Home Blog Page 25

বিএনপিসহ কিছু গোষ্ঠী ভালো কিছু দেখে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে প্রায় আট লাখ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ হয়েছে। প্রতিবার বাজেট পেশ করার পর আপনারা দেখবেন বিএনপির পক্ষ থেকে একটা সংবাদ সম্মেলন করা হয়। বলা হয় এই বাজেট গণবিরোধী, গরিব মারার বাজেট, এই বাজেটে কোন উপকার হবে না। বিএনপিসহ কিছু গোষ্ঠি আছে তারা চোখে ভালো কিছু দেখেন না। প্রকৃতপক্ষে গত ১৫ বছরে প্রতিটা বাজেট বাস্তবায়নের হার হচ্ছে ৯২ থেকে ৯৭ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ৬২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মামুদ এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আবার যারা নিজেদের জ্ঞানী বলে মনে করেন, তারা কোনো কিছুতে ভুল না ধরলে উনি যে জ্ঞানী এটা তো বোঝানো যায় না। সেজন্য সবকিছুতে ভুল ধরা উনাদের অভ্যাস। সেজন্যই তারা বলেন, এই বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়। সবকিছুতে না বলার যে অপসংস্কৃতি এটি দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য বাধা।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত ১৫ বছরে প্রতিটা বাজেট বাস্তবায়নের হার হচ্ছে ৯২ থেকে ৯৭ শতাংশ। বাজেটের আকার গত ১৫ বছরে সাড়ে ১১গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাথাপিছু আয় সাড়ে পাঁচগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জিডিপির আকার প্রায় ছয়গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে দারিদ্র সীমার নিচে থাকা জনগোষ্ঠি ছিল ৪১ শতাংশ। সেখান থেকে ১৮.৭ শতাংশে নেমেছে। অতি দারিদ্রতা ২২শতাংশ ছিল, সেখান থেকে সাড়ে ৫ শতাংশে নেমেছে।

তিনি বলেন, বাজেট যদি গরিবের উপকারে না আসত, তাহলে দরিদ্রতা ও অতি দরিদ্রতা কমত না। মানুষের আয় সাড়ে ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ডলারের অংকে। টাকার অংকে আরো বেশি। এটি সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের বাস্তবসম্মত বাজেট প্রণয়ন এবং সেই বাজেট বাস্তবায়নের কারণে।

সাংবাদিকরা সমাজের অগ্রসর অংশ। সমাজকে পথ দেখায়। সমাজের অনুম্মোচিত বিষয়গুলো উম্মোচিত করে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরবেন, সেটিকে আমরা স্বাগত জানাই। কাজকে পরিশুদ্ধভাবে করার ক্ষেত্রে সেটি সহায়ক হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায় কিছু কিছু প্রতিবেদন এমনভাবে হয় সেগুলো দেশের জন্য ক্ষতিকারক।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, সিডিএর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ, জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, মহানগর পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বক্তব্য দেন।

রোমাঞ্চকর জয়ে ‘বি’ গ্রুপে টেবিলের শীর্ষে স্কটল্যান্ড

0

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরে দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে এলো স্কটল্যান্ড। এতে ইংল্যান্ডের জন্য সুপার এইটের যাত্রা কঠিন হয়ে দাঁড়াল।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ব্রিজটাউনের কেনিংসটন ওভালে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৫৫ রান করে নামিবিয়া। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৫৭ রান করে জয় তুলে নেয় স্কটল্যান্ড।

এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ইরাসমাসের ৩১ বলে ৫২, গ্রিনের ২৭ বলে ২৮ ও নিকোলাস ডেভিনের ১২ বলে ২০ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রানের পুঁজি পায় নামিবিয়া।

স্কটিশদের হয়ে ৪ ওভারে ৩৩ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ব্র্যাড হোয়েল, ১৬ রান খরচায় ২ উইকেট নেন ব্র্যাড কুরি। এ ছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেন ক্রিস সোল, ক্রিস গ্রিভস ও লিস্ক।

জবাব দিতে নেমে ১৫ বলে ৭ রানে মানজে সাজঘরে ফেরার পর ২০ বলে ২৬ রানে মাইকেল জোন্স এবং ১৭ বলে ১৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ব্র্যান্ডন ম্যাকমুলেনে।

চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক বেরিংটন এবং মাইকেল লিস্কের দায়িত্বশীল ইনিংসে ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় স্কটিশরা। ৪ ছক্কায় ১৭ বলে ৩৫ রানে বেরিংটন এবং ২ ছক্কা ও ২ চারের মারে ৩৫ বলে ৪৭ রানে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন মাইকেল লিস্ক।

এই জয়ে ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষে স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে এক ম্যাচে ২ পয়েন্টে তালিকার দুইয়ে অস্ট্রেলিয়া। আর এক ম্যাচে এক পয়েন্ট তালিকার চারে ইংল্যান্ড। এ ছাড়া এক জয়ের বিপরীতে এক পরাজয়ে তালিকার তিনে নামিবিয়া এবং টেবিলের একদম তলানিতে ওমান।

সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করছেন ডিপজল

0

ঢাকাই চলচ্চিত্রের মুভিলর্ড খ্যাত মনোয়ার হোসেন ডিপজল। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছিলেন বেশকিছু সিনেপ্লেক্স নির্মাণের। তারই অংশ হিসেবে সিনেমা পাগল এই তারকা তার দুটি পুরনো হল এশিয়া ও পর্বত ভেঙে সিনেপ্লেক্স তৈরি করছেন।

সিনেপ্লেক্সগুলোতে যাতে সব শ্রেণির দর্শক সিনেমা দেখতে পারে, এ লক্ষ্য নিয়ে নির্মাণ করছেন বলে জানিয়েছেন ডিপজল।

এরই মধ্যে পর্বত ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণাধীন। ভবনটিতে তিনটি স্ক্রিন নিয়ে সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিপজল।

তিনি বলেন, আসন্ন ঈদের পর দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে যাবে। যত দ্রুত সম্ভব সিনেপ্লেক্সের কাজ শেষ করব। এরপর এশিয়ার কাজ শুরু হবে। এখন ভালো ভালো সিনেমা নির্মিত হচ্ছে। সামনে আরও ভালো সিনেমা হবে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সিনেমা দেখার আধুনিক চিন্তা থেকেই সিনেপ্লেক্স তৈরি করছি। শিল্পী সমিতিতে এসেছি শিল্পী ও চলচ্চিত্রের উন্নয়নে কাজ করার জন্য। এখান থেকে আমার কিছু নেওয়ার নেই। আমি দিতে এসেছি।

ডিপজল আরও বলেন, একটা জিনিসই শিখেছি, আর তা হচ্ছে ফিল্ম। এটা নিয়েই দর্শকের পাশে থাকতে চাই।

দর্শকদের উদ্দেশ্যে এই অভিনেতা বলেন, আপনাদের ভালোবাসা থাকলে আমাদের সিনেমা বানানোর আগ্রহ বাড়বে। এখন ভালো সিনেমা হচ্ছে। আপনারা সিনেমা দেখেন। আপনারা সিনেমা দেখলে আমাদের উৎসাহ বাড়বে। আরও বেশি সিনেমা নির্মাণ করতে পারব। আপনারা আমাদের পাশে থাকেন, আমরাও ভালো ভালো সিনেমা আপনাদের উপহার দেব।

বর্তমানে ডিপজলের বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় আছে। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন বেশ কয়েকটি বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণের। বর্তমানে সেগুলোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

‘ছয় দফা স্বাধীনতা সংগ্রামের টার্নিং পয়েন্ট’

0

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ছয় দফা বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধুর যে আহ্বান, তারই সঙ্গে ৭ জুনের হরতালে বেশ কয়েকজন শ্রমিক নেতা নিহত হন। ছয় দফা হচ্ছে স্বাধীনতা আন্দোলনের মাইলফলক। ছয় দফার ভিত্তিতে ১১ দফা আন্দোলনের সূত্রপাত। ৬২’তে পাক-ভারত যুদ্ধে পূর্ববাংলার কোনো নিরাপত্তা ছিল না। ৬ দফা না হলে ৬৯’ এর গণ-অভ্যুত্থান হতো কি না।

তিনি বলেন, ছয় দফা স্বাধীনতা সংগ্রামের টার্নিং পয়েন্ট। যারা ছয় দফা মানে না তারা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।

শুক্রবার সকালে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এই ছয় দফা আমাদের ইতিহাসের বাক পরিবর্তন করেছে। ৭৫’ এর পর ৭ জুন, ৭ মার্চ- এসব দিবস নিষিদ্ধ করে দেয়। যারা নিষিদ্ধ করে দেয় তারা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তারা দেশের স্বাধীনতা মানে না।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

0

আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৭ জুন) সকাল ৭টা ২মিনিটে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান বঙ্গবন্ধুকন্যা। এরপর বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেক দফা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে ঐতিহাসিক এ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, মহিলা আওয়ামী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এদিকে, দিবসটিকে কেন্দ্র করে দুপুর সাড়ে ৩টায় তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ঘোষণা। পাকিস্তানি শাসন-শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে স্বৈরাচার আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ডাকা এক জাতীয় সম্মেলনে পূর্ব বাংলার জনগণের পক্ষে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন।

পরবর্তী সময়ে তিনি ঢাকায় ফিরে ৬ দফার পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারাভিযানে নামেন এবং বাংলার আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে জনগণের সামনে ৬ দফার গুরুত্ব তুলে ধরেন। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের মধ্য দিয়ে ৬ দফা হয়ে ওঠে পূর্ব বাংলার জাতীয় মুক্তির সনদ।

১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা আদায়ে আওয়ামী লীগের ডাকে হরতাল চলাকালে নিরস্ত্র জনতার ওপর পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর গুলিবর্ষণ করে। এতে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, সফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন শহীদ হন।

৬ দফার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন এবং শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে সামরিক জান্তা আইয়ুব খানের সরকার ১৯৬৬ সালের ৮ মে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে। তাতে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলার রাজপথ। ৬ দফার সেই আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়।

সুপার ওভারে পাকিস্তানকে হারাল যুক্তরাষ্ট্র

0

টি-২০ বিশ্বকাপে রুদ্ধশ্বাস এক লড়াই দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। শেষ বল পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বাংলাদেশকে সিরিজ হারিয়ে চমকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্র কানাডার পর এবার কাঁপিয়ে দিল পাকিস্তানকে।

বিশ্ব ক্রিকেটের পরাশক্তিদের হারিয়ে তুলে নিয়েছে ঐতিহাসিক জয়।

সুপার ওভারে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে স্বাগতিকরা অঘটনই ঘটিয়েছে।

পাকিস্তানের করা ১৬০ রান তাড়া করতে নামা যুক্তরাষ্ট্রের শেষ বলে দরকার ছিল পাঁচ রান।

হারিস রউফের করা সেই বলে নিতিশ কুমার রাউন্ডারি মেরে ম্যাচ নিয়ে যান সুপার ওভারে। ভাগ্য নির্ধারণী মোহাম্মদ আমিরের ওভারে যুক্তরাষ্ট্র তুলে ১৮ রান। জবাব দিতে নেমে সৌরভ নেত্রাভালকারের করা ওভারে পাকিস্তান তুলতে পারে ১৩ রান। তাতে ৫ রানের জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা হয় যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ধস নামে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তিন উইকেটে তাদের বোর্ডে যোগ হয় মাত্র ৩০ রান। ২৬ রানের মধ্যে মোহাম্মদ রিজওয়ান (৯), উসমান খান (৩) ও ফখর জামানকে (১১) হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা। নসথুশ কেনজিগে, আলী খান, সৌরভ নেত্রাভালকারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারছিল না পাকিস্তানের ব্যাটাররা। এরপর শাদাব খান ২৫ বলে তিন ছক্কা ও একটি চারে করেন ৪০ রান।

শূন্য রানে ফেরেন আজম খান। ধীরগতিতে ব্যাট করা বাবর আজম ৪৩ বলে করেন ৪৪ রান। শেষ দিকে শাহীন আফ্রিদির ১৬ বলে ২৩ রানের ক্যামিওতে লড়াইয়ের পুজি পায় পাকিস্তান।

জবাব দিতে নেমে স্টেভেন টেইলরকে (১২) নাসিম শাহ ফেরালেও অধিনায়ক মোনাংক প্যাটেল ও আন্দ্রিয়েস গুসের ব্যাটে এগোতে থাকে। গুস (৩৫) ফেরার আগে দ্বিতীয় উইকেটে দুজনে যোগ করেন ৬৮ রান। দ্রুতই ফিরে ফিরে যান অধিনায়ক মোনাংক প্যাটেলও (৫০)। আগের ম্যাচে বিধ্বংসী ইনিংস খেলা অ্যারোন জোনস (৩৫) এদিনও আশা বাঁচিয়ে রাখেন। শেষ ওভারে ১৫ রান লাগলে যুক্তরাষ্ট্র তুলে ১৪ রান। তাতে ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানেই বাজিমাত করে অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

দেশে জিডিপির নতুন রেকর্ড

0

গ্রোস ডমেস্টিক প্রডাক্ট (জিডিপি) বা মোট দেশজ উৎপাদনের আকারে রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ ৪৮ হাজার ২৭ কোটি টাকা। যা এ যাবত কালের সর্বোচ্চ।

সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষায় (বিবিএস) এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বিবিএসের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চলতি বাজার মূল্যে জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ ৪৮ তহাজার ২৭ কোটি টাকা, যা পূর্ববর্তী ২০২২-২৩ অর্থবছরের ১২.৪১ শতাংশ বেশি।

সমীক্ষায় বলা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মাথাপিছু জিডিপি পূর্ববর্তী অর্থবছরের ২ লাখ ৬২ হাজার ৮৬৮ টাকা হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৪ হাজার ১৯১ টাকা। অপরদিকে, পূর্ববর্তী অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬০ টাকা হতে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা দাঁড়িয়েছে।

বিবিএস জানায়, মার্কিন ডলার হিসেবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপি পূর্ববর্তী অর্থবছরের মাথাপিছু জিডিপি ২৬৪৩ মার্কিন ডলার হতে সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ২৬৭৫ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ সময় মাথাপিছু জাতীয় আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৮৪ মার্কিন ডলার, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ২ হাজার ৭৪৯ মার্কিন ডলার।

এদিকে বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুরে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এটি দেশের ৫৩তম ও আওয়ামী লীগ সরকারের ২৫তম বাজেট। গতবারের তুলনায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে। ‘সুখী সমৃদ্ধ উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার’ শীর্ষক বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

এবারের বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে এবারের বাজেটের আকার বাড়ছে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এটি দেশের ৫৩তম, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৫তম ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট।

বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় বাজেটের আকার ৪.৬২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

বাজেটে বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

বিপাকে শাহরুখ-গৌরীর প্রযোজনা সংস্থা, দিল সতর্কবার্তা

0

বলিউডের সফল অভিনেতা শাহরুখ খান। পাশাপাশি সফল প্রযোজকও তিনি। ২০০২ সালে শাহরুখ এবং গৌরী খানের সহ-মালিকানায় তৈরি হয়েছিল প্রযোজনা সংস্থা ‘রেড চিলিজ এন্টারটেনমেন্ট’। অসংখ্য হিট ছবি উপহার দিয়েছে শাহরুখের প্রযোজনা সংস্থা।

যার মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় হিট্‌ ‘জওয়ান’। এ ছাড়াও রয়েছে রেড চিলিজ এন্টারটেনমেন্টের ভিএফএক্স সংস্থা। এবার শাহরুখের এই সংস্থার নাম ভাঙিয়ে চাকরির বিজ্ঞাপন!

যদিও এই বিষয়ে কিছুই জানতেন না শাহরুখ কিংবা তাঁর সংস্থার কেউই। এই প্রতারণার খবর কানে যেতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করল শাহরুখের সংস্থা।

রেড চিলিজের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘‘আমরা জানতে পেরেছি যে, একাধিক সমাজমাধ্যমে আমাদের সংস্থার নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন ভুয়ো প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, তারা রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু আমরা সবাইকে জানাচ্ছি রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট কোনও রকম নিয়োগ বা সেই সংক্রান্ত পলিসি বা কোনও ধরনের চাকরির সংক্রান্ত তথ্য হোয়াটসঅ্যাপ মারফত দেয় না। তাই এই ধরনের বিজ্ঞাপন থেকে দূরে থাকুন। ’’

যদিও এই প্রসঙ্গে শাহরুখের তরফ থেকে কোনও বিবৃতি এখনও মেলেনি।

শুল্কফাঁকি ঠেকাতে স্বর্ণালংকারের সংজ্ঞা নির্ধারণ করছে সরকার

0

কাস্টমস হয়ে শুল্কফাঁকির প্রবণতা রোধে ব্যাগেজ বিধিমালা সংশোধন ও যৌক্তিকীকরণের অংশ হিসেবে স্বর্ণের অলংকারের সংজ্ঞা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ব্যাগেজ বিধিমালা ২০২৩-এ পরিবর্তন আনছে সরকার। সেই সঙ্গে নতুন নিয়মও চালু করা হচ্ছে।

২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাগেজ বিধিমালা ২০২৩-এর ২ ধারায় স্বর্ণের অলংকার ও গয়নার উপযুক্ত সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে যাত্রীরা অল্প ডিজাইন করে ২৪ ক্যারেটের কাঁচা স্বর্ণকে গয়না হিসেবে লুকিয়ে আনার মাধ্যমে শুল্ক এড়ানোর চেষ্টা করেন বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

এ সমস্যার মোকাবিলায় তিনি স্বর্ণের অলংকার ও গয়নার উপযুক্ত সংজ্ঞা নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। এছাড়া ব্যাগেজ বিধিমালার নতুন নিয়ম অনুসারে এখন থেকে যাত্রীদের সঙ্গে না থাকা (আনঅ্যাকোম্পানিড) ব্যাগেজ সংগ্রহে শুল্ককর দিতে হবে।

বর্তমানে বিদেশ থেকে যাত্রীরা শুল্কছাড়া দুটি নতুন মোবাইল ফোন আনতে পারলেও নতুন নিয়মে কেবল একটি আনার সুবিধা দেওয়ার কথা প্রস্তাব করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াই করে হারলো বাংলাদেশ

0

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম লেগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাত্তা পায়নি বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে ৭-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছিল জামাল-তপুরা। তবে দ্বিতীয় লিগে নিজেদের মাঠে লড়াই করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। কিন্তু গোল না পাওয়ায় ২-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছে স্বাগকিতরা।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় রেফারি বাঁশি বাজার পর থেকেই আক্রমণ শানাতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু মেহেদী মিঠুর আত্মঘাতী গোল না হলে প্রথমার্ধের স্কোরলাইনটা হতো গোলশূন্য। অর্থাৎ র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রায় ১৬০ ধাপ এগিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে প্রায় বোতল বন্দী করে রেখেছিল স্বাগতিকরা।

রক্ষণ সামলে বাংলাদেশ কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠার চেষ্টা করেছিল কয়েকবার। তবে প্রথমার্ধে অনটার্গেট শট নিতে পারেনি একটিও। সেই হতাশার সময়টা আসে ২৯ মিনিটে। । প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে অ্যাজড্রিন রুস্টিকের শট মেহেদী মিঠুর পায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায়।

সেখানে কিছুই করার ছিল না বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল মারমার। যদি মেহেদী মিঠুর গায়ে বল না লাগতো সেক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র হতে পারত। কারণ, বলের শটের লাইনেই ছিলেন মিতুল।

৩৩ মিনিটে বাংলাদেশ বলার মতো সুযোগ পায়। রাকিব হোসেন বক্সের বাইরে থেকে এমন এক শট নিলেন, তা পোস্টের অনেক দূর দিয়ে গিয়ে সবাইকে হতাশ করে। গোলকিপারের কোনও পরীক্ষাই হলো না। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

বিরতির পর ৫১ মিনিটে মোহাম্মদ সোহেল রানার জায়গায় জামাল মাঠে নামেন। গ্যালারিতে উল্লাস। দুই মিনিট পর জামালের ক্রসে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে মোরসালিন পাওয়ার আগেই এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করেন। ৫৭ মিনিটে ইরানকুন্ডার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।

৫ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে অস্ট্রেলিয়া। জর্দান বসের কর্নারে কুসিনি ইয়েংগি লাফিয়ে উঠে গোলকিপারের ডান দিক দিয়ে জড়িয়ে দেন জালে। ইয়েংগিকে মার্কিংয়ে রাখা মেহেদী মিঠু আগেই লুটিয়ে পড়লে লক্ষ্যে হেড নিতে সহজ হয়।

৭১ মিনিটে আদাম টাগার্টের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে গেলে স্কোরলাইন বাড়েনি। ৮৮ মিনিটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এক দর্শক মাঠে ঢুকে হ্যারি সটারকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করে তার সামনেই পড়ে যান। সটার আবার লেস্টার সিটিতে হামজা চৌধুরীর সতীর্থ।

তবে নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে দ্রুত মাঠ থেকে বের করে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। মাঝে বাংলাদেশ দলে চারটি পরিবর্তন হয়। তারপরও প্রতি আক্রমণ থেকে অস্ট্রেলিয়ার গোলকিপারকে কোনও পরীক্ষাই নিতে পারেনি স্বাগতিকরা। ২-০ গোলের ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।