডায়াবেটিকসের জন্য ভালো।

শেখ হাসিনা বলেন, চা অর্থকরি ফসল হচ্ছে। দেশের মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিতে সহায়তা করছে। এ নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে। গবেষণার ওপর বিশেষ গুরত্ব দিতে হবে।

মালিকদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, চা শ্রমিকদের প্রতি যত্নবান হলে তাদের থেকে বেশি কাজ করিয়ে নিতে পারবেন। তাদের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া, চিকিৎসাসহ নানান বিষয় দেখবেন। চা শ্রমিকদের নাগরিকত্ব দিয়েছেন জাতির পিতা। তাদের মাথাগোঁজার ঠাঁই, আপন ভূমি নেই। আমরা তাদের সেই মাথাগোঁজার ঠাঁই করে দেবো। কেউ ভূমিহীন, গৃহহীন থাকবে না। আমাদের পরিষ্কার কথা।

তিনি বলেন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রামের চা দোকানে আড্ডা বসে। চায়ের কাপে ঝড় তোলে। রাজা উজির মারে ওখানে। দেশি বিদেশি নানান খবর রাখে সেখানকার মানুষ। আর চা পান করে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দেয়। এ কারণে আমাদের চায়ের চাহিদাও বেড়ে গেছে। নিজস্ব উৎপাদনে যেন চাহিদা পূরণ করতে পারি, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অবশ্য চায়েরও উৎপাদন বেড়েছে। উভয়ের সামঞ্জস্য রেখেই আমাদের চলতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, চা আমার খুব প্রিয়। আমি চা পান করি। কারণ, জাতির পিতা চা বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। আর বিশেষ করে, চা শ্রমিকরা নৌকায় ভোট দেয়। অনেকে অনেকভাবে চেষ্টা করেছে, কিন্তু তাদের অন্য দিকে নিতে পারে নাই। তাদের (শ্রমিক) ভালোবাসা, আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করে।

অনুষ্ঠানে চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮টি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন চা কোম্পানি/ব্যক্তিকে ‘জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৪’ দেন সরকারপ্রধান।

দেশে চতুর্থবারের মতো পালিত হচ্ছে জাতীয় চা দিবস। এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য- ‘চা দিবসের সংকল্প, শ্রমিকবান্ধব চা শিল্প।’

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

রাজধানীতে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২১

0

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার (৩ মে) সকাল ছয়টা থেকে মঙ্গলবার (৪ মে) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ২ হাজার ১৮৬ পিস ইয়াবা, ৮৫ গ্রাম হেরোইন, ২ কেজি ৪৫০ গ্রাম গাঁজা, ১১০ বোতল ফেনসিডিল ও ৩ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৪টি মামলা হয়েছে।

উগান্ডাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু আফগানিস্তানের

0

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নবাগত উগান্ডা পাত্তাই পেল না আফগানিস্তানের কাছে। আগে ব্যাট করে বড় সংগ্রহই গড়ে আফগানরা। পরে তাদের পেসার ফজলহক ফারুকি ও অন্য বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আফ্রিকান দলটির ব্যাটাররা। আর তাতে বিশাল জয় দিয়ে আসর শুরু করল আফগানরা।

গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আজ গ্রুপ ‘সি’-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১২৫ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। রানের হিসাবে এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চতুর্থ সর্বোচ্চ জয়। আগে ব্যাট করে দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরানের ব্যাটে ভর করে ৫ উইকেটে ১৮৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। জবাবে ১৬ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করলেও সব উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৮ রান তুলতে পারে উগান্ডা। সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার দিক থেকে এটি বিশ্বকাপের চতুর্থ সর্বনিম্ন।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা আফগানরা দুই ওপেনারের ব্যাটেই তুলে ফেলে ১৫৪ রান। গুরবাজ ও জাদরান যেভাবে ব্যাট করছিলেন, তাতে আফগানদের দুইশ পার ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ১৫তম ওভারে উগান্ডার অধিনায়ক ও লেগ স্পিনার ব্রায়ান মাসাবা বিদায় করেন জাদরানকে। ৪৬ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৭০ রান করা জাদরান ফিরেছেন সরাসরি বোল্ড হয়ে।

পরের ওভারেই ফেরেন গুরবাজও। উগান্ডার বোলার আলপেশ রামজানির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৪৫ বলে ৭৬ রান করেছেন গুরবাজ; হাঁকিয়েছেন ৪টি করে ছক্কা ও চার। তবে এরপর অদ্ভুতভাবে রানের চাকার গতি কমে যায় আফগানিস্তানের। উইকেটও পড়ে নিয়মিত বিরতিতে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ নবি। বাকিরা দুই অঙ্কও ছুঁতে পারেননি। ফলে দুইশ থেকে অনেকটা দূরেই থামে তাদের ইনিংস।

তবে বোলিংয়ের শেষদিকে সাফল্য পেলেও উগান্ডার আসল দুর্বলতা প্রকাশ পায় ব্যাটিংয়ে। আফগান পেসারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি কেউ। প্রথম ওভারেই তাদের জোড়া ধাক্কা দেন ফারুকি। পর পর দুই বলে উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জানিয়েছিলেন তিনি। সেই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি উগান্ডা। টানা উইকেট পতনে একসময় ১৮ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। ইনিংসের তখন কেবল চতুর্থ ওভার।

পঞ্চম উইকেট পতনের পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে উগান্ডা। ক্রিজ কামড়ে পড়ে থাকেন রিয়াজাত আলী শাহ ও রবিনসন ওবুয়া। কিন্তু রান তুলতে পারছিলেন না তারা। যদিও দুজনেই কোনোমতে দুই অঙ্কে পৌছান। এর মধ্যে রিয়াজাত গড়েছেন টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে কম স্ট্রাইক রেটের ইনিংস খেলার রেকর্ড। কমপক্ষে ২৫ বল খেলে সর্বনিম্ন স্ট্রাইক রেট এখন রিয়াজাতের (৩৪ বলে ১১ রান, স্ট্রাইক রেট ৩২.৩৫।

রিয়াজাত ও রবিনসনের প্রতিরোধ ভাঙে ১৩তম ওভারে। যেখানে প্রথম বলেই রিয়াজাত ও পরের বলে মাসাবাকে ফিরিয়ে ফের একবার হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন ফারুকি। তবে এবারও হয়নি। কিন্তু ওভারের শেষ বলে রবিনসনকে বিদায় করেন ফারুকি। শেষ পর্যন্ত ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যা চতুর্থ সেরা বোলিং ফিগার। বল হাতে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন আফগানিস্তানের নাভিন-উল-হক ও রশিদ খান। বাকি উইকেট মুজিব উর রহমানের।

গাজায় ইসরায়েলি হামলা, ৪ জিম্মির মৃত্যু

0

গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের সময় হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মধ্য হতে আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

বর্তমানে তাদের মরদেহ হামাসের জিম্মায় র‍য়েছে।

নিহত চারজন হলেন ব্রিটিশ–ইসরায়েলি নাদাভ পোপেলওয়েল (৫১), চেইম পেরি (৭৯), ইয়োরাম মেতজার (৮০) এবং আমিরাম কুপার (৮৫)।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে সংগ্রহ করা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই চার ব্যক্তির মৃত্যুর খবর জানা গেছে।

গত মাসে হামাস জানিয়েছিল, গাজায় গত এপ্রিলে ইসরায়েলি হামলায় নাদাভ পোপেলওয়েল নামে এক জিম্মির মৃত্যু হয়েছে। ওই সময় যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, হামাসের এমন দাবি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যদিও পরে আর কখনোই ব্রিটিশ–ইসরায়েলি নাদাভ পোপেলওয়েলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানানো হয়নি।

নাদাভসহ বাকি তিনজনকে গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজার পাশের কিবুতজেস এলাকা থেকে জিম্মি করেছিল হামাস। খবর বিবিসি

জিম্মি এবং নিখোঁজদের পরিবার ফোরাম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই মৃত্যুর খবর শোনার পর প্রত্যেক নেতাকে গভীর আত্মা-অনুসন্ধান করা উচিত। চাইম, ইয়োরাম, আমিরাম এবং নাদাভকে জীবিত অপহরণ করা হয়েছিল, তারা অন্য জিম্মিদের সঙ্গে ছিল যারা আগের চুক্তিতে মুক্তি পেয়েছিল। এই চার জনেরও তাদের দেশে এবং তাদের পরিবারের কাছে জীবিত ফিরে আসা উচিত ছিল।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব ডেভিড ক্যামেরন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এক পোস্টে বলেছেন, তিনি নাদাভ পপলওয়েলের মৃত্যুর কথা শুনে অত্যন্ত ব্যথিত, এই ভয়ঙ্কর সময়ে তিনি নাদাভের প্রিয়জনদের সমব্যথী।

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ ঘেছে ৩৬ হাজারের বেশি মানুষের।

জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

0

জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮টি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন চা কোম্পানি/ব্যক্তিকে ‘জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৪’ দেবেন সরকারপ্রধান। এরপর চা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চা মেলা পরিদর্শন করবেন তিনি।

দেশে চতুর্থবারের মতো দিবসটি পালিত হবে। এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য- ‘চা দিবসের সংকল্প, শ্রমিকবান্ধব চা শিল্প।’

গত সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সম্মেলন কক্ষে জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম জানান, চা শিল্প টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ১৩টি দেশে প্রায় ১.০৪ মিলিয়ন কেজি চা রফতানি করা হয়েছে, যা গত বছরের প্রায় ৩৩ শতাংশ বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী চা তৈরিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

দীর্ঘ লড়াই শেষে না ফেরার দেশে অভিনেত্রী সীমানা

0

অবশেষে অভিনেত্রী ও মডেল রিশতা লাবনী সীমানার ১৪ দিনের দীর্ঘ লড়াই শেষ হলো। মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৬টায় মাত্র ৩৯ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী। মৃত্যুকালে স্বামী, দুই ছেলে রেখে গেছেন সীমানা।

গত ২১ মে রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সীমানা। সেদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে দ্রুত ধানমন্ডির বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে জানতে পারেন, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। পরদিন আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য সীমানাকে ধানমন্ডির আরেকটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। গেল কয়েকদিন সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত শনিবার এই হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়। গত বুধবার বিকেল থেকে সীমানার চিকিৎসা চলছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সীমানার শারীরিক অবস্থা প্রতিনিয়ত অবনতি হয়েছে। শুরুর দিকে তাকে আইসিইউতে রাখা হলেও বুধবার থেকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আনার পর পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। গতকাল রোববার সীমানার ভাই এজাজ বিন আলী জানান, তার অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। আজ সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সীমানা চলে যান না ফেরার দেশে।

২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন সীমানা। এরপর থেকে তিনি নাটক, বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করেন। দেখা গেছে, তৌকীর আহমেদ পরিচালিত বহুল প্রশংসিত ছবি ‘দারুচিনি দ্বীপ’ এর মতো সিনেমাতেও। কিন্তু হঠাৎ ২০১৬ সাল থেকে অভিনয়ে বিরতি। পরে জানা যায়, মা হওয়ার জন্যই এই বিরতি। দুবার মা হওয়ার কারণে তার এই দীর্ঘ বিরতি। বিরতি ভেঙে গত বছর আবার নাটকে অভিনয় শুরু করেন। সীমানার দুই সন্তান। বড় সন্তান শ্রেষ্ঠর বয়স আট, আর ছোট সন্তান স্বর্গ তিন বছর বয়সী।

দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো থেমে নেই : সালমান এফ রহমান

0

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও অনেকেই দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। কিন্তু আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা যতই শক্তিশালী হোক না কেন আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। একই সাথে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলার সাথে প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

রোববার ঢাকার তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ঢাকা জেলা পরিষদ আয়োজিত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে সালমান এফ রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে আপনারা দেশ স্বাধীন করেছেন, একমাত্র আপনাদের জন্যই আজ স্বাধীনতার লাল সবুজের পতাকা পেয়েছি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস অসম্পূর্ণ। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের ইতিহাসের অংশ। তাদের কারণেই আজ আমরা স্বাধীন দেশের গর্বিত নাগরিক। পরে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি উপস্থিত থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে যেভাবে দেশকে শত্রুমুক্ত করেছি, ঠিক একইভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত হয়ে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রকে রুখে দিতে হবে। যুদ্ধাপরাধীরা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য কলঙ্ক। এই কলঙ্ককে মুছে ফেলতে না পারলে আগামী প্রজন্মকে এর খেসারত দিতে হবে।

বক্তরা নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠান শেষে ঢাকা জেলা পরিষদ হতে ঢাকা জেলার ২০০ মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

নিষেধাজ্ঞা না থাকলে বেনজীর যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিষয়ে কোর্ট বা দুদকের দেশত্যাগে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায়, তিনি চাইলে যেকোনো জায়গায় যেতেই পারেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ সোমবার (৩ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এন্টিগা ও নিউইয়র্ক সফর পরবর্তী মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার (বেনজীর) দেশত্যাগে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। আদালতও দেয়নি, দুদকও দেয়নি। কারও ওপর যখন দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা না থাকে, তিনি যেকোনো জায়গায় যেতেই পারেন।

আগামী ৬ জুন দুদকের বেনজীরের হাজিরার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ জুন তিনি হাজির হচ্ছেন কি হচ্ছেন না, সেটা দেখার বিষয়, নাকি তিনি সময় নিচ্ছেন।

বেনজীর-আজিজ এ সরকারের সৃষ্টি বলে বিএনপির অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছে। সরকারের কোনো হাত নেই বিধায় দুদক অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে স্বাধীনভাবে কাজ করছে, যার কারণে বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, আদালত অত্যন্ত স্বাধীনভাবে কাজ করছে বিধায় এই বিষয়গুলো উঠে এসেছে। এটা তো অন্য কেউ তুলে আনেনি। সরকার এ ব্যাপারে অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং সরকারের অবস্থান অত্যন্ত পরিস্কার।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী মিশন নিয়ে ডয়চে ভেলের সাম্প্রতিক তথ্যচিত্রের বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনের সারমর্ম বোঝা বড় মুশকিল। কোনো তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সেই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়নি। মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিবেদন করা হয়েছে জাতিসংঘে আমাদের শান্তিরক্ষী বাহিনীর অবদানকে খাটো করতে।

মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা শ্রমিকদের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কথা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে সময়টাকে বর্ধিত করার জন্য। ৩১ মে পর্যন্ত যে ডেডলাইন ছিল, সেটা যেন বর্ধিত করা হয়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কাদের গাফিলতি ছিল, সেটিও তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চেষ্টা করছি, মালয়েশিয়া যে ডেডলাইন ইমপোজ করেছে, সেটি যেন আরও কিছুদিন বাড়ানো হয়।