Home Blog Page 77

৪ ঘণ্টায় পশ্চিমাঞ্চল রেলের ১৫ হাজার টিকিট বিক্রি

0

ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরুর পঞ্চম দিনে ৪ ঘণ্টায় পশ্চিমাঞ্চলের ১৫ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রির পঞ্চম দিন, পাওয়া যাচ্ছে ৭ এপ্রিলের অগ্রিম টিকিট। সকাল ৮টায় অনলাইনে পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট উন্মুক্ত হওয়ার পর দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৫ হাজার টিকিট বিক্রি হয়।

কমলাপুর রেলওয়ের স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার এবিনিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মাসুদ সারোয়ার বলেন, সকাল ৮টা থেকে এখন পর্যন্ত (দুপুর ১২ টা) ১৫ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। এই সময় ওয়েবসাইটে হিট হয়েছে ৮২ লাখ বার। দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।

রেলওয়ে বলছে, এই ঈদে ৩৩ হাজার ৫০০ আন্তনগর ট্রেনের টিকিট প্রতিদিন অনলাইনে উন্মুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে ঈদের সময় আটটি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে উত্তরবঙ্গ, বৃহত্তর ময়মনসিংহ এলাকার ট্রেনগুলোর টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা অঞ্চলের ট্রেনের টিকিট নির্ধারিত সময়ের পরও অবিক্রীত থেকে গেছে।

মাসুদ সারোয়ার বলেন, এবার ঈদে পশ্চিমাঞ্চলের জন্য আজকের রেগুলার টিকিট ১৫ হাজার ৯৩৩টি। আর পূর্বাঞ্চলের জন্য নির্ধারিত টিকিট ১৬ হাজার ১০০। তবে ঈদ উপলক্ষে ৭ তারিখ যে স্পেশাল ট্রেন যাবে সেখানে আরও ৫০০ টিকিট যোগ হবে দুই অঞ্চলের জন্য।

ঈদের স্পেশাল ট্রেনগুলো হলো—ঈদ-উল-ফিতরে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (১ ও ৩) চট্টগ্রাম-চাঁদপুর; চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (২ ও ৪) চাঁদপুর-চট্টগ্রাম; ময়মনসিংহ ঈদ স্পেশাল (৫ ও ৬) চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম; দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল (৭ ও ৮) ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে ৫ এপ্রিল থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এবং ঈদের পরে ৫ দিন চালানো হবে।

কক্সবাজার ঈদ স্পেশাল (৯ ও ১০) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে ঈদের আগে ৮ ও ৯ এপ্রিল ও ঈদের পরের দিন থেকে ৩ দিন চলাচল করবে।

এ ছাড়া শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১১ ও ১২) ভৈরব বাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরব বাজার; শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১৩ ও ১৪) ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে শুধুমাত্র ঈদের দিন চলাচল করবে।

ঈদ স্পেশাল (১৫ ও ১৬) জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে ঈদের আগে ৭-৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৩ দিন এবং ঈদের পরের দিন থেকে ৩ দিন চলাচল করবে।

বাংলাদেশি আমেরিকানরা দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে কাজ করছে : ডোনাল্ড লু

0

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি আমেরিকানদের কথা উল্লেখ করে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু বলেছেন, তাদের শক্তি এবং অসাধারণ কঠোর পরিশ্রম আমাদের দুটি মহান জাতির মধ্যে সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করেছে। বাংলাদেশি আমেরিকানরা দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে যেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তার জন্য আমরা গর্বিত।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বাংলাদেশের ৫৪তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে জনাব ডোনাল্ড লু এ কথা বলেন।

দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপনে বাংলাদেশি আমেরিকানদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাম্বাসেডর ডোনাল্ড লু।

এ প্রসঙ্গে ডোনাল্ড লু বাংলাদেশি আমেরিকান উদ্যোক্তাদের কথা উল্লেখ করে বলেন, তারা তাদের অনন্য উদ্ভাবনী শক্তি ও ধারণার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করেছেন। ‘শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ, জয় বাংলা’ বলে বক্তব্য শেষ করেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান তার স্বাগত বক্তব্যে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী ত্রিশ লাখ শহীদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান।

রাষ্ট্রদূত ইমরান বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। দুই দেশের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের চমৎকার বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বিরাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সকলের সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য একটি মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। আমরা আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি যে, দুই দেশ তাদের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও এগিয়ে নিতে সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করতে সক্ষম হবে।

রাষ্ট্রদূত ইমরান বলেন, বাংলাদেশকে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলায়’ রূপান্তরিত করার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্য যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়নে আমরা সকল বন্ধু রাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করি।

পরে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত যৌথভাবে অতিথিদের উপস্থিতিতে কেক কাটেন।

এর আগে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়নের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অ্যাম্বাসেডর রেবেকা গঞ্জালেস, ডিরেক্টর, ফরেন মিশন অফিস, ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকবৃন্দ, স্টেট ডিপার্টমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মার্কিন সরকার, ইউএসএআইডি, ইউএসটিআর, এনডিআই, আইআরআই ও অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিগণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত জনাব মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, বিশ্বব্যাংকের সাবেক বিকল্প নির্বাহী পরিচালক এবং বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া থেকে নির্বাচিত স্টেট সিনেটর বাংলাদেশি আমেরিকান জনাব সাদ্দাম সেলিম এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস দিনব্যাপী এক কর্মসূচির আয়োজন করে। যার মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং আলোচনা সভা ও বিশেষ প্রার্থনা।

সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে রাষ্ট্রদূত জাতির পিতার আবক্ষ প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

এ উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান মিনিস্টার (কনস্যুলার) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মিনিস্টার (প্রেস) এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন এবং কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি।

পরে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি (পাসপোর্ট ও ভিসা উইং) মুহাম্মদ আব্দুল হাই মিলটন দূতাবাসের দিনব্যাপি কর্মসূচির দুই পর্ব পরিচালনা করেন।

অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা

0

অ্যানেসথেসিয়াজনিত আকস্মিক জটিলতা প্রতিরোধ এবং অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহারে ওষুধের গুণগতমান নিশ্চিতকরণের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। নির্দেশনায় ভবিষ্যতে জটিলতা এড়াতে ও অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহৃত ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিত করতে অ্যানেসথেসিয়ায় হ্যালোজেন ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

বুধবার (২৮ মার্চ) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মসচিব জসীম উদ্দীন হায়দার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে অ্যানেসথেসিয়ার কারণে কতিপয় রোগীর মৃত্যু ও আকস্মিক জটিলতা প্রতিরোধে এবং অ্যানেসথেসিয়ার ব্যবহৃত ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিতকল্পে অ্যানেসথেসিয়াতে হ্যালোজেন ব্যবহার ও এর বিকল্প নির্ধারণে এবং অ্যানেসথেসিয়াজনিত মৃত্যু ও এর অপপ্রয়োগ প্রতিরোধ করতে নিচের সুপারিশগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. সারা দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে ইনহেলেশনাল অ্যানেসথেটিক (নিশ্বাসের সঙ্গে যে চেতনানাশক নেওয়া হয়) হিসেবে হ্যালোথেনের (চেতনানাশক ওষুধ) পরিবর্তে আইসোফ্লুরেন/সেভোফ্লুরেন (চেতনানাশক ওষুধ) ব্যবহার করতে হবে।

২. সারা দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট হ্যালোথেন/আইসোফ্লুরেন/সেভোফ্লুরেন ভেপোরাইজারের সংখ্যা এবং বিদ্যমান হ্যালোথেন ভেপোরাইজার পরিবর্তন করে আইসোফ্লুরেন/সেভোফ্লুরেন ভেপোরাইজার প্রতিস্থাপন করতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের প্রাক্কলন করতে হবে।

৩. ডিজিডির অনুমোদন ছাড়া হ্যালোজেন ক্রয়, বিক্রয় ও ব্যবহার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৪. সারা দেশের সব অ্যানেসথেসিওলজিস্টদের (সরকারি/বেসরকারি) নিয়ে হ্যালোথেনের পরিবর্তে আইসোফ্লুরেন ব্যবহারসংক্রান্ত নির্দেশনা প্রতিপালনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৫. সব সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে বিদ্যমান হ্যালোথেন ভেপোরাইজারের পরিবর্তে আইসোফ্লুরেন ভেপোরাইজার প্রতিস্থাপনের জন্য চাহিদা মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে।

৬. নতুন অ্যানেসথেসিয়ার মেশিন ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্পেসিফিকেশন নির্ধারণে স্পষ্টভাবে আইসোফ্লুরেন/সেভোফ্লুরেন ভেপোরাইজারের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

মুখ খুললেন অক্ষয়

0

একসময় অক্ষয় মানেই বলিউড বক্স অফিস একেবারে হাতের মুঠোয়। বলিউডের খিলাড়ি কুমারের ছবি মুক্তি পেলেই কোটি টাকার ক্লাবে। তবে করোনার পর যেন অক্ষয়ের ভাগ্যে শনিরদশা। নানা ভূমিকায় পর্দায় এলেও, দর্শকরা কিন্তু পাত্তা দিচ্ছেন না অক্ষয়কে। যা জলজ্যান্ত প্রমাণ ‘বেলবটম’, ‘রামসেতু’, ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’, ‘রক্ষা বন্ধন’, ‘মিশম রানিগঞ্জ’।

একমাত্র ‘ও মাই গড ২’ যা একটু ব্যবসা করেছিল। পরপর ফ্লপ দেওয়ায় অক্ষয়কে নেটিজেনরা মাঝে মধ্যে বাজে কথা বলতে থাকেন। তার ওপর গেরুয়া শিবিরের দিকে অক্ষয় ঝুঁকে থাকায়, কটাক্ষের ধরন হয় আর তীব্র। আর এবার সেই কটাক্ষেই মুখ খুললেন অক্ষয়।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে নতুন ছবি ‘বড়ে মিঞা, ছোটে মিঞা’র প্রচারে অক্ষয় জানালেন, আমি যে ছবিগুলো করেছি, কোনোটা সফল হয়েছে, কোনোটা হয়নি। ব্যর্থতা আমার কাছে নতুন নয়। ক্যারিয়ারের একটা সময় আমার একটানা ১৬টি ছবি ফ্লপ করেছিল। কিন্তু আমি তার পরেও কাজ করতেই থেকেছি। আগামী দিনেও কাজ করতেই থাকব। সঙ্গে অক্ষয় আরও বলেন, বড়ে মিঞা, ছোটে মিঞা ছবিতে আমরা সবাই খুবই পরিশ্রম করেছি। আশা করি এই পরিশ্রমের ফল পাব।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘বড়ে মিঞা ছোটে মিঞা’। ডেভিড ধাওয়ানের পরিচালনায় সে ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অমিতাভ বচ্চন ও গোবিন্দা। নায়িকা হিসেবে ছিলেন রাবিনা ট্যান্ডন এবং রামিয়া কৃষ্ণণ। নয়ের দশকের সে ছবি ছিল আউট অ্যান্ড আউট কমেডি। তবে অক্ষয় ও টাইগারের এই ছবির ঝলক দেখে মনে হচ্ছে, এতে ভরপুর অ্যাকশন থাকছে।

জানা গেছে, নতুন এই ছবি মোটেই পুরোনো ছবির রিমেক নয়। ডেভিড ধাওয়ানের পুরোনো ছবি থেকেই শুধু নাম ধরা করা হয়েছে। গল্পও একেবারে থাকবে নতুন। ছবিটির প্রযোজনা করবেন বাসু ভাগনানি, জ্যাকি ভাগনানি ও দীপশিখা ভাগনানি। ঈদে মুক্তি পাবে এই ছবি।

৩৮ ছক্কার আইপিএল ম্যাচে যত রেকর্ড

0

বছরের এই সময়টায় উপমহাদেশে হরহামেশাই ঝড় হয়। প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা দেখে পৃথিবী। গতকাল রাতে হায়দরাবাদে কালবৈশাখীর মতোই তাণ্ডব চালিয়েছেন দুই দলের ব্যাটাররা। ৫২৩ রান আর ৩৮ ছক্কার ম্যাচে হয়েছে রেকর্ড বন্যা।

গতকাল বুধবার (২৭ মার্চ) রাজিব গান্ধী স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাটিং করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭৭ রান করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রানে থেমেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

আইপিএলে সর্বোচ্চ দলীয় রানের আগের রেকর্ডটি ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৬৩ রান করেছিল দলটি। এক দশক পর সেই রেকর্ড ভেঙে দিল হায়দরাবাদ।

শুধু ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড নয়, ম্যাচেও হয়েছে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট রান হয়েছে ৫২৩। আইপিএল তো বটেই স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতেও এটি সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। এর আগে গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে হয়েছিল সর্বোচ্চ ৫১৭ রান।

রেকর্ড রান তুলতে গিয়ে হায়দরাবাদে হয়েছে ছক্কা বৃষ্টি! স্বাগতিকদের ইনিংসে ছক্কা হয়েছে ১৮টি, মুম্বাই মেরেছে ২০টি। ম্যাচে মোট ছক্কা হয়েছে ৩৮টি। এটা কোনো ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কার বিশ্ব রেকর্ড।

স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ছক্কার আগের রেকর্ডটি হয়েছিল আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগে। ২০১৮ সালে বালখ লেজেন্ডস ও কাবুল জাওয়ানানের ম্যাচে হয়েছিল ৩৭টি ছক্কা। আর আইপিএলে এক ম্যাচে আগে সবচেয়ে বেশি ছক্কা ছিল ৩৩টি।

আইপিএলে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারির রেকর্ডও হয়েছে হায়দরাবাদ-মুম্বাইয়ের ম্যাচটিতে। এই ম্যাচে বাউন্ডারি হয়েছে ৬৯টি। ২০১০ সালে চেন্নাই ও রাজস্থানের ম্যাচটিতেও হয়েছিল সমান সংখ্যক বাউন্ডারি।

চার-ছক্কা থেকে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি রান হয়েছে এই ম্যাচে, ৩৫২ রান। আগের রেকর্ডটি ছিল ৩৩৬ রানের, যা হয়েছিল চেন্নাই ও রাজস্থানের ২০১০ সালের ওই ম্যাচে।

যুক্তরাষ্ট্রে সেতু ধস : শেষ সময়ের সতর্কবার্তায় বাঁচে বহু প্রাণ

0

আমেরিকার বাল্টিমোরে যে জাহাজের ধাক্কায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু ভেঙে পড়ে, সেটির নাবিকদের দলে থাকা ২২ জন সদস্যই ভারতীয়। ভয়ঙ্কর এই দুর্ঘটনার জন্য প্রাথমিকভাবে জাহাজটিকে দায়ী করা হলেও সেটির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ভারতীয় নাবিকদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন বাল্টিমোরের স্থানীয় প্রশাসন। তাদের মতে, যথাযথ সময়ে জাহাজের কর্মীরা সতর্কবার্তা পাঠানোর কারণেই প্রচুর প্রাণহানি এড়ানো গিয়েছে।

মেরিল্যান্ডের গভর্নর ওয়েস মুরি জানিয়েছেন, জাহাজের কর্মীদের বুদ্ধিমত্তার কারণেই বহু প্রাণহানি আটকে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

ধাক্কা দিয়ে সেতু ধসিয়ে দেওয়া সেই জাহাজের সকল ক্রু ভারতীয়
গতিপথ বদলে বাল্টিমোরের সেতুতে আঘাত হানে সেই জাহাজ

তিনি জানান, যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা গিয়েছে বলে আগেই সতর্কবার্তা দেন পণ্যবাহী জাহাজটির দায়িত্বে থাকা ভারতীয় নাবিকরা। জাহাজ যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুতে ধাক্কা মারতে পারে, সেই আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছিল। এই সতর্কবার্তা পেয়েই পুলিশের পক্ষ থেকে ওই সেতুতে যাওয়ার রাস্তা দু দিক থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তা না হলে আরও ক্ষয়ক্ষতি আরও বড় আকার নিতে পারত।

মেরিল্যান্ডের গভর্নর বলেন, জাহাজের দায়িত্বে থাকা নাবিক এবং কর্মীরাই প্রকৃত নায়ক। তারা অসংখ্য মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন।

সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী— নদী থেকে দুজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনও ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

ডালি নামে ৯৪৮ ফুট দীর্ঘ বিশাল ওই জাহাজটি বাল্টিমোর থেকে শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পরই এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে জাহাজের নাবিক এবং কর্মীরা প্রত্যেকেই নিরাপদে আছেন।

গাজায় নিহত আরও ৭৬, প্রাণহানি বেড়ে প্রায় ৩২৫০০

0

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৭৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ জনে।

এছাড়া গত অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৭৫ হাজার ফিলিস্তিনি। বুধবার (২৭ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের মারাত্মক আক্রমণে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৩২ হাজার ৪৯০ জনে পৌঁছেছে বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বুধবার জানিয়েছে।

একই সময়ে অন্তত ৭৪ হাজার ৮৮৯ জন ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন বলেও মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের হামলায় ৭৬ জন নিহত এবং আরও ১০২ জন আহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অনেক ভুক্তভোগী এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন এবং উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।’

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

‌‘ইন্ডিয়া আউট যারা বলছে, তারাই জনগণ থেকে আউট হয়ে গেছে’

0

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যারা আজকে ভারতবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে, বলছে ইন্ডিয়া আউট তারা আসলে বাংলাদেশের জনগণ থেকে আউট হয়ে গেছে । তারাই পাকিস্তানপন্থী, পাকিস্তানি যে আদর্শ সেটা প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।

বুধবার (২৭ মার্চ) বিআইডব্লিউটিএ ভবনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার এই মাসেও আমরা দেখছি আবারও পানিঘোলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারত সরকার, ভারতবাসী মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদেরকে যেভাবে সহায়তা করেছে, আমরা যদি সেটা ভুলে যাই, তাহলে আমরা কী ধরনের মানুষ হলাম। এক কোটি মানুষ ভারতের শরণার্থী শিবিরে স্থান পেয়েছিল। তারা তাদের খাইয়েছে, পরিয়েছে, শিক্ষা দিয়েছে, চিকিৎসা দিয়েছে, ট্রেনিং দিয়েছে, অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছে। সম্মিলিত মিত্রবাহিনী হিসেবে তারা সরাসরি অপারেশনে গেছেন।

তিনি বলেন, ১৭ হাজার ভারতীয় সৈন্য এ মাটিতে ঘুমিয়ে আছে। হানাদার বাহিনীর হাত থেকে আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য তারা যে অবদান রেখেছে, এটা কি আমরা ভুলে যাব! আর আজকে এই দেশ থেকে ইন্ডিয়া আউট, ভারত আউট কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে এটা খুবই দুঃখজনক। যারা ভারতবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে, ইন্ডিয়া আউট বলছে, তারা আজকে বাংলাদেশের জনগণ থেকে আউট হয়েছে। তারা পাকিস্তানপন্থী এবং পাকিস্তানের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

তিনি আরও বলেন,ভারত সহযোগিতা করেছে বলেই ভারতবিরোধী স্লোগান এবং রাজনীতিতে যখনই পরাজিত হয়ে যায় এবং জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখনই ভারতবিরোধী স্লোগান শুরু করে। ভারতবিরোধী স্লোগান মানেই তো সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি। এর মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা লুকিয়ে আছে। এ সাম্প্রদায়িকতার জন্য কিন্তু আমরা মুক্তিযুদ্ধ করিনি। এ সাম্প্রদায়িকতার জন্য ৩০ লাখ মানুষ জীবন দেয়নি। এ সাম্প্রদায়িকতার জন্য লাখ লাখ মা ও বোনের আত্মত্যাগ নেই। আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চাই। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ থাকলে দেশে এগিয়ে যাবে বর্তমান বাস্তবতা সেটি প্রমাণ করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করলে যে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় আজকে ২০২৪ সাল সেটি প্রমাণ করছে। ভারত আউট মানেই হলো সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে আহ্বান জানানো। আমরা তো সেই জায়গায় ফিরে যেতে চাই না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে সাধারণ করতে চায়; তারা বাংলাদেশের উন্নয়নটাকে, দেশের এগিয়ে যাওয়াটাকে সহ্য করতে পারেন না। বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ সারা পৃথিবীতে কেন বিস্ময়কর একটি জায়গায় চলে গেল, কেন এটি উন্নয়নের রোল মডেল হলো, এটা তাদের বড় কষ্ট। তারা এই উন্নয়ন চায় না, তারা সবসময় প্রভুত্ববাদের বেড়াজালে আবদ্ধ থাকতে চায়। দেশের উন্নয়ন এবং স্বাবলম্বী হওয়া তারা চায় না। এ জন্য বিভিন্নভাবে বঙ্গবন্ধুকে খাটো করার চেষ্টা করে। বাকশাল একটি দেশের উন্নয়ন কর্মসূচি। সেই কর্মসূচিকে রাজনীতিকরণ তারা করে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর শুধু একটাই কারণ-দেশের স্বাধীনতা সুখ যেন আমরা না পাই।

তিনি বলেন, দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি কমিটি গঠন করে দিলো। ১০ সদস্যের ওই কমিটিতে ৭ জন নোবেল লরিয়েট ছিলেন। ওই কমিটি বাংলাদেশের ভবিষ্যতর সম্পর্কে গবেষণা করল। তারা গবেষণা করে দেখল এই দেশের কোন ভবিষ্যৎ নেই। এই দেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে কোন লাভ হবে না। এটা অসুস্থ একটা রোগী। এটাকে আর বাঁচানো সম্ভব না। তখন তারা বলল-বাংলাদেশের দিকে না তাকিয়ে অন্য কোনো দেশের দিকে তাকাতে। হেনরী কিসিঞ্জার বলেছিল- বাংলাদেশ একটি তলাবিহীন ঝুড়ি। তাদের এই থিওরির বিপরীতে দাঁড়িয়ে এই দেশকে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে পরিণত করেছিলেন। এবং যেই জায়গায় নিয়ে গেছেন, সেই জায়গাগুলো এখনও আমরা ছুঁয়ে দেখতে পারি নাই। এ কারণেই বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পারিবারিক হত্যাকাণ্ড নয়। হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য, একটি দেশকে হত্যা করার জন্য।

তিনি আরও বলেন, আজকে তারই রক্তের উত্তরাধিকার দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন। ’৭৫-এর পরে অনেক পানি গড়িয়ে গেছে। আমরা যদি ’৭৫-এর এবং মুক্তিযুদ্ধে সেই জায়গায় ফিরে যেতে চাই- হবে না। কারণ, সমাজ অনেক বিশৃঙ্খলা হয়ে গেছে। শিক্ষায় বিশৃঙ্খলা হয়েছে, অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা হয়েছে। সবকিছুতে ভেজাল ঢুকে গেছে। এই ভেজালকে পরিশুদ্ধ করা কঠিন কাজ। এর মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এই দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন। এই স্বাধীনতার জন্য অনেকেই সংগ্রাম করেছেন। কারও কথায় স্বাধীনতা আসেনি। এই বাংলার সম্পদ দিয়ে লন্ডন শহর তৈরি করা হয়েছে, এই বাংলার সম্পদ দিয়ে কলকাতা শহর তৈরি করা হয়েছে। এই বাংলার সম্পদ দিয়ে ইসলামাবাদ তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু এই দেশের মানুষের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। বঙ্গবন্ধু সেটা জানতেন এবং সেই পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন। আমার সম্পদ দিয়ে আমার অধিকার তিনি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। দেশের সম্পদ যারা লুণ্ঠন করেছিলেন, এই লুণ্ঠনকারীরা এদেশকে বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে দিতে চাইবে না। বঙ্গবন্ধু সেটি করেছিলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কারও একার দেশ না। এই দেশ ১৬ কোটি মানুষের দেশ। বঙ্গবন্ধু এই দেশটিকে আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন। আমাদের দায়িত্ব হল এই দেশটিকে মাথা উঁচু করে দাঁড় করানো। আত্মসম্মান নিয়ে দাঁড় করানো।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর ভাইস চ্যান্সেলর হলো অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম এবং বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মো. শরীফ উদ্দিন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করতে গবেষণায় জোর দেওয়ার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

0

খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করতে গবেষণায় আরও জোর দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।

বুধবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর খামারবাড়ীতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ গবেষণা দক্ষতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক কর্মশালায় এ আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে খাদ্য উৎপাদনে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছি আমরা। দেশের জীবিকা নির্বাহী কৃষি এখন দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে বাণিজ্যিকীকরণের দিকে।

এখন দেশে খাদ্যঘাটতি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে খাদ্যের কোনো ঘাটতি নেই, তবে জনসংখ্যা বাড়ছে আর চাষের জমি কমছে। এসব কারণে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করার জন্য গবেষণা আরও জোরদারের মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের স্বল্প জীবনকালীন ও উচ্চফলনশীল নতুন জাত উদ্ভাবন করতে হবে। গবেষণার মাধ্যমে খাদ্যের উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে।

দেশের বিজ্ঞানীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করে ড. মো. আব্দুস শহীদ এরপর বলেন, আমাদের গবেষণা সংস্থা ও বিজ্ঞানীরা ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্রকে কাজে লাগিয়ে নতুন জাত উদ্ভাবনে সময় কমিয়ে আনতে হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে ফসলের নতুন উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ারের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তার, ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত লিলি নিকোলস, কানাডার ইউনিভার্সিটি অব সাস্কাচুয়ানের ভাইস প্রেসিডেন্ট বালজিত সিং ও বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক এবিএম খালদুন।

রানওয়েতে দুই বিমানের সংঘর্ষ, অল্পের জন্য বাঁচলেন ১৩৫ যাত্রী

0

ভারতের কলকাতায় রানওয়েতে দুটি বিমানের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে, এতে কেউ হতাহত হননি; অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন শিশুসহ অন্তত ১৩৫ জন যাত্রী।

বুধবার (২৭ মার্চ) সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআইসহ দেশটির বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম।

বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের বরাতে গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান রানওয়েতে প্রবেশের জন্য ছাড়পত্রের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল। তখন ইন্ডিগোর একটি বিমান এসে ধাক্কা দেয়। ফলে এয়ার ইন্ডিয়া বিমানটির ডানার একটি অংশ ভেঙে যায়। আর ইন্ডিগো বিমানেরও একটি ডানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোন খবর মেলেনি।

এদিকে, এ ঘটনায় বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বিমান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ডিজিসিএ। একইসঙ্গে বিমান দুটির পাইলটদেরকেও সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিজিসিএ’র এক কর্মকর্তা বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বিশদভাবে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং উভয় চালককে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তদন্তকালে গ্রাউন্ড স্টাফদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

জানা গেছে, ইন্ডিগো বিমানটিতে চারজন শিশু-সহ অন্তত ১৩৫ জন যাত্রী ছিলেন।