Home Blog Page 3560

মিরপুর-৭ নম্বর ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচশ থেকে ছয়শ ঘর পুড়ে গেছে

0

মিরপুর-৭ নম্বর সেকশনের ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচশ থেকে ছয়শ ঘর পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মোট পরিবারের সংখ্যা প্রায় তিন হাজারে দাঁড়িয়েছে।

আজ শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম সাংবাদিকদের মিরপুর-৭ চলন্তিকা মোড়ের পাশে ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বস্তির আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত সবগুলো ঘরই ছিলো কাঁচা। এর ফলে কিছু ঘর দেবে গেছে এবং ঘরের চালা চাপা পড়েছে। এজন্য এসব ধ্বংসস্তূপ অপসারণে আমাদের সময় লাগছে। এসব অপসারণ করে ভেতরে কোনো ভিকটিম আছে কিনা আমরা সার্চিং করে দেখছি। আগুনে প্রায় ৫০০-৬০০টি ঘর পুড়ে গেছে। এতে প্রায় তিন হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

আগুনের সূত্রপাত জানতে অনুসন্ধান চলছে জানিয়ে রেজাউল করিম বলেন, আগুনের উৎস আমরা এখনো বের করতে পারিনি। তবে আগুনটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অনুসন্ধান শেষে আগুনের উৎস নিশ্চিত করে বলা যাবে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে চলন্তিকা মোড়ের বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ২৪টি ইউনিটের চেষ্টায় তিন ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১০টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

পশুর কাঁচা চামড়া কেনা শুরু করেছেন ট্যানারি মালিকরা

0

কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া কেনা শুরু করেছেন ট্যানারি মালিকরা। তবে তাঁরা শুধুমাত্র ভালোভাবে লবণ দিয়ে সংরক্ষিত কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়াই কিনছেন বলে জানিয়েছেন।

আজ শনিবার সকালে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এজন্য সরকার নির্ধারিত মূল্য দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সরকার নির্ধারিত মূলে আগামী দুই মাস চামড়া সংগ্রহ করবে ট্যানারির মালিকরা।

আগামীকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ট্যানারি মালিক, আড়তদার ও কাঁচা চামড়া সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসবে। সেখানে বর্তমান চামড়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে।

সম্প্রতি চামড়ার দরপতনের পর বিক্রি না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে লাখ লাখ কোরবানির পশুর চামড়া নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া অনেক স্থান থেকেই চামড়া মাটির নিচে পুতে ফেলার তথ্য পাওয়া গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিপুলসংখ্যক মাদ্রাসা ও এতিমখানা, যারা কোরবানির দানকৃত চামড়া সংগ্রহ করে খরচ নির্বাহ করত।

এরপর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে দেশীয় শিল্প রক্ষায় কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান ট্যানারি মালিকরা। চাপের মুখে কাঁচা চামড়া সংগ্রহের তারিখ এগিয়ে এনেছে ট্যানারি মালিকরা।

এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়নি। তবে ঢালাওভাবে না দিয়ে কেস টু কেস ভিত্তিতে কাঁচা চামড়া রপ্তানিতে অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যদি চামড়ার বাজারে ন্যায্যমূল্য ফিরে আসে তাহলে হয়তো কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমোদন দেয়া হবে না। তবে বিক্রেতারা যদি চামড়ার ন্যায্যমূল্য না পায়, তাহলে কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমোদন দেয়া হবে।

সি চিন পিংকে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সাক্ষাতের আহ্বান

0

চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে হংকংয়ের বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার ট্রাম্প টুইট করে সি চিন পিংয়ের প্রতি ওই আহ্বান জানান।

টুইটে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করে বলেন, চীনা প্রেসিডেন্ট যদি সরাসরি ও ব্যক্তিগতভাবে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাহলে হংকং সমস্যার আনন্দময় ও যৌক্তিক সমাপ্তি ঘটবে। আর এ নিয়ে তাঁর কোনো সন্দেহ নেই।

এই টুইটের আগে ট্রাম্প আরেক টুইটে বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কোনো সন্দেহ নেই যে চীনা প্রেসিডেন্ট চাইলেই হংকং সমস্যার মানবিক সমাধান করতে পারেন।

হংকংয়ের সীমান্ত এলাকায় চীনের আধা সামরিক বাহিনীর মহড়ার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। এই পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হংকংয়ের গণতন্ত্রকামীদের বিক্ষোভের বিরুদ্ধে চীন ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লিউ শিয়াওমিং গতকাল বলেছেন, হংকংয়ের বিক্ষোভ থেকে সন্ত্রাসবাদের লক্ষণ দেখা গেছে। অবস্থা আরও খারাপ হলে তারা শক্তি প্রয়োগ করবেন।

হংকংয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। হংকংয়ের বিক্ষোভকারীরা গণতান্ত্রিক সংস্কার দাবি করছে।

সন্দেহভাজন আসামি প্রত্যর্পণ বিল বাতিলের দাবিতে গত মার্চে হংকংয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ থামাতে হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম বিলটি স্থগিত করেন। কিন্তু বিলটি পুরোপুরি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন বিক্ষোভকারীরা। এখন এই বিক্ষোভ থেকে হংকংয়ে পূর্ণ গণতন্ত্রের দাবি জানানো হচ্ছে। গত বুধবার চীন সরকার এই বিক্ষোভকে ‘সন্ত্রাসের মতো’ হামলা বলে আখ্যা দেয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আর কোনো আলোচনা করবে না উত্তর কোরিয়া

0

সামরিক মহড়া নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আর কোনো আলোচনা করবে না বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ উত্তর কোরিয়া এ নিয়ে আর কোনো শান্তি আলোচনা চায় না বলে জানিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইনের ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে দেশটি।

আজ শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজে প্রকাশিত বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার মুখপাত্র বলেন ‘দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার আর কোনো শব্দ নেই আমাদের।’ আর কোনো ধরনের আলোচনা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকাণ্ডকে (সামরিক মহড়া) সম্পূর্ণভাবে দায়ী করা হয় বিবৃতিতে।

এর মধ্যে আজ ভোরে উত্তর কোরিয়ার পূর্বাঞ্চলের উপকূলে পরীক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী।
এক মাসের কম সময়ের মধ্যে এটা উত্তর কোরিয়ার ষষ্ঠ পরীক্ষা। ছয় দিন আগে দেশটি জাপান সাগরে স্বল্প দূরত্বের দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে।

গত জুন মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উন পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে আলোচনা আবারও শুরু করার ব্যাপারে সম্মত হওয়ার পর ধারাবাহিকভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা শুরু হয়। পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়নকাজের জন্য উত্তর কোরিয়াকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়েছে।

জাপান থেকে স্বাধীনতা লাভের দিন উদ্‌যাপন উপলক্ষে গতকাল এক ভাষণে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন ২০৪৫ সালের মধ্যে কোরীয় উপদ্বীপকে এক করার অঙ্গীকার করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোরিয়া দুটি দেশে ভাগ হয়ে যায়।

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার আলোচনা নিয়ে অচলাবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট মুন বলেন, ‘কোরীয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্য অর্জন এখন সবচেয়ে সংকটের মধ্যে রয়েছে। নতুন কোরীয় উপদ্বীপ নিজের, পূর্ব এশিয়া এবং বিশ্বের জন্য শান্তি এবং সমৃদ্ধি আনতে পারবে, যা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।’

বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়া আলোচনার ‘অর্থ’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এমনকি এই সময়েও, দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ সামরিক মহড়া করতে যাচ্ছে। শান্তিপূর্ণ অর্থনীতি বা শান্তিপূর্ণ শাসনের কথা বললে, তাদের এটা করার কোনো অধিকার নেই।’

প্রেসিডেন্ট মুনকে আক্রমণ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘যখন তিনি (প্রেসিডেন্ট মুন) উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে আলোচনার কথা উল্লেখ করছেন, তখন আমাদের সেনাবাহিনীর বেশির ভাগকে ৯০ দিনের মধ্যে ধ্বংস করার পরিকল্পনা নিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করছেন। এ অবস্থায় তাঁর চিন্তাভাবনার প্রক্রিয়াটি ঠিক কি না, তা নিয়েও আমাদের প্রশ্ন রয়েছে। তিন সত্যিকার অর্থে একজন নির্লজ্জ ব্যক্তি।’

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়া নিয়ে শুরু থেকেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসছে উত্তর কোরিয়া। তারা এটাকে ‘যুদ্ধের মহড়া’ বলে মন্তব্য করেছে। সম্প্রতি ট্রাম্পকে লেখা এক চিঠিতে কিম জং–উন সামরিক মহড়াকে ‘অসম্ভব এবং ব্যয়বহুল’ বলে অভিযোগ করেছিলেন।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড কিনতে চাইছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

0

‘গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়’, সাফ জানিয়ে দিয়েছে গ্রিনল্যান্ড সরকার। অস্ট্রেলিয়ার পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই দ্বীপ ডেনমার্কের কাছ থেকে কিনে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রতিক্রিয়াতেই ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত এ অঞ্চলের সরকার এ কথা বলেছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ শুক্রবার গ্রিনল্যান্ড সরকারের নিজের এই অবস্থানের কথা জানায়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে তাঁর উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলাপ করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে। নৈশভোজ ও বিভিন্ন সভাতেও তিনি বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। কিন্তু গ্রিনল্যান্ডের সরকার সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে, ‘ব্যবসার জন্য আমরা উন্মুক্ত, বিক্রির জন্য নই।’

শুধু গ্রিনল্যান্ড নয়, ডেনমার্কের রাজনীতিকেরাও ট্রাম্পের এমন খেয়ালকে খারিজ করে দিয়েছেন। ডেনমার্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লার্স লোক রাসমুসেন এক টুইটে লেখেন, ‘এটা নিশ্চয় এপ্রিল ফুলের একটি তামাশা..কিন্তু বড় অসময়ের!’
তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প সত্যিই বিষয়টি তামাশা করে বলেছিলেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বিষয়টিকে প্রেসিডেন্টের একটি তামাশা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল অন্তত এটিকে ‘সিরিয়াস’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ট্রাম্প যেভাবেই বলুন না কেন গ্রিনল্যান্ড বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছে। গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে জানিয়েছে, ‘বিক্রির জন্য গ্রিনল্যান্ড বাজারে ওঠেনি। খনিজ, বিশুদ্ধ পানি ও বরফ, মাছ, সামুদ্রিক মাছ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ নানা মূল্যবান সম্পদে সমৃদ্ধ গ্রিনল্যান্ড। গ্রিনল্যান্ড ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত; বিক্রির জন্য নয়।’
একই অবস্থান পরে পুনর্ব্যক্ত করেছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী কিম কিলসেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ যেকোনো দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতার জন্য গ্রিনল্যান্ড উন্মুক্ত; বিক্রির জন্য নয়।’
আগামী মাসে ডেনমার্ক সফরের কথা রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। কিন্তু সে সময়ে এ ধরনের কোনো বিষয়ে আলোচ্যসূচিতে রয়েছে কিনা, তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে ট্রাম্পের এমন ইচ্ছার প্রকাশ নিয়ে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের রাজনীতিক বলয়ে রীতিমতো হাস্যরস চলছে।

তবে এ ধরনের অঞ্চল কেনাবেচার ঘটনা কিন্তু ইতিহাসের পাতা উল্টালেই পাওয়া যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যটি যুক্তরাষ্ট্র ১৮০৩ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে কিনেছিল। সে সময় ৮ লাখ ২৭ হাজার বর্গমাইল বিস্তৃত এ অঞ্চল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রকে গুনতে হয়েছিল দেড় কোটি ডলার। ১৮৬৭ সালে রাশিয়া থেকে ৭২ লাখ ডলারের বিনিময়ে আলাস্কা কেনার চুক্তি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। সর্বশেষ ১৯১৭ সালে ডেনমার্ক থেকেই ড্যানিশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিনেছিল যুক্তরাষ্ট্র, যার বর্তমান নাম ইউএস ভার্জিন আইল্যান্ড। আর গ্রিনল্যান্ডের প্রতি এমন আগ্রহ কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পই প্রথম দেখাচ্ছেন না। এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি ট্রুম্যানও গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ডেনমার্ককে। ১৯৪৬ সালে দেওয়া ওই প্রস্তাবে গ্রিনল্যান্ডের বিনিময়ে ১০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

কাশ্মীর ইস্যু ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় বিষয়

0

কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষ হয়েছে। শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। যদিও চীন ওই বৈঠক থেকে একটি বিবৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিল।

ওই বৈঠকের পর চীন বলেছে, কাশ্মীর বিষয়ে ভারত বা পাকিস্তানের একতরফাভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। বৈঠকের পর চীন ছাড়া আর কোনো দেশ এ বিষয়ে কোনো কথা বলেনি। অন্যদিকে, রাশিয়া বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে বলেছে, কাশ্মীর ইস্যু ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় বিষয়।

নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠকে ভারত ও পাকিস্তানের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। শুধু জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী ও ১০ অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রই এই আলোচনায় অংশ নিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তোলে চীন। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স এবং অস্থায়ী সদস্য জার্মানি এ ধরনের বিবৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করে। তারা বলে, এ ধরনের কোনো বিবৃতি দিতে হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে দেওয়া উচিত। পরে কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

বৈঠক শেষে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জুন বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা মনে করছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত ও পাকিস্তান উভয়েরই কাশ্মীর ইস্যুতে একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি এরই মধ্যে অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ও বিপজ্জনক। অন্যদিকে, রুদ্ধদ্বার আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে রাশিয়ার উপস্থায়ী প্রতিনিধি দিমিত্রি পলিয়ানস্কি সাংবাদিকদের বলেন, কাশ্মীর ইস্যু ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বিষয়। তিনি জানান, এই বৈঠকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা কাশ্মীর বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরবে এবং এ ব্যাপারে মতবিনিময় করবে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

এদিকে নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার আলোচনার পর জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি সৈয়দ আকবরউদ্দিন বলেছেন, জম্মু-কাশ্মীর সম্পর্কিত বিষয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় অবস্থান হলো, এটি পুরোপুরি ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকবরউদ্দিন বলেন, জম্মু-কাশ্মীরের বিষয়ে ভারত সরকার মূলত প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রে কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করতে হয়। কিন্তু তাতে কোনো প্রাণঘাতী ঘটনা ঘটেনি।

এ সময় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মদদ দেওয়া থেকে পাকিস্তানকে সরে আসার আহ্বান জানান সৈয়দ আকবরউদ্দিন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের আলোচনার টেবিলে আসা উচিত। পাকিস্তান যেভাবে কাশ্মীর ইস্যুতে উদ্বেগ প্রদর্শন করছে, তার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির কোনো মিল নেই।

জাতিসংঘে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মালিহা লোদি বলেছেন, কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম কাশ্মীর ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক হলো। এ বৈঠকই পাকিস্তানের শেষ পদক্ষেপ নয়। তিনি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠক কাশ্মীর সমস্যাকে আন্তর্জাতিক ইস্যু হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিল করে। জম্মু-কাশ্মীরকে দ্বিখণ্ডিত করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ভারত সরকারের সিদ্ধান্তে চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্র পাকিস্তান তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়। কাশ্মীর নিয়ে বৈঠক আয়োজনের জন্য তারা নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি দেয়। পরে চীনের পক্ষ থেকেও একই প্রস্তাব দেওয়া হয়।

অস্ত্রসংক্রান্ত নীতিমালায় পরিবর্তন আনার ব্যাপারে ইঙ্গিত ভারতের

0

অপর পক্ষ থেকে আক্রমণ না করা হলে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে না, এই নীতিমালাই মেনে চলে ভারত। তবে এবার এই নীতিমালা বদলের ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। পরিস্থিতি বিবেচনায় আগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার নীতি থেকে সরে আসতে পারে ভারত, এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা অটল বিহারি বাজপেয়ির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজস্থানের পোখরানে গিয়েছিলেন রাজনাথ সিং। সেখানেই পারমাণবিক অস্ত্রসংক্রান্ত নীতিমালায় পরিবর্তন আনার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এই পোখরানেই দুবার পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত।

পারমাণবিক অস্ত্রসংক্রান্ত নীতিমালা থেকে সরে আসার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে রাজনাথ সিং বলেন, ‘ভারতকে পারমাণবিক শক্তিশালী দেশ বানানোর যে দৃঢ় সংকল্প অটল বিহারি বাজপেয়ির ছিল, তার সাক্ষী এই পোখরান। ভারত এখনো আগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের নীতিতেই অটল আছে। কিন্তু ভবিষ্যতে এই নীতি বজায় থাকবে কি না, তা বলা যাচ্ছে না। পরিস্থিতির ওপর সবকিছু নির্ভর করছে।’ পরে টুইট করেও একই কথা জানিয়েছেন তিনি।

রাজনাথ সিংয়ের এমন আভাসকে অনেকে পাকিস্তানের জন্য আগাম সতর্কসংকেত হিসেবেও দেখছেন। কাশ্মীর ইস্যুতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক অনেকটাই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে দিয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এরই মধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবেন না তিনি।

এর আগে দুবার পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। দুবারই পোখরানে। ১৯৭৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর সরকার প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। এরপর ১৯৯৮ সালে বাজপেয়ি সরকার দ্বিতীয়বারের মতো পরীক্ষা চালায়।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে নিজেদের ইশতেহারে ভারতের পারমাণবিক নীতিমালা সংস্কারের কথা জানিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির বিজেপি। তবে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের নীতিমালা থেকে ভারতের সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা সরাসরিই নাকচ করে দিয়েছিলেন মোদি। ২০১৪ সালের এপ্রিলে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোদি তখন বলেছিলেন, ‘অটল বিহারি বাজপেয়ি যে নীতিমালা (আগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করা) তৈরি করে গিয়েছিলেন, সেটি কিছুতেই বদলাব না আমরা। এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান শতভাগ পরিষ্কার। আগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার এ নীতিমালা আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সংস্কৃতিরই প্রতিফলন।’

কয়েক বছর ধরেই অবশ্য বিজেপির নেতারা এই নীতিমালা সংস্কারের পক্ষে কথা বলে আসছেন। ২০১৬ সালের নভেম্বরে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর আগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার নীতি সংস্কারের পক্ষে নিজের মত দিয়েছিলেন। ভারতের স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের সাবেক কমান্ডার-ইন-চিফ বিএস নাগপাল বলেছিলেন, আগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার এই নীতিমালা ভারতের জন্য ‘বিপদ বয়ে আনতে পারে।’

রবি শাস্ত্রীকেই নতুন করে প্রধান কোচের দায়িত্ব দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

0

সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত রবি শাস্ত্রীকেই নতুন করে প্রধান কোচের দায়িত্ব দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। আজ শুক্রবার ক্রিকেট অ্যাডভাইজরি কমিটি জানিয়ে দিল, ২০২১ সাল পর্যন্ত শাস্ত্রীর হাতেই থাকবে ভারতীয় দলের রিমোট কন্ট্রোল। শাস্ত্রীর সঙ্গে হেড কোচের দৌড়ে ছিলেন আরও পাঁচ জন। সবাই আজ ইন্টারভিউ দিয়েছেন। তবে ইন্টারভিউয়ের আগেই সরে দাঁড়ান ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন তারকা ফিল সিমন্স।

লালচাঁদ রাজপুত, রবিন সিংহ ও মাইক হেসন সশরীরে উপস্থিত হয়ে সাক্ষাতকার দিয়েছেন। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে সাক্ষাৎকার দেন লালচাঁদ রাজপুত। তিনি যে আত্মবিশ্বাসী, তা হোটেল ছাড়ার আগে জানিয়েছিলেন রাজপুত। টম মুডির সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় স্কাইপিতে। ভারতীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ শাস্ত্রীর ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। পাঁচ জনের সক্ষাৎকার নেওয়ার পরে সাংবাদিক সম্মেলনে রবি শাস্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন কপিল দেব।

১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারত অধিনায়ক সাংবাদিকদের বলেন, ‘তীব্র লড়াই হয়েছে টম মুডি, মাইক হেসন ও রবি শাস্ত্রীর মধ্যে। শেষ পর্যন্ত শাস্ত্রীকেই কোচ হিসেবে আমরা বেছে নিয়েছি।’

দুই বছর আগের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালের পরে শাস্ত্রীকে কোচ করা হয়। ২০১৭ সালের পর থেকে ভারত ২১টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে। তার মধ্যে ১৩টি ম্যাচেই ভারত জিতেছে। শাস্ত্রীর কোচিংয়ে খেলা ৩৬ টি টি টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্যে ২৫ টি ম্যাচেই জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। ৬০টি ওয়ানডের মধ্যে ৪৩টিতেই ভারতীয় দল জিতেছে। এই রেকর্ড শাস্ত্রীর হয়েই কথা বলছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিমান ধরার আগে ভারত অধিনায়ক জানিয়েছিলেন, তার সঙ্গে শাস্ত্রীর বোঝাপড়া ভালো। শাস্ত্রীর দিকেই ছিল সবার সমর্থন।

বাংলাদেশ ইর্মাজিং দলের নেতৃত্ব দিবেন নাজমুল হোসেন শান্ত

0

সফররত শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ ইর্মাজিং দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিবেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার সহকারী ইয়াসির আলি চৌধুরী। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সাথে বাংলাদেশের সাথে ২টি চারদিনের ম্যাচও খেলবে শ্রীলঙ্কা ইর্মাজিং দল।

আগামী ১৮ আগস্ট প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে। ২১ ও ২৪ আগস্ট হবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে। ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হবে প্রথম চারদিনের ম্যাচ। ৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় ও শেষ চারদিনের ম্যাচ। ৭ সেপ্টেম্বর দেশের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ছাড়ার কথা রয়েছে শ্রীলঙ্কার।

বাংলাদেশ ইর্মাজিং দল : নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), ইয়াসির আলি চৌধুরি (সহ-অধিনায়ক), মোহাম্মদ সাইফ হাসান, নাইম শেখ, আফিফ হোসেন, মাহিদুল ইসলাম ভুইয়া, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, জাকের আলি, নাইম হাসান, ইয়াসিন আরাফাত, শফিকুল ইসলাম, সুমন খান, শহিদুল ইসলাম, মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদি ও তানভীর ইসলাম।

স্ট্যান্ড-বাই : মানিক খান, জাকির হাসান, রবিউল হক, ফারদিন হোসেন, ইরফান হোসেন, সাব্বির হোসেন ও মেহেদি হাসান রানা।

সূচি:
১৬ আগস্ট ২০১৯ প্রথম ওয়ানডে বিকেএসপি, সাভার
২১ আগস্ট ২০১৯ দ্বিতীয় ওয়ানডে বিকেএসপি, সাভার
২৪ আগস্ট ২০১৯ তৃতীয় ওয়ানডে শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা
২৭ আগস্ট ২০১৯ প্রথম চারদিনের ম্যাচ শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা
৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ দ্বিতীয় চারদিনের ম্যাচ শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, কক্সবাজার

সংক্ষিপ্ত পাঁচজনের তালিকায় নাম আছে নিউজিল্যান্ডের সাবেক কোচ মাইক হেসনের

0

বিশ্বকাপের পর প্রধান কোচ স্টিভ রোডসকে ছাঁটাই করে নতুন করে কোচ অনুসন্ধান করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাছাই করা সংক্ষিপ্ত পাঁচজনের তালিকায় নাম আছে নিউজিল্যান্ডের সাবেক কোচ মাইক হেসনের। ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম প্রজ্ঞাবান কোচ হিসেবে মনে করা হয় তাঁকে। নিউজিল্যান্ডকে ২০১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছিলেন হেসন। আইপিএলে কোচিংয়ের অভিজ্ঞতাও তার আছে। তবে এখানেই জটিলতা সৃষ্টি করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কারণ তারাও কোচ খুঁজছিল।

ভারতের ক্রিকেট মানেই অর্থের ঝনঝনানি। মাইক হেসন তাই কোহলিদের কোচ হতে চেয়েছিলেন। আজ ইন্টারভিউও দিয়েছেন। তবে তার আশা শেষ করে দিয়ে আজ শুক্রবার রবি শাস্ত্রীকেই পুনরায় কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিসিআই। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের কোচ হতে মোটা অংকের বেতন দাবি করেছিলেন হেসন। কারণ ভারতের কোচ হলে তিনি বড় অংকের অর্থই পেতেন। সেটা না হওয়ায় এখন বাংলাদেশের কোচ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে গেল হেসনের।

কোনো জাতীয় দলের কোচ হতে হলে ফ্রি হ্যান্ড থাকতে হয়। যে কারণে কিছুদিন আগেই আইপিএল দল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন হেসন। বাংলাদেশের প্রথম পছন্দ হলেও ভারতের রবি শাস্ত্রীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তিনি। এবার যদি তিনি বাংলাদেশেরও কোচ না হন, তবে বেকার হয়েই কাটাতে হবে। আবার বাংলাদেশের কোচ হলে আকাশছোঁয়া বেতনের দাবি থেকেও ছাড় দিতে হবে। এখন এই হাই প্রোফাইল কোচ কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন সেটাই দেখার।