Home Blog Page 78

চট্টগ্রাম টেস্টে দলের সঙ্গে থাকছেন না হাতুরুসিংহে

0

সিলেটে সিরিজের প্রথম টেস্টে শ্রীলঙ্কার কাছে ৩২৮ রানে হেরে হোয়াইট ওয়াশের শঙ্কা দেখছে বাংলাদেশ। সিরিজ ড্র করতে হলে জিততে হবে বাংলাদেশকে।

আগামী ৩০ মার্চ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুরু হবে সিরিজের শেষ টেস্ট। প্রথম টেস্টের ভেন্যু সিলেট থেকে আজ (২৭ মার্চ) বাংলাদেশ দলের চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা।

চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দলের সঙ্গে যোগ দেয়ার কথা সাকিব আল হাসান ও হাসান মাহমুদের। সিরিজের শেষ টেস্টের স্ট্র্যাটেজিটা ঠিক করার কথা হেড কোচ চন্দিকা হাতুরুসিংহের।

তবে শেষ টেস্টে বাংলাদেশ দল পাচ্ছে না হাতুরুসিংহেকে। ব্যক্তিগত কারণে চট্টগ্রাম টেস্টে দলের সঙ্গে থাকতে পারছেন না হাথুরুসিংহে। ব্যক্তিগত কারণে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যাচ্ছেন তিনি।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়েছে বিসিবি। শেষ টেস্টে হেড কোচ হাথুরুসিংহের জায়গায় সহকারী কোচ নিক পোথাস দায়িত্ব পালন করবেন বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বিসিবি।

বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল : ধর্মমন্ত্রী

0

ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্বের ৩৫ তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সকল অগ্রযাত্রার মূল নিয়ামক স্বাধীনতা, আর তা অর্জনের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আ বুধবার সকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আমাদের সবচেয়ে বড় ক্ষতটা তৈরি হয়েছে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট। বিশ্ব ইতিহাসের নৃশংস ও জঘন্যতম হত্যাকান্ডের মাধ্যমে সপরিবারে স্বাধীনতার মহানায়কে হত্যা করা হয়েছে। যদি বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকতেন তাহলে দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হতো। সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াকে টপকে যেত বাংলাদেশ।

ফরিদুল হক খান বলেন, বঙ্গবন্ধুর আজন্ম লালিত স্বপ্ন ছিলো সোনার বাংলা গড়ে তোলা। সে লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি সকলকে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছরে পদার্পন করেছে দেশ। বিগত ৫৩ বছরে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্র্যের হার কমেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর প্রভূত উন্নয়ন হয়েছে। মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার ক্রমান্বয়ে কমছে। নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বের প্রথম সারির দেশ বাংলাদেশ। দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু, কর্ণফুলী টানেল ও মেট্রোরেল নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি, সাবমেরিনের গর্বিত মালিক হতে পেরেছি। পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মহা. বশিরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ধর্মসচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, যুগ্ম সচিব মো. ফজলুর রহমান, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এএসএম শফিউল আলম তালুকদার, ৫৬০ মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. নজিবর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো. আনিসুর রহমান সরকার ও মো. হাবজ আহমদ বক্তৃতা করেন ।

পরে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফিরাত এবং দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মো. মিজানুর রহমান।

ঈদে ১১ দিন ‘বাল্কহেড-স্পিড বোট’ চলাচল বন্ধ

0

এবার ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদের আগে ও পরে মোট ১১ দিন সব ধরনের বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন নৌপুলিশ প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ।

আজ বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে পুলিশ প্লাজায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নৌ পথের আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নৌপুলিশ প্রধান বলেন, ঈদে নৌপথ ব্যবহারকারী ঘরমুখো মানুষের যাত্রা সহজ ও নিরাপদ করতে নৌ পুলিশ আগামী ৩ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

সভায় নৌপুলিশ প্রধান বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নৌপথে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে নৌ পুলিশ বদ্ধ পরিকর। পবিত্র ঈদে নৌ যাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে নৌপুলিশ সব নৌঘাট, নৌ টার্মিনালগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে। নৌপথে নিরাপত্তা বিধানে সব নৌযানগুলোর চলাচলের বিষয়ে নৌ পুলিশের বিশেষ নজরদারি থাকবে।

তিনি বলেন, সময়ের চেয়ে মানুষের জীবনের মূল্য অনেক বেশি। কোনো নৌযান যেন প্রতিযোগিতামূলকভাবে বেশি যাত্রীবোঝাই করে বেশি স্পিড দিয়ে নৌযান না চালায়।

অতিরিক্ত আইজিপি মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ বলেন, নৌপথে যেকোনো সমস্যায় নৌপুলিশের কন্ট্রোল রুমের নম্বর- ০১৩২০১৬৯৫৯৮ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধম্যে নৌপুলিশকে অবগত করলে নৌপুলিশ সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

নৌপুলিশ প্রধান বলেন, ঈদুল ফিতর উদযাপনে নৌপথ ব্যবহারকারী প্রত্যকেই যেন নিরাপদে তাদের পরিবার পরিজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে নৌপুলিশ সবসময়ই আপনাদের পাশে থাকবে।

নৌপথে নিরাপদ যাত্রায় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো হলো:

লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা থেকে বিরত থাকা, ছোট ও ত্রুটিপূর্ণ লঞ্চে যাত্রী পরিবহনে বিরত থাকা, লঞ্চে যাত্রী সংখ্যার আনুপাতিক হারে লাইফ জ্যাকেট, বয়া প্রভৃতির ব্যবস্থা রাখা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে নৌযান চালানো, সূর্যাস্তের পর বালুবাহী বাল্কহেড ও স্পীড বোট চলাচল বন্ধ রাখা, ঈদ পূর্ববর্তী ৫ দিন, ঈদ এবং ঈদ পরবর্তী ৫ দিনসহ মোট ১১ দিন বালুবাহী বাল্ক হেড চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা, চাঁদাবাজি, চুরিসহ যেকোনো হয়রানি বন্ধে বিশেষ নজরদারি বৃদ্ধি করা, নৌযান চলাচলের পথে মাছ শিকারের জন্য জাল প্রতিরোধ করা, কাগজপত্র বিহীন কোনো নৌযান না চালানো, ন্যায্যমূল্যে ভাড়া আদায়ে তদারকি, টার্মিনাল ব্যতীত নদীর যেকোনো জায়গায় অন্য কোনো ছোট নৌযান থেকে যাত্রী উঠানো বা নামানো বন্ধ নিশ্চিতকরণ, সব নৌযানে পর্যাপ্ত ফায়ার ফাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা।

সভায় বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, বাঅনৌচ (যাপ), লঞ্চ মালিক সমিতি, নৌ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ নৌ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, কার্গো ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়ন, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন, বাংলাদেশ কার্গো ট্রলার বাল্ক হেড শ্রমিক ইউনিয়ন, লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশন বাঘা বাড়ি, সুন্দরবন নেভিগেশন সদর ঘাট, এম কে শিপিং লাইন্সসহ নৌযান ও নৌপথের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও নৌ পুলিশের সব অঞ্চলের পুলিশ সুপারসহ নৌ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৩ দফা নির্দেশনা

0

এবারে বাংলা নববর্ষ উদযাপনে ১৩ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে আতশবাজি ও ভুভুজেলা নিষিদ্ধ ও বাংলা নববর্ষ নিয়ে অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।

আজ বুধবার (২৭ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বাংলা নববর্ষ-১৪৩১ উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৩ দফা নির্দেশনার কথা জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাগুলো হলো-
>> দেশব্যাপী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, বৈশাখী মেলা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানসমূহে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও আয়োজকবৃন্দ সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

>> রমনার বটমূল, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সুইপিং, ডগ স্কোয়াডসহ বিশেষ নিরাপত্তা নেওয়া হবে। এসব অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রয়োজনীয় ফোর্স ও গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষ নজরদারি থাকবে।

>> বাংলা নববর্ষ উদযাপন নিয়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

>> বাংলা একাডেমি ও বিসিক থেকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নববর্ষের মেলায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

>> রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরসহ দেশে যে সকল অনুষ্ঠান হবে তা সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

>> বর্ষবরণ অনুষ্ঠানগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকতে হবে। নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বয় করে নিরাপত্তা দেবে।

>> নববর্ষে কূটনৈতিক এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও স্থাপনার বিশেষ নিরাপত্তা দেয়া হবে।

>> নববর্ষ উদযাপনকালে ঢাকা মহানগরের অনুষ্ঠানসমূহে ও সারাদেশে অনুষ্ঠেয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অগ্নিনির্বাপক গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সসহ ফায়ার সার্ভিস টিম থাকবে। মেডিকেল টিম থাকবে।

>> বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে ইভটিজিং, ছিনতাই/ পকেটমারসহ যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট ও গোয়েন্দা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে।

>> বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো নিষিদ্ধ থাকবে।

>> নববর্ষে দেশের কারাগারগুলোতে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হবে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হবে।

>> কোনো ধরনের ফানুস বা আতশবাজি ফুটানো যাবে না।

>> বাংলা নববর্ষে মাদকের অপব্যবহার রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সংবিধান শক্ত অবস্থানে রয়েছে : স্পিকার

0

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সংবিধানে চারটি মূলনীতি—গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র। যা সমতা ও সমঅধিকারকে উদ্বুদ্ধ করে। সকল ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সংবিধান শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) সুইজারল্যান্ডের জেনেভার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ‘১৪৮তম আইপিইউ অ্যাসেম্বলি’ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ‘প্রটেকশন অব মাইনরিটি রাইটস’ শীর্ষক ইভেন্টে প্যানেল স্পিকার হিসেবে বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে শফিকুল ইসলাম এমপি, শাহাদারা মান্নান এমপি, নীলুফার আনজুম এমপি, মো. মুজিবুল হক এমপি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

স্পিকার বলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনাতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত একটি সমাজ গড়ে তোলাই রাষ্ট্রের লক্ষ্য যেখানে সকলের জন্য সমতা, আইনের শাসন, মৌলিক স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার সুরক্ষিত থাকবে। তিনি বলেন, সংবিধানের ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা, সবার সমঅধিকার ও আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের বিষয়ে উল্লেখ আছে।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা, নারীর বিরুদ্ধে সব প্রকার বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত কনভেনশনসহ সমস্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বৈষম্যবিরোধী আইন গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বাংলাদেশে বৈষম্য বিরোধী একটি বিল প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিলটি সমাজের সকল ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈষম্য বন্ধ করতে এবং দারিদ্র্য দূরীকরণ, সম্প্রীতি ও সহনশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে। খসড়া বিলটি সংসদে এলে তা সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটিতে যাচাই-বাছাইয়ের পর মূল রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হলে তা আইনে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, সবাইকে মৌলিক মানবাধিকারের স্বীকৃতি দিতে হবে, সমান অধিকারকে সমুন্নত রাখতে হবে, আইনের সমান সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

শিশুরাই হবে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের মূল কারিগর : প্রতিমন্ত্রী

0

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন (রিমি) বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ লালন করে আজকের শিশুরাই হবে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের মূল কারিগর।

আজ বুধবার (২৭ মার্চ) বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সভাকক্ষে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা আমাদের অহংকার। স্বাধীনতার চেতনায় আত্মমগ্ন হয়ে সবাইকে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত হতে হবে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই স্বাধীনতার যথার্থ মূল্য দিতে শিখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার মাধ্যমে শিশুদের দেশপ্রেম শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

২৬ মার্চের তাৎপর্য বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২৬ মার্চ রক্ত ও অশ্রুস্নাত বিক্ষুব্ধ বিদ্রোহের দিন। ২৬ মার্চ বাঙালির মুক্তির দিন। বাঙালির মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ২৬ মার্চ বাঙালির দীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের চূড়ান্ত লড়াইয়ের সূচনা পর্ব। ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান দুটি রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের ইংরেজ শোষণ থেকে মুক্ত হয়েও বাঙালি স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল পায়নি।

তিনি বলেন, পাকিস্তানি শাসকেরা অত্যাচার, নির্যাতন ও শোষণ করতে থাকে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিদের। পাকিস্তানিদের প্রকৃত চেহারা উপলব্ধি করে এ দেশের মানুষের মনে ধীরে ধীরে স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগরিত হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধাপে ধাপে পুরো বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ করেন।

সিমিন হোসেন বলেন, বাঙালি জাতির জীবনের স্বাধীনতা শব্দটি বহু প্রতীক্ষিত একটি স্বপ্নের নাম। দীর্ঘ সময় ধরে আমরা পরাধীন একটি জাতি ছিলাম, ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ থেকে চিরতরে মুক্তির লড়াই শুরু হয়। শত্রুর হাত থেকে স্বদেশ তখন মুক্ত না হলেও মনে মনে আমরা নিজেদের সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবতে শুরু করি সেদিন থেকেই। তাই ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস।

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রতিমন্ত্রী। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শত শিশুর সঙ্গে সংগীত পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন বরেণ্য সংগীত শিল্পী রুনা লায়লা।

অদম্য ব্রাজিলকে হারাতে পারেনি স্পেন

0

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে কাল রাতে মুখোমুখি হয়েছিল বিশে^র অন্যতম দুই সেরা দল ব্রাজিল ও স্পেন। কিন্তু ছয় গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে কেউ কাউকে হারাতে পারেনি। দুইবার পিছিয়ে পড়েও গোল পরিশোধ করে ঘুড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচবারের বিশ^ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ম্যাচে দুই দলের দুই তরুণ তুর্কি এনড্রিক ও লামিন ইয়ামাল নিজেদের জাত চিনিয়েছেন।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে লুকাস পাকুয়েটার স্টপেজ টাইমের পেনাল্টির গোলে লা রোজারা জয় বঞ্চিত হয়। স্প্যানিশ অধিনায়ক রড্রি পেনাল্টিতে জোড়া গোল করেছেন। স্প্যানিশ রাজধানীতে কাল দুর্দান্ত এই ম্যাচ উপভোগ করতে বার্নাব্যু স্টেডিয়াম ছিল কানায় কানায় পরিপূর্ণ।

ম্যানচেস্টার সিটি মিডফিল্ডার রড্রি ১২ মিনিটে স্পট কিক থেকে স্পেনকে এগিয়ে দেন। ৩৬ মিনিটে দূরন্ত উইঙ্গার ইয়ামালের অসাধারন পাসে ডানি ওলমো দারুণ এক গোলে স্পেনের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সাইমনের ভুলে বিরতির ঠিক আগে রডরিগো ব্রাজিলের হয়ে এক গোল পরিশোধ করেন। বিরতির পর রাফিনহার স্থানে মাঠে নেমেই ওয়ান্ডার বয় এনড্রিক পাঁচ মিনিটের মধ্যে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান। লাকুস বেরালডোর বিপক্ষে ডানি কারভাহালের আদায় করা পেনাল্টি থেকে রড্রি আবারো গোল করে স্পেনকে জয়ের সুবাতাস দিতে থাকেন। কিন্তু ম্যাচের নাটকীয়তা তখনো বাকি। আর সেই নাটকের দারুন এক সমাপ্তি টানতে কোনো ভুল করেননি পাকুয়েটা।

স্পেনে রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে ঘিড়ে বেশ কিছু বর্ণবাদী ঘটনার প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক এই প্রীতি ম্যাচটি আয়োজন করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে বর্ণবাদের বিপক্ষে রুখে দাঁড়ানোর একটি বার্তা সকলের সামনে উপস্থাপিত হয়েছে। বিশ^ ফুটবলের দুই পরাশক্তি দুর্দান্ত পারফরমেন্সের মাধ্যমে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রেখেছে।

এই প্রথমবারের মত ব্রাজিল অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পড়ে মাঠে নেমেছিলেন ভিনিসিয়াস। যদিও মাঠে তাকে খুব একটা সরব দেখা যায়নি। তার পরিবর্তে বিরতির পর মাঠে নামা ভিনির ভবিষ্যত মাদ্রিদ সতীর্থ এনড্রিকই সকলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তার সাথে স্পেনের বার্সেলোনার তরুণ ইয়ামাল সমান তালে লড়াই করেছেন।

রড্রির প্রথম গোলের মূল কারিগর ছিলেন ইয়ামাল। হুয়া গোমেজের ফাউলে ইয়ামালই পেনাল্টি আদায় করে নেন। ১৬ বছর বয়সী এই উইঙ্গার প্রতিটি ম্যাচেই নিজের উন্নতির প্রমান দিয়ে যাচ্ছেন। ওলমোকে দিয়ে তিনি দ্বিতীয় গোলটি করিয়েছেন। দুর্দান্ত ফুটওয়ার্কে ফিনিশিংটাও অসাধারন করেছেন ওলমো। বিরতির ঠিক আগে সাইমন সঠিকভাবে বল পাস দিতে ব্যর্থ হলে রডরিগো সেই সুযোগে এক গোল পরিশোধ করেন।

বিরতির পর বিস্ময় বালক এনড্রিককে মাঠে নামান ডোরিভাল। আর তাতেই সফল হন সেলেসাও কোচ। শনিবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বদলী বেঞ্চ থেকে উঠে আসা এই এনড্রিকের একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করেছিল ব্রাজিল। নিজের ভবিষ্যত ক্লাবের হোম ভেুন্যতে এই প্রথম খেলতে নেমেছিলেন এনড্রিক। ১৭ বছর বয়সী এই তরুণ ফরোয়ার্ড নিজের প্রথম গোল আদায় করে নিতে খুব একটা সময় নেননি। কর্ণার থেকে দূরন্ত ভলিতে তিনি ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান।

ম্যাচের শেষভাগে আরও এক পেনাল্টি থেকে রড্রি গোল করার পর স্পেনের জন্য জয়টা সময়ের ব্যপার হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু প্রতিপক্ষ যে ব্রাজিল তা হয়তো কিছু সময়ের জন্য ভুলে গিয়েছিল স্প্যানিশরা। স্টপেজ টাইমে গালেনোর বিপক্ষে পেনাল্টি আদায় করে নেন কারভাহাল। সাইমনকে উল্টো দিকে পাঠিয়ে পাকুয়েটা ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান। এর সাথে সাথেই ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজান পর্তুগিজ রেফারি এন্টোনিও নবরে।

গাজায় হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

0

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ইসরায়েলী প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়ভ গ্যালান্টকে বলেছেন, গাজায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি। মঙ্গলবার অস্টিন গ্যালান্টের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেছেন, বর্তমান গাজায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা খুব বেশি। কিন্তু মানবিক সহায়তার পরিমাণ খুবই কম।

তিনি আরও বলেছেন, বৈঠকে তারা রাফায় ইসরায়েলি স্থল অভিযানের বিকল্প নিয়ে কথা বলবেন।

এদিকে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় জনাকীর্ণ শহর রাফায় ইসরায়েলের অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্্েরর উদ্বেগ নিয়ে কথা বলতে তেলআবিবের প্রতিনিধি দল পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্র ভেটো না দেয়ায় ইসরায়েল প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায়। এর পরপরই প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় পাল্টা হামলা শুরু করে। তাদের অব্যাহত এ প্রতিশোধমূলক হামলায় এ পর্যন্ত ৩২ হাজার ৪১৪ জন ফিলিস্তিনী নিহত হয়েছে। এদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলের এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই দৃঢ় সমর্থন দিয়ে আসছিল। কিন্তু গাজায় বেসামরিক হতাহত বেড়ে যাওয়া, মানবিক পরিস্থিতির ভয়াবহতা এবং রাফায় স্থল অভিযান চালানোর পরিকল্পনা থেকে ইসরায়েল সরে না আসায় ওয়াশিংটন তার হতাশা ব্যক্ত করেছে।

১০ বছরে ৬৪ হাজার অভিবাসীর মৃত্যু, সাগরেই ৩৬ হাজার : রিপোর্ট

0

গত ১০ বছরে কমপক্ষে ৬৪ হাজার অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে পানিতে ডুবে। অভিবাসন বিষয়ক জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এ রিপোর্ট দিয়েছে। এই হিসাবে পানিতে ডুবে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৩৬ হাজার।

এএফপির রিপোর্টে বলা হয়েছে, পানিতে ডুবে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে বেশির ভাগই সমুদ্রে ডুবেছেন। এর মধ্যে আবার ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা গেছেন কমপক্ষে ২৭ হাজার অভিবাসী। উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপের দক্ষিণে পৌঁছানোর জন্য এই সাগরকে দেখা হয় গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে।

আইওএম বলেছে, তারা যে সংখ্যা উপস্থাপন করেছে তা প্রকৃত সংখ্যার ভগ্নাংশ মাত্র। বার্লিনে আইওএমের ডাটা এনালিস্ট আঁন্দ্রে গারসিয়া বোরজা বলেন, ভূমধ্যসাগর হলো চরম ভয়াবহ এলাকা। এই পথে ভ্রমণ চরমমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুর যে সংখ্যা পাওয়া গেছে তা হয়তো বাস্তব সংখ্যার কাছাকাছি। কিন্তু অন্য অঞ্চল, যেমন সাহারা মরুভূমির মতো অঞ্চলগুলো পর্যবেক্ষণ করা কঠিন। এসব স্থানে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া আরও কঠিন।

আইওএম বলেছে, যেসব মানুষ এই পথে নিখোঁজ হয়েছেন তার প্রতি তিনজনের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। অর্ধেক মৃত্যুর বিষয়ে মৃত ব্যক্তির লিঙ্গ বা বয়স নির্ধারণ করতে পারেনি আইওএম। তবুও যাদের শনাক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ যুদ্ধকবলিত দেশগুলোর অথবা বৃহৎ সংখ্যক শরণার্থী। কোনো রকম নিরাপত্তা ছাড়া এসব মানুষ যুদ্ধকবলিত এলাকা থেকে পালাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে তারা কী নির্মমতার মুখোমুখি।

২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে অভিবাসন রুটে মারা গেছেন কমপক্ষে ৮৫০০ মানুষ। এক দশক আগে আইওএম ডাটা সংগ্রহ শুরু করে। তখন থেকে এটাই ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর। এখন পর্যন্ত এ বছর যে পরিমাণ মানুষ এভাবে মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা কম উদ্বেগের নয়।

২০২৩ সালের তুলনায় ভূমধ্যসাগরে আগত অভিবাসীর সংখ্যা কমেছে। তবু সেখানে গত বছরের মতোই ঊর্ধ্বোমুখী মৃতের সংখ্যা। আইওএম বলেছে, তল্লাশি এবং উদ্ধার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এর মধ্য দিয়ে অভিবাসীদের মৃত্যু কমিয়ে আনা যাবে।

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৩

0

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশ।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৯৫১টি ইয়াবা, ৭৪.১ গ্রাম হেরোইন, ১৯ কেজি ৯৫৫ গ্রাম গাঁজা ও ১৮৪ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

বুধবার (২৭ মার্চ) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ডিএমপি জানায়, ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৯টি মামলা রুজু হয়েছে।