Home Blog Page 3502

পুলিশের ‘কমিউনিটি ব্যাংক’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

0

পুলিশের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’-এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ও কমিউনিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মশিউহুল হক চৌধুরীসহ পুলিশ ও ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কমিউনিটি ব্যাংক উদ্বোধন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর সর্বাত্মক সাফল্য কামনা করেন এবং পুলিশের নানা উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এ সময় তিনি পুলিশের জন্য বর্তমান সরকারের দেওয়া সুযোগ সুবিধাগুলো তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি পুলিশের ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে আমরা সত্যি আনন্দিত। আশা করছি, পুলিশের প্রতিটি সদস্য সচ্ছল হবে এবং বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের একটি ধারাবাহিক মাইলফলকের অংশ এ ব্যাংক। আমি আশা করছি, তারা সর্বাধুনিক ব্যাংকিং সেবা দিয়ে জনগণের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হবে।’
২০১৮ সালে রাজনৈতিক বিবেচনায় পুলিশ বাহিনীকে ‘কমিউনিটি ব্যাংক অব বাংলাদেশ’ দেওয়া হয়। ওই বছর নভেম্বরে ব্যাংকটিকে তফসিলি ব্যাংক হিসেবে তালিকাভুক্ত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে সরকারি-বেসরকারি মিলে দেশে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৯টিতে।
কমিউনিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় হবে রাজধানীর গুলশান-১ নম্বরে হাতিরঝিলের পাশে পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে। এ ছাড়া প্রিন্সিপাল শাখাসহ মোট ছয়টি শাখা দিয়ে প্রথমে এ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে শাখা বাড়ানো হবে।
কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে সারাদেশে পুলিশ সদস্যদের বেতন দেওয়া হবে। আপাতত পুলিশ সদস্যরাই হবেন এ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার। এর লভ্যাংশ যাবে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে। ট্রাস্টের মাধ্যমে ওই টাকা ব্যয় হবে পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে।
ব্যাংক লাভজনক হলে ৩ বছর পর মূলধন জোগানের ওপর প্রত্যেকে নির্ধারিত হারে লভ্যাংশ পাবেন। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের জমি ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ, ব্যবসা উদ্যোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ব্যাংকটির।

ফিলিপাইনে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা সহস্রাধিক ছাড়াল

0

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনে এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা সহ¯্রাধিক ছাড়িয়েছে। এ ছাড়া আক্রান্ত হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি এনরিক ডোমিনগো বলেন, ‘চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২১। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬২২ জন।’
তিনি বলেন, মারা যাওয়া ১০২১ জনের মধ্যে ৪০ শতাংশই হচ্ছে শিশু, যাদের বয়স ৫ থেকে ৯ বছরের মধ্যে।
স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব মতে, চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩৩২। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ২২৪।
এর আগে গত ৬ আগস্ট ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবকে জাতীয় মহামারী হিসেবে ঘোষণা করে ফিলিপাইন। এর আগে গত জুলাইতে ‘জাতীয় ডেঙ্গু সতর্কতা’ জারি করেছিল দেশটি।
ফিলিপাইনে প্রতি তিন-চার বছর পর পর ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। দেশটিতে সর্বশেষ প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে।

ধর্মপাশায় প্রেসক্লাব থেকে অব্যাহতি নিলেন ৯ সাংবাদিক

0

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পৃথক দুটি প্রেসক্লাব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন ৯ জন সাংবাদিক। এর মধ্যে অন্য একটি সাংবাদিক সংগঠনের ১ জন সাংবাদিকও রয়েছেন। ওই সাংবাদিকেরা বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় কর্মরত উপজেলা প্রতিনিধি। আজ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই সাংবাদিকেরা।

ধর্মপাশা উপজেলায় সাংবাদিকদের পৃথক দুটি প্রেসক্লাব রয়েছে। এক প্রেসক্লাবের অবস্থান ধর্মপাশা সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন একটি মার্কেটে অন্যটি হাসপাতাল রোডস্থ ত্রিমূখী মোড়ের আরেকটি মার্কেটে। এর মধ্যে একটি প্রেসক্লাবে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিক এবং আরেকটিতে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ব্যক্তিরা দায়িত্বরত আছেন।
সম্প্রতি উভয় প্রেসক্লাবে দায়িত্বরত সাংবাদিকদের একে অপরের সাথে মত বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় ধর্মপাশা সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন প্রেসক্লাব থেকে দৈনিক কালেরকণ্ঠের হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান চয়ন, দৈনিক ভোরের ডাকের উপজেলা প্রতিনিধি মো. ইমাম হোসেন, দৈনিক ব্রহ্মপুত্রের উপজেলা প্রতিনিধি কৃপেশ চন্দ্র সরকার এবং হাসপাতাল রোডস্থ ত্রিমূখী মোড়ের প্রেসক্লাব থেকে দৈনিক সংবাদের উপজেলা প্রতিনিধি সাইফ উল্লাহ, দৈনিক আমাদেরসময়ের উপজেলা প্রতিনিধি সাজিদুল হক (সাজু), আলোকিত সময়ের উপজেলা প্রতিনিধি এমএমএ রেজা পহেল, সমকালের উপজেলা প্রতিনিধি এনামুল হক (এনি), দৈনিক ভোরের পাতার উপজেলা প্রতিনিধি রাজু ভূঁইয়া স্বেচ্ছায় অব্যাহিত নিয়েছেন।
এছাড়াও একই কারণে ধর্মপাশা উপজেলা মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক যায়যায়দিনের উপজেলা প্রতিনিধি মো. মিঠু মিয়াও তার সংগঠন থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। এ নিয়ে ওই সাংবাদিকেরা প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়া সাংবাদিকদের নাম ও পদবী বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তিনটি সংগঠন তাদের কাজে কোথাও ব্যবহার কিংবা অপব্যবহার করলে তা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ এবং বেআইনি বলে গণ্য হবে এবং এই প্রেস বিজ্ঞপ্তি ওই সাংবাদিকবৃন্দের স্ব স্ব সংগঠন থেকে পদত্যাগপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে।
সাংবাদিক মো. ইমাম হোসেন ও সাইফ উল্লাহ অব্যাহতি নেওয়া সকল সাংবাদিকের পক্ষে বলেন, ‘স্ব স্ব প্রেসক্লাব থেকে আমরা স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছি। এখন থেকে আমাদের নাম ও পদবী ওই তিনটি সংগঠন তাদের কাজে কোথাও ব্যবহার কিংবা অপব্যবহার করলে তা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ এবং বেআইনি বলে গণ্য হবে এবং এর জন্য আমরা কোনোভাবেই দায়ী থাকবো না।

যাদের মতে টুইন টাওয়ার বিমান হামলায় ধসে পড়েনি

0

এমন অনেক লোক পৃথিবীতে নানা দেশে আছেন, যারা ‘ষড়যন্ত্র-তত্ত্বে’ বিশ্বাসী- তাদের ধারণা, যেভাবে অনেক বহুল প্রচারিত ঘটনার কথা লোকে জানেন, আসলে ঘটনাটি সেভাবে ঘটেনি। এর পেছনে অন্য কিছু আছে। এর পক্ষে নানা তথ্য-প্রমাণও তারা হাজির করেন।
সাম্প্রতিককালের যেসব ঘটনা নিয়ে এ রকম ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো- যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলা।
সেদিন উগ্র ইসলামপন্থি সন্ত্রাসীরা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে এবং এর দুটি আঘাত করে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভবনে, একটি আঘাত করে ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে, এবং আরেকটি পেনসিলভানিয়ার একটি মাঠে বিধ্বস্ত হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার লোক নিহত হয়।
বিচিত্র সব ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ আছে ওই ঘটনা নিয়ে। যেমন- মার্কিন সরকার বা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা এ হামলার পেছনে ছিল, ওই আক্রমণে কোনো ইহুদি মারা যাননি, আসলে কোনো বিমান টুইন টাওয়ারে বা পেন্টাগনে আঘাত করেনি- এ রকম নানা কিছু। আরেকটি বড় তত্ত্ব হচ্ছে- ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দুটি টাওয়ার ধ্বসে পড়েছিল বিমানের আঘাতে নয়, বরং ভবনটির ভেতরে বিস্ফোরক বসিয়ে তা উড়িয়ে দেয়া হয়েছিল।
আজ এত বছর পরও এসব তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা-বিতর্ক শেষ হয়নি।
টুইন টাওয়ারে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছড়ায় প্রথম ষড়যন্ত্র তত্ত্ব।
ডেভিড রস্টচেক নামের এক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী লিখলেন, ‘কেউ কি খেয়াল করেছেন যে ওয়ার্ল্ড টেড সেন্টার ভবনটি বিমানের আঘাতে ধ্বংস হয় নি? না কি শুধু আমিই এটা বুঝেছি?’
তার কথা ছিল, ভবন দুটিতে বিমান আঘাত করেছে এবং প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এটা ঠিক কথা; কিন্তু যে ভাবে টাওয়ার দুটি ভেঙে পড়েছে তার জন্য এর ভেতরে সঠিক জায়গায় বিস্ফোরক বসাতে হতো। এ কাজটা করতে হলে কাউকে অনেক সময় নিয়ে করতে হবে। প্রশ্ন হলো- প্লেনগুলোর তাহলে কি কাজ ছিল?

পরে অবশ্য তদন্ত করে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে বিমানের আঘাতের পর আগুনে টাওয়ার দুটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ওপরের তলাগুলো ভেঙে পড়তে থাকলে তার চাপে পুরো ভবনটিই ভেঙে পড়ে যায়। কিন্তু এখনো কিছু লোক আছেন যারা এ কথা বিশ্বাস করেন না।
নিউইয়র্কে কিছু একটা ঘটেছে
সেপ্টেম্বরের ১১ তারিখ লানজারোটেতে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন ম্যাট ক্যাম্পবেল। তার ত্রী দোকান থেকে কিছুএকটা কিনে ফিরে এসে বললেন ‘নিউইয়র্কে কিছু একটা ঘটেছে।’ এর পর তারা টিভিতে হামলার খবর দেখলেন।
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই খবর এলো যে ম্যাটের ভাই জেফ নাকি ওই সময় উত্তর দিকের টাওয়ারে ছিলেন। এর পর থেকে জেফের আর কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না।
জেফ তার কয়েক বছর আগে থেকেই নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে বাস করছিলেন, কাজ করতেন রয়টার বার্তা সংস্থায়। নর্থ টাওয়ারে ১০৬ তলায় একটি সম্মেলন চলছিল, সেখানেই ছিলেন তিনি।
ম্যাট বলছিলেন, আমরা সবচেয়ে খারাপ ঘটনাটাই ঘটেছে বলে ধরে নিলাম।
নিউইয়র্কে গিয়ে নানা হাসপাতালে খোঁজ নিলেন তারা। কোনো লাভ হলো না। তারা বুঝলেন, জেফ মারা গেছে।
শেষে তার কাঁধের হাড়ের একটি অংশ পাওয়া যায় ওয়ার্ল্ড টেড সেন্টারের ধ্বংসস্তুপে, ২০০২ সালে। তবে ওই ঘটনার তদন্ত শেষ হয় ২০১৩ সাল নাগাদ।
এর মধ্যেই ম্যাটের মনে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার সরকারি ভাষ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। তবে তিনি কোন একটি নির্দিষ্ট ষড়যন্ত্র তত্বে বিশ্বাসী ছিলেন না, যদিও অনলাইনে এ রকম তত্ত্বের কোনো অভাব নেই।
ম্যাট নিশ্চিত হলেন, তার ভাইয়ের মৃত্যু ঠিক কিভাবে হয়েছিল তা নিয়ে বহু কিছু আসলে ধামাচাপা দেয়া হয়েছে, অনেক প্রশ্নের তিনি উত্তর পাচ্ছেন না। ‘২০০১ সালের অক্টোবর থেকেই এটা শুরু হয়েছিল। যতই দিন যাচ্ছে, আমি দেখলাম নানা রকম অসঙ্গতির সংখ্যা বাড়ছে।’
ম্যাট বলছেন, তিনি তথ্য জানার অধিকারসংক্রান্ত আইনের আশ্রয় নিয়ে এফবিআই এবং অন্য তদন্তকারী সংস্থার কাছে ওই ঘটনার বিস্তারিত জানতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তারা নানা কারণ দেখিয়ে তথ্য জানায় নি, আমি এখনো তাদের কাছ থেকে প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাইনি।
জেফ একা নন। ক্যালিফোর্নিয়ার চ্যাপম্যান বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৬ সালে এক জরিপ চালিয়ে বলেছে, অর্ধেকেরও বেশি আমেরিকান বিশ্বসা করে যে সরকার ৯/১১-র ঘটনা সম্পর্কে তথ্য গোপন করছে।
যেসব ষড়যন্ত্র তত্ব অনলাইনে ঘুরছে তার কিছু কিছু চরম নাটকীয়।
কোনো কোনোটিতে বলা হয়েছে, মার্কিন সরকার নিজেই ওই ঘটনায় জড়িত ছিল। কেউ বলেন, মার্কিন কর্মকর্তারা ইচ্ছে করেই আক্রমণটি ঘটতে দিয়েছেন। অন্য অনেকে বলেন, ঘটনার পরিকল্পনাতেই সরকার জড়িত ছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ষড়যন্ত্র তত্ত্বগুলো ঝড়িয়েছে এই জন্য যে মাত্র কয়েকজন লোক মিলে অতিসাধারণ অস্ত্র দিয়ে এ রকম ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাতে পারে তা লোকে বিশ্বাসই করতে পারে না।
কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কারেন ডগলাস বলছেন, যখন কোনো একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে তখন লোকেরা এর একটা ব্যাখ্যা পেতে চায়, কিন্তু অনেকসময়ই সরকারি ব্যাখ্যা লোককে সন্তুষ্ট হতে পারে না। তারা চায়, ঘটনা যে মাপের – ব্যাখ্যাটাও সেই মাপের হতে হবে। সেটা না পেলেই ষড়যন্ত্র তত্বের জন্ম হয়।
অন্যদিকে অনলাইন জগতে এসব তত্ত্ব ক্রমাগত প্রচার হতে থাকে- তাই এগুলো দেড় দশক পরও মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি।
অধ্যাপক ডগলাস বলছিলেন, ইন্টারনেটে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব তথ্য এমন লোকদের মধ্যেই শেয়ার হয় যাদের চিন্তাভাবনা একই ধরনের। বেশ কিছু বই ও চলচ্চিত্র এসব ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব প্রচারে সহায়ক হয়েছে।
ডিভিড রে গ্রিফিন নামে দর্শন ও ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক ২০০৪ সালে একটি বই লেখেন- ‘দ্য নিউ পার্ল হারবার’ নামে। এতে তিনি ৯/১১-র ঘটনায় মার্কিন সরকারের জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন।
পরিচালক ডিলান এভারির ‘লুজ চেঞ্জ’ নামের ধারাবাহিক সিরিজের প্রথম পর্বটি প্রচার হয় ২০০৫ সালে। এতে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা নিয়ে যেসব ‘জনপ্রিয়’ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব আছে তার মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থান পায়। কোটি কোটি লোক এগুলো দেখেছে, ইন্টারনেটে শেয়ার করেছে। এমনকি ওসামা বিন লাদেন নিহত হবার পর তার বাড়িতেও এর একটি ডিজিটাল কপি পাওয়া গেছে।

২০০৬ সালে রিচার্ড গেগ নামে একজন ক্যালিফোর্নিয়ান স্থপতি ৯/১১র সত্য প্রকাশের জন্য স্থপতি ও প্রকৌশলীদের একটি গ্রুপ গঠন করেন যার নাম এ ই নাইন ইলেভেন ট্রুথ। তারা ওই দিনের ঘটনার সরকারি বিবরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
বিবিসি রিপোর্ট
১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা নিয়ে বিবিসির রিপোর্ট নিয়েও বহু প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছিল।
ঘটনাটি হচ্ছে, সেদিন ওয়ালর্ড ট্রেড সেন্টারের দুটি টাওয়া ছাড়া ১০০ মিটার দূরের ডব্লিউটিসি নামে আরেকটি ৪৭ তলা ভবনও ধ্বংস হয়েছিল। কিন্তু ওই ভবনটিতে বিমানের আঘাত লাগেনি।
তবে ওই ভবনটি ভেঙে পড়া নিয়ে বিবিসির একটি রিপোর্টেও বিভ্রান্তি ও প্রশ্ন তৈরি হয়। ভবনটি আসলে যখন ভেঙে পড়েছিল তার ২০ মিনিট আগেই ভেঙে পড়ে বলে বিবিসির একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে ২০০৮ সালে আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ডস ও টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের এক রিপোর্টে বলা হয়, আগুন লেগে ভবনটির একটি প্রধান স্তম্ভ ভেঙে পড়ার পর পুরো ভবনটিই ভেঙে পড়ে।
তবে এ রিপোর্টও ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের খুশি করতে পারে নি।
ম্যাট ক্যাম্পবেলও এখনো তার প্রশ্নের জবাব খুঁজে বেড়াচ্ছেন। ওই আক্রমণের মূল হোতা খালিদ শেখ মুহাম্মদের এক বিচারপূর্ব শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার জন্য গুয়ানতানামো বে-তে গিয়েছিলেন তিনি।
সেই শুনানিকে ‘এক প্রহসন’ বলে আখ্যায়িত করেন ম্যাট ক্যাম্পবেল।
খবর বিবিসি

ব্রিটেনে পড়াশোনা শেষে ২ বছর থাকতে পারবেন বিদেশি শিক্ষার্থীরা

0

ব্রিটিশ হোম অফিসের ঘোষণা করা নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর কর্মসংস্থানের জন্য দুই বছর যুক্তরাজ্যে থাকতে পারবেন বিদেশি শিক্ষার্থীরা।
এর ফলে ২০১২ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেরিজা মের নেয়া সিদ্ধান্তকে পাল্টে দেয়া হচ্ছে। টেরিজা মে নিয়ম করেছিলেন যে, স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর বিদেশি শিক্ষার্থীরা চার মাসের বেশি ব্রিটেনে অবস্থান করতে পারবেন না।
প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, নতুন পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের নিজেদের সক্ষমতা বুঝতে এবং যুক্তরাজ্যে নিজেদের পেশা গড়ে নিতে সহায়ক হবে।
কিন্তু মাইগ্রেশন ওয়াচ নামে একটি প্রচারণা গোষ্ঠী এ পদক্ষেপকে ‘পশ্চাৎমুখী’ বলে উল্লেখ করেছে।
সেসব শিক্ষার্থীরা আগামী বছর থেকে যুক্তরাজ্যে স্নাতক পর্যায়ে কিংবা তার থেকে উঁচু কোনো ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা শুরু করবেন তারা এ পরিবর্তিত নিয়মের সুযোগ পাবেন।
কিন্তু এখানে শর্ত থাকবে তারা যেনতেন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবেন না। শুধু সেই সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাএই সুযোগ পাবেন যাদের ছাত্র ভর্তির ক্ষেত্রে অভিবাসন সংক্রান্ত নিয়মকানুন যথাযথভাবে মেনে চলার ইতিহাস রয়েছে
সরকারের এ ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এলো যখন একই দিনে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি জেনেটিক প্রকল্প চালু করা হলো।
এ প্রকল্পটি শুরু হচ্ছে ইউকে বায়োব্যাংক নামে একটি স্বাস্থ্য-বিষয়ক দাতব্য সংস্থার অধীনে, যাদের কাছে অন্তত ৫ লাখ মানুষের জেনেটিক তথ্য ও নমুনা রয়েছে।
ইউকে বায়োব্যাংক গত কয়েক বছর ধরে ৫ লাখ ব্রিটিশ স্বেচ্ছাসেবকের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা এবং তথ্য সংগ্রহ করেছে, যা এখন বিশ্বের সব গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত।
রোগ নিয়ন্ত্রণে নতুন ওষুধ আবিষ্কারের জন্য গবেষকরা এ তথ্যভাণ্ডার ব্যবহার করতে পারবেন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার ‘গর্বিত ইতিহাস’ রয়েছে ব্রিটেনের। এখন বিশ্বের বৃহত্তম জেনেটিক গবেষণা প্রকল্পে কাজ করতে পুরো বিশ্ব থেকে বিশেষজ্ঞদের এক করছি আমরা যাতে প্রাণঘাতী রোগের চিকিৎসায় উন্নত পদ্ধতি আবিষ্কার তথা প্রাণ বাঁচানো সহজ হয়।’
তিনি বলেছেন, বিশ্বের উজ্জ্বল এবং মেধাবীদের জন্য যুক্তরাজ্যে পড়াশুনা আর কাজ করার জন্য সুবিধা উন্মুক্ত না হলে এটি অর্জন করা সম্ভব হবে না। আর এ জন্যই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের সক্ষমতা চিহ্নিত করা এবং যুক্তরাজ্যে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দিতে নতুন রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি পাটেল বলেন, এ সিদ্ধান্ত সরকারের ‘বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি’র প্রকাশ।
নতুন প্রস্তাবনার আওতায়, শিক্ষার্থীরা কী ধরনের কাজ বা কতটি কাজ করতে পারবেন তার ওপর কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না।
ইউনিভার্সিটিজ ইউকের প্রধান নির্বাহী অ্যালেস্টার জারভিস এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
তিনি বলছেন, এ সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিকে লাভবান করবে এবং উচ্চশিক্ষার জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক গন্তব্য হিসেবে যুক্তরাজ্যের সুনাম ফিরিয়ে আনবে।
ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডায়ান অ্যাবোট বলেন, লেবার পার্টি বরাবরই বলে আসছে যে, স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পর কাজের সুযোগ দেয়া উচিত। এতে করে তারা আমাদের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারবে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণায় অবদান রাখবে এবং ফলে বিশ্বের মেধাবী এবং সেরাদের আনতে পারব আমরা।
খবর বিবিসি

থানায় ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে : নজর রাখছেন হাইকোর্ট

0

পাবনায় দলবেঁধে ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূর মামলা না নিয়ে থানা চত্বরে সন্দেহভাজন এক আসামির সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থাসহ প্রশাসনের সার্বিক পদক্ষেপে নজর রাখছেন হাইকোর্ট।
আজ বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চে এ ঘটনার প্রকাশিত খবর তুলে ধরে সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে স্বপ্রণোদিত আদেশ চান সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী।
তখন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক এম ইনায়েতুর রহিম বলেন, ‘মিডিয়ার মাধ্যমে আমরাও বিষয়টা নজরে রাখছি।’
আদালতে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ তুলে ধরেন আইনজীবী জামিউল হক ফয়সাল; সঙ্গে ছিলেন গাজী ফরহাদ রেজা ও রোহানী সিদ্দিকা।
পরে ফয়সাল বলেন, ‘থানায় বসে গণধর্ষণের শিকার নারীর সঙ্গে ধর্ষণের মূল হোতার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন ওসি।’
আদালত বলেন, ‘আজ টিভিতে দেখলাম মূল অভিযুক্ত ব্যক্তি আটক হয়েছেন। ওসিকেও শোকজ করা হয়েছে।’
তখন আইনজীবী বলেন, ‘পত্রিকায় দেখেছি ভিকটিম ও কাজীকে ওসির লোকজন ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাতে তদন্ত ভিন্ন মোড় নিতে পারে।’
আদালত বলেন, ‘আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। আগে দেখি প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়।’
যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে আগামী সপ্তাহে বিষয়টি আদালতের নজরে আনতে আইনজীবীকে বলা হয়।
অভিযোগ উঠেছে পাবনা সদর থানার ওসি ওবাইদুল হকের বিরুদ্ধে।
‘দলবদ্ধ ধর্ষণের হোতার সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ে দিলেন ওসি’ গত ৯ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে থানার ভেতরে অভিযুক্ত এক ধর্ষকের সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাবনা সদর থানার ওসি ওবাইদুল হকের বিরুদ্ধে।
বলা হচ্ছে, গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে পাবনা সদর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ ও তার পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় তারা মামলা করতে চাইলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপে মামলা না নিয়ে ওসি উল্টো ধর্ষক রাসেল আহমেদের সঙ্গে গৃহবধূকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেন। পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষকের সঙ্গে গৃহবধূর বিয়ের বিষয়টি স্বীকার করলেও তা থানার মধ্যে ঘটেনি বলে দাবি করছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।’
ভুক্তভোগী গৃহবধূর করা লিখিত অভিযোগে বলা হয়, পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের সাহাপুর যশোদল গ্রামে স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। গত ২৯ আগস্ট রাতে একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রাসেল আহমেদ চার সহযোগীকে নিয়ে তাকে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। টানা চার দিন অজ্ঞাত একটি জায়গায় আটকে রেখে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে রাসেল ও তার সহযোগীরা।
পরে তিনি কৌশলে পালিয়ে এসে স্বজনদের বিষয়টি জানালে তারা ৫ সেপ্টেম্বর তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তিনি (গৃহবধূ) নিজেই বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ ধর্ষক রাসেলকে আটক করে। তবে বিষয়টি মামলা হিসেবে এজাহারভুক্ত না করে পুলিশ তাকে থানায় ডেকে নিয়ে যায়।
পরে সেখানে তাকে আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে অভিযুক্ত রাসেলের সঙ্গে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়।

নারায়ণগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২০ মামলার আসামি নিহত

0

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হৃদয় ওরফে গিট্টু হৃদয় (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
আজ বুধবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মৃধাকান্দি গ্রামের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হৃদয় উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের মৃত সবুজ মিয়ার ছেলে।
র‌্যাবের দাবি, নিহত হৃদয় পুলিশের তালিকাভুক্ত ‘মাদক ব্যবসায়ী’। তার বিরুদ্ধে ২০টির বেশি মামলা রয়েছে।
র‌্যাব-১১ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ উপচেলার চেঙ্গারকান্দি এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান যাচ্ছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর ৪টার দিকে র‌্যাব-১১ এর একটি দল সেখানে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালায়। একটি প্রাইভেটকারকে থামানোর সিগন্যাল দিলে সিগন্যাল অমান্য করে চালিয়ে যেতে চায় তারা। এ সময় র‌্যাব চ্যালেঞ্জ করলে প্রাইভেটকার থেকে নেমে একজন র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালালে দুপক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হয়। পরে ঘটনাস্থলে একজনকে আহতাবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে র‌্যাব। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নিহত হৃদয়ের হাত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলিসহ ম্যাগজিন উদ্ধার এবং প্রাইভেকটার থেকে তার সহযোগী জহিরুল, সেলিম ও গাড়ির চালক কামালকে আটক করা হয় বলেও জানান তিনি।
এ ছাড়া গাড়ি থেকে ‘৫০০টি ইয়াবা বড়ি, ৬টি দা, দুইটি চাপাতি’ উদ্ধার করা হয়।
পরে লাশটি মাদক বিক্রেতা হৃদয়ের বলে শনাক্ত করে এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় ‘আহত র‌্যাবের সৈনিক সৌরভ রায় ও কনস্টেবল ওবায়দুলকে’ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনসমৃদ্ধ সেবাঘর চালু করল ইসলামী ব্যাংক

0

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনসমৃদ্ধ সেবাঘর গত রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চক মোগলটুলিতে উদ্বোধন করা হয়।
ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মো. মাহবুব উল আলম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সেবাঘরের উদ্বোধন করেন।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, ইউনুস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউনুস এবং ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল ফয়েজ মুহাম্মাদ কামালুদ্দীন।
সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা সেন্ট্রাল জোনপ্রধান মো. মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চক মোগলটুলি শাখাপ্রধান মো. আনিসুল হক।
এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী, গ্রাহক, শুভান্যুধায়ী ও ব্যাংকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মাহবুব উল আলম বলেন, ইসলামী ব্যাংক বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাংক। আধুনিক ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে গণমানুষের আস্থা ও অকুণ্ঠ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে চলেছে এই ব্যাংক। কমসময়ে ও সাচ্ছ্বন্দে ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সংযোজন করা হলো ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিন। এই মেশিনে ক্যাশ জমা ও উত্তোলন করার সুবিধা থাকায় ক্যাশ কাউন্টারে গ্রাহকের দীর্ঘ সময়ের প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলে মনে করেন তিনি।
বিকল্প ব্যাংকিং সেবাকে তরুণ প্রজন্মসহ সকলের মাঝে আরও বেশি জনপ্রিয় করার জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ছাত্রলীগের বিষয়টি সরাসরি নেত্রী দেখছেন : ওবায়দুল কাদের

0

ছাত্রলীগের কমিটি পরিবর্তন, সংশোধন বা সংযোজনের বিষয়টি সরাসরি আওয়ামী সভানেত্রী শেখ হাসিনার এখতিয়ারে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।
গত শনিবার গণভবনে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর নানা কর্মকাণ্ডে বিরক্তি প্রকাশ করে কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন বলে ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা আসে।
তবে গণমাধ্যমে বের হওয়া এ খবরের সত্যতা স্বীকার না করে এর মধ্যেই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ওই বৈঠকে এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বুধবার ছাত্রলীগের কমিটির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসছে কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নেত্রী সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যাচাই-বাছাই করে ছাত্রলীগের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি নির্বাচন করেছেন। আমি নেত্রীর পক্ষ থেকে ঘোষণা দিয়েছি। এখন যদি ছাত্রলীগের এই কমিটির ব্যাপারে নতুন কোন বিবেচনা আসে, সংযোজন বা পরিবর্তনের কোন প্রশ্ন আসে, আমি মনে করি নেত্রী নিজেই করতে পারেন। নেত্রীর নিজে করাটাই সঙ্গত।’
ছাত্রলীগের আগাম সম্মেলনের কোনো সম্ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে কাদের বলেন, ‘আমি এ ধরনের কোনো ইঙ্গিত পাইনি, পেলে জানাব।’
মঙ্গলবার ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তার সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বলে জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট কিনা জানতে চাইলে সরাসরি জবাব এড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় ভালো কাজের প্রশংসা করি। দলের ভেতরেও খারাপ কাজ হলে, ডিসিপ্লিন ভঙ্গ হলে সেজন্য যদি কাউকে তিরস্কার করতে হয়, আমি সেটার পক্ষে। ভালো কাজের পুরস্কার দেওয়া উচিত। এটা আমরা আওয়ামী লীগে করে থাকি।’

আধুনিক পুলিশ বাহিনী গড়তে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় দক্ষ ও আধুনিক পুলিশ বাহিনী গড়তে কাজ করছে সরকার। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রশানসকে উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
আজ বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি ব্যাংকের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ পুলিশের কাছ থেকে যেন স্বল্প সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পুলিশ গড়ে তোলা হচ্ছে। পুলিশের সেবা তাৎক্ষণিক পেতে জরুরি সেবা ৯৯৯ চালু করা হয়েছে। পুলিশ খুব দক্ষতার সঙ্গে এ ক্ষেত্রে কাজ করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, জনবল বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে সরকার, যার সুফল ইতোমধ্যে দেশের জনগণ পেতে শুরু করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদক দমনে বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। পুলিশ এ ক্ষেত্রে দক্ষতার সঙ্গে ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ গুরুতপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে এ ক্ষেত্রে নারী পুলিশ সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত হচ্ছে।
সরকারপ্রধান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলছে চলবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় হতে হবে। কারণ মাদক একটি পরিবার ও সমাজকে নষ্ট করে দেয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে আন্দোলনের নামে যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা হয়েছে, সেভাবে পুলিশের ওপরও হামলা হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা যেভাবে জনগণের সেবা করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সর্বাত্মক সাফল্য কামনা করেন। এ ছাড়া তিনি পুলিশের জন্য বর্তমান সরকারের দেওয়া সুযোগ-সুবিধাগুলো তুলে ধরেন।