Home Blog Page 3579

বলিউডে পা রাখতে চলেছেন ‘কোকা কোলা গার্ল’

0

টেলিভিশনে কোকা কোলা গার্ল হিসেবেই বেশি পরিচিতি তিনি। সম্প্রতি ভুবন বামের সঙ্গে ‘সঙ্গ হুঁ তেরে’ নামে একটি গানের অ্যালবামে কাজ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই গান ভাইরালও হয়। দর্শকদের পছন্দও হয় সেই গান। শোনা যাচ্ছে, এই গানের সাফল্যের পর বলিউড থেকে অফার পেয়েছেন তিনি। কে এই কোকাকোলা গার্ল?

আসল নাম অনিমা কাশ্যপ। বিজ্ঞাপন জগতের বেশ পরিচিত নাম। কোকা কোলা ছাড়া লিমকা, নিভিয়া ক্রিম, কল্যাণ জুয়েলার্স, লাক্স ও লেস-এর বিজ্ঞাপনে তাঁকে দেখা গিয়েছে। অনিমা এক জন মডেল তো বটেই, তবে তাঁর আরও একটা পরিচয় রয়েছে। তিনি এক জন পেশাদার ক্যানভাস আর্টিস্ট। এক সাক্ষাত্কারে অনিমা বলেছেন, আমি যদি কোনও দিন অভিনেত্রীও হই, বিজ্ঞাপনের কাজ ছাড়ব না। কারণ অ্যাড ফিল্ম আমার প্যাশন।

৭ বছর ধরে অ্যাড ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন অনিমা। হরিয়ানার গুরুগ্রামে জন্ম। ডি এ ভি পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা শেষে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ে স্নাতক করেছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। দিল্লিতে থাকাকালীন মডেলিংয়ের কাজও করেছেন অনিমা। কিন্তু মডেলিংয়ের কেরিয়ার তাঁর কাছে খুব একটা আকর্ষণীয় ছিল না। অভিনয় করাটাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য। তাই মডেলিং ছেড়ে দিল্লিতে অস্মিতা থিয়েটার গ্রুপে যোগ দেন অনিমা। তার পর সেখান থেকে মুম্বাই যান। এখান থেকেই অ্যাড ইন্ডাস্ট্রিতে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। আনন্দবাজার

এবার প্রথম ফটোশ্যুটে দেখা দিলেন ইরা

0

মিস্টার পারফেকশনিস্টের প্রথম পক্ষের সন্তান ইরা । রিনা দত্ত আর আমির খানের দুই সন্তানের মধ্যে ইরা ছোট ৷ রিনার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কিরণ রাওয়ের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন আমির। ইরার বয়স এখন ২২ বছর ৷ কিছুদিন আগেই মিশাল কির্পালানির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে বেশ গুঞ্জন উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ইরাও স্বীকার করে নিয়েছেন সংগীতশিল্পী, প্রযোজক ও কম্পোজার মিশালের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে তাঁর ৷ ইতিমধ্যেই বলিউডের নেক্সট জেনারেশন পা দিচ্ছে সিনে দুনিয়ায় ৷ জাহ্নবী, সারা, অনন্যা সকলেই পা দিয়েছেন বি-টাউনে ? কিন্তু আমির খানের মেয়ের সিনেমায় পা দেওয়ার বিষয়ে এতদিন কোনও কথা শোনা যায়নি।

তবে এবার প্রথম ফটোশ্যুটে দেখা দিলেন ইরা ৷ আর প্রথমবার ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েই আগুন ধরালেন তিনি ৷ ক্রচেড টপ, বিডেড হেয়ারে বোহেমিয়ান লুকে ধরা দিয়েছেন ইরা ৷ প্রথমবার ফটোশ্যুটেই ভাইরাল ৷ বড়পর্দায় তাাঁকে দেখা যাবে কী? সে উত্তর সময়ই দেবে ৷

স্বর্গ জ্বলছে আর আমরা নিঃশব্দে কাঁদছি

0

কাশ্মীর থেকে স্পেশ্যাল স্ট্যাটাস তুলে নেওয়ার পর থেকেই থমথমে উপত্যকা। কাশ্মীরের বেশিরভাগ জায়গাতেই জারি হয়েছে কারফিউ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা। বন্ধ স্কুল-কলেজও। এই পরিস্থিতিতে প্রভাব পড়েছে বিনোদনের দুনিয়াতেও। বলিউড তারকারাও এই বিষয়ে বেশ সরব। কেউ পক্ষে কেউ বিপক্ষে বলছেন।

এবার প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল, পাকিস্তানি তারকাদেরও। #StandWithKashmir হ্যাশট্যাগ দিয়ে মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করে চলেছেন। ভারতের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী মাহিরা খান। মাহিরা শাহরুখের বিপরীতে ‘রইস’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। এছাড়াওয়া মাওয়ার হোসেন, হামজা আলি, ফিরজ আলি প্রমুখ।

মাহিরা টুইটারে লিখেছেন, ‘যেটা আমরা চাচ্ছি না, যেটা আমাদের মূল সমস্যা সেটা কি আমরা অবরুদ্ধ করতে পারছি? এটা একটা বালির ওপর টানা রেখা, যা নিরীহ প্রাণগুলোকেই ধ্বংস করছে শুধু। স্বর্গ জ্বলছে আর আমরা নিঃশব্দে কাঁদছি।’

এই মুহূর্তে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে উত্তাল গোটাভারত। সোমবার সকাল থেকেই ওই একই ইস্যুতে সরগরম ছিল সংসদের উভয় কক্ষই। আর এ দিন রাজ্যসভায় ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার কথা সংসদে ঘোষণা করেন ভারতের দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

গর্ভে থাকা সন্তানের মায়ের পাশাপাশি পিতার জন্যও ছুটির উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

0

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, পিতৃত্বকালীন সময়ে গর্ভে থাকা সন্তানের মায়ের পাশাপাশি পিতার জন্যও ছুটির উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশন ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আয়োজিত ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, গর্ভবর্তী মায়ের প্রসূতিকালীন ছুটি প্রাপ্তি ঘটলেও গর্ভাবস্থায় প্রসূতি মায়েরা তাদের স্বামীদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হয়। অন্যদিকে পিতৃত্বকালীন সময়ে প্রতিটি পিতাও অনাগত সন্তান ও স্ত্রীর পাশে থাকতে উদগ্রিব থাকে। এ কারণে পিতৃত্বকালীন ছুটির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব শেখ ইউসুফ হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আ খ ম মহিউল ইসলাম, ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. এস কে রায়সহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তরের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মাতৃদুগ্ধ ক্ষেত্রে অবদান রাখায় বিভিন্ন সেক্টরের পরিচালক ও নির্বাহী পরিচালকদের পুরস্কৃত করা হয়।

সমস্ত দেশেই একটা পরিচ্ছন্নতা অভিযান দরকার

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীর বাহিনীর হেফাজতে নির্যাতন ও অমানবিক কায়দায় অত্যাচারের গুরুতর অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন।

বিবিসি বাংলার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন যে এক শ্রেণির মানুষ হেফাজতে মৃত্যুর বিষয়ে “অপপ্রচার” চালাচ্ছে এবং এরা সেই মানুষ যারা “সারাক্ষণ খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আমাদের পেছনে” লেগেই আছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে লন্ডন রয়েছেন। সেখানে তিনি বিবিসি বাংলার মানসী বড়ুয়াকে দেওয়া দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারে গণতন্ত্র, ডিসেম্বর মাসের নির্বাচন, পুলিশি হেফাজতে নির্যাতন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি, পদ্মা সেতুতে কাটা মাথা সংক্রান্ত গুজব, বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা – এরকম নানা ইস্যুতে কথা বলেছেন।

তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, বাংলাদেশে হেফাজতে নির্যাতনের ইতিহাস দীর্ঘ দিনের। যা সকল সরকারের আমলেই দেখা গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার এটি বন্ধে কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, “এমন মানসিকতা আমাদের নেই এবং আমরা সেটি করি না। ঘটনাচক্রে কিছু ঘটতে পারে। বরং আপনি যদি গত দশ বছরে আমাদের অবস্থান দেখেন, আমরা কিন্তু অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পেরেছি।”

তিনি বলেন, “আপনি আমার নিজের কথাই চিন্তা করেন, যখন আমি আমার বাবা-মা সবাইকে হারালাম, গুলি করে মারা হল। কই আমি তো বিচার পাইনি। খুনিদের বিচার না করে তাদের ইনডেমনিটি দেয়া হল। অর্থাৎ অপরাধকে প্রশ্রয় দিলেন। উল্টো তাদের পুরস্কৃত করা হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে দেশে অপরাধকে স্বীকৃতি দিয়েই একটা সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়, সেই দেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পরে। হেফাজতে মানুষ হত্যা করার সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী আমার দলের নেতা কর্মীরা।”

কিন্তু নির্যাতনের সংস্কৃতি বন্ধে কি করা হচ্ছে? – এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। এখন ঠিক ওইভাবে হেফাজতে মৃত্যু হয় না। নির্যাতনও সেভাবে করা হয় না।”

তবে আন্তর্জাতিকভাবে অপরাধীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহে কিছু নিয়ম রয়েছে, এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে এর বাইরে কিছু করা হয় না। আওয়ামী সরকারের আমলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় বলে জানালেন তিনি।

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতিকে হত্যার ঘটনার পর থেকে অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়ার সংস্কৃতি শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন যে অসাংবিধানিক সরকারের সময় যারা বেশি সুযোগ ভোগ করেছে বা ক্ষমতাটা যারা উপভোগ করেছে, তারা কখনোই চায়নি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক।

তিনি বলেন, “একটা শ্রেণী হেফাজতে মৃত্যুর বিষয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের মধ্য কিছু আছে যারা অসাংবিধানিক সরকার, জরুরি অবস্থা অথবা মার্শাল ল বা মিলিটারি রুলার আসলে তাদের খুব দাম বাড়ে। কাজেই তারা সারাক্ষণ খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আমাদের পেছনে লেগেই আছে।”

সম্প্রতি পুলিশি হেফাজতে আটক ব্যক্তিদের নির্যাতনের বিষয়ে জাতিসংঘের একটি কমিটি মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ।

২০ বছর আগে বাংলাদেশ এই সম্পর্কিত একটি কনভেনশনে সই করে। কিন্তু সে বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে মাত্র কদিন আগে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এক বিবৃতিতে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সুপারিশ মেনে চলার আহবান জানিয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে বিবিসি বাংলার প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন শেখ হাসিনা।

তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, যেসব দেশ দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বাংলাদেশ তাদের একটি, কিন্তু এর সুফল সব পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে কিনা?

“অবশ্যই পৌঁছচ্ছে,” বলেন প্রধানমন্ত্রী।

“সেই ভাবেই আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি। ২০০৫ বা ২০০৬ সালের দিকে আমাদের দারিদ্রের হার ৪১ ভাগের উপরে ছিল। আজকে সেটা ২১.৪ ভাগে নেমে এসেছে। মাত্র ১০ বছরের মধ্যে আমরা সেটা অর্জন করতে পেরেছি। মানুষের মাথাপিছু যেখানে ৪০০/৫০০ মার্কিন ডলার ছিল, আজকে সেখানে প্রায় ২ হাজার মার্কিন ডলারে সেটি উঠে এসেছে। প্রবৃদ্ধি আমরা এখন ৮.১ শতাংশ অর্জন করতে পেরেছি। ”

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে এখন বেশ নাজুক অবস্থায় আছে এবং ঋণ খেলাপিরা হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে তা আর ফেরত দিচ্ছে না – এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন যে যতটা প্রচার হয় বিষয়টা ততটা না।

“ঋণ নিয়ে সেটা ফেরত না দেয়া – এই কালচারটাও আমাদের এখানে শুরু হয় মিলিটারে ডিক্টেটরদের আমলে। আমরা যখন ক্ষমতায় এসেছি আমরা চেষ্টা করেছি, আমরা অনেক টাকা উদ্ধার করেছি। তারপরেও কিছু মানুষের প্রবণতা থাকে যে টাকা দিলে মনে হয় সেটি আর ফেরত দিতে হবে না”

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের মান ও এর চর্চা কিভাবে হচ্ছে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে শেখ হাসিনা বলেন যে দেশে এখন ৪৪টি প্রাইভেট টেলিভিশন আছে এবং তারা স্বাধীনভাবে কাজ করছে। “স্বাধীনতা না থাকলে তারা আমার বিরুদ্ধে বা সরকারের বিরুদ্ধে এত অপপ্রচার করছে কিভাবে।”

গত ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে অনেক কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ ভোট পড়েছে এবং এ নিয়ে যে সমালোচনা রয়েছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সেটা এখন কোন কেন্দ্রে গোনার দিক থেকে হয়তো পেয়েছে। কোন কেন্দ্রে হয়তো হতে পারে।”

তিনি বলেন, “কিন্তু আমাদের ট্রাইব্যুনাল আছে সেখানে মামলা করতে পারে, কোর্টে মামলা করতে পারে। নির্বাচন কমিশনেও মামলা করতে পারেন। তারা তদন্ত করে দেখছেন।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মানুষ যদি সত্যিই ভোট দিতে না পারতো, তাহলে তাদের ডাকা সারা দিয়ে আন্দোলনে নামত এবং আমরা ক্ষমতায় থাকতে পারতাম না।”

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ডেঙ্গু। ডেঙ্গু রোগের জীবাণুর বাহক এডিস মশার বিস্তার রোধে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের গাফলতির অভিযোগ উঠেছে।

তবে সিটি কর্পোরেশনগুলো এডিস মশা সম্পর্কে একেবারেই কোন ব্যবস্থা নেয়নি বা মশা নিয়ন্ত্রণকে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে গণ্য করে সময়মত পদক্ষেপ নিতে বার্থ হয়েছে এমন অভিযোগ মানছেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংবাদমাধ্যমে ডেঙ্গু বিষয়ক খবর অনেক বেশি প্রকাশিত হচ্ছে এবং এর ফলে মানুষ আতংকিত হয়ে পড়ছে, আর সেটাই সমস্যা সৃষ্টি করছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, “একটু উচ্চবিত্ত যারা সেইসব জায়গাগুলোতেই এর প্রকোপ বেশি। আমাদের সবসময় লক্ষ থাকে বস্তি এলাকা, ড্রেন এসব দিকে। মশা মারা কিন্তু নিয়মিত একটা ব্যাপার।”

শুধু সিটি কর্পোরেশনকে দোষ না দিয়ে সব মানুষকে সতর্কতা অবলম্বন করতে আহবান জানান তিনি। মশার ওষুধ কেনায় দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে, তাও তিনি নাকচ করে দিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, “মশার ওষুধ কেনার ব্যাপারে টেন্ডার করা হয়। যারা টেন্ডারে উপযুক্ত হয়, তারা কিনে নিয়ে আসে এবং সেগুলো ব্যবহারও হয়। তবে কোন ওষুধ এডিস মশার উপরে কাজ করে, সেই ব্যাপারে বিভক্তিকরণ করা হয়নি বা সেই ধরনের সতর্কতা ছিল না।।”

তাকে প্রশ্ন করা হয়ে যে সরকারি হিসেবেই বলা হচ্ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং এর সংখ্যা আরও বড় হবে বলে অনেকে মনে করেন। তাই কিভাবে ভবিষ্যতে মশা নিয়ন্ত্রণ আরও সুষ্ঠুভাবে করা যায়?

এর জবাবে তিনি জানান যে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং সরকারের পাশাপাশি তাঁর দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকেও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে আহবান করা হয়েছে।

“শুধু ঢাকা নয় সমস্ত দেশেই একটা পরিচ্ছন্নতা অভিযান দরকার।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারো ঘরের কাছে বা ঘরে কোথাও যদি পানি জমা থাকে এবং সেখানে মশার লার্ভা তৈরি হয়, তবে তাদের জরিমানা করা হবে। মানুষ যদি আগামীর জন্য প্রস্তুত থাকে, তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি হবে না বলে মনে করেন তিনি।

পদ্মা সেতুতে মানুষের কাটা মাথা লাগার গুজব এবং এর জেরে ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে বেশ কজন মানুষের মৃত্যু বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান।

যারা গুজব ছড়াচ্ছে, এরকম কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

“পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে। আপনিই বলুন আজকের দিনে, পদ্মা সেতুতে কাটা মাথা ও রক্ত লাগবে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। রক্ত আর কাটা মাথা দিয়ে কি সেতু তৈরি হয়? এই গুজবটা যারা ছড়াচ্ছে, অপরাধী তো তারা।”

পদ্মা সেতুর ব্যাপারে শুরু থেকেই একটা চক্রান্ত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশের ওপর দুই মাসের স্থিতাবস্থার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট

0

মঙ্গলবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।

এর আগে সোমবার নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) পক্ষ থেকে রিটটি করা হয়। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইউসুফ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইয়াসমিন বেগম।

পরে আইনজীবী ইউসুফ আলী জানান, ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশের ওপর দুই মাসের স্থিতাবস্থার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ কারণে এ সময়ে নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশ করা যাবে না।

মুখে যতই নিয়ন্ত্রণের কথা বলি না কেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি

0

বহু মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকের মৃত্যু হয়েছে। তাই নামমাত্র কর্মসূচি পালন করা যাবে না। তাতে কোনো লাভ হবে না।’

আজ মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলীয় কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় কাউন্সিলর ও নেতাকর্মীদের প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‌মুখে যতই নিয়ন্ত্রণের কথা বলি না কেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বহু মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকের মৃত্যু হয়েছে। তাই নামমাত্র কর্মসূচি পালন করা যাবে না। তাতে কোনো লাভ হবে না।’ মশা নিধনের নামে ক্যামেরার সামনে নেতাদের শুধু ফটোসেশন না করতে সতর্ক করেন তিনি।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, তাঁরা শুধু সমালোচনা করতে জানেন। কাজের বেলায় নেই। মিডিয়া না থাকলে বিএনপি যে একটি রাজনৈতিক দল- তা খুঁজেও পাওয়া যেত না।

এ সময় নিখোঁজ সাংবাদিক মুশফিকুর রহমানের উদ্ধারের ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের আটক করা হচ্ছে, সংবিধান লঙ্ঘন করা হচ্ছে :রাহুল গান্ধি

0

ভারতের জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধি। মঙ্গলবার সকালে টুইট করে রাহুল লিখেছেন, এই দেশ জনগণের তৈরি, দেশটা কয়েক টুকরো জমি নয়। পাশাপাশি মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহর গ্রেপ্তার নিয়েও মন্তব্য করেছেন তিনি।

রাহুল গান্ধি লিখেছেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের আটক করা হচ্ছে। সংবিধান লঙ্ঘন করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা জানিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু কার্যত মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন রাহুল। অবশেষে এ ইস্যুতে যে ভাষায় নীরবতা ভাঙলেন রাহুল, তা রাজনৈতিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধি টুইটবার্তায় বলেছেন, জম্মু-কাশ্মীরকে একতরফাভাবে খণ্ডিত করে জাতীয় সংহতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় না। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বন্দি করা হচ্ছে। সংবিধান লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এই দেশ জনগণের তৈরি, দেশটা কয়েক টুকরো জমি নয়। প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে। যা দেশের নিরাপত্তায় গভীর প্রভাব ফেলছে।

সোমবার রাজ্যসভায় জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল পাসের পর মঙ্গলবার লোকসভায় এই বিল পেশ করতে গিয়ে তুমুল বিরোধিতার মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

লোকসভায় অমিত শাহ বলেছেন, ভারতের ইতিহাসে এটা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আজ আমরা যা আলোচনা করছি, তা আগামী প্রজন্মের জন্য ভালো হবে। জম্মু-কাশ্মীরে আইন তৈরির ক্ষমতা রয়েছে সংসদের।

অমিত শাহ বলেন, জম্মু-কাশ্মীর যে চিরকাল ভারতেরই থাকবে, তা নিশ্চিত করবে এই বিল।

অমিত শাহের বক্তব্যের জবাবে কংগ্রেস নেতা মনীশ তিওয়ারি বলেন, সংবিধানের ৩ নং ধারায় উল্লেখ করা রয়েছে যে, কোনও রাজ্যের পুনর্বিন্যাস করতে গেলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভায় আলোচনা করতে হবে। কিন্তু জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষেত্রে তা কি হয়েছে?

মনীশের কথার জবাবে বিজেপির পক্ষে তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশ ভাগের প্রসঙ্গ তোলা হয়।

এ প্রেক্ষিতে কংগ্রেস নেতা বলেন, আমরা রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। সংসদে এর রেকর্ড রয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষেত্রে সংবিধানকে ভুল ব্যাখ্যা করেছেন আপনারা।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

ডেঙ্গু এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি,মোকাবিলায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

0

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এডিস মশা ভয়ংকর। কামড় দিতে চেহারার দিকে তাকাবে না। সুযোগ পেলে সবাইকে কামড়াবে। ডেঙ্গু এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের বিশেষ জরুরি বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা কয়েকটি জায়গায় প্রোগ্রাম করলাম। এতে কিন্তু এডিস মশা ধ্বংস হবে না, উৎসমুখ বন্ধ হবে না। ডেঙ্গু রোগের বিস্তারও রোধ করতে পারব না। এ জন্য ডেঙ্গু মোকাবিলায় আমাদের সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। মশার প্রজনন ধ্বংস করার পূর্ব শর্ত হচ্ছে পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতা। তাই আমাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকেরা কাউন্সিলদের সহযোগিতা করবেন। এডিস মশা ভয়ংকর। এডিস মশা কামড় দিতে চেহারার দিকে তাকাবে না। সুযোগ পেলে সবাইকে কামড়াবে, রক্ত খাবে। সবাইকে সচেতন হতে হবে, সাবধান থাকতে হবে। আমাদের পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটিতে প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডেঙ্গু এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ডেঙ্গু মোকাবিলা কর্মসূচিটি আমার সিনসিয়ারলি নিয়েছি। দেশের স্বার্থে ও দলের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আমরা এ কাজটি করব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন কয়টা ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আমরা দেখতে চাই ঢাকার কয়টা ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি একদিন করলে হবে না। প্রতিদিনই করতে হবে। যেসব ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেননি তারা শুরু করবেন, যারা করেছেন তারা এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখবেন।

মিডিয়া না থাকলে সরকার ডেঙ্গুকে গুজব বলে চালিয়ে দিত-বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, মিডিয়া না থাকলে বিএনপির মতো বড় দল খুঁজে পাওয়া যেত না। তারা আন্দোলন নির্বাচন সবক্ষেত্রেই ব্যর্থ, তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে নেই, তারা বন্যার্তদের পাশেও দাঁড়ায়নি। তারা শুধু মুখে মুখে দায়িত্ব পালন করে। তাদের আবাসিক প্রতিনিধি বসে বসে সাংবাদিক সম্মেলন করে। এ জন্য মিডিয়া না থাকলে তাদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যেত না।

সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম ও এনামুল হক শামীম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম ও এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সংসদ সদস্য হাজী সেলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতি ভরি স্বর্ণে বাড়লো এক হাজার একশ ছেশট্রি টাকা

0

স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস) আবারো ঘোষণা দিয়েছে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর। প্রতি ভরি স্বর্ণে এক হাজার একশ ৬৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। আজ মঙ্গলবার (০৬ আগস্ট) থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এই উপাদান। গত কাল সোমবার বাজুস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর খবরটি নিশ্চিত করেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছে। দেশীয় বুলিয়ন মার্কেটে সোনার দাম বেড়েছে। তাই সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, কাল মঙ্গলবার থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৫৪ হাজার ৫২৯ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫২ হাজার ১৯৬ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হবে ৪৭ হাজার ১৮১ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি বেড়ে হবে ২৭ হাজার ৯৯৩ টাকা।

বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই দেশীয় বাজারে সোনার দাম নির্ধারণ করে বাজুস। সর্বশেষ গত ২৪ জুলাইও ভরিপ্রতি সোনার দাম বাড়িয়েছিল বাজুস।