Home Blog Page 3517

অভাবে ফার্নিচারের পর খাটও বিক্রি করে দেয়া হলো, ঘুমাতাম মেঝেতে : টাইগার শ্রফ

0

টাইগার শ্রফ বেশ জনপ্রিয় কিন্তু স্বল্পভাষী। সঙ্গে মৃদুভাষী ও ইন্ট্রোভার্ট। বর্তমানে বলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন তারকা বতিনি। জনপ্রিয় বলিউড তারকার ছেলে শুনলেই মনে হয় মুখে ‘সোনার চামচ ‘ নিয়ে জন্মানো এবং প্রায় সেভাবেই বাকি জীবনটা পায়ের ওপর পা তুলে কাটানোর মতো সমস্ত আয়োজন করাই রয়েছে।

কিন্তু টাইগার শ্রফের জীবনটা সেরকম ভাবলে ভুল হবে বৈকি। ২০০৩ সালে তার বয়স যখন এগারো বছর তখন বুম সিনেমাটি মুক্তি পায়। এতে অভিনয় করেন অমিতাভ বচ্চন ও ক্যাটরিনা কাইফ। এটি প্রযোজনা করেন টাইগারের মা আয়েশা শ্রফ। কিন্তু আগেই ফাঁস হওয়ায় মুক্তির পর বক্স অফিসে মুখ থুবরে পড়ে সিনেমাটি। পাশাপাশি তাদের পরিবারে দেখা দেয় আর্থিক সংকট।

সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে বড় হওয়ার সময়ে সকলের গোপনে বাড়ির ভেতরে চরম দারিদ্র্যতার সঙ্গে শ্রফ পরিবারের লড়াইয়ের কথা তুলে ধরলেন টাইগার।

১১ বছর বয়সেই দারিদ্রতা হঠাৎই থাবা বসিয়েছিল শ্রফ পরিবারে। কোনও নোটিশ না দিয়েই। আসলে সেই সালে কাইজাদ ওস্তাদের ‘ বুম ‘ ছবিটি প্রযোজনা করেছিলেন টাইগারের মা অনিতা শ্রফ। বলাই বাহুল্য সঙ্গে ছিলেন বাবা জ্যাকি শ্রফও। ছবিতে অমিতাভ বচ্চন এবং পদ্মালক্ষীর মতো আন্তর্জাতিক সুপারমডেল থাকা সত্ত্বেও বিগ বাজেটের এই ছবি সশব্দে মুখ থুবড়ে পড়ে বক্স অফিসে। যার মাশুল গুনতে হয় শ্রফ পরিবারকে।

টাইগারের বলেন, ‘ সেই সময় বাড়ির একের পর এক দামি দামি আসবাবপত্র বিক্রি হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। ফাঁকা হতে থাকতো ঘর। শেষপর্যন্ত এমন একটা দিন এসেছিল যেদিন আমার খাটটা পর্যন্ত বিক্রি করে দিতে হয়েছিল। কারণ উপায় ছিল না। মেঝেতে শুয়ে কাটিয়েছি দিনের পর দিন। আমাদের জীবনের সবথেকে খারাপ সময় ছিল সেটা !’

এরপরেই টাইগার জানান কীভাবে এই ঘটনার স্মৃতি তাঁকে পরবর্তীকালে তাঁর ক্যারিয়ারে সাহায্য করেছিল। সফল হওয়ার আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছিল। ধীরে ধীরে অ্যাকশন হিরো থেকে ‘ বাগী ‘ হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। টাইগার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা স্টুডেন্ট অব দি ইয়ার-টু। বর্তমানে বাঘি-থ্রি সিনেমার শুটিং করছেন তিনি। এছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় এ অভিনেতার ওয়ার সিনেমাটি।

আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

0

আইসিসি নারী টি-২০ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ দল। প্রথম সেমিফাইনালে আজ আয়ারল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ নারী দল। এ জয়ে ২০২০ নারী টি-২০ বিশ্বকাপে খেলাও নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ। ডান্ডিতে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমেই বাংলাদেশের নারীদের বোলিং তোপে পড়ে আইরিশরা। দলীয় ৫ রান তুলতেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে আয়ারল্যান্ড।

মাত্র তিন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের কোট স্পর্শ করতে সক্ষম হন। অধিনায়ক লরা ডেলানি ও এইমার রিচার্ডসন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করে করেন। তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করে ১০ রান করেন ওরলা প্রেন্ডারগান্ট। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে সবক’টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৫ রান করতে সক্ষম হয় দলটি।

বাংলাদেশের পক্ষে ৪ ওভারে ১৮ রানে তিন উইকেট শিকার করেন ফাহিমা খাতুন। এছাড়া জাহানারা, সালমা,নাহিদা ও রিতু মনি শিকার করেন একটি করে উইকেট।

জয়ের জন্য ৮৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা অবশ্য বাংলাদেশ দলেরও খুব বেশি ভালো হয়নি। ওপেনার মুরশিদা ১৩, আরেক ওপেনার আয়শা রহমান ৭ ও তিন নম্বরে নামা নিগার সুলতানা ১ রান করে আউট হলে দলীয় ২৫ রানেই তিন উইকেট হারায় দল। তবে ৩৭ বলে তিন বাউন্ডারিতে সানজিদা ইসলামের অপরাজিত ৩২, রিতু মনির ১৫ এবং শেষ দিকে জাহানারা আলমের অপরাজিত ৯ বলে ৬ রান এবং ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হন বাংলাদেশ নারী দলের।

১১ রানে ২ উইকেট নেন আইরিশ কন্যা প্রেন্ডারগান্ট। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ দলের সানজিদা।

মেসির হাতেই উঠছে ব্যালন ডি’অর?

0

আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর মিলানে অপেরা হাউজ লা স্কালায় ‘দ্য বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। আর এই বছরের বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার পাওয়ার দৌড়ে আছেন দুই সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং লিওনেল মেসি।

এদিকে রোনালদো ও মেসি দু’জনই পাঁচটি ব্যালন ডি’অর ঘরে তুলেছেন। চলতি বছরেও এ দুই খোলোয়াড়ের হাতে ফিফার বর্ষসেরা পুরস্কার উঠতে পারে। মিররের এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে। পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বলা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত মেসির হাতে উঠতে পারে ফিফার এ পুরস্কার।

মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিফা’র এবারের মৌসুমের একটি পরিসংখ্যান ফাঁস হয়েছে। সেখানে দেখা যায় মেসির রেটিং ৯৪/১০০। আর রোনালদোর রেটিং মাত্র ৯৩। সবমিলিয়ে ব্যালন ডি’অর জয়ের ক্ষেত্রে রোনালদোর চেয়ে এগিয়ে আছেন তিনিই।

মেসি গত মৌসুমে বার্সার জার্সিতে ৫০টি ম্যাচ খেলে ৫১ গোল করেছেন। তার পারফরম্যান্সে ভর করেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো লা লিগার শিরোপা ঘরে তুলেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে গত মৌসুমে জুভেন্টাসের হয়ে ৪৩ ম্যাচে মাত্র ২৮ গোল করেন রোনালদো।

তাহলে কি আসলেই মেসির হাতে উঠতে যাচ্ছে এ বছরের ব্যালন ডি’অর? পরিসংখ্যান অনুযায়ী ব্যালন ডি’অর পেতে যাচ্ছেন মেসিই। তবে এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

শিক্ষক দিবসে গুরু আচারেকরকে শচীনের শ্রদ্ধা নিবেদন

0

ভারতে উদযাপিত হচ্ছে শিক্ষক দিবস। শিক্ষক দিবস হিসেবে দেশটির প্রথম উপরাষ্ট্রপতি ও দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের জন্মদিনটাই বেছে নেওয়া হয়। ভারতে গুরু-শিষ্য়র কথা বললে প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে রমাকান্ত আচারেকর ও শচীন টেন্ডুলকারের কথা। শিক্ষক আচারেকর স্য়ারের জন্য়ই ক্রিকেট বিশ্ব পেয়েছে শচীনকে। এ কথা সবারই জানা।

শচীন সবসময়ই তাঁর জীবনে আচারেকরের অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। চলতি বছর ৩ জানুয়ারি আচারেকর মারা যান। ৮৬ বছর বয়সে মারা যান ক্রিকেট ঈশ্বরের দ্রোণাচার্য। আচরেকরের জীবদ্দশায় শচীন বরাবরই শিক্ষক দিবসে তাঁর বাড়িতে গিয়ে আশীর্বাদ নিয়ে এসেছেন। কিন্তু এখন এই বিশেষ দিনে আচরেকরের স্মৃতি রোমন্থন করেন শচীন । এদিনও তার ব্য়াতিক্রম হলো না।

বৃহস্পতিবার শচীন টুইটারে লিখেছেন, শিক্ষকরা শুধুই আমাদের শিক্ষা দেন না। তাঁরা মূল্য়বোধ তৈরি করে দেন। আচারেকর স্য়ার আমাকে মাঠে ও জীবনে স্ট্রেইট ব্য়াটেই খেলতে শিখিয়ে ছিলেন। আমার জীবনে তাঁর অপরিমেয় অবদান রয়েছে। যার জন্য় আমি আজীবন তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। তাঁর শিক্ষা আজও আমাকে পথ দেখাচ্ছে।

সাবেক স্ত্রীর বাসায় প্রেমিকাকে নিয়ে হাজির অর্জুন রামপাল

0

তৃতীয় সন্তানের বাবা হয়েছেন ৪৬ বছরের অর্জুন রামপাল ৷ বান্ধবী গ্যাব্রিয়েলার সঙ্গেই এখন থাকছেন অর্জুন ৷ ২০ বছরের বিবাহিত জীবন ভেঙে গিয়েছে ৷ ১৯৯৮ সালে বিয়ে করেছিলেন জনপ্রিয় মডেল মেহর জেসিয়াকে ৷ তাঁদের দু’টি কন্যা সন্তানও রয়েছে ৷ এরপর ২০১৭-তে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় মেহর-অর্জুনের ৷

সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে ক্রমশ ৷ বিচ্ছেদের পরেও মেহর-অর্জুন সহজ হতে পারেননি একে অপরের কাছে ৷ এড়িয়েই চলতেন বরাবর ৷ তবে এবার গণেশ পুজোয় প্রাক্তন স্ত্রীর বাড়িতে উপস্থিত হলেন অর্জুন রামপাল ৷ সঙ্গে ছিলেন বান্ধবী ও সদ্যোজাত পুত্রসন্তান ।

যদিও এই যাতায়াত পুরোটাই হয়েছে অত্যন্ত গোপনে ৷ তবে জানা গেছে, মেহরের বাড়িতে গিয়ে পূজা শেষ করেই ফিরে এসেছিলেন গ্যাব্রিয়েলা ৷ দুই মেয়ে মায়রা আর মাহিকার সঙ্গে সময় কাটাতে থেকে গিয়েছিলেন অর্জুন ৷ পূজার প্রসাদ খেয়ে তবে বাড়ি ফেরেন তিনি ৷

বিচ্ছেদের পর অর্জুন-মেহরের সম্পর্ক বিষাক্ত হয়ে গেলেও এখন ফের তা কিছুটা সহজ হতে শুরু করেছে ৷ এক সময় ব্যান্দ্রার পালি হিলসে অর্জুনের বোন কোমল রামপালের বিউটি স্যাঁলো উদ্বোধনেও হাজির হননি মেহর।

বান্ধবী গ্যাবরিয়েলাকে নিয়ে অর্জুন রামপাল কোমল রামপালের বিউটি স্যাঁলো উদ্বোধনে হাজির হন বলেই, ওই অনুষ্ঠান মেহর এড়িয়ে যান বলে জানা যায়। তবে বাবা-মায়ের সম্পর্ক ঠিক করতে এরপর আসরে নামেন অর্জুন-মেহরের বড় মেয়ে মাহিকা। তাঁর উদ্যোগেই প্রাক্তন দম্পতির মধ্যে ক্রমশ সম্পর্কের একটু একটু করে উন্নতি হতে শুরু করে বলে খবর।

শুরু হলো ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৯’ রেজিস্ট্রেশন

0

আজ থেকে শুরু হলো ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৯’ রেজিস্ট্রেশন। এবারও বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো সুন্দরী খুঁজে বের করার প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

আগামী রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। এবার বাংলাদেশ থেকে আয়োজনটির দায়িত্বে আছেন অমিকন এন্টারটেইনমেন্ট।

ক’দিন পর ওই প্রতিযোগীরাই আমার সহকর্মী হবে, আমি কেন অপমান করবো তাদের?

0

আমি কেন অপমান করবো প্রতিযোগিদের? আজ আমি যাদের বিচারক হয়ে এসেছি কাল তারা আমার সহকর্মী হবে। এক্ষেত্রে আমি কেন তাদের অপমান করবো- এতোটা বোকামি আমি কীভাবে করতে পারি?

কথাগুলো বলছিলেন কে হবেন মাসুদ রানার একজন বিচারক শবনম ফারিয়া। বুধবার রাতে কালের কণ্ঠের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, ‘সেখানে সব বিচারক একা আমিই ছিলাম না, আমি শুধু ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি আমি কাউকে অপমান করিনি। আপনারা ভিডিওগুলো খেয়াল করলে বিষয়টি ধরতে পারবেন। এক শ্রেণি শুধু স্টিল ইমেজ ছড়িয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে সবাইকে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে। আমি বলবো আপনারা বোঝার চেষ্টা করুন, আসলে কী ঘটেছে।’

শবনম ফারিয়া সংশ্লিষ্ট প্রশ্নই করেছেন দাবি করে বলেন, ‘আমার প্রশ্ন ছিল মাসুদ রানা নিয়ে। মাসুদ রানা নিয়ে তাদের ভিজুয়ালাইজেশন কী, মাসুদ রানাকে তারা আত্মস্থ কতটুকু করতে পেরেছে। মাসুদ রানা সিরিজের কয়টা বই পড়া হয়েছে। মাসুদ রানা সিরিজের মাসুদ রানা ছাড়া কোনো কোন চরিত্র ভালো লেগেছে, কেন ভালো লেগেছে, ইত্যাদি। আমি ওভার-অল বেশিরভাগ মাসুদ রানাকে নিয়েই ও পড়াশোনা নিয়ে প্রশ্ন করেছি।’

জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রসঙ্গ ক্রমে অন্য প্রশ্ন করেছি। তবে আমি মনে করি না যে সেটা মাত্রা ছাড়িয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু ব্যক্তি যারা একদমই অপরিচিত আমার, এরা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। হয়রানি করে আমার ব্যক্তিগত জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে। বাধ্য হয়ে আমি সাধারণ ডায়েরি করেছি। এরা আমার নম্বর ছড়িয়ে দিয়েছে ফেসবুকে। যার ফলে ক্রমাগত ফোন আসছিল আমার। তারা কি এতোটুকু বোঝে না, আমি একটি পরিবারে বাস করি, আমার একটি জীবন আছে?’

শবনম ফারিয়া বলেন, আমি তো কোনো প্রতিযোগিকে এমন কোনো প্রশ্ন করিনি, এমন কোনো আচরণ করিনি যে তার ব্যক্তিগত জীবনে সে ক্ষতিগ্রস্থ। এমন তো কেউ বলতে পারবে না। আর এটা আমি করতে পারবো না। আমার একটা এক্সেপটেন্স (গ্রহণযোগ্যতা) আছে। সেটা আমি যেচে নষ্ট করবো কেন? আমি বলবো না যে বিচারকার্য ঠিক হয়েছে। আমি মানছি কোনো কোনো বিচারক অনুষ্ঠান কর্তাদের নির্দেশনা রাখতে গিয়ে বেশি করে ফেলেছেন। যেটা আমাদের দেশের, আমাদের সমাজের মানুষদের গ্রহণ করার মতো মানসিক শক্তি তৈরি হয়নি। যেটা হয়নি, সেটা করাও ঠিক হয়নি। নির্দেশনা ছিল মাসুদ রানার জন্য ‘মেন্টাল স্ট্রেংথ’ যাচাই করতে হবে। কিন্তু এটা করতে গিয়ে এমন কাণ্ড কারখানা হয়ে যাবে তা ভাবিনি।

এদিকে, মাসুদ রানার প্রকল্পের অধিকর্তা ইবনে হাসান খান বলছেন, ‘পুরো বাছাই পর্বটি ছিল সাজানো। তিনি বলছেন, ‘প্রথমেই বলে নেই, এই বিচারকদের কোনো দোষ নেই। তারা প্রত্যেকেই একটি পরিকল্পিত স্ক্রিপ্টের মধ্যে (চিত্রনাট্য) থেকেই কথা বলেছেন। প্রতিযোগীদের সঙ্গে কোনো দুর্ব্যবহার করা হয়নি। কারণ, এখনও পর্যন্ত কোনো সাংবাদিক কিংবা গণমাধ্যমের কাছে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া কোনো ছেলে অভিযোগ দেয়নি। তো এই অভিযোগটা কোথা থেকে আসলো? এটা এসেছে ফেসবুক থেকে।’

ইবনে হাসান গণমাধ্যমকে বলছেন, ‘বাছাই পর্বে যা দেখেছেন, তার পুরোটাই ছিল সাজানো, চিত্রনাট্য নির্ভর। এই প্রকল্প অধিকর্তা হিসেবে বলছি, পুরোটাই চ্যানেল আইয়ের ক্রিয়েটিভ টিম, ইউনিলিভারের ক্রিয়েটিভ টিম, অ্যাডকম ক্রিয়েটিভ টিম থেকে সাজানো হয়েছে। বিচারক যারা ছিলেন তাদের উপর দ্বায় চাপানো বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। যারা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে যদি নির্দিষ্টভাবে কোনো অভিযোগ আসে, প্রকল্প অধিকর্তা হিসেবে আমি অবশ্যই যা করণীয় হবে সেই ব্যবস্থা নেব। তারা তো কেউ বলছে না যে তারা অপমানিত হয়েছেন, অস্বস্তিবোধ করেছেন! এমন কোনো অভিযোগই তো আমি পাইনি।’

সম্প্রতি কে হবেন মাসুদ রানার বিভিন্ন এপিসোডের ভিডিও ক্লিপস সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই শুরু হয় বিচারকদের সমালোচনা।

সরকারের সাড়ে তিন লাখ শূন্য পদে শিগগির নিয়োগ

0

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে প্রায় সাড়ে তিন লাখ পদ শূন্য রয়েছে। তীব্র জনবল সঙ্কটে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। এ সঙ্কট থেকে শিগগিরই বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজছে সরকার।

জানা গেছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সচিব সভায় খালি থাকা ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের পদে জরুরি জনবল নিয়োগের বিষয়টি তোলা হয়। সভায় জনবল সংকটের কথা উঠলে বিকল্প কমিশন গঠনের প্রস্তাব আসে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ ব্যাপারে গণমাধ্যমকে বলেছেন, গ্রেডগুলোর বিদ্যমান শূন্য পদ পূরণের আলাদা কমিশন গঠন করা যায় কি না, সে বিষয়ে বিধিবিধান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটি ধারণাপত্র তৈরির করা হবে। এ জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিবকে (সমন্বয় ও সংস্কার) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ১১ থেকে ২০তম গ্রেডেই বেশি পদ শূন্য রয়েছে। এমন অনেক পদ রয়েছে যেগুলোতে লিখিত পরীক্ষার দরকার হয় না। সেগুলোতে শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমেই জনবল নিয়োগ দেওয়া সম্ভব বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, বর্তমানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সাড়ে ১৩ লাখ পদ রয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০০৯ সালেও শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ দিতে একাধিক কমিশন করার কথা ওঠে। তবে শেষ পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও শিক্ষক নিয়োগে আলাদা কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

সম্প্রতি সচিব সভায় আলাদা কমিশন গঠন করা ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থার শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া দাপ্তরিক কাজে আরও গতি আনতে ই-নথি কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

জুরাইনে ঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে জখম

0

রাজধানীর জুরাইনে ঘরে ঢুকে রুমা আক্তার নামে এক তরুণীকে কুপিয়ে জখম করেছে তিন দুর্বৃত্ত। এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে মাকেও গুরুতর জখম করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জুরাইন মেডিকেল রোডের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- মমতাজ বেগম (৪০) ও তার মেয়ে রুমা আক্তার (১৯)। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কদমতলী থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আটক করা হয়েছে একজনকে। ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
আহত রুমার চাচাতো ভাই জাকির হোসেন জানান, রুমার বাবা কনফেকশনারি ব্যবসায়ী রব ব্যাপারী পরিবার নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন। তার দোকানেই শহিদুল নামে (২৫) এক ব্যক্তি কাজ করতেন।
দোকানে হিসাবে গড়মিলের ঘটনায় কিছু দিন আগে শহিদুলকে দোকান থেকে বের করে দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে শহিদুলসহ তিন যুবক ঘরে ঢুকে প্রথমে রুমাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।
এ সময় রুমার মা (মমতাজ বেগম) এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। তবে কী কারণে শহিদুল ও তার সহযোগীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি জাকির।

ফের রাজপথে সক্রিয় হচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট, ডিসেম্বরে ঢাকায় মহাসমাবেশ

0

আন্দোলন ও দ্রুত নতুন নির্বাচনের লক্ষ্যে ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’ গঠনের উদ্যোগ, বিভাগীয় শহরেও সমাবেশের পরিকল্পনা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ধাক্কা সামলিয়ে ফের রাজপথে সক্রিয় হচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে নতুন নির্বাচনের দাবিতে শিগগিরই মাঠে দেখা যাবে এ ফ্রন্টের নেতাকর্মীদের। নির্বাচনের প্রথম বর্ষপূর্তি সামনে রেখে রাজধানীতে বড় ধরনের মহাসমাবেশ করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। ২৯ অথবা ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ সমাবেশ করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এতে ব্যাপক শোডাউনের মাধ্যমে রাজপথে তাদের উপস্থিতি জানান দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহরগুলোতেও পর্যায়ক্রমে সমাবেশ করবেন বলে জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।

তারা আরও জানান, রাজপথে সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’ গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছেন বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। মূলত দুটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে এ ঐক্য গড়ে তোলা হবে। প্রথমত ডান-বাম ও ইসলামপন্থি সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলন এবং দ্বিতীয়ত একই প্ল্যাটফর্ম থেকে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি নতুন নির্বাচনের দাবি।

জানতে চাইলে গণস্বাস্থের প্রতিষ্ঠাতা ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ব্যাপারে বিএনপিকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা এতদিন নাড়াচাড়া না করলেও সম্প্রতি এ ব্যাপারে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করছে। ফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের সঙ্গেও আমি বৈঠক করেছি। তাদেরও এ ব্যাপারে আগ্রহ আছে। এবার বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হবে বলে আমি আশাবাদী। একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র তৈরিতে ডান-বাম সব রাজনৈতিক দল একই পতাকাতলে আসবে। কারণ, এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আসলে নেতৃত্বের বিষয়টি এখানে মুখ্য নয়। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যটাই আসল। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে ড. কামাল হোসেন থাকলেও এটা বলতে দ্বিধা নেই এর মূল ‘স্টেকহোল্ডার (অংশীজন)’ বিএনপি। সবকিছুই তো বিএনপির হাতে।

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট রাজপথে নামতে উদগ্রীব। জাতীয় নির্বাচনের বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে আমরা বড় আকারে রাজপথে নামার চিন্তাভাবনা করছি। ডিসেম্বরে রাজধানীতে সমাবেশের ব্যাপারে আলোচনা চলছে। সেই সমাবেশ হবে বলে আমি আশাবাদী।

সূত্র জানায়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের শরিকদের রেখে ডান, বাম ও ইসলামী দলগুলোকে নিয়ে এ ঐক্য গড়ে তোলা হবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি দলের নেতাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। দলগুলোর কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের। বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের লক্ষ্যে শিগগিরই জোট ও ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে বসবেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

এসব বৈঠকে বৃহত্তর ঐক্যের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ও করণীয় সম্পর্কে সবার মতামত নেয়া হবে। তাদের মতামত পাওয়ার পরই সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক আলোচনা। পাশাপাশি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের সম্ভাব্য রূপরেখা তৈরি করা হবে। তবে কোন প্রক্রিয়ায় বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য হবে, নেতৃত্বে কে থাকবে, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি হবে- তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি।

বিএনপির তিনজন নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে প্রায় একই ধরনের তথ্য দিয়ে বলেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি তাদের প্রধান দাবি। অন্যান্য দলগুলোও চায় খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হোক। কিন্তু এ দাবিতে ওইসব দল আন্দোলন কর্মসূচি পালনে ততটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ নাও করতে পারে। তাছাড়া এ নিয়ে নানা মহলে নেতিবাচক আলোচনাও হতে পারে। এমন বাস্তবতা মেনে নিয়ে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ব্যানারে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নেতাকর্মীদের নামে মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি মূল দাবি নাও থাকতে পারে।

বিএনপি আপাতত দেশে ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সরকারের বিপক্ষে থাকা সব রাজনৈতিক দলকে এক পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনের একটি প্রক্রিয়া নিয়ে এগোচ্ছেন বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। শুরুতে জোট ও ফ্রন্টের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামা হবে। আগামী মাস থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তারা রাজপথে সক্রিয় হতে চান। ডিসেম্বরে বড় ধরনের শোডাউনের মাধ্যমে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড তুলে ধরে নতুন নির্বাচনের দাবিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামবে তারা। অন্যান্য দলকেও একই ইস্যুতে যুগপৎ কর্মসূচি পালন করার উদ্যোগ নেয়া হবে।

সবার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকবে সরকারবিরোধী জনমত তৈরি। এভাবে তারা পৃথক কর্মসূচি পালন করে যাবে। এরপর সময়-সুযোগ মতো সব দল মিলে ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট’ নামে একটি জোট বা প্ল্যার্টফর্ম তৈরি করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। সেই প্ল্যাটফর্ম থেকেই নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি তোলা হবে।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ মুহূর্তে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য প্রয়োজন বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য। এ লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা চাই একটা জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হোক। কোনো দলকে আমরা আলাদা করে ভাবছি না। রাজনীতিতে সুস্থ ধারা আনতে হলে আওয়ামী লীগের অপশাসনের বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে সোচ্চার হতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা জোট ও ফ্রন্ট দুটোকেই রাখতে চাই, এমনকি তারা আছেও। এর পরিধি আরও বাড়ানো দরকার।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সরকারবিরোধী একটা জনমত তৈরি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। দেশের প্রতিটি মানুষ এবং গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক যেসব দল রয়েছে তাদেরও দাবি একই। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এক থাকলে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য সৃষ্টিতে কোনো প্রতিবন্ধকতা হবে বলে আমি মনে করি না। বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা করে নানা কারণে যারা জোট ও ফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে গেছেন তারাও ফিরে আসতে পারেন বলে জানান ফখরুল।

বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, সরকারের বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তারা যোগাযোগ করছেন। সবাই মোটামুটি ইতিবাচক।

তিনি বলেন, এ মুহূর্তে ফ্রন্টের নেতারা নিজ নিজ দল গোছাতে ব্যস্ত। আশা করি দ্রুতই জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সক্রিয় হবে। আগামী মাস থেকেই ঐক্যফ্রন্টের কর্মকাণ্ড আরও দৃশ্যমান হবে। সুব্রত চৌধুরী বলেন, ৩০ ডিসেম্বর এদেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনাসহ জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট দাবি নিয়ে আমরা সোচ্চার হব। ডিসেম্বরে রাজধানীতে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বড় ধরনের সমাবেশের চিন্তাভাবনা রয়েছে। আমরা কাজও শুরু করেছি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনের উদ্যোগ নেয় বিএনপি। ডান, বাম এমনকি ইসলামী দলগুলোর সঙ্গেও তারা দফায় দফায় বৈঠক করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম, আ স ম আবদুর রবের জেএসডি, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করে বিএনপি। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড. কামাল হোসেন। নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে কাদের সিদ্দিকী ইতিমধ্যে ফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে গেছেন।