Home Blog Page 61

ফিলিস্তিনসহ সকল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

0

ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। ইসলামের এ সুমহান আদর্শ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে এ কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ফিলিস্তিনসহ সকল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপ্রধান বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনের ক্রিডেনশিয়াল হলে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেয়া এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে দেশবাসীকে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে মিলেমিশে উপভোগের অনুরোধ জানান। খবর বাসসের

মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিনি দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সব বাংলাদেশিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

এই ঈদের মধ্যেও ফিলিস্তিনসহ যুদ্ধবিগ্রহ ও আধিপত্যের কারণে বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষের অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি ফিলিস্তিনের নির্মমতার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘একজন মানুষ হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব তাদের পাশে দাঁড়ানো। তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করা।’

তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে দুঃখ একলা ভোগ করা যায়, কিন্তু আনন্দ একলা ভোগ করা যায় না, সবাইকে নিয়ে আনন্দ করতে হয়।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ‘ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তুলুক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি আর ঐক্যের বন্ধন। ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।’

ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম উল্লেখ করে রাষ্ট্র প্রধান বলেন, মানবিক মূল্যবোধ, সাম্য, পারস্পরিক সহাবস্থান ও সহযোগিতা- ইসলামের এই সুমহান বার্তা ও আদর্শ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ঈদের আনন্দ থেকে পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব কেউ যেন বঞ্চিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার ও তাগিদ দেন।

তিনি ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ ‘স্মাট বাংলাদেশ’ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এর আগে রাষ্ট্রপতি এবং তার স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সিনিয়র রাজনীতিবিদ, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, কূটনৈতিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিচারক, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, এবং বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবগণও উপস্থিত ছিলেন।

গোর-এ-শহীদ ময়দানে নামাজ আদায় করলেন ৬ লাখ মুসল্লি

0

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন ৬ লাখ মুসল্লি।

আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত দেশের অন্যতম বৃহৎ এ ঈদগাহে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৯টায় শুরু হয় ঈদুল ফিতরের নামাজ। এতে ইমামতি করেন মাওলানা শামসুল আলম কাশেমী। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এ দিকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মুসল্লিরা।

জানা গেছে, পুরো ঈদগাহ ময়দানজুড়ে নেয়া হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করেন। মোট ১৭টি গেট মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে শুধুমাত্র জায়নামাজ ও ছাতা নিয়ে প্রবেশ করেন মুসল্লিরা। ২৬টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হয়। তথ্য বিভাগসহ বেসরকারিভাবে ১১০টি মাইক বসানো হয়। এ ছাড়া মুসল্লিদের জন্য দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

বৃহৎ এই জামাতের প্রধান উদ্যোক্তা জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম জানান, এখানে এবার একসঙ্গে প্রায় ৬ লাখ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে নির্মিত হয় দেশের বৃহত্তম দৃষ্টিনন্দন ৫২ গম্বুজের বিশাল ঈদগাহ মিনার। ২২ একর আয়তনের এই ময়দানে একসঙ্গে ৫ লক্ষাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

মূলত ৫২ গম্বুজের ঈদগাহের ২ প্রান্তের মিনার ৬০ ফুট এবং মাঝখানের দুটি মিনার ৫০ ফুট উচ্চতা। ইমাম দাঁড়ানোর স্থান মেহেরাবের গম্বুজের উচ্চতা ৪৭ ফিট। এর সঙ্গে রয়েছে ৪৯টি গম্বুজ। ৫১৬ ফুট দৈর্ঘ্যের ৩২টি আর্চ নির্মাণ করা হয়েছে। পুরো মিনার সিরামিক ইটে নির্মিত এবং প্রতিটি গম্বুজ ও মিনারে নয়নাভিরাম লাইটিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

শোলাকিয়ায় দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত

0

কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১৯৭তম পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ঐতিহাসিক এ ঈদগাহে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ইমামতি করেন জেলা শহরের বড় বাজার মসজিদের ইমাম মাওলানা শোয়াইব বিন আব্দুর রউফ।

এবার শোলাকিয়া ঈদগাহের ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ানোর নির্ধারিত ইমাম বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা ফরীদ উদ্দিন মাসউদ আসেননি।

রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শর্টগানের ছয়টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। তিনটি জামাত শুরুর ৫ মিনিট আগে, ২টি ৩ মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে ছোড়া হয়।

বড় ঈদগাহ, বড় জামাত। বেশি মুসল্লির সঙ্গে জামাত আদায় করলে দোয়া কবুল হয়-এমন আকর্ষণে সকাল থেকেই এ ঈদ জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য কিশোরগঞ্জ ও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে এসেছেন লাখ লাখ মুসল্লি।

এছাড়াও দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের ঈদগাহ মাঠে আসার সুবিধার্থে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুইটি স্পেশাল ট্রেন যাতায়াত করে।

ঈদের নামাজ শেষে মোনাজাতে মাওলানা শোয়াইব বিন আব্দুর রউফ দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন-শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রাসেল শেখ, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ, শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু রাসেল প্রমুখসহ সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন।

ঈদগাহ ময়দানকে ঘিরে গড়ে তোলা হয় বিভিন্ন স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিশোরগঞ্জ শহর এবং আশপাশের এলাকায় বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। বিজিবি, র‌্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ১ হাজার ১০০ সদস্য দিয়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে। এছাড়াও সিসি ক্যামেরা, ড্রোন ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে ঈদগাহের ভেতর ও বাইরের এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয়।

এদিকে, ঈদগাহ ময়দানে উন্মুক্ত প্রবেশপথে স্থাপিত আর্চওয়ে দিয়ে মুসল্লিরা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করেন। এর আগে তিন দফা মেটাল ডিটেক্টরে সবার দেহ তল্লাশি করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে মুসল্লিদের ছাতা বা কোনো ধরনের ব্যাগ নিয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। শুধু জায়নামাজ নিয়ে ঢুকতে দেওয়া হয় তাদের।

স্থানীয়দের মতে, ১৮২৮ সালে এই মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’, এরপর ধীরে ধীরে সেই ‘সোয়া লাখিয়া’ পরিচিত হয়ে ওঠে শোলাকিয়া নামে।

‘তোমার শাড়ি দিয়ে পাঞ্জাবি বানিয়ে পরেছি মা’

0

চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর সবচেয়ে বড় ভক্ত ছিলেন তার মা। আবার শুভর কাছে সবকিছুই যেন মা। সেই মাকে এ বছরের জানুয়ারিতে হারিয়েছেন শুভ, যার শোক এখনো যেন ভুলতে পারেননি তিনি। তাই তো ঈদের দিনে মায়ের কবর জিয়ারত করে তিনি লিখলেন আবেগি পোস্ট।

এই প্রথম মাকে ছাড়া ঈদ করছেন শুভ। ফলে তিনি বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন। ঈদের আনন্দের মাঝে মায়ের শূন্যতা অনুভব করছেন।

স্ট্যাটাসে তার লেখাতেই বোঝা যাচ্ছিল বিষয়টি। শুভ লিখেছেন, যখন অনেক কিছু বলার থাকে তখন হয়তো কিছুই বলা যায় না। মা, দেখতে দেখতে তোমার যাবার প্রায় ৩ মাস, এখনো বোঝার চেষ্টা করছি যে কি হলো আসলে, আমি কী ঘুম থেকে উঠে দেখবো তুমি পাশের রুমটাতেই আছো। সব কিছু কেমন যেনো হয়ে গেলো। পেশায় অভিনয় শিল্পী হয়েও ‘আমি ঠিক আছি’ নামক অভিনয়টা হচ্ছে না একেবারেই, চেষ্টা চলছে।

ঈদের স্মৃতির কথা মনে করে শুভ লেখেন, তোমার শাড়ি দিয়ে পাঞ্জাবি বানিয়ে পরেছি এবারের ঈদে মা, আজকে যখন তোমার সাথে দেখা করতে যাচ্ছি নিচে গার্ডরা বললো এটা আন্টির শাড়ি না স্যার? ভালো লাগলো এই ভেবে বিল্ডিংয়ের গার্ডরাও তোমাকে এই ৮-৯ বছর নোটিশ করেছে।

এবার তোমার গলার চেইনটা নিজেই পড়লাম, কিন্তু আমাদের ওই কমেডিটা করা আর হলো না যে, আমি চাইব আর তুমি বলবে নে, কিন্তু খুলে দেবে না। তোমার সাথে কতো গল্প করা হলো না,আর হবে না। ঈদ মোবারক মা। পৃথিবীর সকল মাকে ঈদ মোবারক।

ঈদের ছুটিতেও স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাঘাত ঘটেনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0

ঈদের লম্বা ছুটিতেও দেশের কোনো হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার ব্যাঘাত ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর মুগদা হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ঈদে লম্বা ছুটিতে দেশ। এর মধ্যেও দেশের কোনো হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার ব্যাঘাত ঘটেনি। মন্ত্রী হিসেবে এটা আমার প্রথম ঈদ। আমি আশা করছি দেশের মানুষ খুব সুন্দরভাবে ঈদ পালন করছেন।

তিনি বলেন, আমি বুধবারও কয়েকটা হাসপাতালে গিয়েছি। আজকে আরও কয়েকটি হাসপাতালে যাব। বুধবার দুটি হাসপাতালে গিয়েছি, দুই জায়গায়ই আমি পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স পেয়েছি। আমি সন্তুষ্ট। রোগীদের সঙ্গেও আমি কথা বলেছি। কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

তিনি আরও বলেন, আজ সকালেও দেশের সব হাসপাতালের পরিচালকদের ম্যাসেজ পাঠিয়েছি। আমি এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, সব জায়গায়ই চিকিৎসা চলছে। কোথাও ব্যাঘাত ঘটেনি।

হাসপাতাল পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং পয়লা বৈশাখের ছুটি চলাকালে দেশের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থা নিজে মনিটরিং করার ঘোষণা দেন। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা সেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য ছুটির সময় নিজে মনিটরিং করব। না জানিয়ে হাসপাতালে যাব। শুধু ঢাকা নয়, ঢাকার বাইরের হাসপাতালেও মনিটরিং করা হবে বলেও জানান তিনি।

এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়িতে আগুন

0

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে একটি প্রাইভেটকারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে তাৎক্ষণিক এ ঘটনায় কারও হতাহতের হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণকক্ষে দায়িত্বরত কর্মকর্তা মিরাজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিকেল ৫টা ১৭ মিনিটে এক্সপ্রেসওয়ের ওপর একটি গাড়িতে আগুন লাগার খবর পান। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, কীভাবে ওই গাড়িতে আগুন লেগেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

আইপিএল থেকে দুঃসংবাদ পেলেন মোস্তাফিজ

0

চলতি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে এক ম্যাচে খেলা হয়নি মোস্তাফিজুর রহমানের। পরের ম্যাচে ফিরেই দখলে নেন পার্পল ক্যাপ। এবার এক ম্যাচ পরেই ফের তা হারালেন। যুজবেন্দ্র চাহালের কাছে পার্পল ক্যাপ হারালেন দ্য ফিজ।

আইপিএলের কিংবদন্তি তালিকায় সবার ওপরেই আছেন চাহাল। এবারও রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন তিনি। গুজরাট টাইটানসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে তার ঝুলিতে ছিল ৮ উইকেট। আসরের বর্তমান রানার্স-আপদের বিপক্ষে ম্যাচে শিকার করেন জোড়া উইকেট। বিজয় শঙ্কর ও শুভমান গিলকে সাজঘরে ফেরান তিনি।

এই উইকেট শিকারের পর তার উইকেট সংখ্যা ১০। পাঁচ ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন চাহাল।

অন্যদিকে ৪ ম্যাচে ৯ উইকেট শিকার করেছেন দ্য ফিজ। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সফরের জন্য ভিসা করাতে দেশে এসে একটি ম্যাচ মিস করেছিলেন তিনি।

৮টি করে উইকেট নিয়ে এই তালিকার পরের দুই স্থানে আছেন আর্শদীপ সিং ও মোহিত শর্মা। এ ছাড়া নামের পাশে ৭ উইকেট নিয়ে তালিকার পাঁচে আছেন খলিল আহমেদ।

আ.লীগ জনগণ ও দেশের কল্যাণে কাজ করে : প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে দেশের জনগণকে কিছু দেওয়ার জন্য, কিন্তু বিএনপি আসে নিতে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের পাশে থাকে এবং দেশের কল্যাণে কাজ করে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকালে নিজের সরকারি বাসভবন গণভবনে দলীয় নেতাকর্মী, বিভিন্ন পেশাজীবী, বিচারক, বিদেশি কূটনীতিক এবং পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবো। আগামীতে আরও কমানো হবে দারিদ্র্য।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে গর্ব করে বলেন যে- এক হাজারের ওপর ইফতার পার্টি করেছে; তারা ইফতার খেয়েছে। আর আওয়ামী লীগ খেতে আসে না, দিতে আসে; মানুষকে দেয়। এটাই হলো আমাদের সবচেয়ে বড় কথা। দলের অগণিত নেতাকর্মী ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন যারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাই। আবারও দেশের সাধারণ মানুষকে বলতে চাই, আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে থাকে। যারা আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, রমজান মাসে বিএনপি এক হাজার ইফতার পার্টি করেছে এবং খাবার খেয়েছে। আর আওয়ামী লীগ জনগণের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, দেশের মানুষকে সব সময় কিছু দেয় আর বিএনপি নেয়।

শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পথ অনুসরণ করে দেশবাসীর জন্য খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী, তার ছোট বোন শেখ রেহানা এবং পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, যারা আজ গণভবনে এসেছেন, তাদের জন্য সীমাহীন আনন্দ। ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক আনন্দ।

প্রতিকূল আবহাওয়া আমলে নিয়েই জাতীয় ঈদগাহ প্রস্তুত : মেয়র তাপস

0

প্রতিকূল আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুত করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিন পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ সব কথা বলেন ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

মেয়র বলেন, ‘গত বছর প্রবল বৃষ্টি হওয়ার পরও এখানে কোনও ধরনের সমস্যা হয়নি। এক ফোঁটা পানিও ভেতরে আসতে পারেনি। সবাই সুন্দরভাবে জামাতে অংশগ্রহণ করতে পেরেছে। যদিও এবার বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর, তারপরও প্রতিকূল আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই আমরা ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।’

তিনি বলেন, ‘সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। যদি জাতীয় ঈদগাহে সম্ভব না হয়, তাহলে বায়তুল মোকাররমে পরবর্তী জামাত অনুষ্ঠিত হবে (সকাল ৯টায়)। তবে আমাদের যে আয়োজন আছে, আশা করি এর মাধ্যমে সবাই এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।’

প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে ঢাকাবাসীকে পরিবার-পরিজন নিয়ে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত আদায়ের আহ্বান জানান মেয়র। তিনি ঢাকাবাসী ও দেশবাসীকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও জাতীয় ঈদগাহে প্যান্ডেলের মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন বলেও গণমাধ্যমকে জানান তিনি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন– করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক মো. হায়দর আলী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, করপোরেশনের অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বাবুল, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন প্রমুখ।

চিকিৎসক দিনে কতজন রোগী দেখবেন তা বেঁধে দেবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0

একজন চিকিৎসক দিনে কতজন রোগী দেখতে পারবেন তা সরকার বেঁধে দেবে। এ বিষয়ে বিধান রেখে স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইন চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমি কখনোই চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলা এবং ভুল চিকিৎসায় রোগীর যদি কোনো ক্ষতি হয়, সেটা কোনোভাবেই মেনে নেব না। সরকারি হাসপাতালের কোনো চিকিৎসক তার কাজের সময়ের মধ্যে যদি হাসপাতালে না থেকে অন্য কোথাও গিয়ে যদি অপারেশন বা এমন কিছু করে, তবে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।’

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ডাক্তার এবং রোগীর সম্পর্কটা একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। আমাদের দেশের চিকিৎসকরা কোনো অংশেই ভারত, সিঙ্গাপুর, ব্যাংককের থেকে কম না। কিন্তু আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের চিকিৎসকদের কাউন্সেলিংয়ের সময়টা দেওয়ার অভাব।’

‘আমরা যে স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইনটা করছি, সেখানে এটা রাখবো- একজন চিকিৎসক কত সংখ্যক রোগী দেখতে পারবেন। একজন রাত দুইটা আড়াইটা পর্যন্ত… সেটা থেকে যেন একটা স্বল্প সংখ্যক সময়… সঠিক সময় সঠিক রোগী দেখার ব্যবস্থা যেন হয়। ওভাবেই আমরা আইনটা করব। অল্প রোগী দেখবেন ভালোভাবে দেখবেন। রোগীদের সময় দিয়ে দেখতে হবে। তখন ডাক্তারদের প্রতি রোগীদের আস্থা আসবে।’

চিকিৎসকদের প্রতি আস্থা নেই বলে অনেকে বিদেশে চলে যাচ্ছে মন্তব্য করে সামন্ত লাল সেন বলেন, ওখানে গিয়ে যে খুব একটা ভালো কিছু হবে সেটা না। আমি তো ভুটান থেকে রোগী নিয়ে এসেছি। ভুটানের রোগী আমাদের এখানে চিকিৎসা নিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভুটানের রাজা বাংলাদেশে এসে অনেক খুশি। আমরা ভুটানে একটা বার্ন ইউনিট বানিয়ে দিচ্ছি। আমাদের সক্ষমতা প্রকাশ করার জন্য বাইরে আমরা হাসপাতাল বানানোর অনুমতি দিয়েছি।’

ওষুধ এবং এনেস্থেসিয়ার গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাজশাহীতে স্যালাইন দেওয়ার পর চার প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি এ বিষয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে একটা কড়া নির্দেশ দিয়েছি যেন তিনি এটা তদন্ত করেন। যে কয়জন রোগী মারা গেছেন, তাদের কি স্যালাইন ইউজ করা হয়েছিল বা হয়েছিল কি না। একই সঙ্গে ওষুধের গুণগত মান ভালো না, কেন ভেজাল- এটা নিয়ে আমি কাজ করছি এবং ডিজি ড্রাগকে এ বিষয়ে নির্দেশনাও দিয়েছি।