Home Blog Page 3550

৩২ লাখ মামলার ভারে বিচার ব্যবস্থা জর্জরিত

0

অপেক্ষমাণ মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে চাপ কমানোর চেষ্টা চললেও নতুন মামলার কারণে তা হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘৩২ লাখ মামলার ভারে বিচার ব্যবস্থা জর্জরিত। এই চাপ বিচারকদের ওপরও আছে। সরকার এ বিষয়ে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল। মামলাজট কমাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে। আমরা মামলাজট পদ্ধতিগতভাবে নিরসন করতে চেয়েছি।’

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) জাস্টিস রিফর্ম অ্যান্ড করাপশন প্রিভেনশন (জেআরসিপি) প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ন্যাশনাল জাস্টিস অডিট বাংলাদেশ: ফলাফল উপস্থাপন ও আলোচনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইন ও বিচার বিভাগ ও জিআইজেড বাংলাদেশের রুল অব ল প্রোগ্রামটি যৌথভাবে আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, জাস্টিস অডিট মতে, ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আমাদের আদালগুলোতে মামলা নিষ্পত্তির হার বেড়েছে ১৮ শতাংশ। অপরদিকে এই তিন বছরে মামলাজট বেড়েছে ২৯ শতাংশ। এভাবেই প্রতি বছর আদালতে বিচারাধীন মামলাজট বাড়ছে।

তিনি আরও জানান, আদালত বর্তমান মামলাজট কমাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর জন্য স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ মীমাংসার মাধ্যমে নতুন মামলার অন্তর্ভুক্তি হ্রাস ও সঠিক মামলা ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তিতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় এই নিরীক্ষা (জাস্টিস অডিট) বিশ্বে প্রথম বলেও উল্লেখ করেন।

আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব ও জিআইজেড বাংলাদেশ সংক্রান্ত প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক উম্মে কুলসুম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জার্মানির ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর বুর্কহার্ড দুকফ্রে, জার্মান সরকারের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেডের টিম লিডার সৈয়দ জিয়াউল হাসান, প্রকল্প ব্যবস্থাপক এটিএম মোর্শেদ আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জিআইজেড বাংলাদেশের রুল অব ল প্রোগ্রামের প্রধান প্রমিথা সেনগুপ্ত মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে ন্যাশনাল জাস্টিস অডিট কী এবং জাস্টিস অডিট সম্পাদনের পটভূমি ব্যাখ্যা করেন।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, মামলার দীর্ঘসূত্রিতা, মামলাজট, কারাগারের বন্দি সংখ্যা হ্রাস সর্বোপরি বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নে জাস্টিস অডিট একটি কৌশল বা পলিসি টুল হিসেবে কাজ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তা, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সুপ্রিম কোর্ট ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

তিন বিচারপতির বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির: অ্যাটর্নি জেনারেল

0

সাময়িক অব্যাহতি পাওয়া তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মাহবুবে আলম বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আলোচনা করেই তিন বিচারপতিতে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এই তিন বিচারপতি হলেন বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজাউল হক এবং বিচারপতি একেএম জহুরুল হক।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘বিচার বিভাগকে সঠিক রাস্তায় রাখার প্রাথমিক দায়িত্ব রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির। বিচার বিভাগকে কলুষমুক্ত করতে যা যা করা দরকার তা তাদের করা উচিত।’ এই ধরনের পদক্ষেপ অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই আইন কর্মকর্তা বলেন, আইনজীবীরা চান, সব বিচারপতি বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকুক। আমরা অনেক আগে থেকেই বলে আসছি। বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষায় ও একে কলুষমুক্ত করতে বারের (আইনজীবী সমিতি) অধিকাংশ সদস্য দাবি করে আসছিলেন।
তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়টি কীভাবে পরিচালিত হবে জানতে চাইলে মাহবুবে আলম বলেন, প্রধান বিচারপতি ও রাষ্ট্রপতি অনুসন্ধানের বিষয়ে ঠিক করবেন। বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষায় তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে এ ধরনের ঘটনা আগে ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় সাংবাদিকরা জানতে চান, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে অনুসন্ধান হবে কিনা। মাহবুবে আলম বলেন, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল নিয়ে রিভিউ (রায় পুনর্বিবেচনা) ফাইল করে রেখেছি। তবে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল থাকলেও প্রধান বিচারপতি তার জুনিয়র তিনজন বিচারপতিকে নিয়ে এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাতেন।
তবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এই তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ জনসম্মুখে প্রকাশ করা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তির জন্য শুভ হবে না।’
মাহবুবে আলম বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কোনও মন্ত্রী, বিচারপতি বা সাধারণ মানুষ থাকতে পারে না। এই পদক্ষেপের ফলে যারা নিজেদের সঠিক পথে পরিচালনা করছেন না তাদের কাছে একটি ইঙ্গিত (বার্তা) যাবে বলে মনে করেন তিনি।

আবারও ভেস্তে গেলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া

0

নানা প্রস্তুতি থাকা স্বত্বেও রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরতে রাজি না হওয়ায় প্রত্যাবাসন হয়নি। এজন্য পিছিয়েছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া।বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কোন রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে যেতে রাজি না হওয়ায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তবে, হতাশ না হয়ে এই চলমান প্রক্রিয়াটি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের বহনের জন্য ৫টি বাস ও ৩টি ট্রাক অবস্থান করলেও কেউ যেতে রাজি না হওয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো পেছালো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন।

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছিল। এজন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্প, কেরণতলী ট্রানজিট ক্যাম্প ও নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুম ট্রানজিট ক্যাম্পসহ সব ধরণের প্রস্তুতিও নেয়া হয়। প্রস্তুত রাখা হয়েছিল বাস, ট্রাক ও অন্যান্য সব সুবিধা। প্রত্যাবাসনের সময় নেয়া হয়েছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। তবে, কোনও রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যেতে রাজি হয়নি।

বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ২৯০ রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম জানান, “সাক্ষাৎকার দেওয়া রোহিঙ্গাদের কেউই মিয়ানমারে যাবেন না বলে

জানিয়েছে। তবে আমরা এই চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখব। যাতে রোহিঙ্গারা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তাদের দেশে ফিরে যায়।”

মোহাম্মদ আবুল কালাম আরও জানান, “মিয়ানমার সরকারের দেওয়া ছাড়পত্র অনুযায়ী এক হাজার ৩৭টি পরিবারের মোট তিন হাজার ৫৪০ জনকে ফেরত নেওয়ার প্রথম তালিকাটি দেওয়া হয়েছে। আমরা সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। প্রত্যাবাসনের প্রস্ততি হিসেবে টেকনাফের কেরণতলী থেকে উখিয়া হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুম এলাকা পর্যন্ত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবিসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুত ছিল কিন্তু শেষপর্যন্ত প্রত্যাবাসন হয়নি।”

এদিকে, একইদিন দুপুরে রোহিঙ্গাদের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের ফিরে না যাওয়ার বিষয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন টেকনাফ উপজেলার শালবাগান ২৬ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চেয়ারম্যান বজলুর ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, “আমাদের নাগরিকত্বসহ দাবিকৃত ৫টি শর্ত না মানলে কিছুতেই মিয়ানমার ফিরে যাবো না। আগে রাখাইনে বন্দি রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিয়ে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাই। কারণ, রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সরকারকে আমরা বিশ্বস করি না।”

তিনি বলেন, “আমরা রাখাইনে ফিরতে চাই, তবে ফিরে যাওয়ার মত পরিস্থিতি এখনও রাখাইনে সৃষ্টি হয়নি। মিয়ানমার সরকার এখনও মুসলিম রোহিঙ্গাদের উপর নানা ভাবে নির্যাতন করছে। এই অবস্থায় রাখাইনে যাওয়া মানে পুনরায় বিপদ ডেকে আনা। তাই আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতায় মিয়ানমার সরকারকে চাপে ফেলে আমাদের অধিকার ও শর্তগুলো আদায় করা হউক। তাহলে আমরা মিয়ানমার ফিরবো।”

রোহিঙ্গাদেরকে প্ররোচনা দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

0

আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদেরকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশেই থেকে যাওয়ার জন্য প্ররোচনা দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে থাকার জন্য যারা প্ররোচনা দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন এসব কথা বলেন।।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের থাকার জন্য অনেকেই প্ররোচনা চালাচ্ছেন। লিফলেট বিতরণ করছেন। ইংরেজিতে প্ল্যাকার্ড লিখে দিচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আমরা আশাবাদী। বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় আছে। আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে,’ যোগ করেন ড. মোমেন।

দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের তিন বিচারপতিকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি

0

সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত কার্যতালিকায় অন্য বিচারপতিদের নাম ও বেঞ্চ নম্বর উল্লেখ থাকলেও তিন বিচারপতির নাম রাখা হয়নি। এই তিন বিচারপতি হলেন—বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজাউল হক এবং বিচারপতি একেএম জহুরুল হক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এই তিন বিচারপতিকে আপাতত তাদের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এ কারণে বৃহস্পতিবারের (২২ আগস্ট) কার্যতালিকায় তাদের নাম রাখা হয়নি।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের কয়েকটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে কোন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, এর আগে ১৬ মে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিম্ন আদালতের মামলায় হস্তক্ষেপ করে ডিক্রি পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহুরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চের বিরুদ্ধে।

ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ সংক্রান্ত এক রিট মামলায় অবৈধ হস্তক্ষেপ করে ডিক্রি জারির মাধ্যমে হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ রায় পাল্টে দেন বলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে অভিযোগ তুলেছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট অর্থ ঋণ আদালতের (নিম্ন আদালত) মামলাটির সব ডিক্রি ও আদেশ বাতিল ঘোষণা করেছিলেন।

তবে এ অভিযোগে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহুরুল হককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। একইভাবে বিচারপতি কাজী রেজাউল হকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়েও মন্তব্য করা থেকে বিরত রয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘হাইকোর্টের তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্তের বিষয়টি শুনেছি। তবে এটা প্রধান বিচারপতি ও রাষ্ট্রপতির বিষয়। তাই আপাতত এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’

গ্রেনেড হামলার দায় খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না : তথ্যমন্ত্রী

0

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে তৎকালীন বিরোধী দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় গ্রেনেড হামলার দায় বেগম খালেদা জিয়ারও রয়েছে। তিনি এ হামলার দায় এড়াতে পারেন না’।

‘বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্ঞাতসারে তার পুত্রের পরিচালনায় এ হামলা হয়েছে’ উল্লেখ করে গ্রেনেড হামলার ৪০টি স্প্রিন্টার শরীরে বয়ে নিয়ে চলা তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতে দেয়া কর্মকর্তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তৎকালিন ডিজিএফআই তদন্ত করতে চাইলে তাদেরকে ধমক দেন বেগম জিয়া। সেকারণে এ হামলায় তারও দায় রয়েছে, যা তিনি এড়াতে পারেননা।’

হাছান মাহমুদ আজ সকালে ঢাকায় ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে গ্রেনেড হামলার স্মারকবেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘একুশে আগস্টের নৃশংস গ্রেনেড হামলা শুধু মর্মান্তিকই নয়, জাতির জীবনে এক ন্যাক্কারজনক ঘটনা। কারণ তৎকালীন বিএনপি সরকার এ নৃশংস হামলার তদন্ত ও বিচারে পদে পদে বাধা দিয়েছে। এমনকি আহতদের উদ্ধারকারীদের ওপরই ছিল পুলিশের লাঠিচার্জ। হামলার বিষয়ে সাজানো তদন্তে জগাখিচুড়ি রিপোর্টে সেসময় বলা হয়, ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’ এই হামলায় জড়িত, বিচারে সাজানো হয় ‘জজ মিয়া’ নাটক।’

মন্ত্রী এসময় গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আহতদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে বলেন, ‘বিএনপি-জামাতচক্র এখনো বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

এ ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে গ্রেনেড হামলার বিচারের রায় কার্যকর করতে হবে ও চক্রান্তকারীদের বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার কথা বলেন তিনি। বাসস

টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ রোহিঙ্গা নিহত

0

কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ভোরে উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকার উলুবনিয়া সংলগ্ন নাফনদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।

বিজিবির দাবি, দুজনই চিহ্নিত মাদককারবারি।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের মৃত সৈয়দ হোসেনের ছেলে মো. সাকের (২২) ও টেকনাফের মুচনী রোহিঙ্গা শিবিরের মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুরুল আলম (৩০)।

টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার জানান, বুধবার রাতে মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে কাটাখালীর নাফনদী পয়েন্টে অবস্থান নেয় টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের হোয়াইক্যং বিওপি ক্যাম্পের একটি টহল দল। কিছুক্ষণ পর কাঠের নৌকা নিয়ে কয়েকজন লোক এসে সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালালে বিজিবি তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় মাদক বহনকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করলে বিজিবির সিপাহী মতিউর রহমান (২৪) ও উজ্জ্বল হোসেন (২৬) আহত হন। পরে বিজিবি আত্মরক্ষার্থে গুলিবর্ষণ করে।

কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ৫০ হাজার ইয়াবা, ১টি দেশীয় তৈরি লম্বা বন্দুক, ২টি ধারালো কিরিচ ও ৩ রাউন্ড তাজা বুলেটসহ গুলিবিদ্ধ দুজন এবং আহত বিজিবি জওয়ানদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হয়। বিজিবি জওয়ানদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মাদক বহনকারীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাদককারবারিরা মারা যান।

এ ঘটনায় পৃথক আইনে টেকনাফ থানায় মামলা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৩

0

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নে দুই বাসের সংঘর্ষে এক চালকসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কের পুরাতন ডেনিস হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- রাজু এন্টাপ্রাইজের চালক বাবুল (২০), বাসযাত্রী পঞ্চগড় জেলার চকলাই হাট এলাকার কামরুজ্জামান বাবু (৪২) ও ঠাকুরগাঁও নারগুন এলাকার আবুল কালাম আজাদ (৩৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া দুটি বাস সালন্দর ডেনিস এলাকায় পৌঁছলে সোনার বাংলা পরিবহনের একটি বাস ওভারটেক করতে গিয়ে পেছন থেকে রাজু এন্টারপ্রাইজ নামে অপর একটি বাসকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান রাজু এন্টারপ্রাইজের চালক ও এক যাত্রী। পরে আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে আরও একজন মারা যান।

ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মফিদার রহমান দুর্ঘটনায় হতাহতের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ১১১ সুপারিশ

0

সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনতে ও দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ১১১টি সুপারিশ করেছে সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত কমিটি।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে সুপারিশমালা হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় ওবায়দুল কাদের জানান, এ প্রতিবেদনে ১১১টি সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে আশু করণীয় ৫০টি, স্বল্পমেয়াদি ৩২টি ও দীর্ঘমেয়াদি ২৯টি। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে সড়কে চলাচলের পরিবেশ, অদক্ষ চালক, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকের অসতর্কতা, সড়ক নির্মাণ প্রকৌশলগত ত্রুটি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা দফতর ও সংস্থায় দায়িত্ব পালনে অনীহা, সড়কের পাশে বসবাসরত জনগণের অসচেতনতা এসব বিষয় চিহ্নিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আজকের সভায় প্রতিবেদনটি শুধু গ্রহণ করলাম। কোনো সিদ্ধান্ত দেইনি। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের ২৭তম সভা হবে বিআরটিও ভবনে। ওই সভায় ওই সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি শক্তিশালী টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। ওই টাস্কফোর্সই এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন শুরু করবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এই কমিটির সুপারিশ ও সড়ক পরিবহন আইন আমরা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে চাই। সাধারণত কমিটি গঠনের পর রিপোর্ট আলোর মুখ দেখে না। এই রিপোর্টটি তার ব্যতিক্রম।’

এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘সড়ক পরিবহন আইনের বিধিমালা তৈরিতে কাজ করছে আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ মুহূর্তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের বাইরে আছেন। তিনি আগামীকাল দেশে ফিরবেন। ফিরে তিনি এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন।’

সড়ক পরিবহন আইনের কিছু ধারা নিয়ে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের আপত্তি ছিল, এগুলো পরিবর্তন হবে কিনা এই প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘আইন ঠিক রেখে সমন্বয় করার চেষ্টা করা হবে। তবে বিষয়টি যেহেতু আইন প্রণয়নের, তাই আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেখবেন। তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন।’

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খানকে প্রধান করে ১৫ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়। সড়কে শৃঙ্খলা জোরদার ও দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এই কমিটিতে পরে আর আট সদস্যকে নেওয়া হয়। কমিটি সাতটি সভা করে একটি প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে।

তৃতীয় ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

0

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে সদ্যযুক্ত উড়োজাহাজ ‘গাঙচিল বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো যাত্রী নিয়ে আকাশে উড়াল দেবে।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টারমাকে ফিতা কেটে ‘গাঙচিল’ উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উড়োজাহাজটিতে আরোহণ করেন এবং ককপিটসহ বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং পাইলট এবং ক্রুদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ উপলক্ষে দেশ ও জাতির উন্নতি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতি কামণা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহিবুল হক, বিমানের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) মুহাম্মাদ এনামুল বারী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও ক্যাপ্টেন ফরহাত হাসান জামিল স্বাগত বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, তিনবাহিনী প্রধানগণ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, বিকাল সাড়ে ৫টায় উদ্বোধনী ফ্লাইটে (বিজি-০২৭) আবুধাবির উদ্দেশে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করবে ’গাঙচিল’। ১৫তম বিমান হিসেবে তৃতীয় বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার গত ২৫ জুলাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে যুক্ত হয়। ২৫ জুলাই বিকেলে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল অবস্থিত বোয়িং ফ্যাক্টরি থেকে থেকে সরাসরি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে।

‘আকাশবীণা’ নামের প্রথম বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারটি গত বছরের আগস্টে এখানে আসে। ‘হংসবলাকা’ নামের দ্বিতীয় বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারটি আসে গত বছরের ডিসেম্বরে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০০৮ সালে মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির ১০টি নতুন বিমান ক্রয়ের জন্য ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারের একটি চুক্তি করে।

ইতোমধ্যে বহরে যুক্ত হয়েছে ৪টি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর, ২টি ৭৩৭-৮০০ এবং ৩টি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার।

‘রাজহংস’ নামের চতুর্থ ড্রিমলাইনারটি আগামী মাসে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যুক্ত হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সবকটি ড্রিমলাইনারের নামকরণ করেছেন। এগুলো হলো পালকি, অরুণ আলো, আকাশ প্রদীপ, রাঙা প্রভাত, মেঘদূত, ময়ূরপঙ্খী, আকাশবীণা, হংসবলাকা, গাংচিল ও রাজহংস।

২৭১ আসনের বোয়িং ৭৮৭-৮ গাংচিল ড্রিমলাইনারটিতে বিজনেস ক্লাস ২৪টি এবং ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস রয়েছে। বিজনেস ক্লাসের ২৪টি আসন ১৮০ ড্রিগ্রি পর্যন্ত রিক্লাইন্ড সুবিধা এবং সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে ভ্রমণ করতে পারবেন ।

এছাড়া প্রতিটি আসনের সামনে প্যানাসনিক এলইডি এস-মনিটর রয়েছে। একই সঙ্গে ড্রিমলাইনারের ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমে (আইএফই) থাকবে ১০০টির বেশি ক্ল্যাসিক থেকে ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র।

অন্য বিমানের তুলনায় ২০ শতাংশ জ্বালানি-সাশ্রয়ী করে তৈরি করা হয়েছে। এটি ঘণ্টায় গড়ে ৬৫০ মাইল বেগে বিরতিহীনভাবে ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম। অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার সমদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৩ হাজার ফুট দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময়ও ওয়াইফাই সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। যাত্রীরা ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন এবং বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে অবস্থিত বন্ধুবান্ধব ও পরিবার-পরিজনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।