Home Blog Page 37

সিদ্ধান্ত বদল, কোচ নিয়োগ থেকে পিছু হটলো ভারত

0

জুলাই মাসের শুরুর দিকে হেড কোচ নিয়োগ করবে ভারত, গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে এমনটিই জানিয়েছিল ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি (বিসিসিআই)। সংস্থাটি বলেছিল, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে বর্তমান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের। এরপরই নতুন কোচ নিয়োগ করবে তারা।

কিন্তু হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলে ফেললো ভারত। বলা হচ্ছে, তড়িঘড়ি করে কোচ নিয়োগ করবে না বিসিসিআই। কিছুটা সময় নিয়েই বড় সিদ্ধান্ত নিতে চায় সংস্থাটি।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই) তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরিকল্পনা নিয়ে বেশি কাজ করতে চায় বিসিসিআই। আসর শেষ হওয়ার পর ভেবেচিন্তে নতুন কোচে হাতের দায়িত্ব তুলে দেবে তারা। এজন্য ভালো সময়ও পাবে বোর্ড।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের পর জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ খেলবে ভারত। এই সিরিজে ঘরোয়া ক্রিকেটের কোনো কোচের হাতে ভারতের দায়িত্ব দিতে চায় বিসিসিআই। সে সময় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা বিশ্রামে থাকবেন এবং দেশেই অবস্থান করবেন, তাদের সঙ্গে ভালোমতো আলোচনা করেই দীর্ঘমেয়াদে কোচ নিয়োগ করবে বোর্ড।

পিটিআই তাদের সূত্রের বরাতে বলেছে, ‘সময়সীমা ঠিক আছে। কিন্তু বিসিসিআই সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে আরও কিছু সময় নিতে চায়। এই মুহূর্তে দলটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে ব্যস্ত। জুন মাসের বেশিরভাগ সময় এভাবেই যাবে। এরপর শ্রীলঙ্কা এবং জিম্বাবুয়ে সফর থেকে সিনিয়রদের বিশ্রাম দেওয়া হবে। যেখানে এনসিএ (ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমি) ভিত্তিক সিনিয়র কোচরা দলের সঙ্গে যেতে পারেন। তাহলে এত তাড়া কিসের?’

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ দাবি করছে, নতুন কোচ হিসেবে গম্ভীরের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলেছে বিসিসিআই। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি।

সূত্র হিসেবে ক্রিকবাজ বলছে, আইপিএলের হাই-প্রোফাইল এক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক এবং বিসিসিআইয়ের অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য, তিনিই ক্রিকবাজকে গম্ভীরের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন।

এছাড়া অন্য আরেকটি সূত্রে ক্রিকবাজ বলছে, অন্য একজন হাই-প্রোফাইল ভারাভাষ্যকারও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। তবে নতুন কোচ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু বলেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

পশ্চিমা অস্ত্র রাশিয়ায় আঘাত হানলে পরিণতি হবে গুরুতর : পুতিন

0

পশ্চিমা দেশগুলো যদি ইউক্রেনকে রাশিয়ায় হামলা চালানোর জন্য তাদের অস্ত্র ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মঙ্গলবার (২৮ মে) উজবেকিস্তান সফরকালে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ভ্লাদিমির পুতিন।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সংঘাতের এই ক্রমাগত বৃদ্ধি গুরুতর পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। ইউরোপে, বিশেষত ছোট দেশগুলোতে, তারা কী নিয়ে খেলছে সে সম্পর্কে তাদের সচেতন হওয়া উচিত। এমন অনেক ইউরোপীয় দেশ রয়েছে যারা আয়তনে ছোট এবং সেসব দেশের ঘনবসতিপূর্ণ।

তিনি বলেন, রাশিয়ার ভূখণ্ডে আঘাত করার কথা বলার আগে তাদের এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত। তাই ইউক্রেনের বাহিনী হামলা চালালে তার দায়ভার পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহকারীদের ওপরই বর্তাবে।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন যখন সামরিক জোট ন্যাটোর কিছু সদস্য দেশের পাশাপাশি জোটের প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ ইউক্রেনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা চালানোর জন্য পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
খবর দ্য মস্কো টাইমস

বেনজীর-আজিজকে প্রটেকশন দেবে না সরকার : সালমান এফ রহমান

0

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ও সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদকে সরকার কোনো ধরনের প্রটেকশন দেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।

বুধবার (২৯ মে) সচিবালয়ে কল-কারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দুর্ঘটনা রোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় কমিটির সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

সালমান এফ রহমান এ কমিটির সভাপতি।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক ও সাবেক সেনাপ্রধানের নানা অনিয়মের বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। এ নিয়ে সরকার বিব্রত কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্পষ্টভাবে বলেছেন, কেউ যদি আইন ভঙ্গ করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে সরকারের কোনো এমব্যারাসমেন্ট (বিব্রতকর অবস্থা) হবে বলে আমি বিশ্বাস করি না। আইন নিজের গতিতে চলবে। তিনি যা বলেছেন, যতই ইনফ্লুয়েনশিয়াল (প্রভাবশালী) হোক না কেন, সরকার কোনোরকম প্রটেকশন কাউকে দেবে না। আইন নিজের গতিতে চলবে।

ভারতে বাংলাদেশের একজন সংসদ সদস্য খুন হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবাই কিন্তু এ নিয়ে খুবই শকড। আপনারা জানেন ঘটনাটি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমার মনে হয়, এর ওপর কমেন্ট (মন্তব্য) করা ঠিক হবে না।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মিলে গেলেন তমা মির্জা-মিষ্টি জান্নাত

0

মানহানিকর মন্তব্যের কারণে মিষ্টি জান্নাতের ওপর চটেছিলেন তমা মির্জা। রেগেমেগে দশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন আইনি নোটিশ। তাতে বলা হয়েছিল, জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে মিষ্টিকে।

ওদিকে আরেক কাঠি সরেস মিষ্টি জান্নাত। কম যাননি তিনিও। নিজেকে সেরের ওপর সোয়া সের প্রমাণ করতে তমার নামে ঠুকে দেন ২০ কোটি টাকার মানহানির মামলা। দুই নায়িকার এই যুদ্ধংদেহী অবস্থানে সামাজিক মাধ্যম যখন রীতিমতো উত্তপ্ত তখন লাগাম টানল শিল্পী সমিতি। জানা গেছে সমিতির উদ্যোগে সমঝোতা হয়েছে এ দুই নায়িকার।

এ প্রসঙ্গে তমা বলেন, ‘মিষ্টি আমার ছোট বোন, তার ভুল আমি ক্ষমা করেছি। আমরা একে অপরের উপর নির্ভরশীল তাই আমরা আমাদের প্রিয় সংগঠন শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে বসে আমাদের দুইজনের সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির অবসান করেছি।’

মিষ্টি জান্নাতও মিষ্টি করে বলেন, ‘তমা আপু আমার বড় আপু, আমাদের মধ্যে কিছুটা ভুল ভ্রান্তি হয়েছিল। সেই বিষয়ে আমিও ক্ষমাপ্রার্থী। আমাদের অভিভাবকদের সাথে নিয়ে সমঝোতা করলাম।’

মিষ্টির ঠিকানায় তমা আইনি নোটিশ পাঠান ২২ মে। নোটিশে সামাজিক মাধ্যমে থাকা দুটি ভিডিও বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়। ‘আপনার বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করব না, তমা মির্জাকে খোঁচা দিয়ে মিষ্টি জান্নাত’ এবং ‘চেটে চেটে নায়িকা হয়েছে তমা মীর্জা:জান্নাত’ শীর্ষক শিরোনামে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মানহানিকর বক্তব্য রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন আইনজীবী।

নোটিশে বলা হয়েছিল, এ সব বক্তব্যে সাংবাদিক ও দেশের জনগণের কাছে তার (তমা মির্জার) সুনাম নষ্ট হয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য তমার চরিত্র ও ব্যক্তিত্বে আঘাত হেনেছে। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে ডিজিটাল মিডিয়ায় এসব মানহানিকর বক্তব্য হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এতে ১০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে।

এরপর গতকাল ২৭ মে তমার ঠিকানায় ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠান মিষ্টি জান্নাত। সেখানে বলা হয়, তমা মির্জা মিষ্টির নামে অসত্য অভিযোগ এনে নোটিশ পাঠিয়েছেন। এটা তুলে নেওয়া ও ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০ কোটি টাকা না দিলে তমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা (মামলা) নেবেন মিষ্টি।

অবশেষে অভিভাবকের ভূমিকায় শিল্পী সমিতি। সমস্ত দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে মিলিয়ে দিল দুই নায়িকাকে।

শাহিনকে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলবে : ডিএমপি কমিশনার

0

ঝিনাইদাহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আক্তারুজ্জামান শাহিনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরাতে কূটনৈতিকভাবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

আজ বুধবার (২৯ মে) ডিএমপি সদরদপ্তরে আয়োজিত ‘ডাটাবেজ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস অব রোড ক্র্যাশ (ডিএআরসি সফটওয়্যার’ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

হাবিবুর রহমান বলেন, সংসদ সদস্যকে কী কারণে হত্যা করা হয়েছে অর্থাৎ হত্যার মোটিভ কী? এটি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশ কিংবা ভারতীয় পুলিশ কেউই উদ্ধার করতে পারেনি। এটার যিনি ষড়যন্ত্রকারী, পরিকল্পনাকারী তিনি এখন দেশের বাইরে রয়েছেন তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তাই হত্যার কারণ এখনো কিছুই উদ্ধার করা যায়নি। তাকে গ্রেপ্তার করলেই কেবল এই হত্যার মোটিভ জানা যাবে।

এ ক্ষেত্রে শাহিনকে ফেরানোর ক্ষেত্রে কী ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আনার হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আক্তারুজ্জামান শাহিন আমেরিকায় পলাতক। আর আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি নেই। তবে তাকে ফেরাতে কূটনৈতিকভাবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, এক্ষেত্রে পুলিশের পক্ষ থেকে যে ধরনের প্রচেষ্টা করা দরকার সেটির সর্বোত্তম চেষ্টা করা হবে। যেহেতু তিনি আমাদের সংসদ সদস্য ছিলেন সুতরাং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। যদিও আমেরিকার সঙ্গে আমাদের সেই ধরনের চুক্তি নেই। তাই অন্য যেকোনো মাধ্যম বা কূটনৈতিক চ্যানেলে সর্বোচ্চ চেষ্টা এ বিষয়ে করা হবে।

এক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে বন্দিবিনিময় চুক্তিকে কাজে লাগানো হবে কি না জানতে চাইলে হাবিবুর রহমান বলেন, আপনারা জানেন এই ঘটনাটি বাংলাদেশের আইনে বিচার হতে পারে এবং ভারতে যেহেতু ঘটনা ঘটেছে সেখানেও বিচার হতে পারে। সুতরাং এটি আমাদের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

শাকিবকে নিয়ে ফেসবুকে যা লিখলেন মিশা

0

গতকাল ২৮ মে উৎসব হিসেবে ধরা দেয় শাকিবিয়ানদের কাছে। কেননা এদিন ঢালিউডে আড়াই দশক পূর্ণ হয় মেগাস্টার শাকিব খানের ক্যারিয়ারের। দেশ-বিদেশে রজত জয়ন্তী পালনে ব্যস্ত ছিল ভক্তরা। দিনভর সহকর্মীরাও অভিনন্দনে সিক্ত করেছেন শাকিবকে।

এদিকে শাকিবের দীর্ঘদিনের সহকর্মী মিশা সওদাগর। অসংখ্য সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন তারা। পাশাপাশি শিল্পী সমিতিতেও সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শাকিব-মিশা। তার সোশ্যাল হ্যান্ডেলও সরব হয়ে উঠেছে কিং খানের শুভকামনায়।

অল্প কথায় পুরো গল্প তুলে ধরেছেন মিশা। তিনি লিখেছেন, তোমার জীবনের প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত শেষ শুটিং করা সিনেমার সাথে আমি জড়িত। আমার তিন যুগের অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে চাই, সাকসেসের জন্য সবাই কঠোর পরিশ্রম করে। কিন্তু সাকসেস পাওয়ার পর তোমার মত তুফানি পরিশ্রম করতে আমি কাউকে দেখিনি।

এরপর মিশা লিখেছেন, ২৫ পেরিয়ে ২৬ এর সফল অগ্রিম শুভেচ্ছা। সুস্থ থাকো, চলচ্চিত্রকে এমন করেই ভালোবাস।

ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে শাকিবের নতুন সিনেমা ‘তুফান’। এরইমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে ছবির টিজার ও গানের ঝলক। দর্শক লুফে নিয়েছেন সেসব। এ ছবিতেও খল চরিত্রে আছেন মিশা। নব্বই দশকের গ্যাংস্টারের গল্প দেখা যাবে ‘তুফান’-এ। এতে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করবেন টলিউডের মিমি চক্রবর্তী এবং বাংলাদেশের মাসুমা রহমান নাবিলা।

দেশের দুই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলফা আই ও চরকির সঙ্গে ছবিটি প্রযোজনা করবে কলকাতার এসভিএফ। তুফাম পরিচালনা করবেন রায়হান রাফী। কোরবানির ঈদে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য ৭০ কোটি ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

0

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে মৌলিক সেবা ও সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। দুটি প্রকল্পের আওতায় ৭০ কোটি ডলার ডলার অনুমোদন করেছে তারা, যা স্থানীয় মুদ্রায় ৮ হাজার ২৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১১৭.৬৫ টাকা ধরে)।

আজ বুধবার (২৯ মে) বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের পর্ষদ বাংলাদেশে আশ্রিত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মৌলিক সেবা দিতে এই অর্থ অনুমোদন করে। ২০১৭ সাল থেকে সহিংসতার কবলে পড়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির সংকটগুলোর মধ্যে একটি।

বাংলাদেশ এবং ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক বলেন, আমরা প্রায় এক মিলিয়ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের উদারতাকে বিশেষভাবে প্রশংসা করি। আমরা স্থানীয় আশ্রয়দাতা গোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপের বিষয়টিও উপলব্ধি করি। এই সংকট ইতোমধ্যে সাত বছরে পদার্পণ করেছে এবং তাদের স্বল্পমেয়াদি ও জরুরি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও টেকসই সমাধান অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে। আমরা এই জটিল সংকট মোকাবিলায় এবং রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বাংলাদেশ সরকারকে সাহায্য করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশে থাকা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী ও শিশু এবং তাদের অর্ধেকের বয়স ১৫ বছরের নিচে। দুটি প্রকল্পই নারী, শিশু এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর ওপর সংকটের ভিন্ন ধরনের প্রভাবকে বিবেচনায় রেখেছে। জেন্ডার- ভিত্তিক সহিংসতা; নিরাপদ ব্যবস্থাপনা, জেন্ডার-স্পর্শকাতর ও জলবায়ু সহিষ্ণু স্যানিটেশন ও হাইজিন সুবিধা, নিরাপত্তার জন্য সৌর বিদ্যুতের সড়ক বাতি এবং কমিউনিটিভিত্তিক দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ওপর নারীদের জন্য প্রশিক্ষণসহ নারী ও শিশুদের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে প্রকল্প দুটিতে সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম রয়েছে।

বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ রোল মডেল : প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনা সংলাপের মাধ্যমে সব দ্বন্ধ-সংঘাত নিরসন, চলমান যুদ্ধ বন্ধ এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতার অর্থ মানবজাতির কল্যাণে ব্যয় করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি বৈশি^ক শান্তি প্রতিষ্টার প্রচেষ্টায় একটি দায়িত্বশীল ও নির্ভরযোগ্য নাম। আমরা সর্বজন স্বীকৃত এবং বিশে^র বুকে একটি রোল মডেল।’

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতার পররাষ্ট নীতি ’সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’, বিশ^শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতার অঙ্গীকার ও আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসরণ করে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ‘ব্লু হেলমেট’ পরিবারের সদস্য হয়।

সরকারপ্রধান বলেন, বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ১৩টি স্থানে ৪৯৩ জন নারীসহ ৬০৯২ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা যেখানে কাজ করছে সেসব রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রশংসা শুনে গর্বে আমার বুকটা ভরে যায়।’

শেখ হাসিনা বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার বৈশি^ক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ একটি দায়িত্বশীল ও নির্ভরযোগ্য নাম। আমরা সর্বজন স্বীকৃত এবং বিশে^র বুকে রোল মডেল। এই অর্জনের পেছনে রয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর টেকসই. পরিশ্রমী নিবেদিত প্রাণ সদস্যদের মহান আত্মত্যাগ ও অমূল্য অবদান।

তিনি ১৬৮ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের কথা স্মরণ করেন যারা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মত্যাগ করেছেন এবং ২৬৬ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শান্তিরক্ষায় অবদান রাখতে গিয়ে আত্মোৎসর্গকারীদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও সমবেদনা জানান তিনি। স্বজন হারাবার বেদনা যে কি, তিনি তা জানেন বলেও এ সময় উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জাতিসংঘ শাস্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ৩৬ বছর উদযাপন করছি। বাংলাদেশ আজ বিশে^র বৃহৎ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারি দেশ এবং সকলে অত্যন্ত সুনাম ও গৌরবের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। তিনি এ সময় বিশে^র নানা প্রান্তে কর্মরত সকল বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের শুভেচ্ছা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে আমরা বিশ^ শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছি। শান্তিরক্ষা মিশন ছাড়াও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরাম গুলোতেও আমরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ ও অবদান রাখছি।

১৯৯৭ সালে বাংলাদেশের জাতিসংঘে ‘কালচার অব পিস’ (শাস্তির সংস্কৃতি) প্রস্তাব উত্থাপন করে যা ১৯৯৯ সালে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, সেই থেকে প্রতিবছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘ফ্লাগশিপ রেজ্যুলেশন’ এই ‘কালচার অব পিস’ সর্বস্মতিক্রমে গৃহীত হয়ে আসছে। পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘ ২০০০ সালকে ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব কালচার অব পিস’ হিসেবে ঘোষণা করে। যার মাধ্যমে শান্তির সংস্কৃতি প্রস্তাবের ২৫ তম বর্ষ উদযাপিত হতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নে কালচার অব পিস প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য বলে আমার বিশ^াস।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুয়েন লুইস।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আহতদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। তিনি ইউএন পিস কিপার্স জার্নাল এর (১০ম ভলিউম) মোড়কও উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মত্যাগকারী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের কৃতিত্বের ওপর একটি ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র ও প্রদর্শন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদেও সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পাকিস্তানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮

0

পাকিস্তানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় ২২ জন।

ভ্রমণের সময় টায়ার ফেটে বাসটি উল্টে খাদে পড়ে যাওয়ার পর হতাহতের এ ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে এ ঘটনা ঘটেছে।

আজ বুধবার দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকালে বেলুচিস্তান প্রদেশের ওয়াশুক জেলায় একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে খাদে পড়ে যাওয়ার পর নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। উদ্ধারকারী ও লেভিস কর্মকর্তাদের মতে, দুর্ঘটনায় আরও প্রায় ২২ জন আহত হয়েছেন এবং তাদের বাসিমার সিভিল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

জিও নিউজ বলছে, যাত্রীবাহী বাসের টায়ার ফেটে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা। বাসটি গোয়াদর থেকে কোয়েটার দিকে যাচ্ছিল।

এদিকে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন। একই সঙ্গে আহতদের সহায়তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় প্রাণহানির জন্য শোক প্রকাশ করেছেন এবং আহতদের জন্য প্রার্থনা করেছেন।

বাংলাদেশি সেনাদের প্রশংসা শুনলে গর্বে বুক ভরে যায় : প্রধানমন্ত্রী

0

বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেসব দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী কাজ করছে, সেসব দেশে গেলে বা তাদের রাষ্ট্রপ্রধান-সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দেখা হলে তারা প্রত্যেকেই আমাদের শান্তিরক্ষীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এটা শুনে সত্যিই আমার গর্বে বুক ভরে যায়।

আজ বুধবার (২৯ মে) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে গৌরবের সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশের সদস্যরা। আরও বেশি নারী শান্তিরক্ষী প্রেরণের জন্য জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আমাদের আহ্বান জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা যাতে বিশ্বের সব থেকে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে পারে, সে হিসেবেই তাদের প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে।

যুদ্ধ হয়, আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, বিভিন্ন প্রান্তে সংঘাত বিশ্ব শান্তি নষ্ট করছে। অস্ত্রের প্রতিযোগিতা যতো বৃদ্ধি পাচ্ছে, মানুষের জীবন ততই বিপন্ন হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান করতে হবে। শান্তির কথা বললেও বারবার আমরা সংঘাতে লিপ্ত হই। যুদ্ধের অর্থ জলবায়ু, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় করতে হবে।

বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা এখন অতীতের চেয়ে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির সাম্প্রতিক প্রসার ও অগ্রযাত্রার সঙ্গে বাড়ছে নতুন নতুন হুমকি। ফলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর শান্তিরক্ষীদের বহুমাত্রিক জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনগুলো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সমৃদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা এখন বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ও বিপজ্জনক অঞ্চলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে, সেজন্য তাদের সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, নারীর অধিকার ও জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করতে আমাদের পদক্ষেপ ‘উইমেন স্পিচ অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাজেন্ডা’ তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। বাংলাদেশ অন্যতম বৃহৎ নারী শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবেও পরিচিতি লাভ করছে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ৩ হাজার ৩৮ জন নারী শান্তিরক্ষী অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে জাতিসংঘের শান্তি মিশন সম্পন্ন করেছেন। এখন দাবি আসছে, আরও নারী শান্তিরক্ষী প্রেরণ করার। জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল নিজেই আমাকে বলেছেন, আমরা যেন আরও বেশি করে নারী শান্তিরক্ষী প্রেরণ করি।