Home Blog Page 3507

আগামীকাল পবিত্র আশুরা

0

পবিত্র আশুরা আগামীকাল। কারবালার শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার এই দিনটি ধর্মীয়ভাবে বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবে এ দিনটি বিশেষ পবিত্র দিবস।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেইন (রা.) ও তাঁর পরিবার এবং অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

এজন্যই যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে সারা দুনিয়ার মুসলমানরা এ দিনটি পালন করে।

বাংলাদেশেও আগামীকাল মঙ্গলবার যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত হবে। এদিকে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। আগামীকাল সরকারি ছুটি।

কারবালার ঘটনা স্মরণ করে বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করে থাকে। শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তাদের এই আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল রয়েছে। কারবালার শোকাবহ এই ঘটনা অর্থাৎ পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী সকলকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা যোগায়।

আশুরা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আগামীকাল হোসনি দালানসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাজিয়া মিছিল বের হবে।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক আগামীকাল বিশেষ প্রবন্ধ, নিবন্ধ প্রকাশ করবে। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি রেডিও এবং স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলও এই দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে।

এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া শোক মিছিলে নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন। রাজধানীর বড় কাটারা ইমামবাড়া, খোজা শিয়া ইসনুসারী ইমামবাড়া এবং বিবিকা রওজায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

প্রতিটি ইমামবাড়া সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে প্রত্যেক দর্শনার্থীর দেহ তল্লাশি করে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করানো হবে বলেও ডিএমপি কমিশনার উল্লেখ করেন।

এছাড়াও এবছর তাজিয়া মিছিলে ঢোল বাজিয়ে ছুরি, তলোয়ার ও লাঠিখেলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে এসব নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তাজিয় মিছিলে ১২ ফুটের বেশি বড় নিশান, ব্যাগ, পোঁটলা, টিফিন ক্যারিয়ার বহন এবং আগুনের ব্যবহার করা যাবে না। মাঝপথে কেউ মিছিলে অংশ নিতেও পারবেন না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করেছেন কেনিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার

0

রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ আজ কেনিয়ায় বাংলাদেশের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদারকে কেনিয়া ও এর আশপাশের দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনাময় খাতগুলো অনুসন্ধান করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

কেনিয়া প্রজাতন্ত্রে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার আজ দুপুরে গণভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করতে এলে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন বলেন, বৈঠককালে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও কেনিয়া উভয় দেশের ব্যাপক সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি দু’দেশের স্বার্থে সম্ভাবনাময় খাতগুলো যৌথভাবে ব্যবহার করার নির্দেশনা দেন। এ সময় হাইকমিশনারও তার দায়িত্বপালনকালে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা চান। বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন। বাসস

নাগরিকদের তথ্য নিবন্ধনে ডিএমপির অ্যাপ

0

ঢাকার বাড়ির মালিক, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যদের তথ্য নিবন্ধনের জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিআইএমএস) মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে।
আজ সোমবার এ অ্যাপের উদ্বোধন করেছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে অ্যাপটির উদ্বোধনের সময় আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘আগের ম্যানুয়ালি নাগরিক তথ্য সংগ্রহ করা হতো। থানা পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করত। পরে সব তথ্য যাচাই-বাছাই করে সিস্টেমে এন্ট্রি দেয়া হতো। এতে লোকবল ও সময় দুটিই বেশি লাগত। কিন্তু এখন এ অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকরা নিজেদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তথ্য দিতে পারবেন। পরে থানার পুলিশের গ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন করার পর এ তথ্য সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে এখন ম্যানুয়ালি ও ডিজিটালি এ উভয়ভাবেই নাগরিক তথ্য সংগ্রহের কাজ করা যাবে।’
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, এর বাস্তব একটি প্রয়োগ হচ্ছে ডিএমপির সিআইএমএস মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। আজ থেকে অ্যাপটি গুগল প্লেস্টোরে পাওয়া যাবে। নাগরিকরা অ্যাপটি নিজেদের স্মার্টফোনে ডাউনলোড করে, ব্যবহার করতে পারবেন।
দেশের জঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে কমিশনার বলেন, ২০১৬ সালের হলি আর্টিসানে মর্মান্তিক জঙ্গি হামলার পর ঢাকা মহানগরীতে তেমন বড় ধরনের জঙ্গিদের আস্তানা গড়ে উঠেনি এবং জঙ্গিরা তৈরি করতে পারেনি। এর অন্যতম একটি কারণ হলো, নাগরিক ডাটাবেস থাকার কারণে জঙ্গিরা ঢাকা শহরে বাসা ভাড়া নিতে পারেনি বা অবস্থান করতে পারেননি। জঙ্গি দমনে এ সিস্টেম একটি যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে। এ ছাড়া আমাদের অপরাধ ডিটেকশন এবং প্রিভেনশন এ ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
টেন্ডারবাজি, ছিনতাই, রাহাজানি ও চাঁদাবাজি দমনেও নাগরিক তথ্য ভা-ার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে তিনি জানান।
তথ্য সংগ্রহের সর্বশেষ পরিসংখ্যান তুলে ধরে কমিশনার বলেন, ২০১৬ সালে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া শুরু করি। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বলছি, আজকে পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর ৭২ লাখ নাগরিকদের তথ্য আমাদের এ সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন আমরা যে সিআইএমএস তথ্যভান্ডার তৈরি করেছি, এর কারণে নগরীতে কেউ নিজের পরিচয় লুকিয়ে বাসা ভাড়া নিতে পারবেন না এবং বাসা তৈরিও করতে পারেন না।
যেভাবে অ্যাপস ডাউনলোড করা যাবে
ইন্টারনেট সংযোগ থাকা স্মার্টফোন দিয়ে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে CIMS DMP লিখে সার্চ দিলেই এ অ্যাপসটি চলে আসবে। এরপর সেটি ডাউনলোড দিতে হবে। ডাউনলোডের পর মোবাইল নম্বর দিয়ে সাইন ইন বা লগ ইন করতে হবে। লগ ইনের পর নাগরিকরা তথ্য ফরম পূরণ করতে পারবে। এতে পরিবারের সদস্য সংখ্যা, তাদের নাম, গৃহপরিচারিকার নাম, গাড়িচালকের নাম, এনআইডি নম্বরসহ আরও কিছু তথ্য ইনপুট দিতে হবে। এরপর সাবমিট করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট থানা সেটি কোয়ারি শেষে ফিরতি বার্তায় নাগরিককে জানিয়ে দেবে তার তথ্য ফরমটা যথাযথভাবে নিবন্ধিত হয়েছে। আর যদি কোনও তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন হয় তাও জানানো হবে। তথ্য ফরম যথাযথভাবে পূরণ হলে সেটি ডিএমপির প্রধান সার্ভারে জমা থাকবে।

কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত দলের তিন সদস্য নিহত

0

কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন ডাকাত নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছে বুড়িচং থানার ওসিসহ পুলিশের চার সদস্য।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে জেলার বুড়িচং উপজেলার কোমাল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- জেলার দেবিদ্বার উপজেলার চরবাকর গ্রামের বাবুল ওরফে তরকারি বাবুল (৩৯), ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গোপালনগর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে এরশাদুল ওরফে আছাদুল (২৭) ও বুড়িচং উপজেলার জগতপুর পুর্বপাড়া এলাকার মৃত আবুল হাশেমের ছেলে অলি মিয়া (৪৩)।
পুলিশ জানায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার কোমাল্লা গ্রামে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন খবরে ওই এলাকায় অভিযানে যায় জেলা ডিবি ও বুড়িচং থানা পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ডাকাতদলের তিন সদস্য আহত হয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় আহত হন বুড়িচং থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাসসহ পুলিশের চার সদস্য। আহত অপর সদস্যরা হচ্ছেন- বুড়িচং থানার এসআই মোয়াজ্জেম, এএসআই গোলাম মহিউদ্দিন ও কনস্টেবল রফিক।
জেলা ডিবির ওসি মো. মাঈন উদ্দিন খাঁন জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি পিস্তল, ৪ রাউন্ড তাজা গুলি, ১ রাউন্ড গুলির খোসা, ১টি পাইপগান, ৫ রাউন্ড বন্দুকের তাজা গুলি, ৪ রাউন্ড খালি খোসা, ৬টি কাঠের বাটযুক্ত ছোড়া ও রামদা, ৩টি মোবাইল, ২টি টর্চ লাইটসহ ডাকাতির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ডাকাত সদস্য প্রত্যেকের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে থানায় ৫টিরও অধিক মামলা রয়েছে। নিহতদের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের শিরোনাম: ড. জাফর ইকবাল

0

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের শিরোনাম ও বিশ্বনেতা বলে অভিহিত করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

রোববার শাবি আইসিটি ভবনে তার সঙ্গে সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করার সময় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ড. জাফর ইকবাল।

রোববার সকাল ১১টার দিকে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল অধ্যাপক জাফর ইকবালের সঙ্গে দেখা করে। তারা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে তার কাছে জানতে চায়। প্রতিনিধি দলে ছিল সাঈম রাইয়ান, নাবিল আবেদিন খান, অবিনাশ সিংহ রুদ্র, ইশতিয়াক আহমদ, সামিউল হক সাকিব, ইহতিশাম ইসলাম আলফি, রাহুল দাস নিপম, হিমেল তালুকদার দীপ, মুগ্ধ সৈনাক সরকার ও ফারহান উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

এ সময় শিক্ষকদের মধ্যে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কবির খান, সরকারি শিক্ষক বাদল চন্দ্র বর্মণ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ বিসিবিপ্রধান

0

টেস্টে অর্জনের পাল্লা হয়তো এখনও তেমন ভারী হয়নি। তাই বলে আফগানিস্তানের মতো আনকোরা প্রতিপক্ষের সঙ্গে এমন পারফর্ম করবে বাংলাদেশ। মোটেও মানতে পারছেন না বিসিবিপ্রধান নাজমুল হাসান পাপন।

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে রোববার দলের খেলোয়াড়দের টেস্ট খেলার সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে হতাশার কথা শুনিয়েছেন বোর্ড পরিচালক, ‘এটা টেস্ট। আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করেন, আজকে দেখে মনে হয়নি এটা বাংলাদেশ। প্রথম কথা হচ্ছে যে খুবই দুঃখজনক, খুবই খারাপ। আমি পরশু রাতে এসেছিলাম, কালকে সকালেই আমার ফ্লাইট ধরার কথা। কিন্তু এই পরিকল্পনা দেখে আমি এতই হতাশ যে, যাওয়ার চিন্তাই বাদ দিয়ে দিয়েছি। যেটা শুরু হয়ে গেছে, সেটা নিয়ে কথা বলে আর লাভ নেই। সামনে টি২০ আছে, তখন থেকে নতুন করে আমাদের চিন্তা করতে হবে। আর প্ল্যানিং নিশ্চয়ই ছিল। প্ল্যানিংয়ে কোনো ঘাটতি থাকার কথা নয়। তবে প্ল্যান সঠিক ছিল না। এটা হলো আমার ব্যক্তিগত মত।’

আফগানরা টেস্টের মতো খেলছে উল্লেখ করে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘পারফরম্যান্সের কথা যদি বলেন, তাহলে আমি অবশ্যই বলব, ক্রেডিট গোস টু আফগানিস্তান। কারণ, তারা টেস্টের মতো করে ব্যাট করেছে। তাদের একজন শতক করেছে, অন্যরা আশি-নব্বই করে রান করেছে। আমাদের অন্য সব বাদ দিলাম, সাকিব, মুশফিক, রিয়াদরা যদি পঞ্চাশও করতে না পারে, তাহলে আমাদের ওই ম্যাচ জেতার কোনো সম্ভাবনা নেই। (ব্যাটসম্যানদের দেখে) আমার মনেই হয়নি যে এটা একটা টেস্ট হচ্ছে।

প্রথম ইনিংস যদি আপনি দেখেন, সেট হয়ে যাওয়ার পর লিটন দাস যে শটটা খেলল, মুমিনুল পঞ্চাশ করার পর কই একশ’-দেড়শ’ করবে; সে হলো টেস্ট স্পেশালিস্ট, সে যে শটটা খেলল। রিয়াদ যে শটটা খেলল, তাকে টেস্ট খেলা বলে না। ওদেরকে এখন কি বোঝাতে হবে, টেস্ট কীভাবে খেলতে হয়! ওরা যদি ৩৭০ রান করে, তাহলে বাংলাদেশ যে দল তাতে আমাদের ৫০০ রান করা উচিত। এটা মোটামুটি ব্যাটিং উইকেট ছিল, এখানে না পারার কোনো কথা না।’

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে স্থবিরতা, হতাশা

0

কারিগরি লোকসানকে আমলে না নিয়ে একটি মামলায় চার্জশিট দেওয়ার ঘটনায় হতাশ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মামলায় সাত সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালককে আসামি করায় তাদের সঙ্গে কর্মরত খনির ৮০ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীই নাজেহালের আশঙ্কা করছেন। তা ছাড়া ভবিষ্যতে কয়লা উৎপাদন, মজুদ ও পরিবহন করতে যে যাবতীয় কারিগরি লোকসান বা সিস্টেম লস হবে, তার দায়ভারও তাদের কাঁধে চাপবে বলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শঙ্কা। এ অবস্থায় দেশের একমাত্র কয়লা খনিটি স্থবির হওয়ার উপক্রম। অথচ এর আগে সরকার গঠিত তিনটি কমিটির কেউই কয়লা চুরির প্রমাণ পায়নি; বরং উচ্চ পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কারিগরি কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে বড়পুকুরিয়ায় ৩ শতাংশ পর্যন্ত সিস্টেম লস গ্রহণযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করেছে। যদিও এই খনিতে সিস্টেম লস মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশের মতো। এরপরও মামলার তদন্তে আন্তর্জাতিকভাবে স্বতঃসিদ্ধ সিস্টেম লসকে আমলে না নেওয়ায় বিস্মিত খনিটির সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। তাদের প্রশ্ন, খনিতে এভাবে সিস্টেম লসের স্বীকৃতি যদি শেষ পর্যন্ত না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে খনির এই সিস্টেম লসের দায়ভার কে নেবে?

জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এই মামলায়ও আরেক জাহালম সৃষ্টি হতে চলেছে। সাত সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালককে আসামি করতে গেলে তো তাদের অধীনে কর্মরত সংশ্নিষ্ট বিভাগগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও দায়ী করতে হবে। এ হিসাবে খনির ৮০ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীই তো আসামি হয়ে যায়। এটা একেবারেই নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

কয়লায় কোন দেশে কত সিস্টেম লস : বাংলাদেশে ১ দশমিক ৪ শতাংশ, ভারতে ৫, অস্ট্রেলিয়ায় ৮ থেকে ১০, ইন্দোনেশিয়ায় ৭ থেকে ৮, মালয়েশিয়ায় ৬ থেকে ৮ শতাংশ।

যে কারণে সিস্টেম লস : বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মজুদ করে রাখা কয়লায় যে আর্দ্রতা থাকে, তা বাতাসে কমে গেলে ওজন কমে যায়। কয়লা তোলার সময় তার সঙ্গে পানি মিশে থাকে। এই পানি ঝরে গিয়ে এবং রোদের তাপ ও শুস্ক আবহাওয়ায় কয়লার ওজন কমে যায়। খনি তোলার পর ক্র্যাশার মেশিন দিয়ে কয়লা ছোট করা হয়। এতে ক্ষুদ্রাকৃতির গুঁড়া কয়লা বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যায়। অনেক দিন একই স্থানে কয়লা মজুদ থাকায় বেশ কিছু কয়লা মাটির সঙ্গে মিশে যায়। কোলইয়ার্ডে রাখার ফলে আর্দ্রতা কমে শুস্ক আবহাওয়ায় কয়লা প্রজ্বলিত হয়। এটাও সিস্টেম লসের অন্যতম কারণ।

দেশে অন্যান্য সেবা খাতে সিস্টেম লস :বিদ্যুতে ৭ থেকে ৮ শতাংশ, গ্যাসে ২ দশমিক ৫, জ্বালানি তেলে অন্তত ৩ শতাংশ, পাথর খনিতে ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ সিস্টেম লস হয়।

সিস্টেম লসের স্বীকৃতি নেই শুধু চার্জশিটে : গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় দীর্ঘ ১৪ বছরে জমে থাকা এক লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪ টন কয়লা ঘাটতিকে সিস্টেম লস হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে অনুমোদন দেয় কোম্পানির বোর্ড। কয়লা চুরির অভিযোগ উঠলে পেট্রোবাংলা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আলাদা দুটি কমিটি গঠন করা হয়। তাদের পরামর্শে সিস্টেম লস নির্ধারণের জন্য সরকার বিশেষজ্ঞ কারিগরি কমিটি। তিনটি কমিটিই কয়লা লোপাটের ঘটনায় কয়লা চুরির কোনো প্রমাণ পায়নি। কিন্তু এই সিস্টেম লসকে আমলে না নিয়েই দুদকের মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। সংশ্নিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, মামলায় যে পরিমাণ কয়লা সরানোর কথা বলা হয়েছে, তা যদি সত্যিও হতো, তাহলে ওই বিপুল পরিমাণ কয়লা সরাতে প্রতি ট্রাকে ১৫ টন করে নিলেও ৯ হাজার ৬২৬টি ট্রাক ব্যবহার করতে হতো; যা বাস্তবসম্মত নয়। তা ছাড়া মামলার প্রতিবেদনে ওই কয়লা কারা, কীভাবে নিয়েছে, কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে কিছুই বলা হয়নি।

সরকার গঠিত বিশেষজ্ঞ কারিগরি কমিটির অন্যতম সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও খনি প্রকৌশলী ড. চৌধুরী কামরুজ্জামান বলেন, সেখানে কয়লা চুরি হয়নি। সিস্টেম লসকে চুরি হিসেবে চালিয়ে দেওয়া দুঃখজনক। প্রতিটি সেবা খাতেই সিস্টেম লস আছে। কয়লা খনিতেও থাকবে- এটাই স্বাভাবিক। প্রতিবেশী দেশ ভারতে এটা কমবেশি ৫ শতাংশ। আর বড়পুকুরিয়ায় এটা মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ। সিস্টেম লসকে আমলে না নিয়ে যে কোনো পদক্ষেপ নেওয়াটা প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে মনে করেন তিনি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মর্তুজা আহমদ চিশতী বলেন, কারিগরি কারণে সিস্টেম লস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত-বিজ্ঞানসম্মত। এটা হিসাবে নিলে কোনো মামলাই হওয়ার কথা নয়। তাই চুরি না করেও এই অপবাদ কয়লা খনিতে সার্বিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে পারে। এভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোম্পানির অধিকাংশকে চোর বানিয়ে দেওয়া লজ্জাজনক ও দুঃখজনক মন্তব্য করে তিনি বলেন, এটা দেশের উন্নয়নকেই বাধাগ্রস্ত করবে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের অনেকেই আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি; যারা সৎ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত।

সূত্র জানায়, ২০০১ সালে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কাজ শুরু হলেও উৎপাদন শুরু হয় ২০০৫ সাল থেকে। ২০০১ সাল থেকে গত ১৭ বছরে কয়লা খনি পরিচালনার কোনো নীতিমালা বা আইন করা হয়নি। কয়লার সিস্টেম লসের কোনো আদেশও জারি করা হয়নি। বিপদে পড়লেই পরামর্শ নেওয়া হয় খনিতে কর্মরত বিদেশি বিশেষজ্ঞদের। উৎপাদন শুরুর পর থেকে বছর বছর কয়লার সিস্টেম লস সমন্বয় করা হয়নি। এ কারণে ওই সিস্টেম লস জমতে জমতে গত বছর এসে দাঁড়ায় এক লাখ ৪৪ হাজার টনে। এ কারণে একসময় কোলইয়ার্ড খালি হয়ে গেলে বড়পুকুরিয়া কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বুঝতে পারে। সিস্টেম লস সমন্বয়ের জন্য গত বছরের ১৮ জুলাই ২৮১তম বোর্ডসভায় দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার আগেই বড়পুকুরিয়ার ১৯ কর্মকর্তাকে আসামি করে দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হয়। সম্প্রতি ওই মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। সেখানে ২৩ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। যার মধ্যে বয়োবৃদ্ধ ও শারীরিকভাবে অসুস্থসহ সাতজন সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকও রয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি দেশে ফিরবেন আজ

0

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ দশ দিনের সফর শেষে আজ সোমবার (০৯ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন। তিনি স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চোখের চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন।
রবিবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানান রাষ্ট্রপতির উপ- প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ।
তিনি জানান, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে সোমবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে দেশে ফিরবেন।
এর আগে ৩১ আগস্ট সকাল পৌনে ১০টায় আবদুল হামিদ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে হজরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। ৭৫ বছর বয়সী রাষ্ট্রপতি দীর্ঘদিন ধরে গ্লুকোমায় ভুগছেন।

জাপানে আঘাত হেনেছে টাইফুন ‘ফ্যাক্সাই’

0

জাপানের টোকিওর কাছে হনশু দ্বীপে ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার গতিবেগে আঘাত হেনেছে টাইফুন ফ্যাক্সাই।
আজ সোমবার সকালে রাজধানী টোকিওর পূর্বদিকের চিবা শহরের উপকূল দিয়ে টাইফুনটি স্থলে উঠে আসে।
কানাগাওয়া, শিজোকো ও টোকিও এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। টাইফুনের কারণে এখন পর্যন্ত ১০০ বুলেট ট্রেন ও বিমানের শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে প্রায় ১০ লাখ বাড়ি। ভেঙে পড়েছে বহু বাড়িঘর।
ফ্যাক্সাই বর্তমানে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার গতিবেগে জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দিকে সরে যাচ্ছে। এর কারণে ভূমিধস এবং বন্যার হুমকির কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

নিম্মমানের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেই জাতীয় দলের এই হাল : সাকিব

0

অনভিজ্ঞ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট হারের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। ব্যাট-বলে ভয়াবহ বিপর্যয় হয়েছে সাকিবদের। এই ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে আসছে অনেক কিছু। যেগুলোর মাঝে অন্যতম ঘরোয়া ক্রিকেট। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের অনেকে জাতীয় লিগ বা বিসিএলের মতো ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট নানা অজুহাতে খেলেন না। তা নিয়ে হয় বিস্তর সমালোচনা। কিন্তু টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান মনে করছেন, এই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার কারণেই হয়তো জাতীয় দলের এই হাল!

বিশ্বের সবগুলো ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলে বেড়ান বাংলাদেশের ক্রিকেটের ‘পোস্টার বয়’ সাকিব। ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার সময় হয় না; প্রয়োজনও হয় না। ২০১৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় লিগের একটি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খেলা সাকিব ভালো করেই জানেন দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের মান কত নিম্ম। মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহরাও জাতীয় লিগ বা বিসিএলে একেবারেই নিয়মিত নন। ঘরোয়া এসব প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে দলের তরুণ ক্রিকেটারদের অবশ্য নিয়মিতই খেলতে দেখা যায়। ঘরোয়া ক্রিকেট খেললে টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করা যায়- এমন মতে পুরোপুরি বিপরীত মন্তব্য করেছেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

খোলাখুলি তিনি বলেছেন, ‘আমি তো ৪-৫ বছর খেলিনি, কোনো সমস্যা হয়নি। এখন বুঝতে হবে, ওদের কী সমস্যা হচ্ছে। এখন এনসিএল খেলেই সমস্যা হচ্ছে নাকি না খেলে সমস্যা হচ্ছে। দুইটারই সমস্যা থাকতে পারে। খেলাও একটা সমস্যা হতে পারে। ওখানে গেলে এত সহজ বোলিং আক্রমণ পেয়ে যায়, দুইশ-দুইশ করে মারে। চার-পাঁচটা দুইশ মারে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চার পাঁচ রান করাও সমস্যা হয়ে যায়। কাজেই দুইটারই সমস্যা থাকতে পারে। ওটা আপনার বুঝতে হবে কার জন্য কী সমস্যাটা। সবার জন্য এক মেডিসিন কাজ হবে, এটা বলা ভুল।’

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে এসব অভিযোগ নতুন নয়। প্রতিটি ম্যাচই যে পাতানো হয় তাও গোপন বিষয় নয়। সেই গতানুগতিক স্পিন উইকেট তৈরি করা হয়। তাতে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির বোলারদের সাধারণ বল ব্যাটসম্যানদের পরীক্ষা নিতে পারে না। সংবাদ মাধ্যমে এসব কথা বারবার লেখা হলেও বিসিবিতে শোনার কেউ নেই। সাকিব তাই বলেছেন, ‘অনেক পরিকল্পনা আছে, অনেক কিছু আছে। অনেক কিছু ঠিক করার পরে এরকম কিছু করতে হবে। এই প্রক্রিয়াটা অনেক লম্বা। যখন আমরা খারাপ করি, তখন এগুলা নিয়ে কথা হয়। যখন আমরা ভালো করি, এগুলা সব বন্ধ হয়ে যায়।’