Home Blog Page 3509

চতুর্থ দিনের খেলা শেষ : বৃষ্টিই বাঁচাতে পারে বাংলাদেশকে

0

চট্টগ্রাম টেস্টের যে অবস্থা, এখন একমাত্র বৃষ্টিই বাঁচাতে পারে বাংলাদেশকে। চতুর্থ দিনে তিন দফায় বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়েছে। টাইগার ভক্তদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, পঞ্চম দিনেও নাকি বৃষ্টির ভালো সম্ভাবনা আছে।

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের সামনে কি পরিণতি অপেক্ষা করছে, সেটি বুঝতে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ হতে হবে না। লক্ষ্য ৩৯৮ রানের। এত বড় লক্ষ্য তাড়া করে কখনই জেতেনি বাংলাদেশ। জিততে হলে তাই রেকর্ডই গড়তে হবে।

ব্যাটসম্যানরা যেভাবে খেলছেন, তাতে রেকর্ড তো পরের কথা। একদিন বাকি থাকতেই টেস্ট হারের শঙ্কায় পড়ে গেছে টাইগাররা। তবে এরই মধ্যে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে বৃষ্টি।

বৃষ্টির কারণে চতুর্থ দিন আগেভাগেই খেলা শেষ করে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৩৫ রান। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ৩৮ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে আছেন। সঙ্গে থাকা সৌম্য সরকার এখনও রানের খাতা খুলতে পারেননি।

ম্যাচের যা অবস্থা, তাতে আফগানিস্তানের জয় আটকে রাখা কঠিনই হবে। বাংলাদেশকে জিততে হলে এখনও ২৬২ রান করতে হবে। হাতে আছে মাত্র ৪টি উইকেট। অসম্ভবই মনে হচ্ছে।

তবে যদি কোনো ব্যাটসম্যান অসাধ্য সাধন করে ফেলেন আলাদা কথা। না হলে হারই অপেক্ষা করছে টাইগারদের। তার বাইরে একমাত্র বাঁচাতে পারে বৃষ্টি।

চতুর্থ দিনে বৃষ্টিবাধায় ওভার নষ্ট হওয়ায় আগামীকাল (সোমবার) টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে আধা ঘন্টা আগে অর্থাৎ সাড়ে নয়টায় খেলা শুরু হবে। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, চট্টগ্রামে কালও বৃষ্টি হতে পারে।

এবং সেই বৃষ্টিটা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা সকাল নয়টার দিকে। দশটার পর কিছুটা কমলেও আবারও বিকেল তিনটার দিকে বৃষ্টি নামার সম্ভাবনা আছে। সবমিলিয়ে এখন এই টেস্টে বাংলাদেশকে বাঁচাতে পারে বৃষ্টিই।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা খারাপ ছিল না বাংলাদেশের। সাদমানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে দেখেশুনেই খেলছিলেন লিটন দাস। প্রথম ১০ ওভার অনায়াসে কাটিয়ে দেয়ার পরই বিপদের শুরু টাইগারদের।

জহির খানের দারুণ এক ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হন লিটন দাস। ৩০ বলে করেন ৯ রান। প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং করায় প্রমোশন পেয়ে ওপরে উঠে এসেছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। কিন্তু এবার আর কিছু করতে পারেননি।

জহির খানের দ্বিতীয় শিকার হন ১২ রান করা মোসাদ্দেক। এরপর আফগান অধিনায়ক রশিদ খানের চমক। এই লেগস্পিনারের ঘূর্ণিতে মুশফিকুর রহীম ২৩ আর মুমিনুল হক ৩ রান করে ফেরেন সাজঘরে।

সিনিয়রদের এই আসা যাওয়ার মাঝেও একটি প্রান্ত ধরে ছিলেন সাদমান ইসলাম। খেলছিলেন দেখেশুনে। তবে তরুণ এই ওপেনারও ফিরেছেন আফগান ঘূর্ণিতে পরাস্ত হয়ে। মোহাম্মদ নবীর বলটি ডিফেন্সই করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটি আঘাত হানে প্যাডে। ১১৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে গড়া সাদমানের ৪১ রানের ধৈর্য্যশীল ইনিংসটির ইতি ঘটেছে তাতেই।

অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও বোকা বনেছেন ঘূর্ণিতে। ৭ রানের মাথায় রশিদ খানকে ডিফেন্স করতে গিয়ে শর্ট লেগে ইব্রাহিম জাদরানের ক্যাচ হয়েছেন তিনি।

এন্ড্রু কিশোরকে ১০ লাখ টাকা সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর

0

চিকিৎসার জন্য জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোরকে দশ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রবিবার গণভবনে এন্ড্রু কিশোরের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দ্বিতীয় সন্তানের মা হলেন সালমা

0

জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা দ্বিতীয়বারের মতো কন্যা সন্তানের মা হলেন। শনিবার রাতে ফেসবুক হ্যান্ডেলে মেয়ের ছবি দিয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এ শিল্পী। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সালমা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমার সাফিয়া নুরের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমরা ভালো আছি।’

গত ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর একটি হাসপাতালে কন্যা সন্তান জন্ম দেন সালমা। মেয়ের নাম রেখেছেন সাফিয়া নূর। সালমা বলেন, আমি ও মেয়ে সাফিয়া নূর দুজনই ভালো আছি। এই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর সানাউল্লাহ নূরে সাগরের সঙ্গে বিয়ে হয় সালমার। সাগর বসবাস করেন লন্ডনে। সেখানেই সালমার সঙ্গে পরিচয় ও সম্পর্কের সূত্রপাত।]

সালমা-সাগর দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে এটি। এর আগের ঘরে সালমার স্নেহা নামের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

জিয়া ও এরশাদকে রাষ্ট্রপতি বলা যায় না

0

অনেক কিছু বলার থাকলেও গণতন্ত্রের স্বার্থে অনেক কিছু হজম করে এগিয়ে যাচ্ছি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উচ্চ আদালত মার্শাল ল দিয়ে জিয়াউর রহমান ও এইচ এম এরশাদের ক্ষমতা দখলকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। এই রায়ের পর এ দু’জনকে (জিয়া ও এরশাদ) আর রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা যায় না। তবে জেনারেল এরশাদ সাহেব অমায়িক মানুষ ছিলেন, মানুষের প্রতি তাঁর দরদ ছিলো।

আজ রবিবার রাতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন প্রয়াত বিরোধী দলের নেতা এইচ এম এরশাদসহ আনীত শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি আরো বলেন, দোষে গুণে মানুষ। আমাদেরও অনেক কিছুই বলার আছে। কারণ আমরাই সব চেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। তারপরও দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে, জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে অনেক কিছু হজম করে যাচ্ছি। তিনি প্রয়াত বিরোধী দলের নেতা এইচ এম এরশাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধী দলের নেতা যিনি ছিলেন, সেই জেনারেল এরশাদ এক সময় যখন পাকিস্তান থেকে ফিরে আসেন, তখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তাঁকে সেনাবাহিনীতে যোগদান করান। একসময় তিনি সেনাবাহিনীর প্রধান হন।

তিনি বলেন, ১৯৮১ সালের নির্বাচনে বিএনপি’র প্রার্থী ছিলেন বিচারপতি সাত্তার। তাঁকে কিন্তু সেনাপ্রধান হিসেবে সাত্তারকে প্রার্থী করেছিলেন জেনারেল এরশাদ। একটি বিদেশি পত্রিকায় তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন বিচারপতি সাত্তার সাহেব তাঁর প্রার্থী! সেখানেই আমরা আপত্তি তুলেছিলাম। বিচারপতি সাত্তার সাহেবকে বলেছিলাম, এ ধরণের প্রার্থী হওয়া উচিত না। বরং নির্বাচনটা সুষ্ঠুভাবে হতে দেন, গণতান্ত্রিক ধারা যেন বজায় থাকে। কিন্তু তারা তা করেনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৮২ সালে এরশাদ সাহেব যে ক্ষমতা দখল করেছিল, সেই ক্ষমতা দখলের সুযোগটা কিন্তু খালেদা জিয়াই করে দিয়েছিলেন। করে দিয়েছিল হয়তো একারনেই যে, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর খালেদা জিয়াকে শুধু দুটি বাড়িই নয়, নগদ ১০ লাখ টাকাসহ অনেক সুযোগ সুবিধা জেনারেল এরশাদ দিয়েছিলেন। যে কারণে জিয়া হত্যার ব্যাপারে যে মামলা হয়েছিল চট্টগ্রামে, সে মামলা কিন্তু বিএনপি কখনো চালায়নি।

তিনি বলেন, বহু বছর পরে ১৯৯৪ সালের দিকে এক সময়ে বা বহু বছর পর এসে জেনারেল এরশাদকে তাঁর স্বামী হত্যার জন্য দায়ী করেছেন খালেদা জিয়া। এর পূর্বে কখনো দায়ী করেননি। এগুলো ইতিহাসের একটা অংশ যে, ক্ষমতাটাকে তুলে দেওয়া বা সুযোগ করে দেওয়া। তবে এর বিরুদ্ধে আমরাই প্রতিবাদ করেছি।

সংসদ নেতা বলেন, অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসার পর অনেক ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে আমাকে চলতে হয়েছে। আমি দেশে ফিরে আসার পরে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের আমাদের বাড়িতে জেনারেল জিয়া আমাকে ঢুকতেই দেয়নি।

তিনি বলেন, প্রথমে মার্শাল ল জারি করে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা দখল করে। এরপর নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে ক্ষমতা দখল করে নেয়। এই ক্ষমতা দখল প্রথমে জিয়াউর রহমান করে। জাতির পিতাকে হত্যার পর ক্ষমতা দখল করে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে। এরপর এরশাদও নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উচ্চ আদালত জিয়াউর রহমান ও এইচ এম এরশাদের এই ক্ষমতা দখলটাকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। উচ্চ আদালত অবৈধ যখন ঘোষণা করেছে, তখন আর এই দুইজনের কেউ আর সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে কিন্তু থাকে না। তাদের রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করাও হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বৈধ নয়। কারণ একটা রায়ের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্রের ধারাটা অব্যাহত রাখার সুযোগ হয়েছে।

জেনারেল এরশাদ সাহেব অমায়িক ছিলেন এবং মানুষের প্রতি তাঁর দরদ ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা সাভার স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তিতে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসে। জেনারেল জিয়া কিন্তু নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিলেও কখনো মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়নি। যেটা করেছেন জেনারেল এরশাদ সাহেব। তিনি আসার পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অসমাপ্ত কাজ বা সাভার স্মৃতিসৌধের অসমাপ্ত কাজ বা মুজিব নগরের স্মৃতিসৌধ সেগুলো তৈরি করেছেনে- এতে কোন সন্দেহ নাই।

অতীতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় (এরশাদের শাসনামল) আমি অনেকবার আমাকে গ্রেফতার করা হয়, কারাবরণ করি। আমাদের একেক সময় গ্রেফতার কখনো সাব জেলে রাখা হয়, আবার কখনো গৃহবন্দী করা হয়। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি লালদীঘির ময়দানে আমাদের সভা করতে বাধা দেওয়া হয়। সরাসরি গুলি ছোঁড়া হয়, সেখানে প্রায় ৩০ জনের মতো মানুষ মারা যায়। এগুলো কিন্তু এরশাদের শাসনামলেই হয়েছিল।

সংসদ নেতা বলেন, আমরা সব সময় গণতন্ত্র চেয়েছি, যেন গণতন্ত্র অব্যহত থাক। যে কারণে অনেক প্রতিকুল অবস্থায়ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলাম ১৯৮৬ সালে, যদি সেই নির্বাচনটা সুষ্ঠুভাবে অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে হতো, তাহলো হয়তো তাঁকে (এরশাদ) এই ধরনের বিতর্কিত হতে হতো না। এরপর ১৯৮৮ সালের নির্বাচন যেটা হয় সেটাও বলতে গেলে কোন দল অংশগ্রহণ করেনি। এরপর আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করেছিলেন খালেদা জিয়া, তখনও কিন্তু কোন দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নাই। আন্দোলনের মুখে খালেদা জিয়া মাত্র দেড়মাসের মধ্যে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগে বাধ্য হন। সেটাও জনগণের রুদ্ররোষে। অর্থাৎ জনসমর্থন না থাকলে নির্বাচন নিয়ে যে যত বিতর্কিত হোক, যে কথাই বলুক না কেন, যদি জনসমর্থন না থাকে তবে সে নির্বাচেন যদি সত্যিকার ভোট দিয়ে না থাকে তাহলে সেই নির্বাচনে কেউ টিকে থাকতে পারে না। তার প্রমাণ খালেদা জিয়ার ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। একাদশ জাতীয় নির্বাচনেও জনগণ ভোট দিয়েছে বলেই বিএনপির আন্দোলনের ডাকে দেশের জনগণ সাড়া দেয়নি। যদি নির্বাচনে জনগণ ভোট দিত, তবে তারা আন্দোলন করে আমাদের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারতো। তাই অনেক চড়াউ উৎরাই পার হয়েই আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি। দেশ আজ সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আগামী ৯ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

0

ইলিশ রক্ষায় প্রধান প্রজনন মৌসুম হিসেবে এবার আগামী ৯ অক্টোবর থেকে ২২ দিন অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু।
আজ রবিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দুটি বিদেশি জাহাজের অনুপ্রবেশের বিষয়ে নীতিনির্ধারণী সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মৎস্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আশ্বিনী পূর্ণিমার সময় আগামী ৯ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। যেসব জেলার নদ-নদীতে ইলিশ মাছ পাওয়া যায় সেখানকার জেলেদের আমরা খাদ্য সহায়তা দেব। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ পরিবহন, গুদামজাতকরণ কিংবা বিক্রিও সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
গত বছর নিষিদ্ধের সময় ছিল ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর। ১৯৮৫ সালের মাছ রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধি (প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন ফিস রুলস, ১৯৮৫) অনুযায়ী প্রতি বছর আশ্বিনী পূর্ণিমার সময় ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন ফিস রুলস সংশোধন করে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের সময় ২০১৬ সালে বাড়িয়ে ২২ দিন করা হয়। এর আগে এ সময় ছিল ১৫ দিন। ২০১৫ সালের আগে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের সময় ছিল ১১ দিন।
৯ থেকে ৩১ অক্টোবর ইলিশ ধরা ও বিক্রির পাশাপাশি সরবরাহ, মজুদও নিষিদ্ধ থাকবে। এ আদেশ অমান্য করলে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড পেতে হবে।
চান্দ্রমাসের ভিত্তিতে প্রধান প্রজনন মৌসুম ধরে এ বছর আশ্বিন মাসের প্রথম চাঁদের পূর্ণিমার দিন এবং এর আগে চার ও পরের ১৭ দিনসহ মোট ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে।
নিষিদ্ধ সময়ে সারাদেশের মাছের ঘাট, মৎস্য আড়ত, হাট-বাজারে অভিযান চালানো হয়ে থাকে। এই সময়ে জেলেদের ভিজিএফের (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) আওতায় চাল দিয়ে থাকে সরকার। প্রত্যেক জেলে পরিবার ৩০ কেজি করে চাল পেয়ে থাকে।

গ্রেডিং পদ্ধতি সংস্কার : সর্বস্তরে চালু হচ্ছে জিপিএ-৪

0

পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেডিং পদ্ধতি সংস্কার করা হচ্ছে। পুরোনো পদ্ধতি জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে নির্ধারণ করা হয়েছে জিপিএ-৪। এতে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেএসসি পর্যন্ত একই গ্রেডিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হবে।
আজ রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রেড পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পরিবর্তন কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন নতুন গ্রেড পদ্ধতি উপস্থাপন করেন। এরপর সকলের সম্মতিতে খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করা হয়। তবে এ সংক্রান্ত আরও দুই-একটি সভা করা হবে বলে সভায় উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন।
গ্রেড পরিবর্তন প্রস্তাবনায় দেখা গেছে, জেএসসি-জেডিসি, এসএসসি-সমমান, এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় নম্বরের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ জিপিএ-৪ করা হবে। এ ক্ষেত্রে ৯০-১০০ পর্যন্ত এ প্লাস জিপিএ-৪, ৮০-৮৯ পর্যন্ত ‘এ’ জিপিএ-৩.৫, ৭০-৭৯ ‘বি’ প্লাস জিপিএ-৩, ৬০-৬৯ ‘বি’ জিপিএ-২.৫, ৫০-৫৯ ‘সি’ প্লাস জিপিএ-২, ৪০-৪৯ ‘সি’ জিপিএ-১.৫, ৩৩-৩৯ ‘ডি’ জিপিএ-১ এবং শূন্য থেকে ৩২ ‘এফ’ গ্রেড জিপিএ-০ বা ফেল নির্ধারণ করা হয়েছে।
সভা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে নতুন জিপিএ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হবে। এটি বহির্বিশ্বের সঙ্গেও সমন্বয় থাকছে।
তিনি বলেন, সভায় নতুন গ্রেড সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাবনা প্রকাশের পর এ নিয়ে উপস্থিত সকলের মতামত চাওয়া হলে সকলে তাতে একমত প্রকাশ করেন। পুরোনো পদ্ধতি জিপিএ-৫ বদলে চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি-জেডিসি) পরীক্ষা থেকে জিপিএ-৪ পদ্ধতি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে চলতি বছর নভেম্বরে আয়োজিত জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা থেকে নতুন পদ্ধতি কার্যকর হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিজিপিএ-৪ এর সঙ্গে সমন্বয় করে নিচের স্তরের সকল পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৪ করা হচ্ছে।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেহেতু এটি একটি বড় কর্মযজ্ঞ, তাই এটি চূড়ান্ত করার আগে আরও দুই-একটি সভা করা প্রয়োজন। বিশ্বের সঙ্গে সমন্বয় রেখে গ্রেড পদ্ধতি পরিবর্তন করা হচ্ছে। কোনো পরিবর্তনের ফলে কেউ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে একই গ্রেডিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে, সে বিষয়টি সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গ্রেড পরিবর্তন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, অনেক দেশে আমাদের গ্রেডিং পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয় না থাকায় শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যায় পড়ে। নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়ন হলে সে সমস্যার নিরসন হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. সৈয়দ গোলাম ফারুক, শিক্ষাবিদ, মাদরাসা অধিদফতরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক. মু. জিয়াউল হক, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা প্রমুখ।

ডোমার সরকারী কলেজের শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় আটক ১

0

নীলফামারীর ডোমার সরকারী কলেজের সোলাইমান আলী নামের এক শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় নাজিমুল ইসলাম নামের এক ছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ। শিক্ষক সোলাইমান আলী ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় আজ রবিবার দুপুরে কলেজ প্রাঙ্গনে অভিযুক্ত ছাত্রদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে ওই কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার দুপুরে কলেজের বিজ্ঞান ভবনের তৃতীয় তলার বারান্দায় একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী শফিকুল্লাহকে কলেজের কয়েকজন ছাত্র মারধর করছে। খবর পেয়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক সোলাইমান আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থী শফিকুল্লাহকে বাচাঁতে গেলে কলেজ ছাত্র শান্ত ইসলাম ও সৈকত চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৬/১৭জন ছাত্র শিক্ষক সোলাইমান আলীর উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে কলেজের শিক্ষকরা তাঁকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই অভিযুক্ত দুই ছাত্র শান্ত ইসলাম ও সৈকত চৌধুরীসহ অজ্ঞাত ১৬/১৭ জনের নামে সোলাইমান আলী বাদী হয়ে ডোমার থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে নাজিমুল ইসলাম নামের এক ছাত্রকে আটক করেছে। তবে অভিযুক্ত ওই দুই ছাত্র শান্ত ও সৈকত এখন আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় পরদিন রবিবার দুপুরে কলেজ মাঠে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে শিক্ষক ও সাধারন শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে।

এ ব্যাপারে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রবিউল করিম জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এর আগেও ওই দুই ছাত্র সবুজ নামের বাংলা বিভাগের এক প্রভাষকের গায়ে হাত তুলে। এ কারণে তিনি অনত্র বদলী নিয়ে চলে যান।

এরশাদের আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রিটা রহমান

0

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বেন ২০-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশের (পিপিবি) সভাপতি রিটা রহমান।
আজ রবিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, ‘রংপুর-৩ আসনে পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশের রিটা রহমানকে ধানের শীষের প্রার্থী করা হয়েছে।’
জিয়ার মন্ত্রিসভার সদস্য মসিউর রহমান যাদু মিয়ার বড় মেয়ে রিটা রহমানকে একাদশ নির্বাচনেও এ আসনে প্রার্থী করেছিল বিএনপি।
আগামী ৫ অক্টোবর রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোট হবে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী এই উপ-নির্বাচনের জন্য ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার পর সেগুলো যাচাই-বাছাই হবে ১১ সেপ্টেম্বর। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন রাখা হয়েছে।
একাদশ সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এরশাদের মৃত্যুর পর তার আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। আসন শূন্য হওয়ার পরবর্তি ৯০ দিনের মধ্যে সেখানে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এ উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হতে রিটা রহমান ছাড়াও দলীয় মনোনয়নপত্র নিয়েছিলেন সদ্য প্রয়াত মহানগর সভাপতি মোজাফফর হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া হোসেন, রংপুর মহানগর সহসভাপতি কাওসার জামান বাবলা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু ও জেলা সাধারণ সম্পাদক রইসউদ্দিন।
শনিবার গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থী হতে ইচ্ছুক পাঁচজনের সাক্ষাৎকার নেয়।
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু মনোনয়ন বোর্ডে ছিলেন।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাদের মহাজোটের নেতা এরশাদকে আসনটি ছেড়ে দিলেও এবার প্রার্থী করেছে জেলা রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজুকে।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টির এখনও প্রার্থিতা চূড়ান্ত করেনি। দুই একদিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ।

কানাডার হ্যালিফ্যাক্সের স্থলভাগে আঘাত হেনেছে ডোরিয়ান

0

হারিকেন ডোরিয়ান শনিবার রাতে কানাডার হ্যালিফ্যাক্সের দক্ষিণে ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে স্থলভাগে আঘাত হেনেছে। প্রবল মৌসুমি বৃষ্টিপাতসহ এই ঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়েছে।
প্রবল এ ঝড়ে কানাডার আটলান্টিক নৌ ঘাটির এই বন্দর নগরীর কাছে উপকূলে ৬৫ ফুট (২০ মিটার) ঢেউ আছড়ে পড়ছে।
বাহামাসে এই ঝড়ের তা-বের পরে এটি যুক্তরাষ্ট্র উপকূল থেকে উত্তরদিকে এগিয়ে যায়। কানাডায় এটি ক্যাটাগরি ২ হ্যারিকেনের শক্তিতে স্থলভাগে আছড়ে পড়ে।
ইতোমধ্যেই ঝড়ের প্রভাবে ১০০ মিলিমিটারের (৪ ইঞ্চি) বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে, রোববার সকাল নাগাদ এ বৃষ্টিপাত দ্বিগুণ দাঁড়াবে। কানাডিয়ান হ্যারিকেন সেন্টারের কর্মকর্তারা এ কথা জানান।
ঝড়ের আঘাতে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সাড়ে ৪ লাখ ঘরবাড়ি বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে।

মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের গ্র্যান্ড ফিনালের বিচারক সুস্মিতা সেন

0

এই প্রথম বাংলাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বসুন্দরীদের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’। এই প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে বিচারক হিসেবে থাকবেন মিস ইউনিভার্স ও বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন।
শনিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আয়োজনের বিস্তারিত জানানো হয়।
ফ্লোরা ব্যাংক ট্যাগলাইনে শুরু হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতায় এর মধ্যে ৮ হাজার প্রতিযোগী রেজিস্ট্রেশন করেছেন। বিচারকদের তালিকায় রয়েছেন আতাহার আলি খান, রুবাবা-দৌলা মতিন, বিপাশা হায়াত। তবে গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিচারক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মিস ইউনিভার্স ও বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান রেজওয়ান বিন ফারুক।
রেজওয়ান বিন ফারুক বলেন, আমাদের অনুষ্ঠানে আসার বিষয়টি সুস্মিতা সেন এরই মধ্যে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বাঙালি, আমাদের অনুষ্ঠানে তিনি আসছেন, এতে প্রতিযোগীদের সাথে যোগাযোগ ভালো হবে।
আগামী ২৩ অক্টোবর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত বিজয়ী অংশ নেবেন দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায়। পুরো প্রতিযোগিতাটি সরাসরি প্রচার করবে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভি।