Home Blog Page 3504

আওয়ামী লীগ হত্যার নয়, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে : আইনমন্ত্রী

0

আজ মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমপি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার লোকজন সংবাদ সম্মেলনে বলেন আমরা নাকি জেলখানায় খালেদা জিয়াকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছি।
মির্জা ফখরুল ও রেজভী সাহেবের ভাবা উচিত ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য বেগম খালেদার পুত্র তারেক কী করেছিলেন। দলীয় নেতা কর্মীরা মানব ঢাল করে শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়েছে। বহু নেতা-কর্মী হতাহত হয়েছে। কুলাঙ্গার তারেক চিরতরে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলো। সেনা সরকারের কাছে মুচলেকা দিয়ে তারেক লন্ডনে চলে যায়। সে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী। তার মা খালেদা জিয়া এতিমের টাকা চুরি করার বিচারে তার জেল হয়েছে।
কারাবাসে থাকার জন্য সে তার গৃহপরিচারিকাকে জেলে নিতে চায়। সরকার তার গৃহপরিচারিকার সম্মতি নিয়ে তার আবেদেনে সম্মতি দিয়েছে। জেলখানায় গৃহপরিচারিকা নিয়ে খালেদা জিয়া ভালভাবেই জীবন যাপন করছেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ হত্যার রাজনীতি করে না। আওয়ামী লীগ মানুষের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে।
তিনি আরো বলেন, আগস্ট মাসে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। এই মাসে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস। এই মাস এলেই পাকিস্তানের দোষররা বাংলাদেশকে হত্যা করতে চায়। এরা বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র করতে চায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা এই দেশকে এমন পর্যায়ে নিয়েছেন এ দেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।
বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মনিরুল হকের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট রাশেদুল কাওসার ভুইয়া জীবন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আনিসুল হক ভুইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম আহ্বায়ক এম.জি হাক্কানী, আলহাজ রুহুল আমিন ভুইয়া বকুল, কসবা পৌর মেয়র মো. এমরান উদ্দিন জুয়েল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন, বায়েক ইউপির চেয়ারম্যান আল মামুন ভুইয়া, সাবেক বায়েক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদেক সরকার, উপজেলা কৃষকলীগ যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল কুদ্দছ রানা, আওয়ামী লীগ নেতা নুরন্নবী আজমল প্রমুখ।
পরে মন্ত্রী বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নতুন কমিটির সভাপতি মো. শাহরিয়ার ভুইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের নাম ঘোষনা করলে সম্মেলনে উপস্থিত কাউন্সিল ও জনগণ মূই মূই করতালীর মাধ্যমে সমর্থন দেন। সম্মেলনে পুরো ইুনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে খন্ড খন্ড মিছিল এসে বায়েক ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বর ভরে কুল্লাপাথর-কসবা সড়কে হাজার হাজার জনতা অবস্থান নেয়। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নারী পুরুষ সম্মেলনে উপস্থিত হন।
পরে মন্ত্রী গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন। তাছাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ শেষে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত কসবা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জাতীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় সুইমিংপুলের উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

0

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ নির্মিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সুইমিংপুলের উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল।
আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামবাসীর জন্য আজ একটি স্মরণীয় দিন। চট্টগ্রামের সাধারণ জনগণের একটি দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল আধুনিক সুযোগ সুবিধা সংবলিত একটি সুইমিংপুল নির্মাণের। আজকের এই সুইমিংপুল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বপ্ন বাস্তবতায় পাখা মেলেছে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সুইমিং শুধু খেলা বা ব্যায়ামের জন্যই নয়, জীবনের নিরাপত্তা বিধানের জন্যও সাঁতার শেখাটা জরুরি। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যে ২২টি সুইমিংপুল নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলাতেই সুইমিংপুল নির্মাণ করা হবে। তিনি সুইমিংপুলসমূহের সঠিক ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের ফ্লাড লাইট ও জিমনেসিয়ামের প্রয়োজনীয় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে চট্টগ্রামবাসীকে একটি দৃষ্টিনন্দন সুইমিংপুল উপহার দেবার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। উল্লেখ্য, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব ড. জাফর উদ্দীন, সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন রাউজান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক শাহ আলম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হক। এ সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ড ভেঙে শীর্ষ নারী শাসকের তালিকায় শেখ হাসিনা

0

সরকারপ্রধান হিসেবে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী, ব্রিটেনের মার্গারেট থ্যাচার ও শ্রীলংকার চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের বিখ্যাত শীর্ষ নারী শাসকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নারী হিসেবে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকা ও বিশ্বে পরিচিতির দিক বিবেচনায় এ তালিকা করা হয়েছে। উইকিলিকসের সাম্প্রতিক এক জরিপের বরাত দিয়ে সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর ) এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তা সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। প্রথম মেয়াদে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ জয় পায় তার দল আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদে ১৫ বছরেরও বেশি সময় পার করে ফেলেছেন তিনি।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বছরের বেশি ক্ষমতায় ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেন শাসন করেছেন ১১ বছর ২০৮ দিন। আর চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট দু’ভাবেই ক্ষমতায় ছিলেন ১১ বছর ৭ দিন।

জরিপ অনুসারে, সেন্ট লুসিয়ার গভর্নর জেনারেল ডেম পারলেট লুইজি সবচেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা নারী। তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ২০ বছর ১০৫ দিন দেশ শাসন করেছেন। আইসল্যান্ডের ভিগডিস ফিনবোগডোটিয়ার ক্ষমতায় ছিলেন ১৯৮০ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত প্রায় ১৬ বছর। তবে বিশ্ব রাজনীতিতে এ দুই নেতা খুব বেশি পরিচিত ছিলেন না।

অন্যদিকে ২০০৫ সাল থেকে এখনও ক্ষমতায় থাকা জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল এ তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন।

কারবালায় তাজিয়া মিছিলে পদদলিত হয়ে নিহত ৩১

0

ইরাকের কারবালায় তাজিয়া মিছিলে পদদলিত হয়ে অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরো অন্তত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। খবর আল-জাজিজার।

আজ মঙ্গলবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে কারবালা প্রান্তরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার আশুরা দিবস পালন করার সময় প্রবল ভিড়ের চাপে কারবালা শহরে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইরাকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইরাকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইফ আল-বদর জানিয়েছেন, প্রবল ভিড়ের চাপে অন্তত পক্ষে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও শতাধিক। তার আশঙ্কা, ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

মক্কায় অসুস্থ বাংলাদেশি হাজিদের খোঁজ নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

0

চলতি বছর হজ পালন করতে যাওয়া যে সকল হাজি গুরুতর অসুস্থ হয়ে মক্কার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তাদের খোঁজখবর নিতে মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মো. আবদুল্লাহ। সোমবার ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। আজ মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কিং আব্দুল্লাহ মেডিক্যাল সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নরসিংদীর মো. আব্দুস সাত্তার (৬০), নওগাঁর ফজর আলী মন্ডল (৬২), আল-হেরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জামালপুরের মো. চাঁন মন্ডল (৬৫) ও আল-নূর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিশোরগঞ্জের মো. তৌহিদ করিমকে দেখতে যান। তিনি তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

এ বছর পবিত্র হজ পালনরত অবস্থায় ওই চার হাজি অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তারা মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ, কিডনি ও বুকের ব্যথাসহ নানা জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত। তারা সুস্থ হওয়ার পর যাতে সহজে দেশে ফিরতে পারেন সে ব্যবস্থা করতে মক্কায় বাংলাদেশের হজ কাউন্সিলর মো. মাকসুদুর রহমানকে নির্দেশ দেন।

এর আগে সোমবার সকালে হারাম শরিফে আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। ৪১তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে রাজকীয় সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে ৬ দিনের সফরে গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে মক্কা পৌঁছান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে : তথ্যমন্ত্রী

0

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। আজ বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় পাকিস্তানের চেয়ে বেশি। কিছুদিনের মধ্যে বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় ভারতকেও ছাড়িয়ে যাবে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকাস্থ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সমিতির স্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কোথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে সব সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভারতকেও ছাড়িয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এক নম্বরে। সবাইকে সম্মিলিতভাবে উন্নয়নের এই ধারাকে আরো এগিয়ে নিতে হবে।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে তথ্যমন্ত্রী ফলক উন্মোচন করে কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর, ঢাকাস্থ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সমিতির সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খান প্রমুখ।

কাদের-হাছান মিথ্যাচার কোম্পানির বিজ্ঞাপন ম্যানেজার: রিজভী

0

আওয়ামী লীগ এখন মিথ্যার কোম্পানি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে ওলামা দল আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে ইনসাফ উঠে গেছে। আওয়ামী লীগ একটি মিথ্যার কোম্পানি। সেই কোম্পানির বিজ্ঞাপন ম্যানেজার সেজেছেন ওবায়দুল কাদের আর সহকারী হচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। কুৎসা ও অপপ্রচারের নীতি তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ।

রিজভী আরো বলেন, যার বাড়ি ডাকাতি হয়, সে বুঝতে পারে যে তার ক্ষতি হয়েছে। একইভাবে দেশের মালিক জনগণ, তারা বুঝতে পারছে, তাদের ভোটাধিকার, কথা বলার স্বাধীনতা, খবরের কাগজ পড়ার স্বাধীনতা, তাদের চলাচলের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ কেড়ে নিয়েছে।

এসময় ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা শাহ মো. নেসারুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা রফিকুল ইসলাম, তাঁতী দলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বিএনপির সহদফতর সম্পাদক বেলাল আহমেদ, নির্বাহী সদস্য আবেদ রাজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত

0

যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পবিত্র আশুরা পালিত হচ্ছে।

কারবালার শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার এই দিনটি ধর্মীয়ভাবে বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবে এ দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ পবিত্রতম দিবস।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেইন (রা.) ও তার পরিবার এবং অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

এ জন্যই যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে সারা দুনিয়ার মুসলমানরা এ দিনটি পালন করে। বাংলাদেশেও আজ যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত হচ্ছে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। আজ সরকারি ছুটি।

আশুরা উপলক্ষে পুরনো ঢাকার হোসেনী দালানের সামনে থেকে সকালে বের হয় শিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এ তাজিয়া মিছিল বের হয়।

কালো-লাল-সবুজের নিশান উড়িয়ে, কারবালার শোকের মাতম উঠেছে হাজার হাজার মানুষের মিছিলে। বুক চাপড়ে ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ মাতম ধ্বনি তুলে এগিয়ে যায় মিছিল, সবার পা খালি। মিছিলে ছিল ‘বৈল দল (ঘণ্টা পড়া তরুণ)’। কেউ বা নওহা (শোকগীতি) পড়ছিল। ঢাকায় হোসেনী দালান ঘিরে শিয়াদের তাজিয়া মিছিলের ঐতিহ্য কয়েকশ বছরের।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) তাজিয়া মিছিলে পাইক (শরীর রক্তাক্ত করা) দলভুক্ত ব্যক্তিদের দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি নিয়ে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে।

মিছিলের সামনে ছিল কালো কাপড়ের ইমাম হোসেনের (র.) তাজিয়া (প্রতীকী কবর)। নারী-পুরুষ শিশুদের হাতে অসংখ্য কালো, লাল ও সবুজ নিশান। তরুণদের হাতে হাতে ছিল বিচিত্র আলাম (দীর্ঘ লাঠির মাথায় পতাকা)।

তাজিয়া মিছিলটি বকশিবাজার, উর্দ্দুরোড, লালবাগ চৌরাস্তা, গৌর-এ শহীদের মাজার, আজিমপুর, নিউমার্কেট হয়ে জিগাতলা (ধানমন্ডি লেকের কাছে) গিয়ে শেষ হয়। পথের দু’পাশে ছিল উৎসুক জনতার ভিড়। মানুষ ছাদে দাঁড়িয়ে, জানালা দিয়ে মিছিল উপভোগ করে। পুরো মিছিল ঘিরে ছিল পুলিশ, র‌্যাবসহ বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

তাজিয়া মিছিল উপলক্ষে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান নেয় হোসেনী দালানে। প্রতিটি ইমামবাড়া সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। সকালে মিছিলে আসা লোকজনকে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে দেহ তল্লাশি করে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করানো হয়।

কারবালার ঘটনা স্মরণ করে বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করে থাকে। শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তাদের এই আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল রয়েছে। কারবালার শোকাবহ এই ঘটনা অর্থাৎ পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী সকলকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা যোগায়।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক আজ বিশেষ প্রবন্ধ, নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি রেডিও এবং স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলও এই দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করছে।

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস আজ

0

আজ ১০ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’। ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর সুইসাইড প্রিভেনশন’ নামের সংগঠন প্রতি বছরের এই দিনে দিবসটি পালন করে।

দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো ‘ওয়ার্কিং টুগেদার টু প্রিভেন্ট সুইসাইড’ অর্থাৎ ‘আত্মহত্যা প্রতিরোধে একসঙ্গে কাজ করা’।

দিনটিকে সামনে রেখে আত্মহত্যা সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। নতুন এই রিপোর্ট বলছে, প্রতি ৯ মিনিটে ৯ জন মানুষ মারা যাচ্ছেন আত্মহত্যায়। যদিও বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যার হার হ্রাস পেয়েছে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

ডব্লিউএইচওর মতে, একজন মানুষ নানা কারণে আত্মহত্যা করতে পারেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ব্যক্তিত্বজনিত সমস্যা, গুরুতর মানসিক রোগ, মাদকাসক্তি, অস্থিরতা, হতাশা কিংবা প্ররোচনা।

সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস বলেন, ‘প্রতিটি মৃত্যু পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং সহকর্মীদের জন্য হৃদয় বিদারক। এখনো আত্মহত্যা প্রতিরোধযোগ্য। আমরা সব দেশকে টেকসই উপায়ে আত্মহত্যা প্রতিরোধে কৌশল অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছি।’

ডব্লিউএইচও বলছে, প্রতিবছর ৮ লাখ মানুষ মারা যান শুধু আত্মহত্যায়, যা ম্যালেরিয়া, স্তন ক্যান্সার বা যুদ্ধ এমনকি হত্যাযজ্ঞের কারণে মারা যাওয়ার চেয়েও বেশি। আত্মহত্যাকে ‘বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের গুরুতর সমস্যা’ আখ্যা দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এই ধারার মৃত্যু দ্রুত কমিয়ে আনার অন্যতম কার্যকর উপায় হতে পারে কীটনাশক নিয়ন্ত্রণ করা।

আত্মহত্যায় প্রায়ই কীটনাশকের ব্যবহার হয়ে থাকে আর প্রচণ্ড বিষাক্ত এসব কীটনাশকের কোনো প্রতিষেধক না থাকায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে। এ ছাড়া প্রায়ই দুর্গম এলাকায় কীটনাশক ব্যবহার হওয়ায় কাছাকাছি কোনও চিকিৎসা সহায়তার সুযোগ থাকে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে শ্রীলঙ্কার গবেষণার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে দেশটিতে কীটনাশক নিষিদ্ধ করায় আত্মহত্যায় মৃত্যুর সংখ্যা ৭০ শতাংশ কমে গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের সিদ্ধান্ত কীভাবে হয় ?

0

বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দুঃস্থ লেখক-সাংবাদিক-শিল্পীদের সুচিকিৎসার জন্য অনুদান দেয়ার খবর প্রায়শই দেখা যায়।

কিন্তু ঠিক কোন নীতিমালার ভিত্তিতে কে কখন এরকম অনুদান পাচ্ছেন, এ নিয়ে বিতর্কও কম নয়।

খ্যাতনামা সঙ্গীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোরকে প্রধানমন্ত্রী গতকাল (রোববার) তার ত্রাণ তহবিল থেকে অনুদান দেয়ার পর আবারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনিয়ে জোর বিতর্ক চলছে। এন্ড্রু কিশোরকে চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যাদের আর্থিক সামর্থ নেই, তাদেরকেই প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ বা বিশেষ তহবিল থেকে এমন অনুদান দেয়া হয়। কিন্তু প্রথম সারির একজন পেশাদার শিল্পীকে এমন অনুদান কেন দেওয়া হলো – তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ নেতা আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় অনেক সময় শিল্পীদের আবেদনের পরে সেটা যাচাই করে প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনার জন্য তার কাছে পাঠিয়ে থাকে।

তবে শিল্পীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় কোন আবেদন ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী নিজে থেকে খোঁজ-খবর নিয়ে অনুদান দিয়ে থাকেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

“শিল্পীদের শুধু নয়, অনেক ধরনের মানুষকেই, যারা সংকটে বা সমস্যায় পড়েন, তাদের এই সহায়তা দেয়া হয়। সেখানে শিল্পী, লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রবীণ রাজনীতিকরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এই সহায়তা পেয়ে থাকেন।”

“অনেক সময় প্রধানমন্ত্রী পত্রপত্রিকায় লক্ষ্য করেন যে কেউ হয়তো অসুস্থ। সে শিল্পী হয়তো তাঁর কাছে আবেদনই করেননি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নিজেই কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খবর দিয়ে ডেকে নিয়ে এসে অনেক সময় তাকে সহায়তা দিয়েছেন। শিল্পীদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা বেশি ঘটেছে। আবার কেউ কেউ হয়তো আবেদন করেন, তখন সেটা যাচাই করে সহায়তা দেয়া হয়,” বলেন আসাদুজ্জামান নূর।

এর আগে চলচ্চিত্র অভিনেতা আহমেদ শরীফকে চিকিৎসার জন্য ৩৫ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

তখনও সামাজিক মাধ্যমে অনেকে নানান প্রশ্ন তুলেছিলেন। বিভিন্ন সময়ই এই অর্থ সহায়তা যাদের দেয়া হয়েছে, তাদের অনেকে দুস্থ কিনা, এমন প্রশ্ন উঠেছে।

এন্ড্রু কিশোর আদৌ সহায়তা চেয়েছেন কিনা জানা যায়নি। টিআইবি’র ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অর্থ সহায়তা দেয়ার জন্য মনোনীতদের যাচাই করার প্রক্রিয়া বা নীতিমালা সবাই জানতে পারে না, সেজন্য অনেক সময় বিতর্ক সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমরা বাইরে থেকে যেটা দেখছি, যারা এই তালিকা ঠিক করে দিচ্ছেন, তাদের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ যাদের আছে, তারা পাচ্ছেন। খুবই মাইক্রোস্কোপিক ঘটনা ছাড়া আমরা দেখি না যে যাদের এই সহায়তা পাওয়া কথা, তারা পাচ্ছেন। মানে কোন ক্রাইটেরিয়াতে এই সহায়তা দেয়া হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তোলা যায় বলেই হয়তো বিতর্ক উঠছে।”

অনেক সময় রাজনৈতিক পরিচয়ও বিবেচনায় আসে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েই জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু যখন তথ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাংবাদিকদের সংগঠনগুলোর এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের তালিকা করে তাদের অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিল থেকে।

সেসময়ও যেসব সাংবাদিক সহায়তা নিয়েছিলেন, তাদের অনেকের অর্থিক সামর্থ্যের বিষয়ে অনেক কথা উঠেছিল।

হাসানুল ইনু বলেছেন, অনেক যাচাই বাছাই করেই প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অর্থ সহায়তা দেয়া হয়।

“সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে আমরা দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দিতে পারি। এর বেশি প্রয়োজন হলে, সেটা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিলে পাঠানো হয়। সাংবাদিক সমিতির নেতারা এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সুপারিশ করে। সুতরাং যাচাই বাছাই করেই প্রকৃত সাংবাদিকের জন্য এটা পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী তা বিবেচনা করেন। ফলে এখানে প্রশ্ন তোলার বা বিতর্ক করার কোন সুযোগ নেই।”

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে, তারা এটুকুই বলেছেন যে, একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে স্বচ্ছ্বতার সাথে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অর্থ সহায়তা দেয়া হয়। আর এই তহবিলও গঠিত হয় ব্যাংক, আর্থিক বা ব্যবসায়িকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির সাহায্য থেকে। বিবিসি