Home Blog Page 3503

কাপ্তাইয়ে সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন আজ

0

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয় ১৯৬২ সালে। নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পাশাপাশি এবার একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজও সম্পন্ন হয়েছে কাপ্তাইয়ে। আজ বুধবার (১১ আগস্ট) উদ্বোধন করা হবে ৭.৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন ও কর্ণফুলী জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত প্রকল্পটিতে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ১১০ কোটি টাকা।

প্রকল্পের পরিচালক মো. ফারুক জানান, সৌর শক্তির সাহায্যে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষম প্রকল্পটির ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখান থেকে দৈনিক ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এর মধ্যে ২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কাপ্তাই প্রজেক্টে ব্যয় করা হবে। অবশিষ্ট ৫ দশমিক ৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ করা হবে।

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প ইঞ্জিনিয়ার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগামী দুই বছর চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেটটি কর্পোরেশন এর দেখভালের দায়িত্বে থাকবে। এটি কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের হাতে ন্যস্ত থাকবে দুই বছর। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাঙামাটি, কাপ্তাই ও লিচু বাগান পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের পর আরও দুই-তিন মেগাওয়াট বিদ্যুৎ থাকে, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে।

জেটটি করপোরেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেটটি করপোরেশন পাওয়ার প্ল্যান্টটি নির্মাণ করছে। ২৪,০১২টি প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে সোলার প্যানেলটি স্থাপন করা হয়েছে।

৯/১১ বার্ষিকীতে কাবুলে মার্কিন দূতাবাসের সামনে রকেট হামলা

0

৯/১১ হামলার ১৮ তম বার্ষিকী আজ। আর এই দিনে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের মার্কিন দূতাবাসের সামনে রকেট হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। বুধবার ভোররাতে এ হামলা চালানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ৯/১১ হামলার সেই বার্ষিকীতেই মার্কিন দূতাবাসকে টার্গেট করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। প্রাণহানির খবরও মেলেনি।

জানা গেছে, বুধবার ভোররাতে কাবুলের মার্কিন দূতাবাসের সামনে জোরালো বিস্ফোরণে শব্দ শোনা যায়। দূতাবাস চত্বর ঢেকে যায় ধোঁয়ায়। মার্কিন দূতাবাসের এক কর্মী ফোনে বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে, তিনিও বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। সরকারিভাবেও এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর জানানো হয়নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তালিবানদের সঙ্গে শান্তি আলোচনা বন্ধ করে দেওয়ার পর, কাবুলে এটাই প্রথম বড় হামলা। যদিও, লাগাতার ছোটখাটো বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলেছে তালিবান জঙ্গিরা। যার জেরে তালিবানদের সঙ্গে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন ট্রাম্প।

গত সপ্তাহেই দুটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে কাবুলে বেশ কয়েক জন সাধারাণ নাগরিক নিহত হন। হামলায় শহিদ হন ন্যাটোর দুই মার্কিন জওয়ানও। যে কারণে ইউএস-তালিবান আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন ট্রাম্প। তার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ধীরে ধীরে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেবেন। কিন্তু, গত সপ্তাহে তালিবানি ওই হামলার পরেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলায় হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় টুইন টাওয়ার। এই হামলায় ২,৯৯৭ জন নিহত হন। ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন। ধ্বংস হয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের টুইন টাওয়ার, যা নিয়ে আমেরিকার গর্ব ছিল। এ ঘটনার জন্য বরাবরই আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দাকে দোষারোপ করে আসছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যার মাস্টারমাইন্ড ওসামা-বিন-লাদেন। এই দিনটি যে কারণে আমেরিকার নাগরিকদের কাছে অন্তত সংবেদনশীল।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বহিষ্কার করলেন ট্রাম্প

0

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনকে বরখাস্ত করেছেন। মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় এই বরখাস্তের ঘোষণা দেন তিনি। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে হোয়াইট হাউজ থেকে বহিষ্কার করেছেন ‍ট্রাম্প। আগামী সপ্তাহে নতুন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

টুইটা বর্তায় ট্রাম্প লেখেন, আমি গত রাতে জন বোল্টনকে জানিয়ে দিয়েছি যে, হোয়াইট হাউসে তার আর কোনো কাজ নেই। তার অনেক প্রস্তাবের সঙ্গে আমার মতপার্থক্য রয়েছে।

২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে বোল্টন ট্রাম্প সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তার আগে নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন মাইকেল ফ্লিন এবং এইচআর ম্যাকমাস্টার।

কাশ্মীর ভারতের অঙ্গ, বললেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0

কাশ্মীর ইস্যুতে কূটনৈতিক টানাপড়েন অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অংশ বলে জানালেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। জানা গেছে, জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সুইজারল্যান্ডের জেনিভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গেছে‌ন কুরেশি। মঙ্গলবার সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, কাশ্মীরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে বলে সারাবিশ্বের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছে ভারত। তাই যদি হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে ভারতের ওই রাজ্যে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না কেন? নিজের চোখে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দেওয়া হচ্ছে না কেন? দাঁত চেপে মিথ্যা বলে যাচ্ছে ভারত। কারফিউ উঠলেই আসল চিত্র বেরিয়ে পড়বে। আর সারাবিশ্ব ঘুম ভেঙে দেখবে কী ভয়ঙ্কর বিপর্যয় নেমে এসেছে সেখানে।

জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের রাজ্য বলে উল্লেখ করে এরই মধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্রূপের শিকার হচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। স্বাধীনতার ৭২ বছর পর অবশেষে পাকিস্তান কাশ্মীরকে ভারতের অংশ বলে মেনে নিল বলে কটাক্ষ করেছেন অনেকে। এতদিনে পাক মন্ত্রী সত্যটা মেনে নিলেন বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। আবার কুরেশির তীব্র সমালোচনা করেন পাক সমর্থকদেরও অনেকে। তাদের কথায়, কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য করার সময় সতর্ক থাকা উচিত ছিল মন্ত্রীর।

এদিকে, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে জাতিসংঘে ১১৫ পাতার বিশেষ ডসিয়ারও জমা দিয়েছে পাকিস্তান। উপত্যকার বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা যে মন্তব্য করেছিলেন, তারও উল্লেখ রয়েছে তাতে।

সেই ডসিয়ার জমা দিয়ে কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন কুরেশি। উপত্যকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জাতিসংঘের নেতৃত্বে যৌথ তদন্ত কমিটি গড়ার দাবিও তোলেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থ্রিজি-ফোরজি বন্ধ

0

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় থ্রিজি এবং ফোরজি মোবাইল ডেটা সেবা বন্ধ করে দিয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া এই দুই উপজেলায় উচ্চ গতির মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকবে।
সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে সব মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে এ নির্দেশনা পাঠায় বিটিআরসি।
আগের নির্দেশনা অনুসারে এমনিতেই ওই এলাকায় থ্রিজি ও ফোরজি মোবাইল ডেটা বন্ধ ছিল।
গত ২ সেপ্টেম্বরে অপারেটরদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর বিটিআরসি বিকাল ৫টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত উখিয়া ও টেকনাফে থ্রিজি ও ফোরজি বন্ধ রাখে। এক সপ্তাহের মধ্যে সেই নির্দেশনা এখন ২৪ ঘণ্টার জন্যে কার্যকর করা হলো।
মোবাইল ডেটা সেবা বন্ধ সম্পর্কে মোবাইল কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানান, আগের নির্দেশনা অনুযায়ী এমনিতেই ওই এলাকায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা বন্ধ ছিল। যেহেতু এর মধ্যে নতুন নির্দেশনা এসে গেছে। তাতে করে এখন ওই এলাকায় মোবাইল ফোনে কথা বলা গেলেও মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কয়েকজন মোবাইল ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে থ্রিজি এবং ফোরজি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া সাধারণ মোবাইলেও কথা বলা সম্ভব হচ্ছে না।
সম্প্রতি উখিয়ার কুতুপালং ১৭ নং ক্যাম্প ইনচার্জ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ক্যাম্প প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান। বৈঠকে তিনি ক্যাম্প ভিত্তিক মোবাইল নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ এবং সিমের ব্যাপারে ব্যবস্থার নেয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর উপজেলার নির্বাহী অফিসার নিকারুজ্জামান চৌধুরী উখিয়ার ৩০ জন বিক্রয় প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করে সিমকার্ড বিক্রি বন্ধ এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, উখিয়া-টেকনাফে ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে এসেছে। এর আগে থেকে আশ্রিত মিলে বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে উখিয়া-টেকনাফে। এসব রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় ৮-১০ লাখ বিভিন্ন সিমকার্ড রয়েছে।

কানাডার নির্বাচনে লড়ছেন বাংলাদেশী দুরদানা

0

আজ ১০ সেপ্টেম্বর কানাডার ম্যানিটোবার প্রাদেশিক সংসদের নির্বাচন। এই নির্বাচেনে এনডিপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুরদানা ইসলাম। সিয়াইন রিভার নামের যে রাইডিং থেকে দুরদানা প্রার্থী হয়েছেন- সেখানে মাত্র ১৮ শতাংশ অভিবাসী। আর ৯০ শতাংশের বেশি বাসিন্দাই স্থানীয়।
যাতে সহজেই অনুমেয় যে, রাইডিংটি আসলে অর্থিকভাবে স্বচ্ছল মানুষদের এলাকা। এমনই একটা এলাকা থেকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুরদানা ইসলামকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছে এনডিপি।
সিয়াইন রিভার রাইডিং-এ দুরদানার প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন- গ্রিন পার্টির ব্রায়ান ল্যামোরিক্স, লিবারেল পার্টির জেমস ব্লুমফিল্ড এবং পিসি পার্টির জেনিস মোরলি-লেকোমটে।
এ নির্বাচনে বিজয়ী হলে বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য নতুন একটি ইতিহাস রচনা করবেন দুরদানা। তবে সেটা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে দিনের শেষ পর্যন্ত।
তবে ওই নির্বাচনী এলাকায় এনডিপির প্রার্থী টানা বিজয়ী হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। যদিও গতবার কনজারভেটিভ পার্টি সেটি ছিনিয়ে নিয়েছে।
দুরদানা বর্তমান এমএনএ’র সঙ্গেই ভোটের লড়াই করছেন। সামগ্রিক বিবেচনায় দুরদানা এই আসনে শক্তিশালী এবং সম্ভাবনাময় প্রার্থী।

বাংলাদেশী ডলি বেগমের পর দুরদানা ইসলামের প্রার্থীতা ওখানকার বাংলাদেশীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে। তারা সব সময়ই মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের সম্পৃক্ত হবার, ভোটের লড়াইয়ে প্রার্থী হবার জন্য অনুপ্রাণিত করেন।
তবে কেবল ভোটে দাড়িয়ে যাওয়াই মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়া নয়। অন্যান্য প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই করার জন্য নিজের যোগ্যতার ফিরিস্তিটাও জোরালো হওয়া জরুরী। দুরদানা ইসলামের ব্যক্তিগত যোগ্যতার মাপকাঠিটা তেমনি জোরালো।
তবে ডলি বেগমের সঙ্গে দুরদানার পার্থক্য হচ্ছে- ডলির বেড়ে ওঠা। লেখাপড়ার প্রায় পুরোটাই কানাডায়।
অন্যদিকে দুরদানা বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়াশোনা করে তার পর অভিবাসী হয়েছেন। এসএসসির সম্মিলিত মেধা তালিকায় কুমিল্লা বোর্ড থেকে প্রথম স্থান অধিকার করা দুরদানা, অষ্ট্রেলিয়া এবং কানাডা থেকে দুটি মাষ্টার্স ডিগ্রী নিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে পিএইচডি করেছেন। কানাডার মূলধারায় পুরষ্কার বিজযী গবেষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
এদিকে ‘বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত’ পরিচয় নিয়ে দুরদানারা যখন ভোটে দাড়ান- তখন বাংলাদেশী কমিউনিটি সম্পর্কেও কানাডিয়ানদের মনে উচ্চ ধারনা তৈরি হয়।
এর আগে ক্যালগেরি থেকে খালিশ আহমেদও ফেডারেল নির্বাচেন প্রার্থী হয়েছিলেন। তার প্রোফাইলটাও ছিলো এমন উঁচু পর্যায়ের।
ডলির মতো, খালিশের মতো, দুরদানার মতো উচ্চ শিক্ষিত, পেশাদার, যোগ্য ব্যক্তিরা যখন কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়, তখন বাংলাদেশি কমিউনিটির মাথাও আরও উঁচু হয়ে যায়।
একুশের পদক পাওয়া বংশীবাদক ওস্তাদ আজিজুল ইসলামের মেয়ে দুরদানা ইসলামের হাত ধরে কানাডার রাজনীতিতে নতুন একটা সুর উঠুক, ম্যানিটোবায় বাংলাদেশীদের আরেকটা ইতিহাস নির্মিত হোক- এটাই এখন কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রত্যাশা।

নাইন-ইলেভেন: আগাম হুঁশিয়ারি পাত্তা দেননি বুশ

0

২০০১ সালের গ্রীষ্মে অর্থাৎ ১১ই সেপ্টেম্বরের ঠিক আগে আগেই দেশের ভেতর বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি নিয়ে তৎকালীন মার্কিন সরকারকে বার বার হুঁশিয়ারি করা হয়েছিল।
এতদিন পর বিবিসির লুইজ হিদালগোর কাছে সেকথা প্রকাশ করেছেন সাবেক ডেমোক্র্যাট সেনেটর গ্যারি হার্ট যিনি একসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছিলেন।
সেনেটর হার্ট বলেন, নাইন-ইলেভেনের আগের মাসগুলোতে দেওয়া সেসব হুঁশিয়ারি জর্জ বুশ সরকার অবজ্ঞা করেছিল।
২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর কজন কট্টর ইসলামপন্থী দুটো যাত্রী বিমান অপহরণ করে নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে গিয়ে আছড়ে পড়েছিল- সে কথা হয়তো কারোরই অজানা নয়।
ঐ হামলার ৫০ মিনিট না যেতেই আরেকটি বিমান বিধ্বস্ত হয় ওয়াশিংটনে প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের সদর দপ্তরের ওপর।
অপহৃত চতুর্থ বিমানটি বিধ্বস্ত হয় ওয়াশিংটনের কাছে একটি মাঠের ভেতর।
আমেরিকায় ঐ সন্ত্রাসী হামলা ছিল নজিরবিহীন। প্রায় ৩,০০০ মানুষের প্রাণ গিয়েছিল সেদিন। হতভম্ব হয়ে পড়েছিল সারা বিশ্ব।
কিন্তু এ ধরনের হামলা হতে পারে, সে ব্যাপারে আগে থেকেই হুঁশিয়ারি ছিল।
যে মানুষগুলো সেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তাদের একজন ছিলেন তৎকালীন ডেমোক্র্যাট সেনেটর গ্যারি হার্ট।
বিবিসিকে তিনি বলেন, “আমি বা অন্যরা ঠিক জানতে পারিনি যে কোথা থেকে এই হামলা আসতে পারে, কিন্তু আমরা প্রায় নিশ্চিত ছিলাম যে খুব শীঘ্রি একটা হামলা হতে চলেছে।”
নাইন-ইলেভেন হামলার মাত্র আট মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ঝুঁকির ওপর একটি তদন্ত রিপোর্ট চূড়ান্ত করা হয়।
দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে ব্যাপক তদন্তের পর রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়।
যে সরকারি কমিশন ঐ তদন্ত করেছিল তার যৌথ নেতৃত্বে ছিলেন সেনেটর গ্যারি হার্ট এবং রিপাবলিকান দলের ওয়ারেন রাডম্যান।
ঐ কমিশন ২০টি দেশের একশ’র মত লোকের কাছ থেকে সাক্ষ্য প্রমাণ জোগাড় করে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে এত বড় তদন্ত-পর্যালোচনা কখনো হয়নি।
ঐ কমিশনে যুক্ত ছিলেন পররাষ্ট্র নীতি এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ে আমেরিকার সবচেয়ে খ্যাতিমান বিশেষজ্ঞবৃন্দ।
যে উপসংহার তারা টেনেছিলেন তা ছিল খুবই ভীতিপ্রদ।
গ্যারি হার্ট বলেন, “কমিশনের ১১ জন সদস্য তাদের তদন্তের বিশ্লেষণ করে মতামত দিয়েছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র বিপদের মুখে রয়েছে। আমরা ঐ রিপোর্টে বলেছিলাম – এমন ঝুঁকি রয়েছে যার পরিণতিতে বিপুল সংখ্যক মার্কিন নাগরিক মারা যেত পারে।”
কিন্তু ঐ হুঁশিয়ারিকে সরকার কতটা গুরুত্ব দিয়েছিল?
গ্যারি হার্ট বলেন, এমনকী সংবাদ মাধ্যমও ঐ তদন্ত রিপোর্টকে গুরুত্ব দেয়নি। “রিপোর্টটি চূড়ান্ত করার পর আমরা একটি সংবাদ সম্মেলন করেছিলাম। আমাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাঝেই একজন সাংবাদিক চলে যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ান। তাকে প্রশ্ন করি- কেন তিনি আগেভাগে চলে যাচ্ছেন। তিনি উত্তর দেন ‘এসব কিছুই ঘটবে না ‘।’
ঐ সাংবাদিক নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার একজন সিনিয়র রিপোর্টার ছিলেন। “সুতরাং বলতে পারেন, মিডিয়া আমাদের ঐ রিপোর্টকে তখন পাত্তাই দেয়নি।”
ঐ কমিশন গঠন করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন, কিন্তু ২০০১ সালে জানুয়ারিতে যখন ঐ কমিশন তাদের রিপোর্ট চূড়ান্ত করে প্রকাশ করে তখন হোয়াইট হাউজে নতুন সরকার।
মাত্র ১১দিন আগে রিপাবলিকান জর্জ ডব্লিউ বুশ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেন।
কমিশন সিদ্ধান্তই নিয়েছিল নতুন প্রেসিডেন্ট যিনি হবেন, তার হাতে তারা তাদের রিপোর্ট এবং সুপারিশ তুলে দেবে। কিন্তু তা হয়নি।
সেনেটর গ্যারি হার্ট বলেন, “প্রেসিডেন্ট (বুশ) আমাদের সাথে দেখা করতেই রাজী হলেন না। আমরা ভাইস প্রেসিডেন্ট রিচার্ড চেনির সাথে দেখা করার চেষ্টা করলাম। তাতেও আমরা ব্যর্থ হই।”
তবে কমিশন নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ড এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েলের সাথে দেখা করেন।
একইসাথে তারা প্রেসিডেন্ট বুশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কনডোলিজ্জা রাইসের সাথেও দেখা করেন।
ঐ রিপোর্টকে ঐ তিনজন কতটা গুরুত্ব দিয়েছিলেন?
“দুই মন্ত্রী আমাদের কথা গুরুত্ব সহকারে শুনেছিলেন। তারা আমাদের বিভিন্ন প্রশ্নও করেছিলেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রামসফেল্ড নিজে তার নোটবুকে কিছু নোটও নিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর কোনো ব্যবস্থা তারা নিলেন না।”
বুশ প্রশাসন পরে বলে – সুনির্দিষ্ট নয় এমন কোনো হুঁশিয়ারিকে বিবেচনায় নেওয়া কঠিন। তারা বলেন, বিমান অপহরণ করে তা দিয়ে হামলা চালানো হবে এমন কোনো ইঙ্গিতই কমিশন দেয়নি।
বিমানের ব্যবহার নিয়ে সাবধান করা হয়
কিন্তু ঐ গ্রীষ্মেই অন্য সূত্র থেকেও সন্ত্রাসী হামলায় বিমানের ব্যবহার সম্পর্কে সাবধান করা হয়েছিল।
২০০১ সালের জুলাইতে অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্সে এফবিআইয়ের একজন কর্মকর্তা মধ্যপ্রাচ্যের কজন নাগরিক, যারা তখন সেখানে বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, তাদের ব্যাপারে তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন।
পরের মাসেই ফিনিক্স থেকে দুই হাজার কিলোমিটার দূরে মিনেসোটায় এফবিআই জাকারিয়া মুসাভি নামে একজন ফরাসী নাগরিককে গ্রেপ্তার করে।
বিমান চালানোর কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই ঐ ব্যক্তি বোয়িং ৭৪৭ চালানোর প্রশিক্ষণের আশায় স্থানীয় একটি ফ্লাইং স্কুলে হাজির হলে, এফবিআইয়ের সন্দেহ হয়।
এফবিআইয়ের আইনজীবী কলিন রাউলিকে গভীর রাতে ফোন করে ঐ গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়।
মুসাভির ব্যক্তিগত জিনিসপত্র এবং কম্পিউটার পরীক্ষা করার অনুমতি জোগাড় করে দেওয়ার জন্য ঐ আইনজীবীকে ফোন করেছিল এফবিআই এজেন্টরা। কিন্তু পরে এফবিআইয়ের কর্তাব্যক্তিরাই এ নিয়ে অগ্রসর না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
২০০৫ সালে বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে আইনজীবী কলিন রাউলি ঐ ঘটনা সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছিলেন।
“আমাদের একজন সুপারভাইজার সদর দপ্তরে একজন কর্মকর্তাকে বলেছিলেন – তুমি কী বুঝতে পারছ না যে এই লোক (মুসাভি) এমন এক মানুষ যে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান নিয়ে আছড়ে পড়তে পারে। কিন্তু ঐ কর্মকর্তা জবাব দিয়েছিলেন- এমন কোনা ঘটনা কখনই হবে না।”
জাকারিয়া মুসাভি পরে ১১ই সেপ্টেম্বরের ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছিলেন।
কলিন রাউলি মনে করেন, এসব হুঁশিয়ারি সরকার তখন অগ্রাহ্য করেছিল কারণ সরকারের কেউই বিশ্বাসই করতে পারেনি এমন কোনো ঘটনা সত্যিই কখনো ঘটতে পারে।
কী বলেছিলেন সিআইএ প্রধান
তবে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএর ভেতরে সন্দেহ দানা বাঁধছিল। ২০০১ সালে সিআইএর প্রধান ছিলেন জর্জ টেনেট।
নাইন-ইলেভেন হামলার ১৪ বছর পর মার্কিন টিভি চ্যানেল সিবিএস-এ এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ঐ বছর গ্রীষ্মে তাদের কাছে তথ্য প্রমাণ আসে যে আল কায়দা আমেরিকায় বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে।
সিআইএর যে ইউনিট আল কায়দার ওপর নজরদারী করতো তার প্রধান রিচ প্লি ঐ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
“জুলই মাসের শেষ দিকে একদিন আমরা আমার কনফারেন্স রুমে বসে কথা বলছিলাম । কীভাবে এই হামলা হতে পারে, তা নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা হচ্ছিল। তখন রিচ ব্লি বলেছিল – তারা (আল কায়দা) আমেরিকাতেই আসছে।”
“তার ঐ কথা শুনে সবাই যেন স্থবির হয়ে পড়েছিল। সবাই হঠাৎ নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিল,” সিবিএসকে বলেছিলেন জর্জ টেনেট।
তিনি জানান, প্রায় পরপরই তিনি কনডোলিজ্জা রাইসকে ফোন করেন।
“আমি তাকে বলি- কনডি আমি তোমার সাথে দেখা করতে চাই।। আমরা এখনই আসছি।”
“তাকে বলি একাধিক হামলা হতে পারে । হামলার ধরন নাটকীয় হতে পারে। আল কায়দার উদ্দেশ্যই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করা। আমেরিকাকে এখনই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।”
কনডোলিজ্জা রাইস পরে বলেন, সন্ত্রাসী হামলার জন্য বিমান ব্যবহার হতে পারে, সে ব্যাপারে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট হুঁশিয়ারি পাননি।
তিনি বলেন, হোয়াইট হাউজের কাছে প্রতিদিনই নানা বিষয়ে নানারকম হুঁশিয়ারি এবং পরামর্শ আসে।
প্রেসিডেন্ট বুশও বলেন, তিনি এমন কোনো গোয়েন্দা রিপোর্ট দেখেননি যাতে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ছিল।
তবে হোয়াইট হাউজ স্বীকার করেছিল যে ২০০১ সালের ৬ই আগস্ট প্রেসিডেন্টের কাছে দেওয়া এক ব্রিফে বলা হয়েছিল আমেরিকার ভেতরে হামলা চালাতে বিন লাদেন বদ্ধপরিকর।
গ্যারি হার্ট বলেন, যে কোনো সময় হামলা হতে পারে এই আশঙ্কায় জানুয়ারি মাসে তিনি খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন।
কিন্তু তার এই উদ্বেগের কথা তিনি কাকে জানিয়েছিলেন?
“বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন এবং কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আমি আমার আশঙ্কার কথা বলেছি। সাক্ষাৎকারও দিয়েছি।”
বিশ্বাস করেনি হোয়াইট হাউজ
কিন্তু বুশ প্রশাসনের যুক্তি ছিল কখন, কোথায় এবং কীভাবে হামলা হবে সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো কথা কমিশনের রিপোর্টে ছিল না, এবং এ ধরনের নানা হুঁশিয়ারি হোয়াইট হাউজে প্রতিদিনই আসে।
সরকারের এই যুক্তি কি ফেলে দেওয়া যায়?
বিবিসির এই প্রশ্নে গ্যারি হার্ট বলেন, “সুনির্দিষ্ট করে বলার কোনো উপায় তখন ছিল না। আমি কানাডার মন্ট্রিয়েলে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছিলাম । পরদিন সেখানকার পত্রপত্রিকায় খবরের শিরোনাম হয়েছিল – হার্ট আমেরিকাতে সন্ত্রাসী হামলা সন্দেহ করছেন।”
সেটা সেপ্টেম্বরের গোড়ার দিকের কথা। পরপরই কনডোলিজ্জা রাইসের সাথে তার বৈঠক হয়।
“আমি তাকে বলি অনুগ্রহ করে হোমল্যান্ড সিকিউরিটিকে প্রস্তুত করেন। আমাদের ওপর হামলা হতে চলেছে। সেটা ৬ই সেপ্টেম্বরের কথা।”
“কনডোলিজ্জা রাইস আমাকে বলেন, তিনি ভাইস প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলবেন। …পাঁচদিন পর তিন হাজার আমেরিকান মারা গেল।”
নাইন-ইলেভেন হামলার ওপর দ্বি-দলীয় যে তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়, তারা ২০০৪ সালে বলেছিল – “নীতি, ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতায় বড় ধরনের ঘাটতি ছিল প্রশাসনে। গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্ম পদ্ধতিতে ব্যাপক রদ-বদলের সুপারিশ করা হয়।” বিবিসি

খাশোগি হত্যার পূর্ণাঙ্গ আলাপচারিতা প্রকাশ

0

সৌদি রাজপরিবারের সমালোচক সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার সময় রেকর্ড হওয়া অডিওর পূর্ণাঙ্গ স্ক্রিপ্ট (লিখিত) প্রকাশ করা হয়েছে।

সৌদি আরব থেকে ১৪ সদস্যের এক কিলার বাহিনী তুরস্কে গিয়ে ২০১৮ সালের ১৬ নভেম্বর জামাল খাশোগিকে হত্যা করে। তুরস্কে সৌদি দূতাবাসের মধ্যে খাশোগিকে হত্যার পর তার মৃতদেহ গায়েব করে ফেলা হয়। যা আজও উদ্ধার হয়নি।

ওই সময় ঠিক কী ঘটেছিল তা নিয়ে এতদিন কিছুটা ধুম্রজাল ছিল। তবে তুরস্কের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খাশোগি হত্যার সময়কার অডিও রেকর্ড আরও আগে হাতে পেয়েছে বলে দাবি করেছিল। কিন্তু সেই রেকর্ডে কী আছে তা কোনো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) খাশোগি হত্যার সময়ের অডিও রেকর্ড নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অডিওতে জামাল খাশোগিকে হত্যার আগে কী বলা হয়েছিল তা স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। জামাল খাশোগিকে সন্তানের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।

এছাড়াও তাকে হত্যার কথা বলা হয়নি; বরং তাকে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাকে মাদক দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলা হয়। ৩০ মিনিটের মধ্যেই তাকে হত্যা ও লাশ গায়েব করে ফেলা হয়।

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশের মেয়েরা

0

শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-২১ নারী হকি দলকে হারিয়ে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। অংশ নিয়েই গড়ে ফেলল ইতিহাস।

ওমেন্স জুনিয়র এএইচএফ কাপ হকিতে প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ নারী হকি দল। ঘুরে দাঁড়াল দ্বিতীয় ম্যাচেই। লাল-সবুজের তরুণীরা শ্রীলঙ্কান মেয়েদের হারিয়েছে ২-০ গোলে।

বাংলাদেশকে প্রথমে এগিয়ে দেন রিতু খানম। ২৮ মিনিটে গোল পান অধিনায়ক। খেলার একদম শেষ মুহূর্তে ব্যবধান বাড়ান তারিন খুশি।

রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে হওয়া টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পরের প্রতিপক্ষ হংকং। ম্যাচটি হবে বৃহস্পতিবার।

এবারের ওমেন্স জুনিয়র এএইচএফ কাপ হকি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশসহ মোট ৬টি দল অংশ নিয়েছে। টুর্নামেন্টের সেরা দুই দল অংশ নেবে ২০২০ ওমেন্স জুনিয়র এশিয়া কাপে।

ফের স্বর্ণের দাম কমলো

0

আগস্ট মাসে টানা চারবার স্বর্ণের দাম বাড়ার পর এবার কমানোর ঘোষণা দিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

আজ মঙ্গলবার বাজুস ভরি প্রতি এক হাজার ১৬৬ টাকা কমানো এ ঘোষণা দেয়। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে এই দাম কার্যকর করা হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী- ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ হাজার ৯১২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরিপ্রতি স্বর্ণ ৫৪ হাজার ৫২৯ এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিপ্রতি ৪৯ হাজার ৫১৪ টাকায় বিক্রি হবে।
গত জুলাইয়ের ২৪ তারিখ আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পর আগস্ট মাসে আরও চারবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়।

বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা সাংবাদিকদের জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে।