Home Blog Page 3563

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে যোগ দেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদত বার্ষিকী ও অন্যান্য শহিদের আত্মার শান্তি কামনায় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে আজ বাদ আসর এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন ও পরিবারের অন্যন্য সদস্য এবং আত্মীয় স্বজন মিলাদে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন।

আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুননেসা ইন্দিরা ও মহিলা আওয়ামী লীগ এবং যুব মহিলা লীগের নেতা-কর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা ও ১৫ আগস্টের অন্যান্য শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এ সময় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেও দোয়া করা হয়।

কাশ্মীর সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলির

0

কাশ্মীর সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারতের পাঁচ ও পাকিস্তানের তিন সেনা সহ ১০ জন নিহত হয়েছেন।

দুটি ভিন্ন সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। একটি সংঘর্ষে ভারতের ৫ সেনা ও পাকিস্তানের ৩ সেনা নিহত হয়। অপর ঘটনায় দুজন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়।

আজ বৃহস্পতিবার ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ৭৩তম স্বাধীনতা দিবস। এরই মধ্যে এই সংঘর্ষ ও হতাহতের খবর এলো।

পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্সের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গাফুরের বরাতে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদনে এই সংঘর্ষ ও হতাহতের তথ্য জানানো হয়েছে।

এক টুইটবার্তায় গাফুর আরো লিখেছেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর ইস্যু আড়াল করতে ভারতীয় বাহিনী উসকানিমূলকভাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে আমাদের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। এতে ভারতের পাঁচ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক। এ ছাড়া একাধিক বাঙ্কার ধ্বংস করে দেয়া হয়েছ।’ এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তে থেমে থেমে গোলাগুলি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গত ৫ আগস্ট ভারত সরকার জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নিলে তীব্র প্রতিবাদ জানায় পাকিস্তান। ভারতের পদক্ষেপের কারণে ওই অঞ্চলে উদ্ভূত সংকটের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে জরুরি বৈঠকে বসার আহ্বান জানায় পাকিস্তান।

ওদিকে চীনও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে ১৫ বা ১৬ আগস্ট কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছে।

১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর ভাগ হয়ে যাওয়ার পর পুরো কাশ্মীর দখলে নেওয়ার জন্য দুইবার যুদ্ধে জড়িয়েছে দেশ দুটি। এবার হয়তো তৃতীয় আরেকটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে তারা।

সূত্র: দ্য ডন, স্পুতনিক নিউজ

ইউটিউবে সংগীতশিল্পী নিশিতা বড়ুয়ার ‘মুজিবের দুই কন্যা’ গান

0

এক সকালে খবর পেলেন নেই বেঁচে আর স্বজন/ দূর দেশেতে হাহাকারে কাঁদছে অনাথ দু বোন/ মন মানে না চায় ছুটে যায় তবুও যাওয়া হয় না/ কেমন ছিলেন সেদিনগুলোয় মুজিবের দুই কন্যা…’। সংগীতশিল্পী নিশিতা বড়ুয়ার ‘মুজিবের দুই কন্যা’ গানের শুরুটা এমন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর তাঁর পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে তিনি তৈরি করেছেন গানটি। আজ ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসে নিজের ইউটিউবে চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করেছেন নিশিতা। শোকাবহ ১৫ আগস্টকে ভিত্তি করে ‘মুজিবের দুই কন্যা’ গানটির মিউজিক ভিডিও করা হয়েছে।

‘মুজিবের দুই কন্যা’ গানটি লিখেছেন অনুপ বড়ুয়া। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সুমন কল্যাণ। গানের দৃশ্যায়নের শিল্পী নিশিতা বড়ুয়া নিজেই অংশ নিয়েছেন। ভিডিও চিত্রের সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন হিমেল বড়ুয়া।

নিশিতা বড়ুয়া বলেন, ‘আমার এ পর্যন্ত গাওয়া সেরা একটি গান এটি। যে গান গাওয়ার সময়, চিত্র ধারণের সময় শুধুই কেঁদেছি। বারবার টেক নিতে হয়েছে। কোনোভাবেই কান্না থামাতে পারছিলাম না।’ তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭৫ সালে আমার জন্ম হয়নি, তবে গানটা গাওয়ার সময় মনে হচ্ছিল ঘটনাগুলো আমার সামনে ঘটছে।’

অনুপ বড়ুয়া বলেন, ‘আসলে ৩২ নম্বর বাড়িতে বহুবার গিয়ে ফিরে এসেছি। মন বলত যদি কোনো দিন বঙ্গবন্ধুর জন্য কিছু করার সুযোগ হয়, কেবল তখনই ঢুকব এই বাড়িতে। এই বাড়ির প্রাচীর ছুঁয়ে চলে এসেছি অনেকবার। সেই আকাঙ্ক্ষা থেকে পথচলা আর চেষ্টা এবং জন্ম “মুজিবের দুই কন্যা” গানের।’

‘ক্লোজআপ ওয়ান তোমাকে খুঁজছে বাংলাদেশ ২০০৬’-এর দ্বিতীয় রানারআপ নিশিতা বড়ুয়া। ‘রংধনু ভালো লাগে, নীল আকাশ ভালো লাগে’ গানটির মাধ্যমে ক্লোজআপ ওয়ানের দ্বিতীয় আসরের প্রিয়মুখ হয়ে ওঠেন এই তরুণ শিল্পী। ২০০৭ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম ‘আমায় নিয়ে চলো’। চলচ্চিত্র ছাড়াও বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেলে কণ্ঠ দিয়েছেন। শুরু থেকেই যাঁর কণ্ঠ, তাঁর সমসাময়িক সব সংগীতশিল্পী থেকে সহজেই আলাদা করে নিতে কিংবা তাঁর গান শুনেই বুঝে নিতে সহজ হতো, এটা নিশিতার কণ্ঠ।

বলিউডের প্রবীণ অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা আর নেই

0

বলিউডের প্রবীণ অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা আর নেই। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মুম্বাইর ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি বাসায় অসুস্থ হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুরু থেকেই হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয় তাঁকে। সেখানে তাঁকে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট দেওয়া হয়।

১৮ বছর বয়সে মডেল হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেন বিদ্যা সিনহা। ‘রজনীগন্ধা’ (১৯৭৪) ছবি দিয়ে বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। শুরুতেই এই ছবির জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়া ‘ছোটি সি বাত’ (১৯৭৫) ও ‘পতি পত্নী ঔর ও’ (১৯৭৮) ছবির মধ্য দিয়ে নায়িকা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পান। তাঁর শেষ ছবি সালমান খান ও কারিনা কাপুর খানের সঙ্গে ‘বডিগার্ড’ (২০১১)। ‘কিরায়াদার’ (১৯৮৬) ছবিটি তাঁকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। ছোট পর্দায়ও তিনি অনেক কাজ করেছেন। তাঁকে শেষ দেখা গেছে স্টার প্লাসের ‘কুলফি কুমার বাজেওয়ালা’ সিরিয়ালে।

বিদ্যা সিনহা প্রথম বিয়ে করেন ১৯৬৮ সালে। প্রতিবেশী ভেঙ্কটেশওয়ারন আইয়ারের সঙ্গে হঠাৎ তাঁর প্রেম হয়। এরপর তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৮৯ সালে একটি মেয়েকে তিনি দত্তক নেন। ১৯৯৬ সালে মারা যান ভেঙ্কটেশওয়ারন আইয়ার। তারপর দত্তক কন্যাকে নিয়ে বিদ্যা সিনহা অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে চলে যান। সেখানে ২০০১ সালে চিকিৎসক নেতাজী ভিমরাও সালুঙ্খেকে বিয়ে করেন। শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে ৮ বছর পর ভিমরাও সালুঙ্খের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটান।

শ্বেতার দ্বিতীয় স্বামী অভিনব জামিন পেলেন

0

দ্বিতীয় স্বামী অভিনব কোহলির বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন ‘কসৌটি জিন্দেগি কে’ সিরিয়ালের ‘প্রেরণা’ শ্বেতা তিওয়ারি। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, রাতে মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় বাসায় ফিরে শ্বেতার প্রথম পক্ষের মেয়ে পলক তিওয়ারিকে মারধর করেছেন এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছেন অভিনব কোহলি। তাঁর বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনসহ ভারতীয় দণ্ডবিধির সাতটি ধারায় মামলা করা হয়েছে। এরপর মুম্বাইয়ের পূর্ব কান্দিভালির সমতা নগর পুলিশ স্টেশনে তাঁকে ডেকে আনা হয়। টানা চার ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অভিনব তাঁর বিরুদ্ধে শ্বেতার করা প্রায় সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এদিকে গতকাল বুধবার ১৫ হাজার রুপি জামানতের বিনিময়ে থানা থেকেই জামিন পেয়েছেন অভিনব কোহলি।

সমতা নগর পুলিশ স্টেশন থেকে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, এটি পারিবারিক সমস্যা। শ্বেতা তিওয়ারির অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত হচ্ছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ ব্যাপারে পুলিশ কোনো মন্তব্য করবে না।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পলক লিখেছেন, মায়ের অনুপস্থিতিতে সৎবাবা অভিনব কোহলি তাঁকে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল কথা বলতেন। এসব কথা বাবার কাছ থেকে শুনবে, এমনটা কখনোই আশা করেননি পলক। আর নিজের মেয়েকে অভিনব কোহলির অশ্লীল কথা নিয়ে শ্বেতা তিওয়ারির সাবেক স্বামী রাজা চৌধুরী বলেন, অভিনবের কীর্তিকলাপ অনেক দিন থেকে তিনি খেয়াল করছেন। তাঁকে হাতের কাছে পেলে তিনি উচিত শিক্ষা দেবেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অভিনব তাঁর বিরুদ্ধে শ্বেতার করা প্রায় সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, সেদিন রাতে তিনি মদ্যপান করে বাসায় ফেরেন। ওই অবস্থায় শ্বেতার সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। পলকও তাঁর সঙ্গে উচ্চ স্বরে কথা বলেন। তখন তিনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে পলককে থাপ্পড় দিয়েছেন।

অভিনব কোহলির মা পুনম কোহলি ইন্ডিয়া টুডেকে বলেছেন, দুই বছর ধরে শ্বেতা আর অভিনবর সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। শ্বেতার সঙ্গে অভিনব বিবাহবিচ্ছেদ ঘটাতে চাচ্ছেন। আর এ কারণেই তাঁর ছেলেকে শ্বেতা ফাঁসাতে চাচ্ছেন।

ভোজপুরী চলচ্চিত্রের তারকা রাজা চৌধুরীকে ১৯৯৮ সালে বিয়ে করেন শ্বেতা তিওয়ারি। ২০০৭ সাল থেকে তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন। রাজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি শ্বেতাকে মারধর করতেন। তাঁর আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিবেশীরা মুম্বাই পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। এরপর পুলিশ রাজা চৌধুরীকে মুম্বাই ছাড়ার নির্দেশ দেয়। তখন রাজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের মামলাও করেছিলেন শ্বেতা। ২০১২ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। ওই সময় থেকে মেয়ে পলককে নিজের কাছেই রেখেছেন শ্বেতা।

২০১৩ সালে অভিনেতা অভিনব কোহলিকে বিয়ে করেন শ্বেতা তিওয়ারি। ‘বিগ বস ফোর’-এর সেটেই তাঁদের পরিচয়। বিয়ের আগে তাঁরা তিন বছর প্রেম করেছেন। ২০১৬ সালে আবার মা হন শ্বেতা। তাঁর ছেলের নাম রেয়ানশ।

বাঙালি জাতির মুক্তিদাতা বঙ্গবন্ধু

0

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মুক্তিদাতা। তিনি বাংলাদেশের জনগণকে নিষ্পেষিত দাসের জাতি থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, এখন আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছি। বঙ্গবন্ধু একটি দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারলেই তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সিদ্দিক আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নুরুল ইসলাম, উপজেলার সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুল মনাফ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তাদীর আহমদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

নড়াইলকে দেশের প্রথম মডেল জেলা করতে চাই : মাশরাফি

0

নড়াইল-২ আসনের সাংসদ ও জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা তিনি বাস্তবে রূপ দিয়ে যেতে পারেননি। তাঁর স্বপ্নকে ধারণ করে দেশে এখন উন্নয়ন হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাশরাফি বিন মুর্তজা এসব কথা বলেন। লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে ও জেলা আওয়ামী লীগের ব্যবস্থাপনায় লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় চত্বরে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মাশরাফি বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় নড়াইলকে দেশের প্রথম মডেল জেলা করতে চাই। সে জন্য নড়াইলের রাজনীতিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকা দরকার। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিতে পারলে, সবার অভিজ্ঞতা একসঙ্গে কাজে লাগালে নড়াইলকে দ্রুতই মডেল জেলা হিসেবে গড়া সম্ভব হবে। তিনি এ জন্য নড়াইলের রাজনীতিবিদদের ব্যক্তিগত স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবাস চন্দ্র বোস। জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক দেবাশীস কণ্ডুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজামউদ্দীন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিকদার আবদুল হান্নান, সহসভাপতি মুন্সী আলাউদ্দীন ও সৈয়দ মশিয়ূর রহমান প্রমুখ।

খুনিদের ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে : ওবায়দুল কাদের

0

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে। খুনিরা কে কোথায় পালিয়ে আছে, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। যে করেই হোক, খুনিদের ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকালে বনানী কবরস্থানে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে। খুনিরা কে কোথায় পালিয়ে আছে, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। আর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় যে দুই খুনি পালিয়ে আছে, তাদেরকেও ফেরানোর চেষ্টা চলছে। যে করেই হোক, এই খুনিদের ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠন করবো, এটাই শোক দিবসের প্রত্যয়।’

ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার। সেটা করতে পারলেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।’

এর আগে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৫ আগস্টের শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

ঘাতকরা জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তার নীতি ও আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি

0

ঘাতকরা জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তার নীতি ও আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মুক্তিদাতা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে নিষ্পেষিত দাসের জাতি থেকে দুনিয়ায় বুকে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। আর তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যাগে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি দারিদ্র্য মুক্ত অসাম্প্রদায়িক সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারলেই তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা নিবেদন হবে। মন্ত্রী বলেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে বাঙালির ইতিহাসে যে কলঙ্কের দাগ লেগেছিল তা থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু মিয়ার পরিচালনায় এতে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সিদ্দিক আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নুরুল ইসলাম, জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুল মনাফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বকুল, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তাদীর আহমদ, জগন্নাথপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রশিদ ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, জয়দ্বীপ সূত্রধর, প্রচার সম্পাদক আবদুল জব্বার, সহ প্রচার সম্পাদক ফিরোজ আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাজী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাফরোজ ইসলাম প্রমুখ।

এর আগে শহরে শোকর‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। পরে দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়।

ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সামনে শোকার্ত মানুষের ঢল নেমেছে

0

জাতীয় শোক দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সামনে শোকার্ত মানুষের ঢল নেমেছে। হাতে কালো ব্যানার ও বুকে কালোব্যাজ পরিধান করে নারী-পুরুষ, স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, শিশু-কিশোরসহ সর্বস্তরের মানুষ এতে যোগ দিয়েছে। সকলেই পরম শ্রদ্ধায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে জাতির জনককে স্মরণ করছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সকাল সাতটা থেকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানানো শুরু করে।

আজ ১৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এবং সর্বস্তরের মানুষ বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনের রাস্তায় জমায়েত হতে থাকে।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি।

সকাল সাড়ে ৬টার দিকে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সামরিক বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।

দলের সভাপতি হিসেবেও শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৪ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় ১৪ দল, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও আবুল মাল আবদুল মুহিত, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম ও ড. আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও এনামুল হক শামীম, তথ্যমন্ত্রী এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত বাড়ির ভেতরে যান। সেখানে ঘুরে ঘুরে তাঁর পিতার স্মৃতিচিহ্ন পরিদর্শন করেন এবং সেখানে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় কাটান তিনি। এরপর তিনি বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রওনা হন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য স্থানটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই অগণিত মানুষের পদচারণায় ভরে ওঠে ৩২ নম্বর সড়ক।

মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ, আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ কৃষক লীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, তাঁতী লীগ, ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ ছাড়াও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সভাপতি হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বে জাসদ এবং দলীয় সভাপতি রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বে ওয়ার্কার্স পার্টি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনে ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের কালরাতে যে সিঁড়িতে বঙ্গবন্ধুর মরদেহ পড়েছিল, সেখানে গোলাপের পাপড়ি ছিটিয়ে দেন। পরে ওই ভবনের একটি কক্ষে বসে কিছু সময় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন শেখ হাসিনা। এ সময়ে প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বনানী কবরস্থানে সকাল সাড়ে ৭টায় তাঁর মা, ভাই, ভাইয়ের স্ত্রীসহ ১৫ আগস্টের শহীদদের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। তাঁদের কবরে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে দেন তিনি। এরপর পবিত্র ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্য এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস।