Home Blog Page 39

গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের বিরুদ্ধে প্যারিসে বিক্ষোভ

0

গাজা উপত্যকার রাফা শহরে ইসরায়েলের ভয়াবহ গোলাবর্ষণের বিরুদ্ধে সোমবার প্যারিসে ইসরায়েলি দূতাবাসের কাছে প্রায় ১০ হাজার লোক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।

ফরাসি রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ইসরায়েলি দূতাবাস থেকে কয়েকশ মিটার দূরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে ‘আমরা সবাই গাজার শিশু’, ‘মুক্ত গাজা’ এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনপন্থী শ্লোগান দেয়।

হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, রাফাতে হামাসের লক্ষ্যবস্তুতে ইসরায়েলের হামলার একদিন পর এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে ইসরায়েলের হামলায় ৪৫ জন প্রাণ হারিয়েছে। এই হামলার ঘটনায় ইসরায়েল আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দার মুখে পড়েছে।

সমাবেশের আয়োজনকারী অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্স-প্যালেস্টাইন সলিডারিটি গ্রুপের ফ্রাঁসোয়া রিপ বলেছেন, ‘এটি একটি বড় ধরনের গণহত্যা।’

এদিকে প্যারিস পুলিশ সার্ভিস জানিয়েছে, বিক্ষোভ-সমাবেশে প্রায় ১০ হাজার লোক অংশগ্রহণ করেছিল।

সমাবেশে একটি বড় ব্যানারে লেখা ছিল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘মানবতাকে হত্যা করছে।’

এদিকে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র।
খবর এএফপি

খালে ময়লা ফেললে গুনতে হবে জরিমানা : ডিএনসিসি মেয়র

0

খালে কেউ ময়লা ফেলেছে এটা প্রমাণিত হলে তাকে জরিমানা গুনতে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি আরবান রেজিলিয়েন্স এবং রিসার্চের জন্য আগামী অর্থবছরে ৫ কোটি টাকার বাজেট রাখার ঘোষণা দেন।

আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ‘অষ্টম আরবান ডায়ালগ-২০২৪’ এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন ঘোষণা দেন।

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে টেকসই নগরায়ণ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডায়ালগটি ঢাবির ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগ এবং ২০টি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কনসোর্টিয়াম আরবান আইএনজিও ফোরামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ঢাকার খালগুলো আমরা দখলমুক্ত করেছি। এখন সময় এসেছে খালগুলোকে দূষণমুক্ত রাখার। আমরা নিজের কথা ভেবেই সব খাল মেরে ফেলেছি, আমরা আমাদের কথা ভাবলে সেগুলোকে নষ্ট করতাম না। মানুষ সচেতন না, ময়লা ফেললে জরিমানার ব্যবস্থা করা হলে মানুষের মাঝে কিছুটা সচেতনতা বাড়বে। সিটি কর্পোরেশন থেকে খালের আশেপাশে অনেকগুলো ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। কেউ খালে ময়লা ফেলেছে এটা প্রমাণিত হলে তাদের শনাক্ত করে তাদের জরিমানার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত ছয়টি দেশ কার্বন এমিশনের জন্য দায়ী। তাদেরই বিশ্বের সমস্যা দূর করতে এগিয়ে আসতে হবে। তারা যুদ্ধের জন্য যা ব্যয় করছে তার ১০ শতাংশ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ব্যয় করলেও স্বল্পোন্নত দেশগুলো এত ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তারা ভালো ভালো সবক দেন কিন্তু তারাই আসলে মূল অপরাধী। বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে বাঁচাতে বড় ফান্ড গঠন করতে হবে।

মেয়র আতিক বলেন, আগামীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুন্দর পরিবেশ দিতে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। পরিবেশ ঠিক রাখতে আমাদের সচেতন হতে হবে, সুনাগরিক হতে হবে। আমরা দুই বাড়ির মাঝে বা খালে ময়লা না ফেলবো না। পরিবেশ ঠিক রাখতে নিজ বাড়ির পাশে গাছ লাগাবো। এতে আমাদের পরিবেশ ঠিক থাকবে। এ সময় তিনি খাল দখলমুক্ত, দূষণমুক্ত রাখার জন্য সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

ডিএনসিসির কাজ উল্লেখ করে মেয়র আতিক বলেন, আমরা স্মার্ট সিটি কর্পোরেশন গড়তে ২৪টি পার্ক উদ্ধার করেছি, ৫৪টি খাল দখলমুক্ত করেছি। আমাদের ট্যাক্স প্রদানে সমস্যা দূর করতে অনলাইনে করেছি। ট্রেড লাইসেন্স অনলাইনভিত্তিক করেছি। অনলাইনে অভিযোগ প্রদানের ব্যবস্থা করেছি। ‘সবার ঢাকা অ্যাপস’ চালু করেছি যেখানে কেউ সমস্যার ছবি তুলে জানাতে পারবে। ফলে আমাদের লোকেরা সাথেসাথে সেখানে গিয়ে সমস্যা সমাধান করে আসবে। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ক্লাইমেট অ্যাকশন প্ল্যান গ্রহণ করেছি। এডিস মশা দূর করার জন্য অভিযান চালাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলো আগে পরিকল্পনা গ্রহণ করে তারপর আরবান এলাকা গঠন করে। কিন্তু আমাদের দেশে আগে আরবান এলাকা তৈরি হয় পরবর্তীতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। যদিও বাংলাদেশের ৪০ শতাংশ মানুষ আরবান এলাকায় বসবাস করে। অপরিকল্পিতভাবে শহর গড়ে উঠায় সেখানে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতে পারে না। যা বড় রিস্কের তৈরি করে থাকে। তাছাড়া আমাদের সবুজায়ন কমে গেছে, নদী-খাল-বিলের পরিমাণও কমেছে। ফলে প্রতিনিয়ত শহরাঞ্চলের তাপমাত্রা বাড়ছে।

তিনি বলেন, আমাদের শহরাঞ্চলের বাতাসে মিথেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ অনেক বেশি। এমনকি কোভিড শুরুর কয়েক মাস ঢাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও দূষণের পরিমাণ বেশি ছিল। বর্তমান সরকার ‘মাই ভিলেজ মাই টাউন’ সৃষ্টির পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এর ফলে গ্রামাঞ্চলও শহরের মত সুযোগ সুবিধা থাকবে। ফলে মানুষ মাইগ্রেট কমিয়ে তার এলাকাতেই থাকতে পছন্দ করবে। তাছাড়া সরকার শহরের ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, খাল দখল এবং ডেল্টা প্লানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের আরবান এলাকাগুলো আবার বসবাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

রাত ২টা পর্যন্ত দুর্যোগ মনিটর করেছেন প্রধানমন্ত্রী

0

ঘূর্ণিঝড় রিমালের ক্ষয়ক্ষতি কমানো ও উপকূলীয় এলাকার মানুষকে নিরাপদে রাখতে রাত ২টা পর্যন্ত দুর্যোগ মনিটর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী ল্যান্ডফোনে নিজেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় যোগাযোগ করে পরিস্থিতি মনিটর করেছেন, সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আলোচনা হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুস সালাম ও পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিত কর্মকার সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরেন।

সচিব বলেন, রাত ২টা পর্যন্ত পরিস্থিতি মনিটরিং করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ল্যান্ডফোনে নিজেই কথা বলেন। আমরা ফোন ব্যবহার করি। কিন্তু ল্যান্ডফোন বিপদে অনেক কাজে লাগে, এ বিষয়ে সচেতন থাকতে বলেছেন। সব সরকারি কর্মকর্তাকে দুর্গতের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঘূর্ণিঝড়ে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণ করে দুর্যোগ মন্ত্রণালয়কে রোববারের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ঝড়ে অনেক বাঁধ নষ্ট হয়েছে। এগুলো দ্রুত সংস্কার করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকার ট্রাফিক সমস্যা দূর করতে কাজ করছে ডিএমপি-জাইকা

0

ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের যুগ্ম কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান বলেছেন, রাজধানীর ট্রাফিক সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে এক যোগে কাজ করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। যানজট সমস্যা দূর করতে জাইকা ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করেছে।

আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে ডিএমপির মিন্টো রোডে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

এস এম মেহেদী হাসান বলেন, ডিএমপি কমিশনারের নেতৃত্বে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে আমরা বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছি। যাতে করে রাজধানীবাসীর ট্রাফিক সমস্যাটা কিছুটা হলেও দূর করতে পারি। সেটির অংশ হিসেবে আমাদের উন্নয়ন সহযোগী জাইকা ডিএমপির সঙ্গে একত্রিত হয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারমধ্যে রয়েছে জনসচেতনতা তৈরি, ট্রাফিক কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া, ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ।

তিনি বলেন, দুই বছর ধরে কাজ চলমান। এখন যে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, সেটি হলো ঢাকাবাসীর মধ্যে সামগ্রিকভাবে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে‌ সচেতনতা সৃষ্টি করা। রোড সেফটি রোড ব্যবহার ও ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য জাইকা মডেল হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় শিশু ট্রাফিক পার্ক তৈরি হবে জানিয়ে এস এম মেহেদী হাসান বলেন, আমরা দেখেছি, জাপান সরকার ১৯৬০-এর দশক থেকে এ কাজগুলো করে আসছে। আমাদের ট্রাফিকের যে কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন, তাদের মতামতের ভিত্তিতে জানা গেছে, জনসচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আমরা শিশু বয়সে আছি। বিভিন্ন স্কুল-কলেজে গিয়ে আমরা শিশুদের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গত এক-দুই বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছি। শিশুরা যেন ছোটবেলা থেকে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন থাকে এ লক্ষ্যে আমরা অদূর ভবিষ্যতে শিশু ট্রাফিক পার্ক করতে যাচ্ছি।

কিছুদিন আগে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের ১৩ জন পুলিশ সদস্য জাপান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা ডেটা এনালাইসিস করে কোন জায়গায় যানজট বেশি হচ্ছে এবং কোন জায়গায় দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে এ সব বিষয়ে বিশ্লেষণ করছি। এ সব জায়গায় কাজে আমরা গুরুত্বারোপ করছি।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বিভক্তিকরণ নিয়ে শেখ হাসিনার সতর্কবার্তা

0

বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের কিছু অংশকে নিয়ে ‘পূর্ব তিমুরের মতো একটি খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ তৈরি করার চক্রান্ত চলছে বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ডেইলি স্টার এর খবর অনুযায়ী শেখ হাসিনা এক বৈঠকে বলেছেন, ‘পূর্ব তিমুরের মতো… তারা বঙ্গোপসাগরে একটি ঘাঁটি সহ বাংলাদেশ (চট্টগ্রাম) এবং মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে একটি খ্রিস্টান দেশ তৈরি করার পরিকল্পনা করছে।

শেখ হাসিনা দাবি করেছেন যে, ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে তার সঙ্গে একজন ‘শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি’ দেখা করেন। সেই ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে বলেন, একটি বিশেষ দেশকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বিমানঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি দিলে তিনি ‘কোনো সমস্যায়’ পড়বেন না।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সেই দেশের নাম উল্লেখ না করেই বলেছেন, ‘এটা মনে হতে পারে যে এটি (প্লট) কেবল একটি দেশকে লক্ষ্য করে, কিন্তু তা নয়। আমি জানি তারা কী চায়।’

শেখ হাসিনার মন্তব্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে তার সাবেক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী স্পুটনিক ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সঠিক প্রমাণ ছাড়া কথা বলেন না। আমি নিশ্চিত যে তিনি এই বিবৃতি দেওয়ার আগে ভালভাবে ভেবেছিলেন।’

চলতি জানুয়ারিতে টানা চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন শেখ হাসিনা। নির্বাচন বয়কট করেছিল দেশের প্রধান বিরোধী দল- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তারা একটি তত্ত্বাবধায়ক সেট-আপের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিল, যদিও দাবিটি দেশের সংবিধানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এটা মনে করা হয়েছিল যে, এবারের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো বিএনপির পক্ষে ব্যাটিং করছে। যদিও দুই দেশের সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সেই উত্তেজনা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছে।

‘বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বিভক্তিকরণ’
যদিও কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করেই বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের কিছু অংশকে নিয়ে একটি খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠনের চেষ্টা চলছে- এমনটা উল্লেখ করেছেন শেখ হাসিনা, কিন্তু তার আওয়ামী লীগের নেতারা বিলক্ষণ জানেন প্রধানমন্ত্রী কার দিকে ইঙ্গিত করছেন।

আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য স্কোয়াড্রন লিডার (অবসরপ্রাপ্ত) সদরুল আহমেদ খান স্পুটনিক ইন্ডিয়াকে জানান, এটি স্পষ্ট সরকার বিরোধীদের সমর্থনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে প্রবেশের চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই বিরোধীদের মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি) এবং পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফ)।

সদরুল আহমেদ খান বলেন, ‘মিয়ানমারের কুকি-চীন বিদ্রোহীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ খ্রিস্টান হওয়ায়, তারা বিদেশি এক্টরদের দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি।

মিয়ানমারের চীন রাজ্যের কুকি-চীন বিদ্রোহীরা সরকারি বাহিনীর সাথে তীব্র লড়াইয়ে লিপ্ত হয়ে পড়েছে।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা উল্লেখ করেন, গত বছর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বার্মা আইনে স্বাক্ষর করার পর বাইডেন প্রশাসন মিয়ানমারের বিরোধী শক্তিকে সমর্থন করার বিষয়টি আর গোপন রাখেনি, চুক্তিতে মিয়ানমারের জাতিগত সশস্ত্র সংগঠনের জন্য ‘প্রাণঘাতী নয় এমন সাহায্য’ প্রদানের কথা বলা হয়েছে।

এই আইনের অধীনে প্রথম কিস্তির সাহায্য এ বছর সরকারবিরোধী শক্তির কাছে পৌঁছেছে। ক্ষমতাসীন স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিল (এসএসি) দ্বারা সোচ্চারভাবে বিষয়টিতে আপত্তি জানানো হয়েছে। ভয়েস অফ আমেরিকা (ভিওএ) অনুযায়ী এসএসি বলেছে, ‘এই অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারকে হাতিয়ার করেছে।’

সদরুল আহমেদ খান উল্লেখ করেন যে, কুকি-চীন বিদ্রোহীদের আমেরিকার নিরঙ্কুশ সমর্থন বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের পাশাপাশি ভারতের নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। ভারতের মণিপুরের মতো উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে নৃ-ত্বাত্তিক গোষ্ঠীর বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং ফেব্রুয়ারিতে দাবি করেছিলেন যে, চীন-কুকি-জো উপজাতির বিস্তারে দেশের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব রয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতীয় রাজ্যটি গত মে মাস থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইটিস এবং কুকি-জো গোষ্ঠীর মধ্যে জাতিগত সংঘর্ষের সম্মুখীন হচ্ছে। এর ফলে ২০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানুয়ারিতে পার্লামেন্টে বলেছেন, নয়াদিল্লি ১৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের পুরো অংশে বেড়া দেবে।

চৌধুরী হাইলাইট করেছেন যে, শেখ হাসিনার অধীনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় সহ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সার্বিক উন্নতিতে ভারতের উত্তর-পূর্বে অঞ্চল উপকৃত হয়েছে।

সেন্ট মার্টিনে ঘাটি স্থাপনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
তদুপরি, সদরুল আহমেদ খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সামুদ্রিক সীমান্তে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেন্ট মার্টিন দ্বীপে একটি ঘাঁটি স্থাপন করতে চাইছে।

তিনি বলেন, ‘শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, মানবিক সহায়তা কিংবা লজিস্টিক মহড়া এসবে বাংলাদেশ সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তবে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে নৌ ঘাঁটি স্থাপন করতে চাচ্ছে। বাংলাদেশ এ ধরনের সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার নিন্দা করে, কারণ বিষয়টি আমাদের সার্বভৌমত্বকে ধ্বংস করবে এবং দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করবে।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে কোনও অস্ত্র প্রতিযোগিতাকে সমর্থন করে না কিংবা চীনকে ঠেকাতে মার্কিন স্বার্থের জন্য ‘প্রক্সি’ হিসেবেও কাজ করবে না। কারণ, বাংলাদেশের মতো একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। তিনি হাসিনার সুরেই বলেন, বাইরের চাপের মুখে দেশ আপস করবে না।’

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আরেকটি মার্কিন ঘাঁটি কেবল ঢাকা নয়, নয়া দিল্লির নিরাপত্তায়ও প্রভাব ফেলবে। তার মতে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও, আমি নিশ্চিত যে নয়াদিল্লিও এই অঞ্চলে কোনও বাইরের হস্তক্ষেপ চায় না।’

পাপুয়া নিউগিনিতে নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা

0

পাপুয়া নিউগিনি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কায় প্রায় সাত হাজার ৯০০ লোককে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। শীর্ষ পর্যায়ের একজন প্রাদেশিক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।

এংগা প্রাদেশিক প্রশাসক স্যান্ডিস সাকা বলেছেন, আমরা লোকজনকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, প্রতি ঘণ্টায় আপনি শিলা ভাঙার শব্দ শুনতে পাবেন। এটি বোমা কিংবা বন্দুকের গুলির মতোই। পাথরগুলো নিচে গড়িয়ে পড়ছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে মাউন্ড মুঙ্গালোর কিছু অংশ ধসে পড়ে এংগা প্রদেশ বলতে গেলে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। অসংখ্য বাড়িঘর মাটির সাথে মিশে গেছে। এসব বাড়িঘরে লোকজন তখন ঘুমন্ত ছিল।

পাপুয়া নিউগিনির জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্র দুই হাজারেরও বেশি লোক চাপা পড়েছে বলে আশংকা করছে। কিন্তু এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে মাত্র পাঁচটি মৃতদেহ।

স্যান্ডিস সাকা বলেন, উদ্ধারকারীরা আবারও ভূমিধসের আশঙ্কায় ৭ হাজার ৯০০ লোককে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে যেন নতুন করে আর কোন প্রাণহানি না ঘটে।

তিনি বলেন, এলাকাটি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত এবং লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত।

সাকা বলেন, এলাকাটি ব্যবসা-বাণিজ্য, গির্জা, স্কুল বাড়িঘরে জমজমাট ও জনবহুল ছিল। কিন্তু এখন এলাকাটি পুরোপুরি মুছে গেছে। এটি যেন চাঁদের পৃষ্ঠ যেখানে শুধু পাথর ছড়ানো।

সরকার দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো ট্রলারেন্স : ওবায়দুল কাদের

0

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নিজেদের অপরাধকে ডাকার জন্য আজ অপপ্রচার করছে। অপরাধীদের ক্ষমা করেছে। অপরাধীদের শাস্তি দেয়নি। সরকার দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো ট্রলারেন্স। দুর্নীতির ব্যাপারে শেখ হাসিনা আপসহীন।

আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশে হত্যার রাজনীতি, গুমের রাজনীতির গোড়াপত্তন হয়েছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের হাতে। তিন হাজার নেতাকর্মীকে গুম ও হত্যা করেছেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত করছে। আরও তদন্ত হবে। মামলা হলে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। কোনো অপরাধী শাস্তি ছাড়া পার পাবে না। অনেকে ভাবছে, বেনজীর আহমেদের বাড়ি তো টুঙ্গিপাড়া, সে ক্ষমা পেতে পারে। অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে।

তিনি বলেন, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুদক স্বাধীন তদন্ত করছে। দুদককে এই স্বাধীনতা শেখ হাসিনা সরকার দিয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যিনি সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন, তিনিও যদি অপরাধী হন, তার বিরুদ্ধেও দুদক তদন্ত করতে পারবে। অপরাধী হলে শাস্তি পেতে হবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম ও উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গোয়েন্দা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে ব্যর্থ উত্তর কোরিয়া

0

উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় গোয়েন্দা স্যাটেলাইট কক্ষপথে স্থাপনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। স্যাটেলাইট বহনকারী রকেটটি মাঝ আকাশে বিস্ফোরিত হওয়ার ফলে দেশটির এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী ‘অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল’ উৎক্ষেপণের খবর দিয়েছিল। আর এরপরই সোমবার মধ্যরাতে রাতে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

উত্তর কোরিয়ার ন্যাশনাল অ্যারোস্পেস টেকনোলজি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের উপমহাপরিচালক রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেছেন, নতুন স্যাটেলাইট ক্যারিয়ার রকেটের উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়েছে। প্রথম ধাপের উড্ডয়নের সময় এটি মাঝ-আকাশে এটি বিস্ফোরিত হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ব্যর্থতার কারণ হিসেবে প্রাথমিক বিশ্লেষণে- তরল জ্বালানির নতুন রকেট মোটর দায়ী বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অন্যান্য সম্ভাব্য কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া পীত সাগরের দক্ষিণ দিকে একটি ‘অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল’ নিক্ষেপ করেছে এবং এর কয়েক মিনিট পর সাগরে অনেক টুকরো দেখা গেছে।

জাপানের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম এনএইচকে একই ধরনের ফলাফলের কথা জানিয়েছে।
খবর আল-জাজিরা

মুম্বাই বিমানবন্দর-তাজ হোটেল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

0

ভারতের মুম্বাই শহরের তাজ হোটেল ও ছত্রপতি শিবাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন এক ব্যক্তি। আজ সোমবার (২৭) মুম্বাই ট্রাফিক পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপ হেল্পলাইন নম্বরে এই হুমকি দিয়ে বার্তা পাঠানো হয়।

মুম্বাই পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোমবার এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাজ হোটেল ও মুম্বাই বিমানবন্দর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। হুমকি প্রদানকারী এও দাবি করেন যে দুটি জায়গাতেই বোমা রেখে আসা হয়েছে। খবর পেয়েই দ্রুত তল্লাশি অভিযানে নামে পুলিশ। কিন্তু অভিযানে সন্দেহজনক বা বোমাসদৃশ কোনো বস্তু পাওয়া যায়নি। আতঙ্ক বা অস্থিরতা তৈরির জন্যই এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, যে নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, সেটির অবস্থান আগ্রাতে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে কে বা কারা এই হুমকি দিয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

এ ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে মুম্বাই পুলিশ। পাশাপাশি হুমকিদাতাকে খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।
খবর এনডিটিভি

রাজধানীর ১৮ ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ‘উচ্চঝুঁকিতে’

0

রাজধানীতে মৌসুম শুরুর আগেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রভাব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক জরিপে দেখা যায়, রাজধানীর দুই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশার লার্ভার ঘনত্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট মানদণ্ডের চেয়েও বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার আওতাধীন জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসবাহিত রোগনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির অধীনে গত ১৭ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত চালানো প্রাক-বর্ষা জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে রাজধানীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজন করা হয় এ জরিপের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠান। ‘মৌসুম পূর্ব এডিস সার্ভে-২০২৪ এর ফলাফল অবহিতকরণ সভা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে জরিপের তথ্য উপস্থাপন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

জরিপের ফলে বলা হয়, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের ৯৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে ব্রুটো ইনডেক্স ২০-এর বেশি। এর অর্থ হচ্ছে, এসব এলাকার ১০০টির মধ্যে ২০টির বেশি পাত্রে এডিস মশা বা তার লার্ভা পাওয়া গেছে। এই এলাকাগুলো তাই ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ঝুঁকিতে থাকা ওয়ার্ডগুলো হলো– ১২, ১৩, ২০, ৩৬, ৩১, ৩২, ১৭, ৩৩নং ওয়ার্ড। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হলো– ৪, ১৩, ৫২, ৫৪, ১৬, ৩, ৫, ১৫, ১৭, ২৩ নম্বর ওয়ার্ড।

এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক ‘ব্রুটো ইনডেক্স’ নামে পরিচিত। স্বীকৃত এই মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব ২০ শতাংশের বেশি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বলে মনে করা হয়।