Home Blog Page 35

আরও একটি বিশ্বকাপ খেলতে চান সাকিব

0

বাংলাদেশ সময় রোববার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার আগে বিশ্বকাপে থাকা খেলোয়াড়দের নিয়ে বিসিবির ধারাবাহিক ভিডিও সিরিজ ‘দ্য গ্রিন রেড স্টোরি’-তে সাকিব আল হাসান আরও একটি বিশ্বকাপ খেলার ইচ্ছার কথা বলেছেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুটা হয়েছিল ২০০৭ সাল। সেই থেকে এখন পর্যন্ত সবকটি ২০ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলেছেন সাকিব। তার সঙ্গে এই কীর্তি আছে শুধু ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মার। আরও একটি বিশ্বকাপ যদি সাকিব খেলতে পারেন আর রোহিত না খেলেন তবে নতুন একটি রেকর্ড গড়বেন।

আরও একটি বিশ্বকাপ খেলার ইচ্ছে সাকিব জানিয়েছেন হাসতে হাসতেই,‘প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত যতগুলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হলো সবগুলোতেই অংশ নিতে পেরেছি। আমার জন্য এটা গর্বের ও আনন্দের। একই সময়ে যেহেতু দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি, অনেক ভালো লাগার একটা জায়গা আছে। আমি এবং রোহিত শর্মাই হয়তো মাত্র দুজন খেলোয়াড় যারা সবগুলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেছে। আশা করব আরও একটি বিশ্বকাপ যেন খেলতে পারি। তার আগে এই বিশ্বকাপে পারফরম্যান্সটা যেন ভালো থাকে। বাংলাদেশ যেন অন্যান্য যে কোনো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চেয়ে ভালো ফল করে আসতে পারে।’

ভিডিওতে সাকিব উত্তর দিয়েছেন কাগজে লেখা কয়েকটি প্রশ্নের। সে প্রশ্নগুলোও নিজেই পড়ে শুনিয়েছেন। এর একটি ছিল এমন, ‘অনেকেই বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র সাকিবের “সেকেন্ড হোম” (দ্বিতীয় ঘর)। ঘরের সুবিধা কি পাবে দল?’ সাকিব হাসতে হাসতে এই প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ‘আমার সেকেন্ড হোম ঠিক আছে। তবে হোম অ্যাডভান্টেজ পাবে কি না বলাটা মুশকিল। কিন্তু আমার মনে হয় পাবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আমেরিকা, এ দুটো জায়গাতেই আমরা, এর আগে ফ্লোরিডায় যখন খেলেছি বাংলাদেশ ভালো করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা সব সময়ই সুবিধা পাই। কারণ পিচগুলো অনেকটা আমাদের মতোই হয়ে থাকে। তাই আমি আশা করছি দুই জায়গাতেই আমরা সুবিধা পাব।’

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের উত্থানের সমসাময়িক সাকিবের ক্যারিয়ার। তিনটি সংস্করণের মধ্যে টি-টোয়েন্টিই এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়।

এই পরিবর্তন কীভাবে দেখেন সাকিব, এমন একটি প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, ‘আমার কাছে মনে হয় এটা ওয়ানডেরই বর্ধিত সংস্করণ। ওভার কাটলে যেটা হতো সেটাই। অনেক রোমাঞ্চকর। দর্শকেরা অনেক পছন্দ করেন। আমি একটি জিনিসই শুধু মনে করি যে ব্যাট ও বলের যেন সমান প্রতিযোগিতা এখানে থাকে। যেকোনো একতরফা যেন টুর্নামেন্টটা না হয়। সাধারণত বিশ্বকাপে কখনোই সেটা হয় না। আমি মনে করি এবারও একইরকম হবে।’

গ্রুপপর্বে নিজেদের প্রথম দুটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে খেলে পরের দুটি সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে খেলবে বাংলাদেশ দল। যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে কেমন সমর্থক পাবে বাংলাদেশ? সাকিব বললেন, ‘প্রচুর বাংলাদেশি দর্শক সেখানে অপেক্ষা করছে। আশা করি তারা পূর্ণ সমর্থন দেবে আমাদের। তাদের এই সমর্থন আমাদের কাজে আসবে এবং আমরা ভালো ফল পেতে সমর্থ হব।’

এবারের বিশ্বকাপ সাকিবের ব্যক্তিগত কোন চাওয়া নেই। শুধু দেশের হয়ে ভাল কিছু করতে চান তিনি, ‘আমার নামের পাশে আমি কিছু দেখতে চাই না। একটি জিনিসই চাই যেন বাংলাদেশের হয়ে অবদান রাখতে পারি। এই বিশ্বকাপে যেন বাংলাদেশের হয়ে ভালো কিছু করতে পারি।’

জাতীয় দলকে বিদায় উরুগুয়ে কিংবদন্তির

0

উরুগুয়ের ইতিহাসে সেরা খেলোয়াড়দের একটা তালিকা করা হলে শীর্ষেই থাকবেন এডিনসন কাভানি। দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দলের বাইরে এই তারকা ফুটবলার। অবশেষে জাতীয় দলকেই বিদায় বলে দিলেন ৩৭ বছর বয়সী কাভানি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক বিবৃতিতে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান কাভানি।

২০১১ সালে সর্বশেষ কোপা আমেরিকা জিতেছিল উরুগুয়ে। সেই দলের সদস্য ছিলেন কাভানি। আরেকটি কোপা আমেরিকা যখন দোরগোড়ায়, ঠিক তখনই সরে গেলেন উরুগুয়ের এই সেন্টার ফরোয়ার্ড। ইনস্টাগ্রামে ক্যাপশনে কাভানি লিখেছেন, ‘উরুগুয়ে দলের সঙ্গে ভ্রমণটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।’

বিবৃতিতে কাভানির ভাষ্য ছিল, ‘আজ (কাল) আমি উরুগুয়ে দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে সব সময় প্রিয় দলকে অনুসরণ করব, তখনো আমার হৃদয় কাঁপবে। এই সুন্দর জার্সিটি পরে মাঠে নামার সময় যেমন হতো।’

বর্তমানে আর্জেন্টিনার বিখ্যাত ক্লাব বোকা জুনিয়র্সে খেলছেন কাভানি। ক্লাবটির সঙ্গে এ বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি আছে কাভানির। জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়ে ক্লাব ফুটবলেই যে পুরোপুরি মনোনিবেশ করবেন, সেটাই ছিল তার ইচ্ছা।

বিবৃতিতে তিনি আরও লিখেন, ‘নিঃসন্দেহে (উরুগুয়ে দলের সঙ্গে কাটানো) সেই বছরগুলো অনেক মূল্যবান ছিল। আমার বলার ও মনে রাখার মতো হাজার হাজার জিনিস থাকবে। তবে আজ ক্যারিয়ারের নতুন পর্যায়ে নিজেকে সঁপে দিতে চাই এবং যেখানে আমাকে থাকতে হবে, সেখানেই সব উজাড় করে দিতে চাই।’

২০০৮ সালে উরুগুয়ের হয়ে অভিষেক হয় কাভানির। জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩৬ ম্যাচ। তার উপরে আছেন কেবল ১৬১ ম্যাচ খেলা দিয়েগো গদিন। ৫৮ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও কাভানির অবস্থান দুইয়ে। তার ওপরে আছেন শুধু লুইস সুয়ারেজ (৬৮ গোল)।

এখন পর্যন্ত নাপোলি, পিএসজি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন কাভানি। সাবেক এই ফরোয়ার্ড উরুগুয়ের হয়ে খেলেছেন ৪টি বিশ্বকাপ, ১টি ফিফা কনফেডারেশনস কাপ ও ৫টি কোপা আমেরিকা। সর্বশেষ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে উরুগুয়ের জার্সিতে দেখা গেছে কাভানিকে।

এবার ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে স্লোভেনিয়া

0

এবার ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপের দেশ স্লোভেনিয়া। দেশটির সংসদ অনুমোদন দিলেই বিষয়টি কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট গোলোব।

এক সংবাদ সম্মেলনে রবার্ট গোলব বলেন, ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার সরকার। এবার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে দেশটির পার্লামেন্টের অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে। আগামী মঙ্গলবার (৪ জুন) পার্লামেন্টে এ বিষয়ে ভোটাভুটি হবে।

তবে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ মনে করছেন, স্লোভেনিয়ার পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনের স্বীকৃতির বিষয়টি অনুমোদন পাবে না। সামাজিকমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে তিনি বলেন, আমি আশা করি, স্লোভেনিয়া সরকারের এই সুপারিশ প্রত্যাখ্যান করবে দেশটির পার্লামেন্ট।

এর আগে গত ২৮ মে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয় স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ সদস্যদেশের মধ্যে সুইডেন, সাইপ্রাস, হাঙ্গেরি, চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও বুলগেরিয়া আগেই এই স্বীকৃতি দিয়েছে। একই পথ অনুসরণ করার ঘোষণা দিয়েছে মাল্টাও।

এদিকে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াও। আর ফ্রান্স বলেছ— এই স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এখন সঠিক সময় নয়। অপর দিকে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির ভাষ্যমতে, একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান সম্ভব।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের সদস্য ১৪৭টি দেশ। এর মধ্যে চলতি বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে সবশেষ স্বীকৃতি দিয়েছে, বাহামা, ত্রিনিনাদ অ্যান্ড টোবাগো, জামাইকা অ্যান্ড বারবাডোজ, স্পেন, নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড।

পাকিস্তানকে উড়িয়ে ইংল্যান্ডের সিরিজ জয়

0

বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঠিক মেলে ধরতে পারলো না পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চার ম্যাচ সিরিজে দলটি হেরেছে ২-০ ব্যবধানে। অপর দুটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যায়। সিরিজের চতুর্থ ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তান হেরেছে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে।

বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের দ্য ওভালে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে ২০ ওভারও খেলতে পারেনি পাকিস্তান। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ১৯.৫ ওভারে মাত্র ১৫৭ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। জবাবে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় বাটলারের দল। সিরিজ জিতে নেয় ২-০ ব্যবধানে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো ছিল পাকিস্তানের। পাওয়ার প্লেতে ৫৯ রান তুলে তারা। যদিও শেষ বলে হারায় বাবর আজমের উইকেট। পাকিস্তান অধিনায়ক ফেরেন ২২ বলে ৩৬ রান করে। চারবল পর তাকে অনুসরণ করেন রিজওয়ান, ১৬ বলে ২৩ রান করে ফেরেন এই ওপেনার। এরপরই হঠাৎ ছন্দপতন পাকদের। দ্রুত সময়ের মধ্যে ফখর জামান, শাদাব খান ও আজম খানকে হারিয়ে বিপদে পড়ে দলটি।

দলের বিপদে হাল ধরেন উসমান খান ও ইফতিখার আহমেদ। উসমান ২১ বলে খেলেন ৩৮ রানের ইনিংস। শেষদিকে ইফতিখার ১৮ বলে ২১ ও নাসিম শাহর ১৮ বলে ১৬ রান করলে দেড়শ পার করে পাকিস্তান। তবুও পারেনি পুরো বিশ ওভার খেলতে। অলআউট হয় এক বল আগেই। ইংল্যান্ডের হয়ে ২টি করে উইকেট তুলে নেন মার্ক উড, আদিল রশিদ ও লিয়াম লিভিংস্টোন।

জবাব দিত নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই জয়ের ভীত তৈরি করে ইংলিশরা। দলকে ঝড়ো শুরু এনে দেন ফিল সল্ট ও জস বাটলার। ৬ ওভারের দু’জনে তুলে নেন ৭৮ রান। দলীয় ৮২ রান্ব ২৪ বলে ৪৫ রান করে আউট হন সল্ট। বাটলার ফেরেন ২১ বলে ৩৯ রান করে। এই দুজনকেই ফেরান হারিস রউফ। অবশ্য ইংল্যান্ড ততক্ষণে পৌঁছে যায় শতরানে। এরপর আরও একটা উইকেট নেন হারিস, এবার ফেরান উইল জ্যাকসকে। ১৮ বলে ২০ রানে আউট হন উইল। তবে দলকে জিতিয়ে আনেন বেয়ারেস্টো ও হ্যারি ব্রুক মিলে।

তাদের দু’জনের ২৭ বলে ৪৬ রানের জুটি ১৫.৩ ওভারেই নিশ্চিত করে জয়৷ বেয়ারেস্টো ১৬ বলে ২৮ ও হ্যারি ব্রুক অপরাজিত থাকেন ১৪ বলে ১৭ রানে।

এই জয়ে বিশ্বকাপের ঠিক আগে ঘুম ভাঙলো ইংলিশদের। অবশেষে কাটলো তাদের টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ জয়ের খরা। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শিরোপা জেতার পর থেকে এই ফরম্যাটে প্রথম কোনো সিরিজ জিতলো তারা। মাঝে সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশের কাছেও!

হৃতিক থেকে বিপাশার স্বামী, সুরভির প্রেম নিয়ে যত কানাঘুষা

0

ভারতীয় টিভি ও চলচ্চিত্রাভিনেত্রী সুরভি জ্যোতি। ১৯৮৮ সালের ২৯ মে পাঞ্জাবের জালন্ধরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জালন্ধরে বাবা-মা, ভাইয়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। সেখান থেকে স্কুল-কলেজের পড়াশোনা শেষ করেন সুরভি। পরবর্তীতে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ইংরেজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন সুরভি।

রেডিও জকি হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন সুরভি। পাশাপাশি মঞ্চে নাটকও করেন। ২০১০ সালে পাঞ্জাবি সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন সুরভি। ‘ইক কুরি পাঞ্জাব দি’, ‘রাওলা পে গয়া’, ‘মুন্ডে পটিয়ালা দে’ শিরোনামে পাঞ্জাবি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। পাঞ্জাবি ভাষার টিভি ধারাবাহিকেও অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে। ‘আঁখিয়া তো দূর যায়ে না’, ‘কাচ দিয়া ওয়াঙ্গা’ নামে দু’টি পাঞ্জাবি ধারাবাহিকেও অভিনয় করেছেন।

ছোট পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়তে পাঞ্জাব ছেড়ে মুম্বাই পাড়ি জমান সুরভি। ২০১২ সালে ‘কবুল হ্যায়’ নামে একটি হিন্দি ধারাবাহিকের জন্য অডিশন দিয়ে কাজের সুযোগ পান। ধারাবাহিকটি প্রায় চার বছর টিভিতে প্রচার হয়। এতে পাঁচটি চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

গুঞ্জন রয়েছে, পাঞ্জাবি অভিনেতা-গায়ক জোরাবার সিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন সুরভি। কিন্তু অভিনেত্রী পাঞ্জাব ছেড়ে মুম্বাই চলে যাওয়ার পর তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। শোনা যায়, এই দূরত্বের কারণে নাকি দুই তারকার বিচ্ছেদ হয়।

‘কবুল হ্যায়’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন অভিনেতা বরুণ তুর্কির সঙ্গে পরিচয় হয় সুরভির। পেশাগত সূত্রে পরিচয় হলেও দু’জনের মধ্যে বন্ধুত্ব বাড়তে থাকে। অধিকাংশ সময় তাদের একসঙ্গে দেখা যেত। এমনকি তাদের একসঙ্গে তোলা ছবিও মাঝেমধ্যে সমাজিক যোগযোগমাধ্যমে পোস্ট করতেন এই দুই তারকা। এসময় গুঞ্জন চাউর হয়, জোরাবারের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সহ-অভিনেতা বরুণের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন সুরভি। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানান, বরুণের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক নেই।

‘কবুল হ্যায়’ ধারাবাহিকে সুরভির সঙ্গে করণ সিংহ গ্রোভারের জুটি পছন্দ করেছিলেন দর্শক। বিপাশা বসুর স্বামী করণের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করে যেমন প্রশংসা কুড়িয়েছেন সুরভি, তেমনি ব্যক্তিগত জীবনে করণের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর গুঞ্জনে খবরে উঠে আসেন এই নায়িকা।

এক সাক্ষাৎকারে করণের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সুরভিকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার আর করণের কোনো সম্পর্ক নেই। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। করণকেও এই বিষয়ে জানিয়েছিলাম।’ এ বিষয়ে সুরভিকে করণ বলেছিলেন, ‘বিনোদনজগতে তোমাকে স্বাগত জানাই। এখানে এসব চলতেই থাকে।’

‘কবুল হ্যায়’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তার পর ‘ইশকবাজ’, ‘কোয়ি লওট কে আয়া হ্যায়’, ‘নাগিন থ্রি’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন সুরভি। ‘নাগিন’ ধারাবাহিকের সহ-অভিনেতা পার্ল ভি পুরির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর গুঞ্জনও চাউর হয়েছিল। কিন্তু বরাবরের মতো এ অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন— তারা ডেট করছেন না। সবই রটনা।

‘পবিত্র রিস্তা’ ধারাবাহিকের অভিনেতা হৃতিক ধঞ্জানির সঙ্গেও নাম জড়িয়েছে সুরভির। একসঙ্গে ইস্তাম্বুলে ঘুরতে গিয়েছিলেন তারা। শুধু তাই নয়, বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশানের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল সুরভির। কিন্তু অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, হৃতিকের সঙ্গে তার ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হচ্ছেন নাঈমুল ইসলাম খান

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের এমিরেটাস এডিটর মো. নাঈমুল ইসলাম খান।

গত ২৮ মে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, উপর্যুক্ত বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের এমিরেটাস এডিটর মো. নাঈমুল ইসলাম খানকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল পর্যন্ত অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে সচিব পদমর্যাদায় নির্ধারিত বেতন ও সরকারি অন্যান্য সুবিধাদিসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদানের বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।

এমতাবস্থায় মো. নাঈমুল ইসলাম খানকে সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমের মৃত্যুর পর থেকেই এই পদটি শূণ্য ছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করলে নাঈমুল ইসলাম খানের নিয়োগ চূড়ান্ত হবে।

মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার বাংলাদেশি

0

মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, বন্ধ হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। শুক্রবারের (৩১ মে) পর থেকে আর কোনো বাংলাদেশি শ্রমিক প্রবেশ করতে পারবে না মালয়েশিয়ায়।

এতে অপেক্ষমাণ কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কুয়ালালামপুরের দুটি আন্তর্জাতিক টার্মিনালে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পৌঁছেছেন, যারা দেশটিতে প্রবেশ করতে পারেননি। তারা অবস্থান করছেন বিমানবন্দরের ফ্লোরে। এতে দুর্ভোগ বাড়ছে কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের। নিজেদের কর্মী শনাক্তে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিয়োগকর্তাদের। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে কর্মীদের।

বিজ্ঞাপন

এদিকে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে দৈনিক বিদেশি কর্মীদের আগমন হয় ৫০০ থেকে ১ হাজার। কিন্তু ২২ মে থেকে আগমনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত ও যানজট নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

একটি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার কর্মীর বাংলাদেশ থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র ইস্যু হয়েছে। কর্মী প্রবেশের সময় আর মাত্র একদিন বাকি থাকায় বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীরা উল্টো পথে দুবাই, কাতার, চীন, হংকং, সিংগাপুর, ইন্দোনেশিয়া হয়ে স্রোতের মতো দেশটিতে ঢুকছেন।

এরই মধ্যে অনেকের অভিযোগ, টিকিটের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সিন্ডিকেট চক্র মালয়েশিয়ার ৩০ হাজার টাকার ওয়ানওয়ে টিকিটের দাম এখন ৯৫ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছে। এভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চক্রটি।

নির্ধারিত ১০০ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে এফডব্লিউ সিএমএস প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের দেশটিতে প্রবেশের সবশেষ সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয় ৩১ মে। এর ফলে বাংলাদেশি কর্মীদের ৩১ মের মধ্যে দেশটিতে প্রবেশের হিড়িক পড়েছে।

এ নিয়ে প্রবাসী কমিউনিটি নেতা রাশেদ বাদল বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের জন্য অন্যতম বড় শ্রমবাজার হওয়ায় এ সিদ্ধান্তের ফলে আমাদের বিরাট ক্ষতি হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়া ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক প্রবাসী বলেন, সিন্ডিকেট চক্রের অনিয়ম দুর্নীতি এবং অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের কারণে ৩১ মের পর থেকে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দালালদের হাত বদল হয়ে প্রায় চার থেকে ৫ লাখ টাকা ব্যয় করে কর্মীরা দেশটিতে যাচ্ছে।

বায়রার যুগ্ম মহাসচিব মো. ফখরুল ইসলাম ফোনে আলাপকালে বলেন, প্রায় ১০ লাখ কর্মীর মেডিকেল করেও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটিতে প্রবেশের সময় বৃদ্ধি না হলে প্রায় ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া গমনে অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। ভবিষ্যতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হলে কোনো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যাতে কর্মী নিয়োগ না হয় সে ব্যাপারে প্রবাসী মন্ত্রণালয়কে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।

টিকিট সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য নিয়ে ব্যবসায়ী দাতুশ্রী কামরুজ্জামান কামাল বলেন, মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের টিকিট কয়েকটি এয়ারলাইন্স গতকাল থেকে অস্বাভাবিক বাড়িয়েছে। ৩০ হাজার টাকার টিকিট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করছে। এটা বিদেশগামী কর্মীদের ওপর মারাত্মক জুলুম।

তিনি বলেন, ইউএস-বাংলা ১ লাখ ২ হাজার টাকায় বিক্রি করছে। এটা ডাকাতি ছাড়া কিছু নয়।

২০২৫ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার মোট শ্রমিকের ১৫ শতাংশ অন্যান্য দেশ থেকে আগতদের জন্য নির্ধারিত করে দেশটির সরকার। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ পর্যন্ত দেশটিতে ২০ লাখ বিদেশি শ্রমিক কাজ করছেন।

যে দু’জন বিশ্বকাপের সেরা ব্যাটার-বোলার হবেন

0

আর মাত্র একদিন। এরপরই মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জমজমাট আসর। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট হবে কোন চার দল, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই।

এবার বিশ্বকাপের সেরা ব্যাটার-বোলার নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং। আইসিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়ে দিলেন, এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের মালিক হতে পারেন তার স্বদেশি ট্রাভিস হেড। বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট দখলে থাকতে পারে ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহর, বলছেন অসিদের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।

ট্রাভিস হেড এবারের আইপিএলে ৫৬৭ রান করে অরেঞ্জ ক্যাপের তালিকায় চতুর্থ স্থানে ছিলেন। তাকে নিয়ে পন্টিং বলেন, ‘আমার মতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের মালিক হতে পারে ট্রাভিস হেড। শেষ কয়েক বছর ধরে, লাল বলে হোক বা সাদা বলে, সুযোগ পেলেই অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে হেড। আর এই মূহূর্তে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলছে ও।’

‘আইপিএলে ওঠানামা গেছে, কিন্তু ছন্দে থাকলেই ও দলকে জিতিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রেও সেটা হবে। হয়তো ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরমেন্স নাও করতে পারে, তবে আমার মনে হয় ও সর্বোচ্চ রানের মালিক হিসেবে প্রতিযোগিতা শেষ করবে। উইকেটে টিকে থাকলেই ও দলকে জেতাতে পারবে।’

এদিকে বিশ্বকাপের সেরা বোলার হিসেবে ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহকে নিয়ে বাজি পন্টিংয়ের। তিনি বলেন, ‘আমার মতে এই প্রতিযোগিতায় সব চেয়ে বেশি উইকেট পাবে জাসপ্রিত বুমরাহ। অসাধারণ পারফর্ম করে আসছে ভারতের হয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে। আর আইপিএলেও দুরন্ত ছন্দে ছিল।’

পন্টিং যোগ করেন, ‘নতুন বলের ক্ষেত্রে বুমরাহ অনেক কিছু পারে, সুইং করানোর বৈচিত্র্য রয়েছে ওর মধ্যে। আইপিএলে ৭ রানেরও কম ইকোনমি ছিল। ও স্লগ ওভারে বোলিং করে, উইকেট নেয়। আর ডেথ ওভারে বোলিং করলে উইকেট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাই আমার মতে বুমরাহ সর্বোচ্চ উইকেট পাবে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।’

‘গদর ২’ অভিনেতার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

0

বলিউড অভিনেতা সানি দেওল। এই অভিনেতার সিনেমা ‘গদর ২’-এর সাফল্যের পর বেশ কিছু বড় বাজেটের ছবির প্রস্তাবও রয়েছে তাঁর হাত। এর মাঝেই অভিনেতার নামে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন বলিউড প্রযোজক সৌরভ গুপ্ত। তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

প্রযোজক দাবি করেছেন, সানি দেওল তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন। ছবি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবু কথা রাখেননি। সানির সঙ্গে প্রযোজকের চার কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল। তার মধ্যে ২ কোটি টাকা অগ্রিমও দিয়েছিলেন। এর মাঝেই অভিনেতা অন্য একটি ছবির কাজে হাতে দিয়ে বসেন।

সৌরভ বলেন, ‘‘সানি আামাকে চাপ দিয়ে আরও আড়াই কোটি টাকা নেন। একজন পরিচালক ঠিক করা হয়। তাঁকে টাকা দেওয়া হয়। শুটিংয়ের জন্য ফিল্মিস্তান স্টুডিও ভাড়া করা হয়। ’’

তবে এত কিছু পর যখন চুক্তিপত্র দেখেন প্রযোজক, ততক্ষণে সানি নাকি জালিয়াতি করে চুক্তিপত্রে টাকার অঙ্ক বদলে দিয়ে ৪ কোটিকে ৮ কোটি করে দেন। তবে সৌরভ একা নন, ‘জানোয়ার’ ও ‘আন্দাজ’ ছবির প্রযোজক সুনীল দর্শনের সঙ্গেও নাকি একই ঘটনা ঘটান অভিনেতা। যদিও এই প্রসঙ্গে অভিনেতার তরফে কোনও বিবৃতি মেলেনি।

গত বছরের মাঝামাঝি সময় মুক্তি পায় সানি দেওল অভিনীত ‘গদর ২’। বক্স অফিসে ৫০০ কোটির বেশি ব্যবসা করে এই ছবি।

স্মার্ট প্রজন্মের জন্য মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়তে হবে : জেলা প্রশাসক

0

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক মো: সহিদুজ্জামান বলেছেন, সরকার জাতির পিতার দর্শনকে মাথায় রেখে তরুণদেরকে যুগোপযোগী এবং তথ্যপ্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন মানসিকতায় বিকশিত করতে চাই। সেজন্য স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন প্রসারিত করছেন সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাার এই পরিকল্পনাকে বাস্তবে রুপ দিতে হলে তরুণদের মধ্য থেকে মাদকের বিপরীতে সৃজনশীরতার অনুশীলন বাড়াতে হবে। স্মার্ট প্রজন্মের জন্য মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়ার কোনই বিকল্প নেই।

তিনি বুধবার বিকেলে মাদকদ্রব্যের ভয়াবহতা রোধকল্পে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মাদকবিরোধী সেমিনারে এসব কথা বলেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সহকারী পরিচালক একেএম দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: সহিদুজ্জামান।

এতে পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম(বার), জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর কবির, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: জসিম উদ্দিন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাফিজা আইরীন, বিআরটিএ’র মোটরযান পরিদর্শক কাওসার হোসেন, জেলা দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সুদর্শন দত্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় এনজিও ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অংশগ্রহণ বক্তারা জেলায় মাদকদ্রব্যের ভয়াবহতা রোধকল্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও প্রচারণা কমিটির সমম্বয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।