Home Blog Page 3512

সরকারের প্রচেষ্টায় দেশে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরতা দানের লক্ষ্যে ৬৪টি জেলায় মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। আমাদের নিরলস ও অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলে বিগত এক দশকে সাক্ষরতার হার ২৮ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৭৩ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।’

আগামীকাল রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ বৎসর এ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বহু ভাষায় সাক্ষরতা, উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা’।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সাক্ষরতা ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সংক্রান্ত উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে চাই। এছাড়াও জাতিসংঘ প্রণীত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৪ (এসডিজি-৪) অনুযায়ী মানসম্মত ও সর্বজনীন শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’

তিনি বলেন, ‘মায়ের ভাষায় সাক্ষরতা অর্জনের পাশাপাশি অন্য এক বা একাধিক ভাষা শেখার সুযোগ সৃষ্টি করে আমদের শিশু, কিশোর ও যুবদের ‘গ্লোবাল ভিলেজে’ যুক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বহু ভাষায় সাক্ষরতালব্ধ জ্ঞান বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও ভাষার মধ্যে দৃঢ় মেলবন্ধন তৈরি করে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যক্তি জীবনমান ও দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ অপরিহার্য। এ বছরের সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য তা অর্জনের দিকটিকেই নির্দেশ করে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবার আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হয়। স্বাধীনতার পর পরই বঙ্গবন্ধুর সরকার কর্তৃক প্রণীত সংবিধানের ১৭(গ) অনুচ্ছেদে আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের অঙ্গীকার করে।’

শেখ হাসিনা বলেন, সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শতভাগ সাক্ষরতা অর্জন ও মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতির পিতার কাক্সিক্ষত ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতামুক্ত সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে পারব।

বাণীতে তিনি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ এবং দিবস টি উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। বাসস

বালিশ-পর্দাকাণ্ড ছিঁচকে কাজ : কাদের

0

বালিশ-পর্দাকাণ্ডকে ‘ছিঁচকে কাজ’ (সামান্য জিনিস চুরি) বলে আখ্যায়িত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এ ধরনের ছিঁচকে কাজগুলো যারা করছেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা সংসদ সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কোনো মন্ত্রী নন।

রুপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে বালিশকাণ্ড ও ফরিদপুর মেডিকেলে পর্দাকাণ্ড নিয়ে শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদকের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেনে তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বালিশ-পর্দাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি আমলের হাওয়া ভবনের লুটপাটকে মেলালে হবে না। এখানে (বালিশ-পর্দাকাণ্ড) হাওয়া ভবনের মতো লুটপাটের বিষয় নেই। যারা এমন অভিযোগ করছেন তারা তো দেশটাকেই লুটপাট করে খেয়েছেন। এখন সরকারের বিকল্প কোনো সেন্টার নেই, লুটপাটের কোনো ভবন নেই।

জাতীয় পার্টিতে চলমান দ্বন্দ্ব নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এক সময় জাতীয় পার্টি আমাদের সঙ্গে জোটে ছিল। তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি জোট থাকলেও আদর্শিক ঐক্য নেই। এখন তারা বিরোধী দল। আমরা চাই তারা বিরোধী দল হিসেবে শক্তিশালী থাকুক। তারা নিজেরা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে দুর্বল হয়ে গেলে আমাদের কিছু করার থাকে না।

সম্প্রতি পুলিশের ওপর একাধিক হামলা নিয়ে তিনি বলেন, জঙ্গি তৎপরতা একেবারে থেমে গেছে এমন দাবি কখনো করব না। ছোটখাট যে ঘটনাগুলো ঘটছে, সেগুলো বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত। ওরা হয়তো বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটানোর জন্য টেস্ট কেস করছে। আশঙ্কা করছি ওরা বড় ধরনের কোনো প্রস্তুতি নিচ্ছে, আমরা সতর্ক রয়েছি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বি এম মোজাম্মেল হক, উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যার পর কোনো কিশোর বাড়ির বাইরে থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0

সন্ধ্যার পর কিশোররা বাড়ির বাইরে থাকবে না। তারা থাকবে পড়ার টেবিলে না হয় বাড়িতে। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী যথেষ্ট সজাগ ও সতর্ক রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, তার বয়স যাই হোক, তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা আছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে ‘মাদক, সন্ত্রাস, শিশু নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, ইন্টারনেটের অপব্যবহার প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিভাবকদের আহ্বান জানাব, সন্ধ্যার পর যেন কিশোররা বাড়ির বাইরে না থাকে। আপনারা লক্ষ রাখুন, সবাই সচেতন থাকুন, আপনার ছেলে কী করছে, কাদের সঙ্গে মিশছে। অপরাধ করে ফেললে কেউ পার পাবে না।

তিনি বলেন, একটি মহল ঘাপটি মেরে বসে থাকে, দেশকে অকার্যকর করার জন্য। তারা একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের বিপদের সম্মুখীন করেছে। সেই জায়গা থেকে আজ আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দক্ষতায় আমরা জঙ্গিবাদের সমাধান পেয়েছি । কিন্তু শুধুই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী না। আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর মূলমন্ত্র ছিল জনগণ।

তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনী সতর্ক আছে। ১০ বছর আগের পুলিশ আর এখনকার পুলিশের মধ্যে অনেক পার্থক্য। এরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত।

‘বালিশ এবং পর্দা দুর্নীতিতে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই’

0

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, যারা দুর্নীতিতে দেশকে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশকে লজ্জিত করেছিলেন। দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার সেই বিএনপির নেই। দুর্নীতিকে কঠোর হস্তে দমন করার জন্য সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজে কালো টাকা সাদা করেছেন। তাদের অর্থমন্ত্রীও কালো টাকা সাদা করেছিলেন। তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এফবিআই এসে বাংলাদেশে সাক্ষ্য দিয়ে গেছেন। যে কারণে তার ১০ বছর সাজা হয়েছে। আরাফাত রহমানের দুর্নীতি সিঙ্গাপুরে ধরা পড়েছে। তাদের পুরো রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেখানে দুর্নীতিতে আকুণ্ঠ নিমজ্জিত ছিল, সেটির সাথে বালিশ আর পর্দা দুর্নীতির কোনো তুলনা হয় না।

আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামে রবি-দৃষ্টি বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, বালিশ কিংবা পর্দা দুর্নীতি ঘটেছে কিছু কর্মকর্তার মাধ্যমে। এখানে কোনো রাজনৈতিক বা জনপ্রতিনিধির সংশ্লিষ্টতা নেই। এই দুটি দুর্নীতির ব্যাপারে সরকার অত্যন্ত কঠোর। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছেন। বালিশ দুর্নীতির সাথে যারা যুক্ত ছিল তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্দা দুর্নীতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি তারা পাবে।

সরকার কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হবার কারণে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে বিএনপির অভিযোগ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সৌদি আরবে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা আছে যারা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশি পরিচয়ে সেখানে বসবাস করছে। সেখানে তারা সমস্ত অপকর্মের সাথে যুক্ত। তাদের জন্য বাঙালিদের বদনাম হচ্ছে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন হাজার হাজার রোহিঙ্গা সৌদি আরব গিয়েছিল তখন বিএনপিই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়েছিল।

তিনি বলেন, সরকার কূটনৈতিকভাবেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের জন্য কাজ করছে। সহসাই এই সমস্যার সমাধান হবে। নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে রোহিঙ্গাদের প্রচেষ্টা আছে বাংলাদেশি জনগোষ্ঠির সাথে মিশে যাবার জন্য। তাদের পাসপোর্ট তৈরিসহ নানাভাবে যারা সহযোগিতা করছে তাদেরকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিতে অস্থিরতা চলছে এ ব্যাপারে সরকারের ভূমিকা কি হবে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পার্টির সমস্যাটি তাদের দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমি আশা করবো জাতীয় পার্টির যে সাময়িক মতপার্থক্য ও সংকট সেটি কাটিয়ে উঠবে। সহসাই তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

এর আগে তথ্যমন্ত্রী রবি-দৃষ্টি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গ হচ্ছে বিতর্ক। বিতর্ক ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। যুক্তিতর্কের মাধ্যমেই সমাজ এগিয়ে যেতে পারে সে কারণে বিতর্কের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্টা করার ক্ষেত্রে বিতর্কের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বিতর্ক ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ ঠিকতে পারেনা।

বিতার্কিকদের ড. হাছান বলেন, জীবন মানে সংগ্রাম, জীবন মানে যুদ্ধক্ষেত্র। যুদ্ধক্ষেত্রে যেমন প্রতিপক্ষের আক্রমণে সহযোদ্ধার মৃত্যুতে তুমি এক পলক থাকাতে পারবে কিন্তু থমকে যেতে পারবে না, যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয় অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য, জীবনযুদ্ধও সেরকম। জীবন চলার পথে মাথার উপর থেকে অনেক আচ্ছাদন হারিয়ে যাবে। তাতে থমকে গেলে চলবে না। জীবন যুদ্ধে জয়ী হতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে। যার স্বপ্ন নেই তার স্বপ্ন পূরণের তাগাদাও নেই। সবাইকে স্বপ্ন দেখতে হবে। স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছার জন্য জীবনটাকে যুদ্ধক্ষেত্রের মতো নিয়ে লড়াই করতে হবে। পারার প্রতিজ্ঞা যার মাঝে থাকবে তার সাথে প্রচেষ্টা যুক্ত করবে তার অনেক স্বপ্ন পূরণ হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির জন্য দুটি স্বপ্নের কথা বলেছেন। একটি হচ্ছে ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তর করা। আরেকটি ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি পরিপূর্ণ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা। আজ বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হয়েছে। ২০৪১ সাল নাগাদ আমরা যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ রচনার স্বপ্নের কথা বলেছি সেই স্বপ্নের ঠিকানায় তোমাদেরকেই এদেশকে নিয়ে যেতে হবে। তোমাদের স্বপ্ন আর প্রচেষ্টার ভেলায় চড়ে বাংলাদেশ ২০৪১ সাল নাগাদ স্বপ্নের ঠিকানাকেও অতিক্রম করবে।

দৃষ্টির সভাপতি মাসুদ বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির সদস্য সাফিয়া গাজী রহমান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, কর্ণফুলি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুদ্দিন তাবরীজ প্রমুখ।

জাপার জাতীয় কাউন্সিল ৩০ নভেম্বর : জিএম কাদের

0

আগামী ৩০ নভেম্বর জাতীয় পার্টির (জাপা) জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। দলের প্রেসিডিয়াম ও সংসদ সদস্যদের যৌথসভায় সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

আজ শনিবার দুপুরে দলের চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে জাপা (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য এয়ার আহমদ সেলিমের যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, কাউন্সিলে দলের নেতাকর্মীরাই জাপার আগামীদিনের নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন। পদ-পদবী বা ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জনের জন্য আমি রাজনীতি করি না। দেশ, দেশের মানুষ ও জাতীয় পার্টির জন্য আমাদের রাজনীতি। কোনো লোভ-লালসার জন্য আমাদের রাজনীতি নয়।

কাদের বলেন, জাপা বাংলাদেশের বড় তিনটি রাজনৈতিক দলের অন্যতম। জাপার দেশ পরিচালনায় অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্য রয়েছে। দেশের রাজনৈতিক শূন্যতায় দেশের মানুষ এখন জাপার দিকে তাকিয়ে আছে। দেশের প্রজন্মের সামনে রাজনীতি করার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে জাপা। তাই এখনই দলকে আরো শক্তিশালী করতে পারলে আগামীদিনের রাজনীতিতে এবং দেশ পরিচালনার প্রতিযোগিতায় জাপা আরো এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, দলের ওপরে বারবার আঘাত এসেছে। নানা ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়েই জাপা এগিয়ে যাচ্ছে। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দু’বার পাঁচটি করে আসনে জয়ী হয়েছেন, এটা ইতিহাস।

তিনি বলেন, গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক পল্লীবন্ধু তার অবর্তমানে গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে পার্টির চেয়ারম্যান নির্বাচন করেছেন। এটা গঠনতন্ত্র মোতাবেকই হয়েছে।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান এইচ এন এম শফিকুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু।

গণপরিবহন সমস্যা সমাধানে সমন্বয় প্রয়োজন : সাঈদ খোকন

0

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, বাস মালিক শ্রমিক এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের সমন্বয় ছাড়া রাজধানীর গণপরিবহন সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। এজন্য সবগুলো সংস্থাকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আজ শনিবার রাজধানীর ইনস্টিটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে (আইইবি) পুরকৌশল বিভাগ ও নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের যৌথ আয়োজনে ‘গণপরিবহনে শৃঙ্খলা রক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি একথা বলেন।

মেয়র বলেন, পরিবহন সমস্যা রাতারাতি দূর হবে না। পরিবহন খাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যেসব নির্দেশনা দিয়েছেন তা বাস্তবায়নে সংস্থাগুলো কাজ শুরু করেছে। আর এতে জনসাধারণের অংশগ্রহণ জরুরি।

তিনি বলেন, গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে নগরবাসীর কাছে আমরা দুই বছর সময় চেয়েছিলাম। তাদের বলবো, আপনারা আশাহত হবেন না। সময় দিয়েছেন, এখন আশা রাখুন। আপনাদের একটি বাসযোগ্য শহর উপহার দেবো, যেখানে গণপরিবহনে কোনো বিশৃঙ্খলা থাকবে না।

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, রাজধানীর ৩৫০টি রুটকে ২২টি রুট করতে কাজ করছি, সাড়ে সাত হাজার গণপরিবহনকে ছয়টি কোম্পানির অধীনে আনা হবে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী আমাকে প্রধান করে ১০টি সংস্থার সমন্বয়ে কমিটি গঠন করেছেন, ইতোমধ্যে ১২টি সভা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে আমরা ছোট ছোট কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে সায়েন্সল্যাব, ধানমন্ডি, উত্তরা, মতিঝিল, এয়ারপোর্ট, আজিমপুর অঞ্চলে চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। চাইলেই তো আর একসঙ্গে সাড়ে সাত হাজার নতুন গাড়ি আনতে পারি না। এখানে অর্থের বিষয় আছে, মালিক-সরকার মিলে বসতে হবে, জনগণকে এর সঙ্গে আনতে হবে। নগরবাসীকে আশাহত হলে হবে না, আমাদের ওপর আশা রাখতে হবে।

সমালোচকদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যখন অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার কথা বলি তখন বলি বাসযোগ্য শহরের তালিকার ১ নম্বর। আবার একই তালিকায় থাকা ঢাকাকে বলি বসবাসের অযোগ্য তৃতীয় শহর। এটা কেন? একই জরিপে কেউ প্রথমে আছে কেউ শেষের দিকে আছে। তাহলে আমরা এমনভাবে বলি না কেন যে ভিয়েনা বসবাসের অযোগ্য শহরের মধ্যে ১৪০তম…।

গণপরিবহনের সমস্যা সমাধানে কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা বা এসটিপি করা হলেও তার কোনো বাস্তবায়ন নেই বলে অভিযোগ করেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ এস এম সালেহ উদ্দিন। তিনি বলেন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি নির্দেশনা দিলেও তার বাস্তবায়ন হয়নি।

নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মোহাম্মদ খানের মতে, সড়কে শৃঙ্খলা আনতে শুধু পরিকল্পনা করলে হবে না। এর জন্য চালকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। দেখতে হবে, তারা যেন মাদকাসক্ত না হয়।

আইইবি পুরকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আইইবির প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী আবদুস সবুর, ভাইস প্রেসিডেন্ট (প্রশাসন ও অর্থ) প্রকৌশলী মোহাম্মাদ নূরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খন্দকার মনজুর মোর্শেদ, নগর পরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. সালেহ উদ্দিন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাধারণ সম্পাদক ড. আদিল মুহাম্মদ খান, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মফিজ উদ্দিন আহমেদ, নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অমিতোষ পাল, সাধারণ সম্পাদক মতিন আব্দুল্লাহসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে বছরে আসছে ৮৫০ কোটি টাকা

0

বৈশ্বিক ডিজিটাইজেশন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সুবাদে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ডিজিটাল আউটসোর্সিংয়ে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ হয়ে উঠছে এখন বাংলাদেশ। বৈশ্বিক এ খাতে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন, যাদের মাধ্যমে প্রতিবছর দেশে ১০ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আসছে।

যা স্থানীয় মুদ্রায় ৮৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের ‘ডিজিটাল ইকোনমাই রিপোর্ট-২০১৯’ শীর্ষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রতিবেদনটি আগে ‘ইনফর্মেশন ইকোনমাই রিপোর্ট’ নামে প্রকাশিত হতো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে আউটসোর্সিংয়ের ব্যাপক প্রসার হয়েছে। ২০১১ সালে এ খাতে মাত্র ১০ হাজার ফ্রিল্যান্সার কাজ করত। ২০১৩ সালে তা বেড়ে ৩০ হাজারে দাঁড়ায়। ডিজিটাইজেশন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে ২০১৭ সালে তা ৫ লাখে দাঁড়ায়। এ ছাড়া বাংলাদেশের আইটি খাতে ৩ লাখের বেশি পেশাজীবী কাজ করছে।

আঙ্কটাডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি দেশের অর্থনৈতিক ডিজিটাইজেশন শুধু পণ্য ও সেবার উদ্ভাবনই বাড়ায় না, সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি করে ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে জোরালো করে। কম খরচ ও ঝুঁকি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ উন্নত বিশ্বের অনেক বড় বড় কোম্পানি এখন বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে আইটি আউটসোর্সিং করছে। এতে বাংলাদেশ হয়ে উঠছে ফ্রিল্যান্সিং কর্মসংস্থানের একটি বড় উৎস।

ফ্রিল্যান্সিং কাজের মধ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং থেকে শুরু করে ওয়েব ডিজাইন, কর প্রতিবেদন প্রস্তুতকরণ ও অনুসন্ধান ইঞ্জিন ওপটিমাইজেশনসহ অনেক কাজই রয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক এসব কাজ উদীয়মান দেশগুলোতে কর্মসংস্থানের বিপুল সুযোগ তৈরি করেছে, যা আগে ছিল না। ফলে বাকি বিশ্বকে আউটসোর্সিং সেবা দেয়ার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষস্থানে রয়েছে এখন এশিয়া।

ফ্রিল্যান্সিং কাজের ক্ষেত্রে একজন মানুষ প্রথাগত চাকরির চেয়ে অনেক বেশি স্বাধীনতা ও সুবিধা পেয়ে থাকেন। যে কোনো স্থান থেকে যে কোনো সময় কাজ করা যায়, রাস্তার জ্যাম পেরিয়ে অফিসে যেতে হয় না, নিজের বাসায়ই কাজ করা যায়। ক্লায়েন্ট বা প্রকল্প নিজের পছন্দমতো নেয়া যায় এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ করা যায়। ফলে বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং হয়ে উঠেছে অনেক বাংলাদেশির জন্য পছন্দের ক্যারিয়ার।

বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ডিজিটাইজেশন উদ্যোগের ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মোবাইল ইন্টারনেটের পাশাপাশি ব্রডব্যান্ড সেবাও ছড়িয়ে পড়ছে। এতে এ দেশের তরুণ-তরুণীদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং অনেক সহজ হয়ে গেছে। বর্তমানে এ দেশের নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার রয়েছে ছয় লাখ ৫০ হাজার। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ নিয়মিত কাজ করছে। বাংলাদেশের আইসিটি ডিভিশনের তথ্য অনুযায়ী তারা বার্ষিক ১০ কোটি ডলার আয় করছে।

শ্রমব্যয় কম থাকায় বিশ্বের আউটসোর্সিং বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে বাংলাদেশ। তবে এখনও বেশকিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বাংলাদেশের। সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে ইন্টারনেট সেবার মান।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মূল্যও অনেক বেশি। প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এটা অনেক বড় সমস্যা। ব্রডব্যান্ড সুবিধা থাকলেও অনেক সময় তা ধীরগতির হয়। আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে টাকার সহজ লেনদেন ব্যবস্থা।

প্রথম ওভারেই সাকিবের জোড়া আঘাত

0

চট্টগ্রামে একমাত্র টেস্টে টাইগারদের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে আফগানিস্তান।
আফগানিস্তান স্কোর : ৬/২ (৪ ওভার)
প্রথম ওভারেই সাকিবের জোড়া আঘাত
চট্টগ্রামে একমাত্র টেস্টে প্রথম ইনিংসে আফগানদের দেওয়া ৩৪২ রানের জবাবে ২০৫ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ১৩৭ রানে এগিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই দুই উইকেট হারায় সফরকারীরা।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইহসানউল্লাহ জানাত (৪) ও আগের ম্যাচে সেঞ্চুরিয়ান রহমত শাহকে (০) ফেরান অধিনায়ক সাকিব। হ্যাটট্রিকের সম্ভবনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত আর হ্যাটট্রিক করা হয়নি সাকিবের। মাত্র ৪ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে রশিদ খানের দল।
২০৫ রানে থামল বাংলাদেশ
শেষ জুটিতে খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না নাঈম হাসান। তার বিদায়ে শেষ হয়েছে বাংলাদেশের ইনিংস। তাকে এলবিডব্লিউ করে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেছেন রশিদ খান।
তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ টিকেছে মাত্র ১৩ মিনিট। স্কোরবোর্ডে যোগ করতে পেরেছে মাত্র ১১ রান। মোসাদ্দেক হোসেন ৮২ বলে একটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। রশিদ ৫৫ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। ৫৬ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন নবী।
আফগানিস্তান এগিয়ে আছে ১৩৭ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং নেমেছে আফগানরা।
প্রথম ওভারেই আউট তাইজুল
তৃতীয় দিনের তৃতীয় বলেই বাজে এক শটে আউট হয়ে ফিরেছেন তাইজুল ইসলাম। তাকে ফিরিয়েছেন মোহাম্মদ নবী। বলটা ছিল অফ স্টাম্পের ওপর। তাইজুল গিয়েছিলেন স্লগ সুইপ করতে। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বলের লাইন মিস করে হন বোল্ড।
টাইগারদের আশা-ভরসা এখন মোসাদ্দেক
টপ অর্ডারের ব্যর্থতা থেকে দলকে বাঁচালেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। আফগানদের ৩৪২ রানের জবাবে বাংলাদেশ এক পর্যায়ে ১০৬ রানে ছয় উইকেট হারায়। এরপরই ক্রিজে আসেন মোসাদ্দেক। সঙ্গী হিসেবে মুমিনুল হককে পেলেও হাফসেঞ্চুরি করে বিদায় নেন মুমিনুল। এরপর মেহেদী মিরাজও বিদায় নেন দ্রুত।
অষ্টম উইকেটে তাইজুলকে নিয়ে লড়াই করেন সৈকত। শেষ বিকালে এ দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৪৮ রানের জুটিতে বিপর্যয় সামাল দিয়েছে টাইগার শিবির। দ্বিতীয় দিন শেষে টাইগারদের সংগ্রহ আট উইকেটে ১৯৪ রান। তবে এখনও ১৪৮ রানে পিছিয়ে সাকিব বাহিনী। এ ব্যবধান যত কমানো যাবে, তত ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা টিকে থাকবে স্বাগতিকদের। তৃতীয় দিনে মোসাদ্দেকের কাঁধে তাই গুরু দায়িত্ব। দিন শেষে ৪৪ রানে মোসাদ্দেক ও ১৪ রানে অপরাজিত তাইজুল।
দ্বিতীয় দিন শেষে
আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ১১৭ ওভারে ৩৪২ (ইব্রাহিম ২১, ইহসানউল্লাহ ৯, রহমত ১০২, হাশমতউল্লাহ ১৪, আসগর ৯২, নবী ০, আফসার ৪১, রশিদ ৫১, কাইস ৯, ইয়ামিন ০, জহির ০*; তাইজুল ৪/১১৬, সাকিব ২/৬৪, মিরাজ ১/৭৩, নাঈম ২/৪৩, মাহমুদউল্লাহ ১/৯, সৌম্য ০/২৬, মুমিনুল ০/৯, মোসাদ্দেক ০/১)
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৬৭ ওভারে ১৯৪/৮ (সাদমান ০, সৌম্য ১৭, লিটন ৩৩, মুমিনুল ৫২, সাকিব ১১, মুশফিক ০, মাহমুদউল্লাহ ৭, মোসাদ্দেক ৪৮*, মিরাজ ১১, তাইজুল ১৪, নাঈম ৭; ইয়ামিন ১/২১, নবী ৩/৫৬, জহির ০/৪৬, রশিদ ৫/৫৫, কাইস ১/২২)।

২০৫ রানেই অলআউট বাংলাদেশ

0

চট্টগ্রামে একমাত্র টেস্টে প্রথম ইনিংসে আফগানদের দেওয়া ৩৪২ রানের জবাবে ২০৫ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ স্কোর : ২০৫/১০ (৭০.৫ ওভার)
প্রথম ওভারেই আউট তাইজুল
তৃতীয় দিনের তৃতীয় বলেই বাজে এক শটে আউট হয়ে ফিরেছেন তাইজুল ইসলাম। তাকে ফিরিয়েছেন মোহাম্মদ নবী। বলটা ছিল অফ স্টাম্পের ওপর। তাইজুল গিয়েছিলেন স্লগ সুইপ করতে। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বলের লাইন মিস করে হন বোল্ড।
টাইগারদের আশা-ভরসা এখন মোসাদ্দেক
টপ অর্ডারের ব্যর্থতা থেকে দলকে বাঁচালেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। আফগানদের ৩৪২ রানের জবাবে বাংলাদেশ এক পর্যায়ে ১০৬ রানে ছয় উইকেট হারায়। এরপরই ক্রিজে আসেন মোসাদ্দেক। সঙ্গী হিসেবে মুমিনুল হককে পেলেও হাফসেঞ্চুরি করে বিদায় নেন মুমিনুল। এরপর মেহেদী মিরাজও বিদায় নেন দ্রুত।
অষ্টম উইকেটে তাইজুলকে নিয়ে লড়াই করেন সৈকত। শেষ বিকালে এ দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৪৮ রানের জুটিতে বিপর্যয় সামাল দিয়েছে টাইগার শিবির। দ্বিতীয় দিন শেষে টাইগারদের সংগ্রহ আট উইকেটে ১৯৪ রান। তবে এখনও ১৪৮ রানে পিছিয়ে সাকিব বাহিনী। এ ব্যবধান যত কমানো যাবে, তত ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা টিকে থাকবে স্বাগতিকদের। তৃতীয় দিনে মোসাদ্দেকের কাঁধে তাই গুরু দায়িত্ব। দিন শেষে ৪৪ রানে মোসাদ্দেক ও ১৪ রানে অপরাজিত তাইজুল।
দ্বিতীয় দিন শেষে
আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ১১৭ ওভারে ৩৪২ (ইব্রাহিম ২১, ইহসানউল্লাহ ৯, রহমত ১০২, হাশমতউল্লাহ ১৪, আসগর ৯২, নবী ০, আফসার ৪১, রশিদ ৫১, কাইস ৯, ইয়ামিন ০, জহির ০*; তাইজুল ৪/১১৬, সাকিব ২/৬৪, মিরাজ ১/৭৩, নাঈম ২/৪৩, মাহমুদউল্লাহ ১/৯, সৌম্য ০/২৬, মুমিনুল ০/৯, মোসাদ্দেক ০/১)
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৬৭ ওভারে ১৯৪/৮ (সাদমান ০, সৌম্য ১৭, লিটন ৩৩, মুমিনুল ৫২, সাকিব ১১, মুশফিক ০, মাহমুদউল্লাহ ৭, মোসাদ্দেক ৪৪*, মিরাজ ১১, তাইজুল ১৪*; ইয়ামিন ১/২১, নবী ২/৫৩, জহির ০/৪৬, রশিদ ৪/৪৭, কাইস ১/২২)।

বিরলে দেশীয় পিস্তল ও গুলিসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

0

দিনাজপুরের বিরলে দেশীয় পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলিসহ কুখ্যাত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী আলমকে আটক করেছে বিরল থানা পুলিশ।
আজ শনিবার ভোরে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরী পিস্তল ও ২ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করে।
সে বিরল উপজেলার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের আজিজুর রহমানের পুত্র আলম, অরফে সাদ আলম, অরফে বৈরাগী আলম।
তার বিরুদ্ধে মাদক, সন্ত্রাসীসহ প্রায় ১০ থেকে ১২টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায় জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম ও সদর সার্কেল শুসান্ত সরকার এর নির্দেশনায় বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম গোলাম রসুল এর নেতৃত্বে, এসআই খালিদ হাসান, এসআই মানিকুল, এএসআই আনোয়ার আলী, মামুন, মাদুদরানা, বজলুর রহমান, কনস্টেবল মশিউর রহমান ও নকুল চন্দ্রের একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে।
রাত সাড়ে ১২ টার দিকে আলমকে তার নিজ এলাকা থেকে আটক করে এবং রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আলমের বাড়ীর পার্শ্ববর্তী বাহারা দিঘীর পাড়ে টিনের ঘর হতে ২ রাউন্ড গুলিসহ এই দেশীয় পিস্তল উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে অস্ত্র আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

এ দিকে একই দিন দিবাগত রাত ২টায় বিরল পৌর শহর হতে কুক্ষাত মাদক ব্যবসায়ী পৌর শহরের শাখ ধোয়া এলাকার আবেদ আরী মুহুরীর ছেলে বেলাল হোসেনকে ৬৫ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটক করেন বিরল থানা পুলিশ।