Home Blog Page 3510

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপে ভারত-অস্ট্রেলিয়া

0

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব উতরে চূড়ান্তপর্বে আগেই নাম লিখেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সেমিফাইনালে আয়ারল্যান্ডকে হারানোর পর এ কৃতিত্ব অর্জন করে তারা। শেষ পর্যন্ত স্কটল্যান্ডের ডানবির ফোর্টহিল স্টেডিয়ামে ফাইনালে থাইল্যান্ডের মেয়েদের ৭০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপাও নিজেদের করে নেয় সালমা-সানজিদারা।
এরই মধ্যে আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত গ্রুপিংও করে ফেলেছে আইসিসি। সেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ খেলবে ‘এ’ গ্রুপে ভারত, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দেশের বিপক্ষে। বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড শ্রীলঙ্কাও।
‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড।
মূলত নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ এবং থাইল্যান্ড ছাড়া বাকি ৮ দলই বেশ শক্তিশালী। যে কারণে লড়াইটাও হবে হাড্ডাহাড্ডি।
আগামী বছর ২১ ফেব্রুয়ারি সিডনিতে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। গ্রুপিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে সূচিও চূড়ান্ত করে ফেলেছে আইসিসি। উদ্বোধনী ম্যাচেই মহারণ। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত।
বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ভারতের বিপক্ষে। পার্থের ওয়াকা গ্রাউন্ডে। দ্বিতীয় ম্যাচ ২৭ ফেব্রুয়ারি, ক্যানবেরার মানুকা ওভালে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। তৃতীয় ম্যাচ ২৯ ফেব্রুয়ারি মেলবোর্নের জাঙ্কশন ওভালে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। একই মাঠে ২ মার্চ বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

তালেবানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা বাতিল করলেন ট্রাম্প

0

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ও তালেবান নেতাদের সঙ্গে ক্যাম্প ডেভিডে প্রস্তাবিত বৈঠক বাতিল করার পাশাপাশি তালেবানের সঙ্গে কথিত শন্তি আলোচনা স্থগিত করে দিয়েছেন।
শনিবার রাতে ধারাবাহিক একগুচ্ছ টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘রবিবার ক্যাম্প ডেভিডে তালেবান নেতাদের সঙ্গে আমার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে বৈঠক বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, তিনি তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা স্থগিত রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন। এর কারণে হিসেবে তিনি কাবুলে সাম্প্রতিক বোমা হামলায় একজন মার্কিন সেনার নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন যে হামলার দায় তালেবান স্বীকার করেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন সময় এ ঘোষণা দিলেন যখন আফগানিস্তান-বিষয়ক বিশেষ মার্কিন প্রতিনিধি জালমাই খালিলজাদ গত সোমবার জানিয়েছিলেন, তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনুমোদন দিলেই তা স্বাক্ষরিত হবে। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তালেবানের সঙ্গে খালিলজাদ নয় দফা বৈঠক করে ওই সমঝোতার খসড়া চূড়ান্ত করেছিলেন।
ওই সমঝোতার মূল ধারা ছিল আগামী ২০ সপ্তাহের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে ৫ হাজার ৪০০ সেনা প্রত্যাহার। বর্তমানে আফগানিস্তানে প্রায় ১৪ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

গাজীপুরে রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণে দগ্ধ ১৮

0

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বোর্ডবাজার এলাকায় রাঁধুনি হোটেল নামের একটি রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণে রেস্তোরাঁ ধসে পড়েছে। এ ছাড়া পাশের আরেকটি রেস্তোরাঁর একাংশ ধসে গেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৮ জন আহত ও দগ্ধ হয়েছেন।
শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রাতে পৌনে ২টার দিকে রাঁধুনি রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দে পাশের তৃপ্তি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের একাংশ ধসে যায়। খবর পেয়ে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। তবে বিস্ফোরণটি কী কারণে ঘটেছে, তা তারা নিশ্চিত করতে পারেনি।
এ ঘটনায় দগ্ধ ১১ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন আল আমিন (৩২), আরিফুল (১৮), জুবায়ের (১৬), নাজমুল (২২), জাহিদ (২৫), আলমগীর (২৭), মারুফ (২৩), মাসুদ (১৮), সুফিয়ান (২২), জাহাঙ্গীর (২০) এবং শুক্কুর আলী (১৯)।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘প্রত্যক্ষদর্শীরা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ধারণা করছে। দুই হোটেলে পাইপলাইনের গ্যাসের পাশাপাশি সিলিন্ডারও ছিল। তবে ঠিক কীভাবে ওই বিস্ফোরণ ঘটেছে তা তদন্ত শেষে বলা যাবে।’
গাছা থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, পাশাপাশি তিন ও চার তলা দুটি ভবনের নিচতলায় ওই দুই খাবার হোটেল। দুই হোটেলের মাঝ বরাবার স্যুয়ারেজ লাইন গেছে। ওই লাইন ছিল ঢাকনা দেওয়া। হতে পারে ময়লা আটকে গিয়ে সেখানে গ্যাস জমে গিয়েছিল। এর আগেও কিছুটা দূরে এই স্যুয়ারেজ লাইনেই বিস্ফোরণ হয়েছিল গত রোজায়।
এ ঘটনায় ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম। অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট মো. শাহিনুর ইসলামকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটিতে ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ

0

‘বহুভাষায় সাক্ষরতা, উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।

১৯৬৬ সাল থেকে ইউনেস্কো ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এ দিবসটি পালনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের মানুষকে তারা বলতে চায়, সাক্ষরতা একটি মানবীয় অধিকার এবং সর্বস্তরের শিক্ষার ভিত্তি। প্রতি বছর একটি বিশেষ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সে বছর সাক্ষরতা দিবস পালন করা হয়।

সাক্ষরতা আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত মানবীয় অধিকার হিসেবে বিশ্বে গৃহীত হয়ে আসছে। এটি ব্যক্তিগত ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ও মানবীয় উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এমনকী শিক্ষার সুযোগের বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে সাক্ষরতার ওপর। সাক্ষরতা মৌলিক শিক্ষার ভিত্তি হিসেবেও কাজ করে। দারিদ্র্য হ্রাস, শিশু মৃত্যু রোধ, সুষম উন্নয়ন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধি বিকশিতকরণের ক্ষেত্রেও সাক্ষরতা প্রয়োজনীয় হাতিয়ার হিসেবে গণ্য হয়। মূল কথা সবার জন্য শিক্ষা। এ স্লোগান বাস্তবায়ন করতে সাক্ষরতাকে ভিত্তি হিসেবে মনে করার পেছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। একটি মানসম্মত মৌলিক শিক্ষা মানুষকে সাক্ষরতা ও দক্ষতার সঙ্গে তৈরি করতে সহায়তা করে। সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন মা-বাবা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে প্রেরণে উৎসাহিত হন, অব্যাহত শিক্ষায় নিজেকে প্রবেশ করতে উৎসাহ পান এবং উন্নয়নের দিকে দেশকে ধাবিত করার ক্ষেত্রে সচেষ্ট ও সরকারকে চাপ প্রয়োগে সাহায্য করে থাকেন।

দেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৩ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা ২০০৫ সালে ছিল ৫৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরতা দানের লক্ষ্যে ৬৪টি জেলায় মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। আমাদের নিরলস ও অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলে বিগত এক দশকে সাক্ষরতার হার ২৮ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৭৩ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।’

ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি : ওবায়দুল কাদের

0

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আজ রবিবার সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের কিছু কিছু বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ক্ষোভ থাকতে পারে, তবে কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এর আগে শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কমিটি ভেঙে দিতে বলেছিলেন বলে খবর আসে গণমাধ্যমে।

বাংলাদেশের সমর্থনে আবারও নামল বৃষ্টি

0

৩৯৮ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস সূচনা করেন লিটন দাস আর সাদমান ইসলাম। বিনা উইকেটে ৩০ রান তুলে দুপুর ১টায় মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। আধঘণ্টা পর খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও লাঞ্চের মাঝেই নেমে আসে বৃষ্টি। আসলে বৃষ্টি ছাড়া বাংলাদেশের পরাজয় এড়ানোর তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই বাংলাদেশের আজ বড় সমর্থক বৃষ্টি। এখন দেখার, আরও দেড় দিন মাঠ দখল করে রেখে ম্যাচটাকে ড্রয়ের দিকে নিতে পারে বৃষ্টিদেবী।

আজ ম্যাচের চতুর্থ দিন বৃষ্টির কারণে পৌনে তিন ঘণ্টা পর খেলা শুরু হয়। এর কিছু সময়ের মাঝেই শেষ দুই ব্যাটসম্যান ইয়ামিন আহমেদজাই (৯) এবং জহির খান (০) ফিরলে ২৬০ রানে অল-আউট হয় আফগানিস্তান। আফসার জাজাই অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে। প্রথম ইনিংসে ১৩৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামা আফগানিস্তান গতকাল শুরুতেই বিপদে পড়েছিল। দলীয় মাত্র ৪ রানে পরপর দুই বলে দুই শীর্ষ ব্যাটসম্যান ইহসানুল্লাহ (৪) এবং প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান রহমত শাহ (০) প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। সৌজন্যে সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণি।

দলীয় ২৮ রানে হাসমতুল্লাহ শহিদীকে (১২) সৌম্য সরকারের তালুবন্দি করেন নাইম হাসান। শুরুর এই সাফল্য ধরে রাখতে পারেননি বাংলাদেশি বোলাররা। শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন ইব্রাহিম জারদান এবং আসগর আফগান। চতুর্থ উইকেটে এই দুজন গড়েন ১০৮ রানের জুটি। ১০৮ বলে ৫০ রান করা আসগরকে তাইজুল ইসলাম ফেরালে এই জুটির পতন হয়। তরুণ অফ স্পিনার নাইম হাসানের বলে মুমিনুল হকের তালুবন্দি হয়ে শেষ হয় ইব্রাহিম জারদানের ২০৮ বলে ৮৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস।

অল-রাউন্ডার মোহাম্মদ নবি ৮ রান করে মিরাজের বলে ধরা পড়েন মুমিলুলের হাতে। ২২ বলে ২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলা অধিনায়ক রশিদ খান শিকার হন তাইজুল ইসলামের। এর আগে আফগানদের ৩৪২ রানের জবাবে ২০৫ রানেই অল-আউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করার রেকর্ড আছে বাংলাদেশের। তাছাড়া চট্টগ্রামে বাংলাদেশ চতুর্থ ইনিংসে কখনোই রান তাড়া করে জিততে পারেনি।

ফেসবুক নিয়ে বিড়ম্বনায় ববিতা ও চম্পা বিনোদন

0

চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনয়শিল্পী ববিতা ও চম্পার নামে চাঁদাবাজির চেষ্টা চালাচ্ছে একটি দল। এমন অভিযোগ করেছেন এই দুই বোন। ফেসবুকে এই দুই অভিনয়শিল্পীর নামে আইডি খুলে কারা এমনটা করছেন বুঝতে পারছেন না তাঁরা। তবে বিষয়টি নিয়ে ভীষণ রকম বিব্রত ও আতঙ্কিত এই দুই অভিনয়শিল্পী।

গত বৃহস্পতিবার রাতে এই অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা জানান দুই বোন ববিতা ও চম্পা। ক্ষুব্ধ ববিতা বলেন, ‘আমি কোনো দিনই ফেসবুক ব্যবহার করিনি। অথচ প্রায়ই কোনো না কোনো অনুষ্ঠানে আমাকে শুনতে হয়, আপনি তো আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড। আপনার সঙ্গে মেসেঞ্জারে আলাপটা সেদিন ভালোই জমে উঠেছিল! আমার তো আকাশ থেকে পড়ার অবস্থা। আমার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের এবং ঘরের দুর্লভ স্থিরচিত্রও নাকি ওই ফেসবুক থেকে প্রকাশ করে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, আমি নাকি দেশের বাইরে থাকা অবস্থায় মেসেঞ্জারে কার কার কাছে টাকা চেয়েছি। পুরো বিষয়টি আমার জন্য ভীষণ অস্বস্তিকর। শুরুতে বিষয়টা পাত্তা দিইনি, এখন তো খুব ভীতিকর মনে হচ্ছে। কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

ববিতার মতো ছোট বোন চম্পাও ফেসবুক নিয়ে বিরক্ত। জানালেন, কয়েক দিনের মধ্যে বিষয়টি আইনিভাবে মোকাবিলা করবেন। চম্পার ফেসবুক আইডি থেকেও কে বা কারা টাকা দাবি করছে। পরিচিতজনেরা বিশ্বাস করতে পারেন না বলেই মুঠোফোনে নিশ্চিত হন। তখনই জানতে পারেন, ঘটনাটি ভুয়া। চম্পা বলেন, ‘পরিচিতজনদের অনেকের কাছে হয়তো আমাদের ফোন নম্বর থাকায় বিষয়টি থেকে রক্ষা পান। কিন্তু ভক্তদের অনেকে এই ফেসবুক আইডি আমার ভেবে বিশ্বাস করে প্রতারিত হবেন। যিনি টাকা চাইছেন এখন, পরে রাষ্ট্র ও সমাজবিরোধী কোনো লেখা পোস্ট করে দিতেও দ্বিধাবোধ করবেন না। পুরো ব্যাপারটি নিয়ে আমরা আতঙ্কিত। সবাইকে বলতে চাই, আমরা ফেসবুক ব্যবহার করি না। তাই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর খবরে মোটেও কান দেবেন না।’

রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত হবেই: রেলমন্ত্রী

0

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের দখলকৃত জমিসহ রেলের কোয়ার্টার বা বাংলো থেকে দখলদার উচ্ছেদ করা হবেই। রেলওয়ের উন্নয়নের জন্যই এটা করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এগুলো আস্তে আস্তে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ রোববার সকালে পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন রেলমন্ত্রী।

সৈয়দপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় ৩০০ একর জমি জবরদখল হয়ে আছে। এসব জায়গায় বসতি স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে প্রায় এক লাখ মানুষের বসবাস। ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রেলের এই জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর উচ্ছেদ-আতঙ্কে আছে এসব মানুষ।

আজ রেলমন্ত্রী আরও বলেন, এবার উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়ার ফলে যাঁরা দালালদের মাধ্যমে অবৈধভাবে দখল করে আছেন, তাঁরা নতুন করে এ জায়গা ইজারা পাওয়ার জন্য আবেদন করবেন। যাঁরা অবৈধভাবে আছেন, তাঁদের আবেদনের সুযোগ আছে। দালালমুক্ত হয়ে তাঁরা আবেদন করলে সরকার তা ভেবে দেখবে।

নূরুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ের জমি ও অন্যান্য স্থাপনা নানাভাবে বেদখল হয়ে গেছে। উচ্ছেদের যে বিষয়টি এসেছে, তা অবশ্যই করা হবে। রেলওয়ের উন্নয়নের প্রয়োজনেই এমনটা করা হচ্ছে।

রেলমন্ত্রী বলেন, যাঁরা রেলওয়ের জমি বা কোয়ার্টার দখল বা বিক্রির সঙ্গে জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা অবশ্যই গ্রহণ করা হবে। রেলওয়ের সম্পদ কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। এটা জনগণের, তথা রাষ্ট্রের সম্পদ। তাই এ সম্পদ কুক্ষিগত করে কেউ ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে চাইলে তাঁদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

রেলমন্ত্রী বলেন, বারবার উচ্ছেদ অভিযানের নোটিশ দেওয়া হলেও তা বারবারই থমকে যায়। কিন্তু এবার কোনোভাবেই উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করা হবে না। যেকোনো মূল্যে অবৈধ দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ করা হবেই। এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার টালবাহানার সুযোগ নেই।

মন্ত্রী সৈয়দপুর রেলওয়ে সেতু কারখানার বেহাল সম্পর্কে বলেন, অচিরেই কারখানাটি সংস্কার করা হবে। নষ্ট হওয়ার পথে প্রায় দেড় শ কোটি টাকার মেশিনপত্র আধুনিকায়নের মাধ্যমে কারখানাটি নতুন করে সচল করা হবে।

আজ রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন নীলফামারী-১ আসনের সাংসদ আফতাব উদ্দিন সরকার, আওয়ামী লীগ সৈয়দপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক ও সৈয়দপুরের সাবেক পৌর মেয়র আখতার হোসেনসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

রওশন বিরোধীদলীয় নেতা, জিএম কাদের জাপা চেয়ারম্যান

0

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় নেতার পদ নিয়ে চলমান সংকটের সমাধান হয়েছে। রওশন এরশাদ হচ্ছেন বিরোধীদলীয় নেতা আর জিএম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।
এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনে কে প্রার্থী হবেন, সে বিষয়ে পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিব বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।
শনিবার রাতে বারিধারার কসমোপলিটন ক্লাবে রওশন ও জিএম কাদেরপন্থি নেতাদের বৈঠকে এ সমঝোতা হয়।
আজ রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দলের বনানীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা সেই সিদ্ধান্ত জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমাদের যে বিষয়টি ছিল, সেটি হলো চেয়ারম্যানের দায়িত্ব কে পালন করবেন। এটি নিয়ে একটি বিতর্ক ছিল। সেটি কাল সমাধান হয়ে গেছে। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যন এবং হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্দেশিত যিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ানম্যান, জিএম কাদের সাহেব দলের দায়িত্ব পালন করবেন চেয়ারম্যান হিসেবে। এবং বেগম রওশন এরশাদ, যিনি আমাদের চেয়ারম্যানের পত্নী, তিনি সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করবেন।’
রাঙ্গা বলেন, ‘আরেকটি বিষয় এসেছিল, রংপুরের উপনির্বাচন নিয়ে। সেখানে সাদ এরশাদের (এরশাদের ছেলে) পক্ষে প্রস্তাব রাখা হয়েছিল, বিপক্ষেও কথা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, মহাসচিব ও চেয়ারম্যান বসে রংপুরের বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন- প্রার্থী কে হবে। আজ বা কালকের মধ্যে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। তখন জানতে পারবেন।’
গত এক সপ্তাহ ধরে জাপার চেয়ারম্যান ও সংদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় জিএম কাদের ও রওশন এরশাদের মধ্যে। এরই জেরে বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে জাপার একাংশ রওশন এরশাদকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করে।
পরবর্তী সময়ে ওইদিনই সংবাদ সম্মেলন ডেকে জিএম কাদের বলেন, ‘রওশন এরশাদকে সম্মান করি, যতটুকু শুনেছি, তিনি নিজে থেকে নিজের কথা বলেননি। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে অস্থির হওয়ার কিছু নেই। জাপা ভাঙেনি। কোনোওভাঙনের মুখে পড়েনি। যে কোনো ব্যক্তি যেকোনও ঘোষণা দিলেই তো তা বাস্তবায়িত হয় না।’
এর আগে, মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে দলীয় প্যাডে নিজেকে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার পদে নিয়োগ দিতে স্পিকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেন জিএম কাদের। এর পরদিন বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) জিএম কাদেরের চিঠির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তা গ্রহণ না করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন রওশন এরশাদ। এরই মধ্যে দিয়ে মূলত জাপায় গৃহবিবাদ শুরু হয়।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

0

ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেইসঙ্গে তিনি বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) গণভবনে দলের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছে ইন্টারনেটে তথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সংসদের রংপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠক হয়।

বলা হচ্ছে, সভায় শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর নানা কর্মকাণ্ডে বিরক্তি প্রকাশ করে কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শেখ হাসিনা এমন নির্দেশ দিয়েছেন বলে তিনি জেনেছেন।

তিনি আরও বলেন, সভা চলাকালে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গণভবনে উপস্থিত হয়েছিলেন। সভা শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করলেও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের পরামর্শে আর দেখা করেননি।

সভায় অংশ নেওয়া আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতা জানান, ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও অযোগ্যতার কারণেই এই কমিটি ভেঙে দেওয়ার কথা বলেন দলের প্রধান।

তিনি বলেন, উপজেলার প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে আয়োজিত সভায় ছাত্রলীগের প্রসঙ্গ তোলেন নেত্রী।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। বিশেষ করে তারা দুপুরের আগে ঘুম থেকে ওঠে না।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সভায় উপস্থিত আরেক নেতা শেখ হাসিনাকে বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানে পৌঁছানোর পর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা অনুষ্ঠানস্থলে যায়। সিনিয়র নেতা তোফায়েল আহমেদকেও তারা বসিয়ে রেখেছে।

এসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ইডেন কলেজের সম্মেলনের দুই মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও কমিটি দিতে না পারা, কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি করার বিষয়ে অনৈতিক অর্থনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ ওঠা, কেন্দ্রীয় কমিটিতে অনেক বিতর্কিত, বিবাহিত ও জামায়াত-বিএনপি সংশ্লিষ্টদের পদায়ন করার বিষয় নিয়েও অনেক নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

যৌথসভার কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ১০ মিনিট ধরে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন অভিযোগ ওঠার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান জিজ্ঞাসায় বলেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

বছরের শুরুতে ডাকসু নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও বিএম মোজাম্মেলকে ছাত্রলীগ দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত বছরের ১১ ও ১২ মে। নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই শেষ হয় সম্মেলন। তার আড়াই মাস পর গত বছরের ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদী আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

তার এক বছর পর গত ১৩ মে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলে তা পুনর্গঠনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন এতে স্থান না পাওয়া কিংবা প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতারা।

তারা অভিযোগ করেন, বিবাহিত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, চাকরিজীবী ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ নানা অভিযোগবিদ্ধ অনেককে পদ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে বঞ্চিত করা হয়েছে অনেক ত্যাগী নেতাকে।

এনিয়ে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে মারামারিও বাঁধে কমিটিতে পদ পাওয়া নেতাদের। এরপর কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার এক পর্যায়ে আশ্বাসে পিছু হটে বিক্ষুব্ধরা।

পদবঞ্চিত অনেকের অভিযোগ- বিতর্কিত এই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন হত্যা-চেষ্টা মামলার আসামি, মাদকসেবী, বিএনপি-জামায়াত ও রাজাকার পরিবারের সন্তান, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজিতে যুক্ত, বিবাহিত, সংগঠনে নিষ্ক্রিয় এবং অ-ছাত্ররাও। তাছাড়া, সংগঠনের সভাপতি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক রাব্বানীর বিরুদ্ধে উঠেছে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ।