Home Blog Page 66

জনগণের উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে আ.লীগ : প্রধানমন্ত্রী

0

জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে পারলে ভবিষ্যতে ভোটের চিন্তা থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জনগণের উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে আওয়ামী লীগ। লক্ষ্য স্থির রেখে পরিকল্পনার জন্য দেশে দারিদ্র্যতা হ্রাস পেয়েছে। মানুষের সেবা করলে জনপ্রতিনিধিদের কেউ হারাতে পারবে না। ভবিষ্যতে ভোটের চিন্তাও থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ সিটির মেয়র কাউন্সিলরদের শপথ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অভিনন্দন জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, জনগণ আপনাদের বিরল সম্মান অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে জনগণের পাশে থেকে তাদের দুঃখ দুর্দশা ভাগ করে সে সম্মান আপনাদের ধরে রাখতে হবে।

‘আপনারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে পারলে ভবিষ্যতে ভোটের কোনো চিন্তা থাকবে না। মানুষ আপনাদের ওপর আস্থা রাখবে, বিশ্বাস রাখবে। এই কথাটা আপনারা মাথায় রাখবেন। জনসেবার দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেবেন, সেটাই আমরা চাই।-বলেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই জনগণ সেবা পায় জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার যে জনগণের সেবক তা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশের মানুষ বুঝতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য জাতির পিতা প্রথমে ইউনিয়ন পর্যায়ে দশ শয্যার হাসপাতাল তৈরি করার ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। তিনি সম্পন্ন করতে পারেননি। আমি সরকারে আসার পর কমিউনিটি ক্লিনিক করলাম। স্থানীয় লোক সেখানে জমি দেয়, আমরা ভবনের ব্যবস্থা করা, চিকিৎসার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা, স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ দিয়ে সেখানে নিয়োগ দেই। ৩০ ধরনের ওষুধ আমরা বিনামূল্যে দিচ্ছি। আপনারা জনপ্রতিনিধি হিসেবে এসব দিকে নজর দেবেন যেন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো সঠিকভাবে চলছে কিনা। মানুষ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে কিনা। মানুষ সেবা পাওয়াটাই বড় কথা।

তিনি বলেন, গ্রাম বা তৃণমূলকে লক্ষ্য করে আমরা সব উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে থাকি। দেশের উন্নতি করতে হলে গ্রামকে উন্নত করতে হবে। গ্রামের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করতে হবে। তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে হবে, তাদের আর্থিক সচ্ছলতা আনতে হবে। আবার যদি শিল্পাঞ্চলের কথাও চিন্তা করি, তখন আমাদের ভাবতে হবে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি করে আমাদের পণ্য উৎপাদন করা। যাতে আমাদের নিজস্ব বাজার তৈরি হয়। মানুষ যাতে সেই সক্ষমতা অর্জন করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, জনগণকে উন্নত সেবা দেওয়া, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলাই হচ্ছে সরকারের লক্ষ্য। গ্রামের মানুষ শহরের সব সুবিধা পাবে সেটাকে সামনে রেখে আমরা সব পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আজকে যার বয়স ১৫ বছর সে হয়তো ভাবতেও পারবে না যে, ১৫ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৯ এর আগে বাংলাদেশ কি অবস্থায় ছিল। আজকের বাংলাদেশ সেখান থেকে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের প্রবৃদ্ধির হার বেড়েছে, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, সবচেয়ে বড় কথা দারিদ্র্যের হার আমরা নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।

সরকারপ্রধান বলেন, অনেক দেশ চাইবে খাদ্য আমদানির মাধ্যমে তাদের ওপর নির্ভরশীল থাকি। তবে কোনো বড় দেশের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকবে না বাংলাদেশ।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র তাহসীন বাহার সূচনাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এছাড়া কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদেরও শপথ পড়ান তিনি। একই সময়ে শপথ নেন ময়মনসিংহ সিটির নবনির্বাচিত কাউন্সিলররা। তাদের শপথ পড়ান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

এবার ঈদে বাংলার সঙ্গে হিন্দি গানও শোনাবেন মাহফুজুর রহমান

0

সংগীতের প্রতি ভীষণ ভালোবাসা থেকেই সরাসরি এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন বেসরকারি একটি টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। ২০১৬ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে তারই চ্যানেলে প্রচার হয়ে আসছে একক সংগীতানুষ্ঠান। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও আসছে ঈদে গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি।

এবার একটি নয়, দু’টি গানের আয়োজন নিয়ে হাজির হচ্ছেন ড. মাহফুজুর রহমান। ঈদের দিন রাত সাড়ে ১০টায় এটিএন বাংলায় প্রচার হচ্ছে সংগীতানুষ্ঠান ‘তুমি শুধু আমারই থেকো’। এতে মোট গান থাকছে ১০টি। গানগুলোর সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ।

বাংলা গানের পাশাপাশি জনপ্রিয় কয়েকটি গজলও থাকছে এই অনুষ্ঠানে। এর মধ্যে রয়েছে মেরে মিতুয়া, ম্যায় জিস দিন, জানে কাহা, ম্যায় সায়ের তো নেহি এবং চিটঠি আয়ি হ্যায়।

এছাড়া ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত সাড়ে ১০টায় প্রচার হবে সংগীতানুষ্ঠান ‘লেকে পেহেলা পেয়ার’। একক ও ডুয়েট হিন্দি গানে সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানটি। এতে থাকছে দিল কিয়া কারে, মেরে মেহেবুব, রাজাকো রাণি সে পেয়ার, লেকে পেহেলা পেহেলা পেয়ার, বারিস মে তু, তুহি এ মুঝকো বাতাদে, ধীরে ধীরে সে, হামকো হামিসে, ম্যায় জিস দিন ভুলাদু এবং মিলে হো তুম হামকো শিরোনামের গানগুলো। এতে ড. মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন সামিয়া জাহান, নীলিমা, ভাবনা আহমেদ ও মারিয়া চৌধুরী।

হালান্ডের সমালোচনা করায় কিনকে এক হাত নিলেন গার্দিওলা

0

চলতি মৌসুমে নিজের সেরাটা দিতে পারছেন না আর্লিং হালান্ড। গত ম্যাচে আর্সেনালের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ম্যানচেস্টার সিটি। এরপরই হালান্ডকে নিম্নমানের খেলোয়াড় বলে সমালোচনা করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবদন্তি রয় কিন। এর জবাকে কিনকে এক হাত নিলেন ম্যানসিটির কোচ পেপ গার্দিওলা।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সমালোচকদের উদ্দেশ্যে ম্যান সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা বলেন, আমি তার (রয় কিন) সঙ্গে একমত নই। কোনোভাবেই নয়। হালান্ড বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকার।

তিনি বলেন, হালান্ড গত মৌসুমে আমাদের সাফল্যে বড় অবদান রেখেছে। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভর করে ২০২২-২৩ মৌসুমে প্রথমবারের মতো ট্রেবল জেতে ম্যানচেস্টার সিটি।

২০২২-২৩ মৌসুমে বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন ম্যান সিটির আর্লিং ব্রট হালান্দ। গোটা মৌসুমে ৫৩ ম্যাচে ৫২ গোল করেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার। প্রিমিয়ার লীগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সঙ্গে ভাঙেন একাধিক রেকর্ড। চলতি মৌসুমে সিটির হয়ে সবমিলিয়ে ৩৫ ম্যাচে ২৯ গোল করা এই স্ট্রাইকার অ্যাসিস্ট করেছেন ৬টি।

আর্সেনাল-সিটি ম্যাচের পর স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রয় কিন বলেছিলেন, তার (হালান্ড) মাঠের খেলা খুবই নিম্নমানের। এটা শুধু আজকের কথা নয়, আমি সাধারণভাবেই এমনটা মনে করি।

গোল মেশিন হালান্ডের প্রশংসা করলেও ফুটবলার হিসেবে নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের উন্নতি দরকার বলে মনে করেন রয় কিন। তিনি বলেন, গোলমুখে সে বিশ্বসেরা। কিন্তু একজন খেলোয়াড় হিসেবে তার সাধারণ খেলা খুবই নিম্নমানের।

বয় কিন আরও বলেন, তাকে খেলার উন্নতি করতে হবে। সে অনেকটা দ্বিতীয় স্তরে খেলা ফুটবলারের মতো। তাকে আমি এভাবেই দেখি। মাঠের সাধারণ খেলায় তাকে উন্নতি করতে হবে এবং এটা কয়েক বছরের মধ্যে হবে। সে অসাধারণ একজন স্ট্রাইকার। কিন্তু তাকে তার সামগ্রিক খেলায় আরও উন্নতি করতে হবে।

ভারতের নির্বাচনের পর দিল্লি যাবেন প্রধানমন্ত্রী : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0

ভারতের নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফর করবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ বুধবার (৩ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সরকারপ্রধান প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর কোথায় করতে চান জানতে চাওয়া হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হবে। তবে ভারতের নির্বাচনের পরে। সেটি কখন হবে তা নিয়ে কোনো আলোচনা এখনো আমাদের অফিসিয়াল লেভেলে হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে গণমাধ্যমের সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে হাছান মাহমুদ বলেন, আপনি যে সংবাদটি পত্রিকায় দেখেছেন, আমিও সেটি দেখেছি।

আগামী মে মাসজুড়ে ভারতের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর দেশটির ৪ জুন সরকার গঠন করার কথা রয়েছে।

গত বছরের (২০২৩) সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন শেখ হাসিনা। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক এবং একান্ত বৈঠক করেন তিনি। বাংলাদেশে দ্বাদশ নির্বাচনের আগে ওই সফর ছিল সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর শেষ সফর।

টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠনের পর শেখ হাসিনা প্রথম বিদেশ সফর করেন জার্মানিতে। গত ফেব্রুয়ারিতে তিনি দেশটিতে অনুষ্ঠিত মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দেন। তবে সেটি দ্বিপাক্ষিক সফর ছিল না, বহুপাক্ষিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের বিষয় ছিল। দিল্লি সফরের আগে এমন আরও বহুপাক্ষিক ফোরামে যোগ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নিউজিল্যান্ডকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান

0

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক ফোরামে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে নিউজিল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনার ডেভিড পাইন বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সফলভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য বিদায়ী হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পর পরই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী দেশসমূহের মধ্যে নিউজিল্যান্ড অন্যতম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য-বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দুদেশের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সফর বিনিময়ের ওপর জোর দেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত এগারো লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে বাংলাদেশ আশ্রয় দিলেও বর্তমানে দেশের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা এবং যতই দিন অতিবাহিত হচ্ছে দেশের সরকার ও জনগণের ওপর চাপ বাড়ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রোহিঙ্গাদের সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড আন্তর্জাতিক ফোরামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, নিউজিল্যান্ড উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা নিউজিল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরও বেশি সুযোগ পাবে।

সাক্ষাৎকালে নিউজিল্যান্ডের বিদায়ী হাইকমিশনার দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এ সময় ভবিষ্যতে নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশিদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ বাড়ার কথাও বলেন তিনি। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে কঠোর ব্যবস্থা : ডিএমপি কমিশনার

0

সড়ক, রেল ও নৌ-মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ভাড়ার বেশি টাকা নিলে ও লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে পুলিশের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

আজ বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে ডিএমপি সদর দপ্তরে ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, যাত্রী সাধারণের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখা এবং ঈদের জামাত সুষ্ঠুভাবে আদায় করার জন্য সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, অতীতে লাইসেন্স ছাড়া হেলপারদের দিয়ে গাড়ি চালিয়ে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। লাইসেন্সবিহীন কেউ গাড়ি চালালে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া কাউন্টার ছাড়া অন্য কোথাও টিকিট বিক্রি হলে বিক্রয়কারীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী দেড় কোটি লোক প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে ঢাকা ছাড়বেন। সেটি যেন সুন্দর করতে পারি, সেজন্য আমাদের এই সভার আয়োজন করা হয়েছে। ঈদে নৌ-রেল-সড়ক সব কিছুতেই আমাদের নজর থাকবে, তবে সড়ক পথের প্রতি আমাদের বেশি গুরুত্ব দেওয়ার মতো বিষয়টি সভায় উপস্থিত বক্তাদের আলোচনায় উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, ঢাকার পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার সঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সমন্বয় খুব দরকার। এ জন্য আমি অনুরোধ করব, আমাদের ট্রাফিকের এবং ক্রাইমের ডিসিরা জেলার সীমান্তের যে ইউনিট আছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে যে ম্যানেজমেন্টগুলো আছে, সেগুলো যেন ঠিকঠাকভাবে করা হয়।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা প্রবেশ ও বহির্গমনের জন্য ১১টি পথ রয়েছে। পথগুলোতে যেন আলাদাভাবে সবাই সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, মিটিং করেন ও সিদ্ধান্ত নিয়ে সমন্বয় করেন। প্রয়োজনে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করেন। নিজেদের প্রোগ্রাম শেয়ার করেন।

তিনি বলেন, রাস্তাঘাটের যে উন্নয়ন হয়েছে, তাতে ঢাকা থেকে বেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে খুব কম সময় লাগবে। তবে ঢাকা থেকে বেরোনোর কিছু জায়গায় সমস্যা আছে। কয়েকটি পয়েন্টে আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। এর সঙ্গে এই সমস্যাগুলো নিরসনে কর্মকর্তাদের আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আমাদের আলোচনায় উঠে এসেছে ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিষয়। এখানে মালিক ও শ্রমিক সমিতির নেতারা আছেন। সবাই একমত হয়েছেন কোনো অবস্থাতেই ফিটনেটবিহীন গাড়ি রাস্তায় আসবে না। এরপরেও পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া আছে যে, কোনোভাবেই যেন এসব গাড়ি রাস্তায় চলতে না দেয়। লাইসেন্সবিহীন কেউ যেন ড্রাইভ না করতে পারে, সেটি নিয়ে মালিক সমিতির কর্মকর্তারা কথা বলেছেন। আমি অনুরোধ করব, দুর্ঘটনাবিহীন ঈদ করতে এ বিষয়ে আমাদের কর্মকর্তারা যারা যেখানে আছেন, তারা ব্যবস্থা নেবেন।

হাবিবুর রহমান বলেন, অতীতে তাকালে দেখি অধিক গতি, ধারণ ক্ষমতার অধিক যাত্রী বহন, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মূল ড্রাইভার না থাকার পর হেলপার ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দিয়ে গাড়ি চালানো হয়। এসব রোধে জন্য সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

যাকাত বোর্ডকে শক্তিশালী করা সম্ভব হলে দারিদ্র্য বিমোচন ত্বরান্বিত হবে : ধর্মমন্ত্রী

0

ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, যাকাত বোর্ডকে শক্তিশালী করা সম্ভব হলে দারিদ্র্য বিমোচন ত্বরান্বিত হবে।

তিনি বলেন, সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, সে লক্ষ্য অর্জনে যাকাত বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে।

আজ বুধবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সভাকক্ষে যাকাত বোর্ড আয়োজিত দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকাবিষয়ক সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, যাকাত ইসলামের পাঁচটি স্তম্বের অন্যতম একটি স্তম্ভ। সামর্থ্যবান মুসলিম নর-নারীর জন্য যাকাত আদায় করা ফরজ। এটি আর্থিক ইবাদত। ইসলামে নামাজকে যেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাকাতকে।

তিনি বলেন, যাকাত ইসলামি অর্থ ব্যবস্থার মূলভিত্তি। যাকাত আদায় করা হলে মানুষের ধন-সম্পদ থেকে গরিবের হক আদায় হয়। ফলে তা হালাল ও পবিত্র হয়। আবার যাকাতের মাধ্যমে শ্রেণিবৈষম্য দূর হয়, সমাজে দারিদ্র্যের হার কমে ও স্বচ্ছল মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

পবিত্র কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পবিত্র কুরআনে যাকাত আদায় না করার পরিণাম সম্পর্কে হুঁশিয়ার করা হয়েছে। যারা যাকাত আদায় করবে না, তাদেরকে বেদনাদায়ক আজাবের সম্মুখীন হতে হবে।

ফরিদুল হক খান বলেন, দারিদ্র্য দূরীকরণ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে যাকাত ব্যবস্থা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। ইসলামে যাকাতের প্রচলন হয়েছে মূলত একটি সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন করার জন্য। সমাজে শুধু ধনীদের হাতে সম্পদ যাতে কুক্ষিগত না থাকে এবং একটি অর্থনৈতিক বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়, সেলক্ষ্যেই মহান আল্লাহপাক যাকাত প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। এটি ধনীদের কোন দয়া বা অনুগ্রহ নয়, বরং ধনীদের থেকে গরিবদের প্রাপ্য অধিকার।

ইসলমিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মহা. বশিরুল আলমের সভাপতিত্বে এ সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ধর্মসচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস ড. ওয়ালীয়ূর রহমান খান। দিনব্যাপী এ সেমিনারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক, ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি ও ওলামায়ে-কেরাম অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেট দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

0

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেট দলের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার (এপ্রিল ০৩) গণভবনে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেট দলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দু’দলের ক্যাপটেনদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

অস্ট্রেলিয়া জাতীয় নারী দলের ক্যাপ্টেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে দলের জার্সি তুলে দেন।

পরে দুই দলের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

রেলের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কোচ আমদানি করা হচ্ছে : রেলমন্ত্রী

0

রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেন, রেলের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কোচ আমদানি করা হচ্ছে। লোকোমোটিভ আমদানির ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা ২০০ বগি আমদানির জন্য অনুমোদন পেয়েছি। আশা করি এক বছরের মধ্যে ৭০০ থেকে ৮০০ কোচ এবং ইঞ্জিন আমদানি করে ট্রেনে যাত্রী পরিবহনের ক্ষমতা এবং মাল পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে পারব।

আজ বুধবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে ঈদযাত্রা পরিদর্শন করতে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

দুর্নীতি সম্পর্কে জানতে চাইলে রেলমন্ত্রী বলেন, কোন সংস্থাই চায় না সেই সংস্থার মধ্যে দুর্নীতি থাকুক। আমরাও চাই না রেলের মধ্যে দুর্নীতি থাকুক। কেনাকাটায় সব জায়গাতেই কিছু না কিছু দুর্নীতি থাকে। অনেক বড় বড় জায়গায়ও হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে রেল অনেক ছোট জায়গা। অনেক নামিদামি জায়গাতেও ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা দুর্নীতি থাকে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি যেন আমাদের রেলে কোনো ধরনের এ রকম কিছু না থাকে। আমরা চেষ্টা করব সব রকম দুর্নীতি বন্ধ করতে।

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন এবার যাত্রীরা যেন ঈদে নিরাপদে বাড়িতে গিয়ে ঈদ করতে পারে সেজন্য আমাদের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। এখানে আমরা ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করেছি। বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছি। যারা আসন পাবেন না তারা যেন অন্তত দাঁড়িয়ে যেতে পারেন, সেজন্য আলাদা টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদে যত লোক বাড়িতে যাবে, তাদের সবাইকে তো আমাদের পক্ষে পাঠানো সম্ভব নয়।

মন্ত্রী বলেন, এবার ঈদে কালোবাজারি যেন টিকিট নিতে না পারে সেজন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এসব ব্যবস্থা কিন্তু যাত্রীদের কল্যাণের জন্য। নিরাপত্তা রক্ষার জন্য আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী আছে, র‌্যাব, পুলিশসহ সরকারি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সহযোগিতা করছে। আমরা আমাদের চেষ্টার ত্রুটি রাখি নাই। সাধ্যমত আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিয়েছি।

দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সহযোগিতা চান।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ফস্পচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাকিদের ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলেন, ‘পদ্মা সেতুর মাধ্যমে ইতোমধ্যেই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। আমি চাই বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে চীন সহায়তা করুক।’

নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা চীনা রাষ্ট্রদূতকে বলেছেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চল এতদিন অবহেলিত ছিল। কারণ, আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো সরকারই এ এলাকার উন্নয়নে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।

ইয়াও ওয়েন শেখ হাসিনাকে আগামী জুলাই মাসে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানালে প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন।