Home Blog Page 3520

ভূমি মন্ত্রণালয়ে একাধিক পদে নিয়োগ

0

বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের হিসাব সহকারী, অফিস সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর পদে মোট ৪৮ জনকে নিয়োগ দেবে। নারী ও পুরুষ উভয় আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে ১৮-৩০ বছররে মধ্যে হতে হব। মুক্তিযুদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য হবে।

৭১ জনকে চাকরি দিচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ

0

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ১৮টি পদে ৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)

পদের বিবরণ

বয়স: ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা http://www.jobsbiwta.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ফি: ১-৪ নং পদের জন্য ৩২০ টাকা, ৫-১৮ নং পদের জন্য ২১৫ টাকা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রকেটের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

‘ভারত-পাকিস্তানকে পরমাণু শক্তিধর দেশ মনে করে না চীন’

0

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ভারত-পাকিস্তান দুই দেশই একে অপরকে পরমাণু বোমার হুমকি দিচ্ছে। আর এরই মধ্যে চীন বলল, ভারত ও পাকিস্তানকে পরমাণু শক্তিধর দেশ বলে মনেই করে না তারা। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু কাং এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানান, চীন কখনই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে ভারত ও পাকিস্তানকে স্বীকৃতি দেয়নি।

এমনকী উত্তর কোরিয়াকেও পরমাণু শক্তিধর দেশ বলে মনে করে না চীন। গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার কিম-জং-উনের বৈঠকের পরও তা মানতে রাজি নয় চীন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঐ মুখপাত্র আরও বলেন, এই ব্যাপারে আমাদের অবস্থান কখনই পরিবর্তিত হয়নি। আগেও যা ছিল, এখনও তা আছে।
উল্লেখ্য, ভিয়েতনামের হ্যানয়ে দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে উত্তর কোরিয়ার তরফে নিউক্লিয়ার প্রসেসিং প্ল্যান্ট বন্ধ করার প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ায় আলোচনা ব্যর্থ হয়। ৪৮ সদস্যের পারমাণবিক সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে ভারতের অন্তর্ভুক্তিতে প্রথম থেকে বাধা দিয়ে আসছে চীন। এই বাধা দেওয়ার কারণ হিসেবে চীনের যুক্তি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তিতে এখনও স্বাক্ষর করেনি নয়াদিল্লি। ভারতের পর এনএসজি-র সদস্য হতে আবেদন জানায় পাকিস্তান। সেইসময় একইভাবে চীন প্রস্তাব দিয়েছিল এনএসজি-র সদস্য হতে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তিতে সই করতে হবে। তবেই তারা এনএসজি-র সদস্যপদ পাবে। সূত্র :

বসবাসের অনুপযোগী শহরের তালিকায় ঢাকা তৃতীয়

0

বিশ্বে বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহর গুলোর তালিকায় এবার ঢাকার অবস্থান নিচের দিক থেকে তিন নম্বর। চলতি বছরে ১৪০টি দেশ নিয়ে এই তালিকা তৈরি করেছে লন্ডন ভিত্তিক ম্যাগাজিন দ্য ইকোনমিস্টের ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা ই আই ইউ।

বাস করার অযোগ্য শহরের তালিকায় সর্বনিম্নে থাকা ১০ দেশের মধ্যে সবচেয়ে অযোগ্য শহরের মধ্যে ঢাকার পরে রয়েছে মাত্র দুটি শহর। একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ার দামেস্ক, এবং অপরটি নাইজেরিয়ার লাগোস।

অন্যদিকে, এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি বাসযোগ্য শহর উল্লেখ করা হয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাকে। ভিয়েনার পরেই রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, সিডনি, জাপানের ওসাকা, কানাডার ক্যালগারি, ভাঙ্কুবার, টরেন্টো ইত্যাদি শহর।

কিন্তু ঢাকা কি আসলেই এত খারাপ?

কী বলছে ঢাকারবাসিন্দারা?

রাজধানী ঢাকার মিরপুরে থাকেন বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে উপস্থাপিকা শারমীন নাহার নিপা।

তিনি বলেন, মিরপুর থেকে তার কর্মস্থল সিদ্ধেশ্বরীতে যেতে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয় তাকে। তার মতে, ঢাকা শহরে বসবাসের সবচেয়ে নেতিবাচক দিকটি হচ্ছে যানজট।

পরিবহন ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শারমীন নাহার নিপা।

“বাসের মধ্যে কোন শৃঙ্খলা নাই, ভাড়া নিয়ে কোন শৃঙ্খলা নাই, যাত্রী তোলা নিয়ে অসুস্থ প্রতিযোগিতা থাকে চালকদের মধ্যে, দক্ষ চালকও নাই,” তিনি বলেন।

এ বিষয়ে বারবার আলোচনা এমনকি বড় ধরণের একটি আন্দোলন হওয়ার পরও এ খাতটিতে কোন পরিবর্তন আসেনি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স্বামী আর দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার ফার্মগেটের পূর্ব রাজাবাজার এলাকায় থাকেন নাদিরা জাহান। ঘর-সংসারের সামলানোর পাশাপাশি বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরীও করেন তিনি।

তার মতে, তার এলাকাটি অনেক বেশি ঘনবসতি অনেক বেশি। এ কারণেই রাস্তায় যানবাহন এবং অসম্ভব যানবাহন থাকে। ফলে সময় মতো গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, ” ঘনবসতি হওয়ার কারণে বিল্ডিংগুলা একটার গায়ে আরেকটা লেগে থাকে। ফলে অনেক সময় দেখা যায় যে মানুষের প্রাইভেসিও থাকে না।”

তিনি অভিযোগ করেন, তার এলাকায় সকাল এবং বিকেল বেলা গ্যাস থাকে না বললেই চলে। সেইসাথে নিয়মিত পানি সরবরাহ পাওয়া যায় না।

“পূর্ব রাজা বাজারে আরও যেটি সবচেয়ে বড় সমস্যা সেটা হচ্ছে রাস্তা কাটা,” তিনি বলেন।

”একেক বার একেক কর্তৃপক্ষ এসে রাস্তা কাটে, কখনো বিদ্যুতের থেকে কাটা হচ্ছে, কখনো গ্যাস, কখনো ওয়াসা অর্থাৎ একেক জন একেক সময় রাস্তা কাটে আর মানুষজন চরম দুর্ভোগ পোহায়,” বলেন নাদিরা।

ইকোনমিস্ট-এর বিবেচ্য

এ ধরণেরই কিছু নাগরিক অসুবিধার কথা উঠে এসেছে ইকনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ওই তালিকার বিবেচ্য বিষয়ের মধ্যে।

এবছর শহরগুলোর বাসযোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে যেসব বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে, স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা, এবং অবকাঠামো।

এই দুটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে যা যা রয়েছে তা হল, জলবায়ু ও তাপমাত্রা, দুর্নীতির মাত্রা, সামাজিক বা ধর্মীয় প্রতিবন্ধকতা, খেলাধুলার সুযোগ, খাদ্য ও পানীয় দ্রব্য, ভোগ্যপণ্য ও সেবা, সড়ক-পরিবহন ব্যবস্থা, গৃহায়ন, জ্বালানী, পানি এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা।

‘প্রাণের শহর’

ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্সের এই বিশ্লেষণকে গ্রহণযোগ্য মনে না করায় একে প্রত্যাখ্যান করেছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

তাদের মতে, এই তালিকায় যেসব শহরের সাথে ঢাকার তুলনা করা হয়েছে সেগুলো অনেকটা জন মানবহীন শহর বললে ভুল হবে না।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও প্রকৌশলী ইকবাল হাবিব বলেন, ভিয়েনা বা মেলবোর্নের জনঘনত্ব ঢাকার তুলনায় নস্যি।

”মেলবোর্ন বা ভিয়েনাতে যদি ঢাকার কোন একটি এলাকার জনসংখ্যাও ঢুকিয়ে দেয়া যায় তাহলে পুরো ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়তে পারে,” তিনি বলেন।

“ভিয়েনা বা মেলবোর্নে আপনি যখন দশটি ছবি তুলবেন, তারমধ্যে চারটা মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না।

”সেসব শহরের সাথে ঢাকাকে তুলনা করার মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, তারা আসলে প্রাণের শহর, মানবিক শহর, মানুষের শহরের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই আমাদেরকে এতোটা নিচে নামিয়েছে,” তিন বলেন।

মূল্যায়নে ঘাটতি?

মি. হাবিব বলেন, এই তুলনা যারা করছেন তারা বিনিয়োগ এবং পর্যটন ভিত্তিক পর্যালোচনার সাপেক্ষে এই মূল্যায়নটা করেন। সেই মূল্যায়নে ফুটফুটে শহরে চিন্তা করেন।

”কিন্তু যে শহরে একুশের প্রভাত ফেরি এবং পহেলা বৈশাখ লক্ষ লক্ষ মানুষ নির্বিঘ্নে আনন্দ করে, সে শহরকে এভাবে মূল্যায়ন যারা করে তাদের মূল্যায়নের ঘাটতি বলাই বাহুল্য,” তিনি বলেন।

তবে মি. হাবিব বলেন,এর মানে এই নয় যে ঢাকা শহরে বাসযোগ্যতা নিয়ে কোন সমস্যা নেই। ঢাকাকে তার সম্ভাবনার দিক থেকে বিবেচনা করলে বাসযোগ্যতার দিক থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, সে অর্থে তার বসবাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

ইকবাল হাবিব বলেন, ঢাকা শহরে মানুষের সংখ্যা এবং তার বিপরীতে বসবাসযোগ্য জমির পরমাণের অনুপাত কম হওয়ায়, একটি পরিকল্পিত নগরী হিসেবে ঢাকাকে গড়ে তুলতে হলে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে হবে।

সমস্যা কোথায়?

ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নানা ধরণের পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। হাতে নেয়া হয়েছে মেট্রো রেলের মতো বড় প্রকল্পসহ নানা ধরণের পদক্ষেপ।

তবে মি. হাবিব বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে গুরুতর রাজনৈতিক সদিচ্ছা নিয়ে কঠোরভাবে কাজে নামতে হবে।

এ বিষয়ে অনেক ধরণের পরিকল্পনা তৈরি করা হলেও এখনো সেগুলো বাস্তবায়ন করা যায়নি বলে মনে করেন তিনি। যার কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন বিভিন্ন ধরণের অপরাধমূলক কাজকে।

“একটি অনানুষ্ঠানিক চাঁদাবাজি এবং একটি অর্থনৈতিক কোটারিগোষ্ঠী পুরো পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ভেস্তে দিচ্ছে,” তিনি বলেন।

এ ধরণের কার্যক্রম বন্ধ করতে যে ধরণের রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো প্রয়োজন, সেগেুলো নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি।

কীবলছে কর্তৃপক্ষ?

ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরী হিসেবে ইকোনমিস্টের এই তালিকা নিয়ে কথা হয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, ইকোনমিস্ট এধরণের কোন জরিপের জন্য তাদের কাছ থেকে কোন তথ্য নেয়নি।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোন তথ্য না নিয়ে ইকোনমিস্ট কিভাবে এই তালিকা তৈরি সে বিষয়েও সন্দেহ রয়েছে।

“ঢাকা যেহেতু বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহর সে হিসেবে আমরা সার্বিক সেবা প্রদান করে এটার বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য যথেষ্ট কাজ করছি,” তিনি বলেন।

ঢাকা শহরের সিটি গ্রিনারি, পার্ক, খেলার মাঠ, রাস্তা, স্ট্রিট লাইট এগুলোর বিষয়ে যথেষ্ট কাজ হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে আন্তর্জাতিক মানের ৩১টি খেলার মাঠ রয়েছে।

তবে প্রতিনিয়ত বাড়তি মানুষের চাপ সামলাতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, জলবায়ুর প্রভাব যেমন, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, এবং কর্মসংস্থানের সন্ধানে মানুষ প্রতিনিয়তই ঢাকা মুখী হয়।

কম ঘনবসতি এবং বেশি ঘনবসতিপূর্ণ শহরের ব্যবস্থাপনার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। সিটি কর্পোরেশন ও সরকার যৌথভাবে ঢাকাকে আরো বাসযোগ্য করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

“মেট্রো রেলের মতো বড় প্রকল্পের কারণে নাগরিকদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে এটা সাময়িক,” তিনি বলেন।

তবে শহরের অন্য বিষয়গুলো যেমন, রাস্তাঘাট, ভবন নির্মাণ, যানজট, গণ-পরিবহন, এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো দেখার জন্য আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিবিসি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া চায় সংসদীয় কমিটি

0

প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। নিরাপত্তার জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারদিকে কাঁটাতারের বেড়া বা সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ চায় সশস্ত্র বাহিনী।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে রোহিঙ্গা এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়।

কমিটির সদস্য মুহম্মদ ফারুক খান বলেন, ‘আমরা দেখতে পেয়েছি অনেক রোহিঙ্গা সেখান থেকে বেরিয়ে এদিক-সেদিক যাচ্ছে। এজন্য আমরা সেখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছি। কেউ যেন ক্যাম্প থেকে বের হতে না পারে, আবার কেউ যেন ক্যাম্পে ঢুকতে না পারে—সেটা দেখতে বলেছি। নিরাপত্তা যথাযথভাবে দিতে বলেছি।’

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় সেনাবাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাবাহিনী ৭টি ক্যাম্পের মাধ্যমে ওই এলাকায় অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিয়ে আসছে। বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের ক্যাম্প এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিদিন ২১টি যৌথ টহলের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে।

প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে, বর্তমানে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও পাহাড়ি এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ছেড়ে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এজন্য ক্যাম্প এলাকায় উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কাঁটাতারের বেড়া বা সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা জরুরি।

এদিকে কমিটির আগের বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে জানা গেছে, ওই বৈঠকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার বাইরে দেশব্যাপী যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনে যৌথ টহলের ব্যবস্থাসহ সশস্ত্র বাহিনীকে সতর্ক থাকার সুপারিশ করা হয়।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লে. জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গা শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য হুমকি। রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ১২-১৭ বছরের শিশু রয়েছে প্রায় ৪ লাখ। এরা কোনও ধরনের শিক্ষা না পাওয়ায় ভয়াবহ পরিণতির দিকে যাচ্ছে। এরা সুযোগ পেলে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনও তাদের কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান, মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্, মো. মোতাহার হোসেন, মো. মহিববুর রহমান ও নাহিদ ইজাহার খান বৈঠকে অংশ নেন।

ফেরদৌসসহ ৪০ তারকাকে হুমকি

0

লন্ডনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা বলে বাংলাদেশের ৪০ জন তারকাশিল্পী, কলাকুশলীর পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি নেওয়ার পর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

হুমকি দেওয়া ব্যক্তি নিজেকে প্রবাসী বাংলাদেশি ও নাম জুবাইর পরিচয় দিয়েছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে। হুমকি পাওয়া শিল্পীদের তালিকায় আছেন, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী, আগুন, কনা, দিনাত জাহান মুন্নী, আঁখি আলমগীর, ইমরান, গীতিকার কবির বকুল, অভিনেত্রী সোহানা সাবাসহ অনেকে।

হুমকি পাওয়া শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একটি ব্রিটিশ মুঠোফোন নম্বর থেকে শিল্পীদের সবার মুঠোফোনে বার্তা পাঠিয়ে এই হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মুঠোফোনে পাঠানো এসব বার্তায় ‘জুবাইর’ নাম উল্লেখ করা হচ্ছে।

কয়েকজন শিল্পী জানান, গত মাসে লন্ডন থেকে জুবাইর নামের এক ব্যক্তি নিজেকে প্রবাসী বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিয়ে তাঁদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। ফোনে তিনি জানান যে, ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত লন্ডনে ‘বাংলাদেশ মেলা’ নামে সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন করা হবে। ৯ দিনের এই উৎসবে লন্ডনের তিনটি স্থানে অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে কথা বলতে জনৈক জুবাইর নামের ওই ব্যক্তি গতকাল ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আসবেন বলে শিল্পীদের জানান। ওই দিন ঢাকায় এসে ওয়েস্টিন হোটেলে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন তিনি। এর মধ্যে প্রায়ই ফোনে জুবাইর পরিচয়ধারী ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে ফোন করে শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ফোনে যোগাযোগ করে ওই ব্যক্তি প্রায় ৪০ জন শিল্পীর কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্টের ফটোকপিসহ আনুষঙ্গিক কাগজপত্র সংগ্রহ করেন।

২ সেপ্টেম্বর ফোন করে জুবাইর নামের ওই ব্যক্তি জানান যে, তিনি ফ্লাইটে উঠেছেন। ঢাকায় ৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের মধ্যে পৌঁছে যাবেন। সবাই যেন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার মধ্যে গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে চলে আসেন।
গতকাল নির্ধারিত সময়ে ৩৫-৪০ জন তারকাশিল্পী হোটেল ওয়েস্টিনে চলে আসেন। এরপরই মুঠোফোনে হুমকি দিয়ে হোটেলে উপস্থিত সবাইকে বার্তা পাঠান জুবাইর নামধারী ওই ব্যক্তি।

বার্তায় জুবাইর অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের একজন অভিনেত্রী এবং ওই অভিনেত্রীর ভাই প্রতারণা করে তাঁর কাছ থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি অনেক শিল্পীর কাছে অভিযোগ করেছেন। কিন্তু সবাই এড়িয়ে গেছেন। তাই শিল্পীদের পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংগ্রহ করেছেন। তিন দিনের মধ্যে ওই দুজনের কাছ থেকে সব টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলেন তিনি। তা না হলে কোনো শিল্পী যেন দেশের বাইরে যেতে না পারেন, সেই ব্যবস্থা করবেন বলে হুমকি দেন ওই জুবাইর।

এরপর রাতেই শিল্পীদের পক্ষ থেকে গুলশান থানায় জিডি করা হয়। তবে জিডির পরও হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন ওই ব্যক্তি। সবশেষ আজ বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে টাকা ফেরতের দাবি করে বার্তা পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, টাকা পাওয়া গেলে কারও কোনো ক্ষতি হবে না। আর না পাওয়া গেলে পাসপোর্টের কপি দিয়ে কী করা যায়, সেটি টের পাওয়া যাবে। এ ছাড়া আগামী সাত দিনের মধ্যে কেউ না কেউ ‘শেষ’ হবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

পুরো ঘটনাটি অসম্মানজনক ও বিব্রতকর বলে জানান হয়রানির শিকার হওয়া তারকাশিল্পীরা। তাঁরা জানান, বিদেশে কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আগে ফোনের মাধ্যমেই যোগাযোগ হয়ে থাকে। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়। লন্ডন যাবেন কি না, সে ব্যাপারে ৩ সেপ্টেম্বর আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া কথা ছিল বলে জানান তাঁরা।

এ ব্যাপারে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে জিডি হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

রওশন এরশাদের সংবাদ সম্মেলন বৃহস্পতিবার

0

গুলশানে নিজ বাসভবনে জাতীয় পার্টির এমপিদের নিয়ে বৈঠক করেছেন দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ। জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবর চিঠি দেয়ার এখতিয়ার জিএম কাদেরের মন্তব্য করেছেন রওশন এরশাদপন্থী নেতারা।

এ চিঠিকে গঠনতন্ত্রের বিরোধী উল্লেখ করে তারা এখনো জিএম কাদেরকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আছেন বলে জানান। বুধবার (০৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা এ মন্তব্য করেন।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুর (০৫ সেপ্টেম্বর) ১২টায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন রওশন এরশাদ।

শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যলয়ের মাস্টার প্ল্যান উপস্থাপন

0

শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের মাস্টার প্ল্যানের পাওয়ার পয়েন্ট দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাধবী হলে এ মাস্টার প্ল্যান উপস্থাপন করা হয়।

আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক ও যুগোপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো বিনির্মাণে শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এ মাস্টার প্ল্যান উপস্থাপন করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষামন্ত্রী সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়টির সিন্ডিকেট সদস্য সাজ্জাদুল হাসান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. রফিকউল্লাহ খান, সিন্ডিকেট সদস্য ড. ফকরুল আলম, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি কাজী নাসির, ট্রেজারার ড. সুব্রত কুমার আদিত্য ও রেজিস্ট্রার কাজী নাসির উদ্দিন।

নেত্রকোনায় দুই হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০০ একর জমিতে এ বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২১ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি নির্মিত হলে এখানে চার হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনার করার সুযোগ পাবে। এরমধ্যে দুই হাজার ছেলে ও দুই হাজার মেয়ে শিক্ষার্থী থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এক হাজার আসন বিশিষ্ট চারটি হল নির্মাণ করা হবে। ২০টি বিভাগ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইশ জন শিক্ষক এবং ৩৫০ কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করবেন।

‘মশা মারা শিখতে সিঙ্গাপুর যাবে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা’

0

ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পেতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মশা নিধনের জন্য ৫ কোটি ৩২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় ২০০টি ফগার মেশিন, ১৫০টি হস্তচালিত এবং ৪০ হাজার কীটনাশক কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি। এক মাসের মধ্যে এসব জিনিস কেনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এ-সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে দ্রুততম সময়ে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধের জন্য ২০০টি ফগার মেশিন, ১৫০টি হস্তচালিত মেশিন এবং ৪০ হাজার লিটার কীটনাশক স্থানীয় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে বাজার দরে সংগ্রহ করা হচ্ছে। তারা বাইরে থেকে এগুলো নিয়ে আসবে।

মশা নিধনে সিঙ্গাপুরের একটি প্রকল্প কাজে লাগানোর কথা জানিয়ে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা কয়েকটি দেশ সফর করেছে। তারা পরবর্তীতে সিঙ্গাপুর যাবে। সিঙ্গাপুরের একটি প্রকল্প আছে, মশাকে অ্যাট্রাক্ট (আকৃষ্ট) করে তারা একত্রে মারে। তারা গর্ত করে সব মশা আকৃষ্ট করে সেখানে আনে, তখন সব মশা একসঙ্গে মারা হয়। আমাদের আগে মশা তাড়ানো হতো, তাই লাভ বেশি হয়নি। আমরা দেখছি মোটামুটি পরিবর্তন আসছে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ সিটি থেকে এসব ক্রয় সংক্রান্ত কোনো প্রস্তাব পাইনি। উত্তর সিটি যেহেতু কিনছে, দক্ষিণও হয়তো কিনবে। মশা মারার এ কার্যক্রম সারা বছর চলবে।

এ দেশে কেউ যেন নিজেকে সংখ্যালঘু না ভাবে: প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অন্য ধর্মের মানুষের ওপর হামলা, লুটপাট, ভাঙচুরই বিএনপি-জামায়াতের আসল চরিত্র।
বুধবার (০৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণভবনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে সরকারপ্রধান বলেন, রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবাই সমান সুযোগ ভোগ করবে। কোনো জাতিগোষ্ঠীকে সংখ্যালঘু নয়, দেশের নাগরিক ভাবতে হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলা ১৪শ’ সাল উদযাপন করার জন্য কমিটি করি তখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। তারা আমাদের বাঁধা দিয়েছিলো উদযাপন করতে দিবে না, আমরা তখন জোর করে উদযাপন করেছিলাম। এখন আমরা সরকারে এসে এটার জন্য উৎসব ভাতা দিচ্ছি এবং সকলে মিলে এই উৎসব উদযাপন করছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জামায়াত জোটের চরিত্রটাই এরকম। কারণ আপনারা জানেন তারা কিভাবে অত্যাচার করে নির্যাতন করে। ১৯৯১ সালে তারা দুর্গম এলাকা সেখানেও মন্দিরে হামলা করেছে, নির্যাতন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা কেন নিজেদেরকে সংখ্যালঘু বলেন, তা আমি জানি না। আপনারা কি এই দেশের নাগরিক না? এই দেশ আপনাদের জন্মভূমি না? আপনারা এই দেশের মানুষ। নিজেদের কেনো ছোট করে দেখবেন। এখানে সবার সমান অধিকার রয়েছে।