Home Blog Page 3553

ক্ষমা চেয়েছেন মুসলিম ধর্মপ্রচারক জাকির নায়েক

0

মালয়েশিয়ায় স্পর্শকাতর ব্যাপারে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠার পর ক্ষমা চেয়েছেন মুসলিম ধর্মপ্রচারক জাকির নায়েক। তবে তিনি নিজে কোনো বর্ণবাদী নন এবং শান্তিকামী মানুষ বলে দাবি করেছেন।

বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে জাকির নায়েককে গতকাল সোমবার ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার তিনি এ ব্যাপারে দুঃখপ্রকাশ করেন।

এক ভিডিওবার্তায় জাকির নায়েক বলেন, কুরআনের অর্থ এটিই। বিশ্বজুড়ে শান্তি ছড়িয়ে দেওয়ায় আমার উদ্দেশ্য। যদিও আমি নিজের কথা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি। আমি মনে করি যে, এই ভুল বোঝাবুঝির কারণে যারা আহত হয়েছেন, সবার কাছে আমি ক্ষমা চাই। আমি চাই না যে, কেউ আমার প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করে রাখুক।

তিনি আরো বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে কখনো আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। এটা ইসলামের মূলনীতির বাইরে এবং এই ভুল বোঝাবুঝির জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

এর আগে জাকির নায়েক বলেছিলেন, ‘ভারতের মুসলিম সংখ্যালঘুদের চেয়ে মালয়েশিয়ার হিন্দুরা শতগুণ বেশি অধিকার ভোগ করেন। এছাড়া মালয়েশিয়ার চাইনিজরা দেশটির অতিথি হিসেবে ছিল।’ তার এই মন্তব্যের জেরে বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মালয়েশিয়ার সাতটি রাজ্যে তাকে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

সোমবার এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের একদিন পর জাকির নায়েক ক্ষমা চাইলেও বলেন, তিনি নিজে সঠিক কথাই বলেছেন। তবে তার বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে। তার ওই বক্তব্যের পুরোটা শোনার জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে নিজেকে শান্তিকামী মানুষ হিসেবেও দাবি করেন জাকির নায়েক।

এদিকে মালয়েশিয়া পুলিশ জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার প্রতিটি রাজ্যে প্রকাশ্যে বক্তব্যে দিতে তাকে নিষেধ করা হয়েছে। রয়েল মালয়েশিয়ার পুলিশের করর্পোরেট যোগাযোগ প্রধান সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার আসমাওতি আহমাদ এ ব্যাপারে বলেন, সব পুলিশ কন্টিনজেন্টকে এমন একটি নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক ঐক্য বজায় রাখতেই এ ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র : ইয়াহু ফিন্যান্স

রাজীব গান্ধি পাকিস্তানকে চাপে রাখতে হাইড্রোজেন বোমা বেছে নিয়েছিলেন

0

ভারতে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধি পাকিস্তানকে চাপে রাখতে হাইড্রোজেন বোমা বেছে নিয়েছিলেন। ১৯৮৫ সালে এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি এবং তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র গোপন দলিল থেকে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইন্দিরা গান্ধির আমলে তৈরি পরমাণু বোমার থেকে বহু শক্তিশালী ছিল ওই বোমা। এই খবর মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিগানের কাছে পৌঁছাতেই চিন্তিত হয়ে পড়েন তিনি।

সম্প্রতি সিআইএ গোপন দলিলের ওই অংশ আপলোড করেছে। এই নথিতে রয়েছে ১৯৮০-র দশকে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির বিবরণ।

সিআইএ জানিয়েছে, রাজীব গান্ধির নির্দেশে অত্যন্ত গোপনে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি ও পরমাণু কর্মসূচি চালাচ্ছিল ভারত। নিরাপত্তার এতই কড়াকড়ি ছিল যে মার্কিন গোয়েন্দাদের অনেক ঘাম ঝরাতে হয়।

আশির দশকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি। তখনই পাঞ্জাবে খালিস্তানি জঙ্গি সমস্যা তীব্র আকার নেয়। অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির চলে গিয়েছিল উগ্র ধর্মীয় সংগঠনের দখলে। সে সময় শুরু হয় অপারেশন ব্লু স্টার। জঙ্গি মুক্ত করা হয় স্বর্ণমন্দিরকে। জটিল পরিস্থিতির মধ্যেই ভারতের গোয়েন্দা বিভাগ রিপোর্ট দিয়েছিল, পাকিস্তান তার পরমাণু কর্মসূচি বিশেষ শক্তিশালী করছে। একইসঙ্গে পাঞ্জাবের খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদেরও মদত দিচ্ছিল পাকিস্তান সরকার। এ রকম পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন ইন্দিরা গান্ধি।

স্বর্ণ মন্দির অভিযানের পর খুন করা হয় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধিকে। মায়ের মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী হয়েই রাজীব গান্ধি পাকিস্তানের পরমাণু কর্মসূচির থেকে অনেক শক্তিশালী পরমাণু অস্ত্রের ভাণ্ডার তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন রাজীব গান্ধি। ১৯৮৫ সালের ৪ মার্চ তিনি বলেছিলেন, পাকিস্তান যতই তার পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করুক, ভারত এক্ষেত্রে অনেক শক্তিশালী।

কেমন ছিল রাজীব গান্ধির পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি ?

সিআইএ-এর রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারের ৩৬ জন পরমাণু বিজ্ঞানীর দলের প্রস্তুতি শেষ হয়েছিল। তাঁরা মুম্বাইয়ের কাছেই কোনও এক স্থানে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করেছিলেন। পরমাণু অস্ত্র তৈরির অন্যতম প্লুটোনিয়াম ভাণ্ডার তৈরি করা হচ্ছিল।

এসব জানতে পেরেই রাতের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের। তিনি দেরি করেননি। বিশেষ দূত পাঠিয়েছিলেন দিল্লিতে। ভারতের হাইড্রোজেন বোমা তৈরির পদক্ষেপ দক্ষিণ এশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির তীব্র প্রতিযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এই সম্ভাবনা দেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তড়িঘড়ি ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধির কাছে দূত পাঠিয়ে ছিলেন তিনি।

তবে সেই দূতের সঙ্গে দেখা করেননি তিনি। সিআইএ জানিয়েছে, পাকিস্তান-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘দোস্তি’-র কারণেই মার্কিন দূতকে পাত্তা দেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ভারত ও সোভিয়েত রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল রাজীব গান্ধির অবলম্বন।

ভারতের হাইড্রোজেন বোমা তৈরির ক্ষেত্রে সোভিয়েত রাশিয়ার (অধুনালুপ্ত) মদত ছিল কিনা সে বিষয়ে ইঙ্গিত দেয়নি সিআইএ। এদিকে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি হলেও তার পরীক্ষা করেননি রাজীব গান্ধি। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৮ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর নির্দেশে ভারত পরমাণু বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। পাকিস্তানও পাল্টা পরমাণু বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

আ. লীগের সমাবেশে ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনার ১৫ বছর পূর্ণ হবে কাল বুধবার

0

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনার ১৫ বছর পূর্ণ হবে কাল বুধবার। ২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলা হয়। এতে নিহত হন ২২ জন। আর আহত হন কয়েক শ।

ভয়াবহ এই গ্রেনেড হামলার ঘটনার মামলার শুনানি হাইকোর্টে অপেক্ষমাণ। মামলার পেপারবুক তৈরির কাজ এখনো শেষ হয়নি। কবে নাগাদ পেপারবুক তৈরির কাজ শেষ হবে তার দিনক্ষণও জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।

তবে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলার পেপারবুক তৈরির কাজ চলমান। যত দ্রুত সম্ভব পেপারবুক তৈরির কাজ সম্পন্ন হবে।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম প্রথম আলোকে বলেন, পেপারবুক তৈরির কাজ শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপক্ষ থেকে যত দ্রুত সম্ভব মামলার শুনানির ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কত দিনের মধ্যে এই মামলার শুনানি শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব না কবে শুনানি শুরু হবে। তবে পেপারবুক হলে আমি পদক্ষেপ নেব।’

ভয়াবহ এই গ্রেনেড হামলার ১৪ বছরের মাথায় পৃথক দুটি মামলায় গত বছরের ১০ অক্টোবর বিএনপি নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয় আরও ১১ জনের। সাজাপ্রাপ্ত ৫১ আসামির মধ্যে এখনো পলাতক আছেন ১৮ জন।

গত ১৩ জানুয়ারি দুই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছিলেন।

আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে। এ জন্য রায় ঘোষণার পর বিচারিক আদালত মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেন। যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। নথিপত্র পাওয়ার পর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করে। পেপারবুক প্রস্তুত হলে মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা হয়। এতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী সে সময়ের মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আইভি রহমানসহ ২২ জন মারা যান। আহত হন কয়েক শ। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও সেই সময়ের বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। তবে তাঁর কান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আপিল করেনি রাষ্ট্রপক্ষ
বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ হাইকোর্টে আবেদন করলেও রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সাজা বাড়ানোর কোনো আবেদন করা হয়নি।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, যাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে, যারা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের সাজা বৃদ্ধির ব্যাপারে আপিল করার কোনো নির্দেশনা ছিল না। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস কোনো আপিলও করেনি।

তদন্ত ভিন্ন খাতে নিতে নানা চেষ্টা
বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়। শুরু থেকেই নৃশংস ওই হত্যাযজ্ঞের তদন্ত ভিন্ন খাতে নিতে নানা চেষ্টা করা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে নতুন করে তদন্ত শুরু করে। বেরিয়ে আসে অনেক অজানা তথ্য। ২০০৮ সালের জুনে বিএনপি সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, তাঁর ভাই তাজউদ্দীন, জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি-বি) নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। তদন্তে বেরিয়ে আসে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ওই হামলা চালানো হয়েছিল। হামলায় ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেনেড এসেছিল পাকিস্তান থেকে।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই এ-সংক্রান্ত মামলার বিচার শুরু হয়। ৬১ জনের সাক্ষ্য নেওয়ার পর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার এসে এর অধিকতর তদন্ত করে। এরপর বিএনপির নেতা তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হারিছ চৌধুরী, জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদসহ ৩০ জনকে নতুন করে আসামি করে ২০১১ সালের ৩ জুলাই সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। এরপর দুই অভিযোগপত্রের মোট ৫২ আসামির মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জনকে পলাতক দেখিয়ে বিচার শুরু হয়। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বিচারিক আদালতের পর্যবেক্ষণ
বিচারিক আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘রাজনীতি মানে কি বিরোধী দলের ওপর পৈশাচিক আক্রমণ? এই রাজনীতি এ দেশের জনগণ চায় না । সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে শত বিরোধ থাকবে, তাই বলে নেতৃত্বশূন্য করার চেষ্টা চালানো হবে? রাজনীতিতে এমন ধারা চালু থাকলে মানুষ রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়বে।’

আদালত এ দেশে আর এমন হামলার পুনরাবৃত্তি চান না—মন্তব্য করে বিচারক শাহেদ নূর উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ওপর হামলা বা রমনা বটমূলে হামলার মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায় না। আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে নৃশংস হামলার পুনরাবৃত্তি ঠেকানো সম্ভব।

গ্লোবাল চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের তিন ছবি

0

ভারতীয় চলচ্চিত্র ফেডারেশন ও পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন কর্পোরেশন যৌথভাবে আয়োজন করছে ‘গ্লোবাল চলচ্চিত্র উৎসব’। যেখানে দেখানো হবে বাংলাদেশের তিনটি চলচ্চিত্র। এরমধ্যে আছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ডকুফিল্ম ‘হাসিনা :অ্যা ডটারস টেল’। এছাড়াও অন্য দুটি চলচ্চিত্র হলো ‘ইতি তোমারই ঢাকা’ ও ‘সত্তা’। ভারতের শিলিগুড়িতে আগামীকাল থেকে পাঁচ দিনব্যাপী এই উত্সব শুরু হবে।

উৎসবের সমন্বয়ক প্রেমেন্দ্র মজুমদার জানান, শৈল্পিক দিক দিয়ে ‘ইতি তোমারই ঢাকা’ খুব শক্তিশালী, ‘হাসিনা: অ্যা ডটার্স টেল’ রাজনৈতিক ছবি হিসেবে তাত্পর্যপূর্ণ আবার বাণিজ্যিক ছবি হিসেবে ‘সত্তা’কে নির্বাচন করা হয়েছে। ‘হাসিনা :অ্যা ডটারস টেল’ বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মজীবনী নিয়ে নির্মিত ডকুফিল্ম। এটি মুক্তি পেয়েছে গত বছর। আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) ও অ্যাপেলবক্স ফিল্মস-এর যৌথ প্রযোজনায় এটি নির্মাণ করেছেন রেজাউর রহমান খান পিপলু। ‘ইতি তোমারই ঢাকা’ বাংলাদেশের প্রথম অমনিবাস চলচ্চিত্র। ১১ জন নির্মাতা এটি তৈরি করেছেন। যার সমন্বয়ক নির্মাতা আবু শাহেদ ইমন।

অন্যদিকে ‘সত্তা’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন হাসিবুর রেজা কল্লোল। অভিনয় করেছেন শাকিব খান ও পাওলি দাম। উত্সবে ভারতীয় ছবি হিসেবে দেখানো হবে বাংলাদেশের নায়ক আরিফিন শুভর ‘আহারে’। এছাড়াও ভারত, নেপালসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বেশ কয়েকটি ছবি দেখা যাবে এই উত্সবে। উত্সবের সমাপনী হবে আগামী ২৫ আগস্ট।

এই আয়োজনে ৩৬টি ফিচার ও ২৪টি স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রদর্শিত হবে। এগুলো দেখানো হবে শহরের দীনবন্ধু মঞ্চ, রবীন্দ্র ভবন ও নিউ সিনেমাতে।

প্রযোজকদের বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাপসী

0

বলিউডে বেতন বৈষম্য নিয়ে উঠল প্রশ্ন। সম কাজের জন্য সমান বেতনের দাবি জানিয়ে রীতিমতো প্রযোজকদের বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাপসী পান্নু।

‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,অনেক বেশি প্ররিশ্রম করেও পুরুষ অভিনেতাদের তুলনায় অনেক কম বেতন পান তিনি, যেটা তিনি প্রযোজকদের কাছ থেকে আশা করেন না।

বর্তমানে তাপসী পান্নু কে দেখা যাবে অক্ষয়কুমারের সঙ্গে ‘মিশন মঙ্গল’ ছবিতে। বিভিন্ন ছবিতে তাঁর রোল বা অভিনয় নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যে কোনও চরিত্রে তাকে অভিনয় করতে দেওয়া হলে তাতে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু যে সমস্ত ছবিগুলি নারী কেন্দ্রিক এবং তার অভিনয় অনবদ্য হওয়া স্বতেও তাকে তার শ্রম অনুযায়ী পর্যাপ্ত বেতন দেওয়া হয় না।

এর আগেও ২০১৫ তে ‘বেবি’ ও ২০১৭ তে তার মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিলো “নাম সাবানা’ এই সব ছবিতে পর্দায় নায়কদের তুলনায় তার বা অন্য নায়িকাদের কে মুখ্য চরিত্র হিসাবে রাখা হলেও সেই একইভাবে বেতন কম পেয়ে এসেছেন তিনি বা পর্দার আরও অন্যান্য মহিলা অ্যাকট্রেসরা। কোনও ছবিতে কাজ করার পর যেখানে তাঁকে পারিশ্রমিক দেওয়া হয় ৫ লক্ষ, সেখানে একই ছবির সহ অভিনেতা পান ১ কোটি টাকা! তাঁর দাবি, একটা নারী কেন্দ্রিক ছবির পুরো বাজেট দেওয়া হয় একজন অভিনেতাকে। মহিলা কেন্দ্রিক ছবিতেও তাঁকে অনুরোধ করা হয়, যাতে তিনি একটু কম টাকা নেন।

আমি শুধু চাই একটা শান্তিপূর্ণ কাশ্মীর

0

ভারত থেকে থেকে ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত হয়েছে ৷ কিন্তু তা নিয়ে দেশে-বিদেশে আলোচনা-সমালোচনা-তর্ক এখনও চলছেই ৷ জাতীয়-আন্তর্জাতিক স্তরেও এর ভাল আর খারাপ দিক নিয়ে আলোচনা যেন থামতেই চাইছে না ৷ কেউ সমর্থন করেছেন ৷ কেউ বলেছেন এর ভবিষ্যত আরও ভয়ঙ্কর হতে চলেছে ৷

বলিউড তারকারা ইতোমধ্যে যার যার মতো নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন ৷ কিন্তু এবার ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে মুখ খুলে চরম সমালোচিত হতে হলো সোনম কাপুরকে ৷ কিন্তু ঠিক কী বলেছেন অনিল কাপুরের বড় মেয়ে?

একটি সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি সোনমকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সোনম বলেন, ৩৭০ ধারা নিয়ে তাঁর খুব সুস্পষ্ট ধারণা নেই ৷ এটি একটি জটিল বিষয় ৷ যখন এই বিষয়ে কথা বলার মতো স্পষ্ট ধারণা হবে তখনই তিনি মুখ খুলবেন ৷

সোনম বলেন, ‘আমার প্রচুর পাকিস্তানি বন্ধু রয়েছে। আমার দুইজন বন্ধু হাফ পাকিস্তানি, যারা আমার বখুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমার অনেক বলিউডের বন্ধু এই বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। সরকারের পক্ষ নিয়ে কথা বলেছেন। কিন্তু আমি আসলেই জানি না এটা কী হচ্ছে। কারণ এই বিষয়ে ধোঁয়াশাপূর্ণ সংবাদ সামনে চলে আসবে। আমি জানি না আসলে কোনটা সত্য। আমি শুধু চাই একটা শান্তিপূর্ণ, সমঝোতামূলক সমাপ্তি। যখন আমি সঠিক তথ্য পাবো, তখনই আমার অভিমত জানাতে পারবো।’

সোনম এ সময় বলেন, তার পরিবারের সঙ্গে পাকিস্তানের একটা শক্তিশালী যোগসূত্র রয়েছে। কারণ তাঁদের শেকড়টাই পাকিস্তানে। সোনম বলেন, আমি অর্ধেক সিন্ধি, অর্ধেক পেশোয়ারি। স্বাভাবিকভাবেই আমার সংস্কৃতকে বিভক্ত হতে দেখে আমার হৃদয় ভেঙে যাবে, গিয়েছে।

সোনমের নামটাই দেওয়া হয়েছে কাশ্মীরে। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা-মা যখন কাশ্মীরে গিয়েছিল। সেখানে রাম লক্ষ্মণ সিনেমার শুটিং চলছিল। ওই সময়ে আমার বাবার মাথায় আমার নামটা আসে, বাবা তখনই নামকরণের সিদ্ধান্ত নেন। আমি আমার হৃদয় থেকে চাই কাশ্মীরে শান্তি ফিরে আসুক, সেটা কীভাবে সম্ভব আমি জানি না। তবে আমি চাই, মনেপ্রাণে চাই।’

ষে সব প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঢাকায় পা রাখলেন প্রোটিয়া কোচ ডমিঙ্গো

0

ক্রিকেটবিশ্বে বেশ সাড়া জাগিয়ে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন রাসেল ডমিঙ্গো। অবশেষে সব প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঢাকায় পা রাখলেন এই প্রোটিয়া কোচ। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন। এর আগে আজই সকাল সকাল ৯টায় ডমিঙ্গোর স্বদেশি ফাস্ট বোলিং কোচ চার্লস ল্যাঙ্গাভেল্ট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন।

জানা গেছে, বিমানবন্দরে ডমিঙ্গোকে স্বাগত জানান বিসিবির ওয়াসিম খান। সেখান থেকে সরাসরি গুলশানের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে যান ডমিঙ্গো। ওই হোটেলেই অবস্থান করছেন চার্লস ল্যাঙ্গাভেল্ট। ডমিঙ্গো আপাতত সেখানেই অবস্থান করবেন। তারপর তার বাসা ঠিক হলে সেখানে গিয়ে উঠবেন। আগামীকাল বুধবার সকালে শেরেবাংলায় জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্পেও যোগ দেবেন টাইগারদের নতুন কোচ।

উল্লেখ্য, ডমিঙ্গোকে নিয়ে বাংলাদেশের কোচিং স্টাফের তিন সদস্যই হয়ে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো, ব্যাটিং কোচ নেইল ম্যাকেঞ্জি আর পেস বোলিং কোচ তিনজনই চার্লস ল্যাঙ্গাভেল্ট দক্ষিণ আফ্রিকান। শুধু স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে আছেন কিউই কিংবদন্তি ড্যানিয়েল ভেট্টরি। দুই প্রোটিয়া কোচ বুধবার থেকেই দলের সঙ্গে যোগ দিলেও ব্যাটিং উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পাওয়া নেইল ম্যাকেঞ্জির আসতে কদিন দেরি হবে।

নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি দলকে নেতৃত্ব দিবেন পেসার টিম সাউদি

0

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য নিউজিল্যান্ড দলে নেই নিয়মিত অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও বাঁহাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদেরকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। টেস্ট সিরিজ শেষে দেশে ফিরে যাবেন উইলিয়ামসন ও বোল্ট। তাই টি-টোয়েন্টি দলকে নেতৃত্ব দিবেন পেসার টিম সাউদি। দলে তিনজন বিশেষজ্ঞ স্পিনার রাখা হয়েছে। তারা হলেন- ইশ সোধি, মিচেল স্ট্যানার ও টড অ্যাস্টল।

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরমেন্সের মিশন শেষে আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের দিকে নজর নিউজিল্যান্ডের। তার আগে ৯টি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে নিউজিল্যান্ড। এ ব্যাপারে নিউজিল্যান্ডের নির্বাচক গ্যাভিন লারসেন বলেন, ‘ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরমেন্স শেষে পরের বড় ইভেন্টের দিকে দলের লক্ষ্য। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজটি অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে তাদের হারানো কঠিন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে আমাদের টি-টোয়েন্টি দলটি ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। এমন দল নিয়ে আমরা সত্যিই অনেক বেশ খুশি। সম্প্রতি বিশ্বকাপে দারুণ করেছে কেন ও বোল্ট। সামনে বড় গ্রীষ্ম মৌসুম আসছে, তাই তাদের বিশ্রাম দেয়াটা ভালো সুযোগ হিসেবেই দেখছি।’ আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

নিউজিল্যান্ড স্কোয়াড : টিম সাউদি (অধিনায়ক), টড অ্যাস্টল, টম ব্রুস, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, লোকি ফার্গুসন, মার্টিন গাপটিল, স্কট কুগেলেইন, ড্যারিল মিচেল, কলিন মুনরো, সেথ রেন্স, মিচেল স্ট্যানার, টিম সেইফার্ট, ইশ সোধি ও রস টেইলর।

একসঙ্গে খেলবেন মাশরাফি-সাকিব!

0

বিপিএলের আগামী আসর নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন নিয়ম-কানুন ঘোষণা করেছে বিপিএল কমিটি; তবে এতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর স্বার্থরক্ষা হচ্ছে না। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল যদিও সব কিছু মানে চুক্তি, নিবন্ধন, বাইলজ, প্লেয়িং কন্ডিশন ও অন্যান্য নিয়ম-কানুন এবং ক্রিকেটার ও কোচ দলে নেয়ার সব প্রক্রিয়া নতুন ভাবে করতে চাচ্ছে, কিন্তু ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো অন্তত দুজন বিদেশি দলে ভেড়ানোর পাশাপাশি দেশের আইকন বা এ প্লাস ক্যাটাগরির তারকাকে আগে থেকে দলে নেয়ার দাবিতে সোচ্চার।

ইতিমধ্যেই রংপুর রাইডার্স দলে টেনেছে ঢাকা ডায়নামাইটস অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে। গত দুই আসর ধরে রংপুরকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এখন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল যদি আলোচনার টেবিলে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির বা সংখ্যাগরিষ্ঠ ফ্র্যাঞ্চাইজির আবেদন মেনে নেয়; তখন রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলতে সাকিবের কোনো বাধা থাকবে না। তাহলে মাশরাফি বিন মুর্তজার কী হবে? জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক কি দল বদল করবেন?

সাকিব-মাশরাফি দুজনেই ‘এ+’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার। এক দলে দুজন আইকন বা এ প্লাস ক্যাটাগরির ক্রিকেটার থাকতে পারবেন না। কিন্তু আজ রংপুর রাইডার্সের সিইও ইশতিায়াক সাদেক জানান, তারা দেশের দুই মহাতারকা মাশরাফি এবং সাকিবকে একই দলে দেখতে ইচ্ছুক! কীভাবে এটা সম্ভব তার ব্যাখ্যা দিয়ে ইশতিয়াক বলেন, ‘মাশরাফি তো আমাদের ঘরের ছেলে। আমি যতটুকু জানি বিপিএলের আগে মাশরাফি যদি অবসর নেয়, তাহলে সে আইকন থাকবে না। আমাদের চিন্তা ছিল আমাদের রিটেনশনে মাশরাফিও পড়ে যায়। তবে মাশরাফি- সাকিব দুজনেই রংপুরে খেলবে।’

বিষয়টা অসম্ভব মনে হলেও আসলে ততটা নয়। ইশতিয়াক সাদেকের কথাতেই এর প্রমাণ আছে, ‘মাশরাফি গত বছর থেকেই আইকন থাকতে চায়নি। কারণ সে টি-টোয়েন্টিতে নেই। তাই নৈতিকভাবে এবং যৌক্তিকভাবে মাশরাফিকে আইকন রাখা যায় না। আইকন হবে নতুন কেউ, খুব প্রমিজিং। বোর্ড বলছে, আমরা নিজেরাও জানি আমাদের দেশে ৭ জন প্রপার আইকন খুঁজে বের করা কঠিন। মাশরাফিরও ইচ্ছা নাই আইকন থাকার। এবং এ বছরও আমি যেটা শুনেছি ওয়ানডে থেকে যদি সে অবসর নেয়, তবে আইকন থাকবে না। আমাদের পরিকল্পনায় কিন্তু মাশরাফিও রিটেনশনে পড়ে যায়। কিন্তু বোর্ড এখানে যদি নতুন নিয়ম আবার এনে দেয়!’

রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে ভারতের সমর্থন

0

সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. সুব্রামানিয়াম জয়শংকর বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এই রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে নিরাপদ, দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার-এই তিন দেশের জাতীয় স্বার্থেই এটা করা জরুরি। বাংলাদেশ থেকে এই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের নিজ ভূমিতে ফিরে যেতে এবং রাখাইন রাজ্যের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে আমরা সব ধরণের সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছি।

আজ মঙ্গলবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা যমুনায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি একথা বলেন।

জয়শংকর বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ় এবং ভবিষ্যতে এটা আরো জোরদার হবে। আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী দুটি অনুষ্ঠানই উদযাপন করতে যাচ্ছি।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম ঢাকা সফর। বাংলাদেশের সাথে আমাদের অংশীদারিত্ব প্রতিবেশী দেশগুলোও যে পাশাপাশি একসাথে মিলেমিশে থাকতে পারে তার উদারহণ। আমরা অংশীদার হিসেবে একসাথে কাজ করি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দক্ষিণ এশিয়ায় রোল মডেল হিসেবে এই অংশীদারকে টিকিয়ে রাখতে চান।

জয়শংকর বলেন, আমরা বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে গর্ব বোধ করি। নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার প্রস্তাব দিচ্ছি।

পানি বন্টনের ব্যাপারে ভারতের এই মন্ত্রী বলেন, পানিসম্পদ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরত্বপূর্ণ বিষয় এবং আমাদের মতো তারাও অভিন্ন ৫৪টি নদীর জন্য উভয়পক্ষের গ্রহণযোগ্য একটি উপায় বের করতে চায়।

তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়শংকর বলেন, আপনারা জানেন যে, এ ব্যাপারে আমাদের সরকারের একটি অবস্থান আছে। এ ব্যাপারে আমাদের একটি অঙ্গীকার আছে এবং এটা পরিবর্তন হবে না।

তিনি আরো বলেন, যখন নিরাপত্তার প্রশ্ন সামনে আসে তখন অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থার বিরুদ্ধে দুদেশের অংশীদারিত্বও উন্নয়ন দুদেশের জনগণকেই সরাসরি সুফল দেয় বলে আমাদের বিশ্বাস। দু’দেশের জনগণের মধ্যে সবক্ষেত্রে যোগাযোগ বেড়েছে। জনগণের মধ্যে আরো যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জ্বালানী সহযোগিতার ব্যাপারে তিনি বলেন, দুটি দেশই পরস্পরের সফলতার সুফল ভোগ করে।

এর আগে সকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।