Home Blog Page 33

যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি হলে পদত্যাগের হুমকি ইসরায়েলি দুই মন্ত্রীর

0

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যে যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাব খোলাসা করেছেন তাতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রাজি হলে ইসরায়েলের দুই উগ্র ডানপন্থি মন্ত্রী ক্ষমতাসীন জোট ছাড়ার ও ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিস এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেছেন যে, হামাসকে ধ্বংস করার আগে যেকোনো চুক্তি ইসরায়েলের স্বার্থবিরোধী।

তবে পাল্টা অবস্থান ইসরায়েলের বিরোধী জোটের। যুদ্ধ বিরোধী এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করলে বিরোধী নেতা ইয়ার ল্যাপিড ক্ষমতাসীন নেতানিয়াহু সরকারকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এর আগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নিজেই জোর দিয়ে বলেছিলেন, যে হামাসের শাসন ও সামরিক ক্ষমতা ধ্বংস না করা এবং সব জিম্মিকে মুক্তি না দেয়া পর্যন্ত কোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে যাবে না তারা।

বাইডেনের যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাবটি ছয় সপ্তাহের যুদ্ধ বিরতির মাধ্যমে শুরু হবে। যেখানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) গাজার জনবহুল এলাকা থেকে প্রত্যাহার করবে। চুক্তি অনুযায়ী পরবর্তীতে সব জিম্মিদের মুক্তি, স্থায়ী শত্রুতার অবসান এবং ব্যাপকভাবে গাজা পুনর্র্নিমাণ পরিকল্পনা।

প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এই প্রস্তাবের পর শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে অর্থমন্ত্রী স্মোট্রিস জানান তিনি নেতানিয়াহুকে বলেছেন যে, হামাসকে ধ্বংস করা এবং সমস্ত জিম্মিকে ফিরিয়ে না এনে প্রস্তাবিত রূপরেখায় যদি নেতানিয়াহু রাজি হন তাহলে সরকারের এই প্রক্রিয়ার অংশ হবেন না তিনি।

প্রায় একই মনোভাব প্রকাশ করে বেন-গভির বলেন, এই চুক্তির অর্থ হলো যুদ্ধের সমাপ্তি এবং হামাসকে ধ্বংস করার লক্ষ্য থেকে সরে আসা। তিনি এই চুক্তিকে অপরিণামদর্শী আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এই চুক্তি মানে সন্ত্রাসবাদের বিজয়, যা ইসরায়েল রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।

তিনি এই প্রস্তাবে রাজি হওয়ার বদলে ‘সরকার ভেঙে দেওয়ার’ কথা বলেন।

নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট সংসদে একটি ছোটখাটো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আছে। বেন-গভিরের ওটজমা ইয়েহুডিত (ইহুদি শক্তি) পার্টির ছয়টি আসন রয়েছে। আর স্মোট্রিসের ধর্মীয় জায়োনিজম পার্টির রয়েছে মাত্র সাতটি আসন। তারা ক্ষমতায় থাকতে জোটবদ্ধ হিসেবে সংসদে রয়েছে।

অপর দিকে ইসরায়েলের সবচেয়ে প্রভাবশালী বিরোধী রাজনীতিবিদদের একজন ইয়ার ল্যাপিড। এই সংকটে তিনি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে তার সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছেন। তার দল ইয়েশ আতিদ ২৪টি আসন নিয়ে সংসদে রয়েছে। রাজনীতিতে যাদের ভবিষ্যতও বেশ ভালো।

তিনি বলেছেন, ‘বেন-গভির এবং স্মোট্রিস সরকার ছেড়ে দিলে জিম্মি চুক্তির জন্য নেতানিয়াহুর জন্য আমাদের সমর্থন আছে।’

বাইডেনের দেয়া প্রস্তাবে ইসরায়েলি সরকারকে রাজি হওয়ার আহবান জানিয়ে তেল আবিবে কয়েক হাজার মানুষ সমাবেশ করে। তারা এ সময় নেতানিয়াহুর পদত্যাগও দাবি করেছে। এসময় বিক্ষোভকারী এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। তখন কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটকও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার এক যৌথ বিবৃতি মিশর কাতার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থ্যতাকারীরা ইসরায়েল ও হামাস উভয়কেই বাইডেনের দেয়া যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাব চূড়ান্ত করার আহবান জানিয়েছে।

তারা বলছেন, গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি ও বন্দিদের মুক্তির জন্য চলমান আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসাবে তারা জো বাইডেনের রূপরেখার মূল বিষয়গুলোকে চূড়ান্ত করতে হামাস এবং ইসরায়েল উভয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকও এই যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাবনার প্রতি তার সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন যে, ‘হামাস যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা গ্রহণ করলে তার সরকার গাজায় বিপুল পরিমাণ সহয়তা পাঠাতে পারবে।’

এর আগে হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ বিবিসিকে বলেছিলেন, ইসরায়েল যদি রাজি থাকে তাহলে তারা এই চুক্তিতে যাবে।

তবে শনিবার এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় বলেছে যে, যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েল যে নীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

হামাসের সামরিক ও শাসন ক্ষমতার ধ্বংস, সমস্ত জিম্মিকে মুক্ত করা এবং গাজা যাতে আর তাদের জন্য হুমকি না হয় তা নিশ্চিত করতেই যুদ্ধ নীতি গ্রহণ করেছিল ইসরায়েল।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী অফিসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার আগে ইসরায়েল ‘এই শর্ত পূরণের জন্য জোর দিতে থাকবে।’

অন্যদিকে মিসর সীমান্তে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরে রাফাহতে শনিবারও ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের উত্তরে গাজা শহরেও গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে।

হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় ৩৬ হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ১২০০ ইসরায়েলিকে হত্যা এবং প্রায় ২৫২ জন ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিককে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস।
খবর বিবিসি

কেবল এশিয়ায় নিরাপত্তা থাকলেই যুক্তরাষ্ট্র নিরাপদ হতে পারে : অস্টিন

0

ওয়াশিংটনের কাছে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অগ্রাধিকার রয়েছে উল্লেখ করে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন, ‘কেবল এশিয়ায় নিরাপত্তা থাকলেই’ যুক্তরাষ্ট্র নিরাপদ হতে পারে।

চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ডং জুনের সঙ্গে সাক্ষাতের একদিন পর সিঙ্গাপুরে একটি বড় ধরনের নিরাপত্তা সম্মেলনে লয়েড এ কথা বলেন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কে ব্যারোমিটার হিসেবে কাজ করা সাংগ্রি-লা সংলাপে অস্টিন আরও বলেছেন, এশিয়ায় নিরাপত্তা থাকলেই যুক্তরাষ্ট্র নিরাপদ হতে পারে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে তার উপস্থিতি বজায় রাখছে।

তিনি বলেন, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে ঐতিহাসিক সংঘাত সত্ত্বেও এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল আমাদের কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র।

যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে বিশেষ করে ফিলিপাইনের সঙ্গে জোট ও অংশীদারিত্ব আরো জোরদার করতে ইচ্ছুক। কারণ, ম্যানিলা চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি ও প্রভাব মোকাবেলা করতে চায়।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত স্বশাসিত তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং তের শপথ গ্রহণের পর চীন এর আশেপাশে সামরিক মহড়া চালানোর এক সপ্তাহ পর চলতি বছরের সাংগ্রি-লায় সংলাপটি অনুষ্ঠিত হলো।

বাস্তবিক পক্ষে অস্টিন শুক্রবার ডংয়ের সঙ্গে প্রথম মুখোমুখি বৈঠক করেন। এটি ছিল গত ১৮ মাসের মধ্যে দুই প্রতিরক্ষা প্রধানের প্রথম মুখোমুখি বৈঠক। বৈঠকে উভয়ে আবারও সামরিক সংলাপের আশা ব্যক্ত করেন।

অস্টিন বলেছেন, আগামী মাসগুলোয় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সামরিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করবে। এদিকে বেইজিং দুই দেশের মধ্যকার স্থিতিশীল নিরাপত্তা সম্পর্কের প্রশংসা করেছে।

কিন্তু অস্টিন তার শনিবারের বক্তব্যে চীনকে খোঁচা মেরে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তার নতুন যুগের কথা তুলে ধরে বলেছেন, এটি কোন একটি দেশের ইচ্ছা চাপিয়ে দেয়া নয় কিংবা গুন্ডামি অথবা জবরদস্তিও নয়।

তিনি বলেন, এটি একসঙ্গে মিলিত হওয়ার সম্মিলন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বাধীন পছন্দের বিষয়।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে। তাই চুক্তির মিত্র ফিলিপাইন এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতার মূল কেন্দ্র। কারণ, চীনকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চলের যে কোনো সংঘাতে ফিলিপাইনের সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এমপি আনার হত্যার মূল মামলা ভারতে, তদন্তও ভারতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এমপি আনার হত্যার মূল মামলা ভারতে হয়েছে এবং মূল তদন্তও ভারতে হবে। তবে তদন্তে বাংলাদেশ সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

আজ শনিবার (১ জুন) দুপুর দেড়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) ছাত্রলীগ কর্তৃক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘আমাদের বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক বক্তৃতা প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মূল হত্যাকাণ্ড যেহেতু ভারতে হয়েছে, সেহেতু মূল মামলাও ভারতে হয়েছে। ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দী বিনিময় চুক্তি আছে। তাই ভারতই এ হত্যাকাণ্ডের মূল তদন্ত করবে। আমাদের দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হলে আমাদের পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করত। তারা যদি আমাদের সম্পৃক্ত করে তাহলে আমরা তাদের সহযোগিতা করব।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একজন নেপালে পালিয়ে গেছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে আর আমরা বসে থাকবো এমন হতে পারে না। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং সহযোগিতাকারী সবাইকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। নেপালে একজন পালিয়ে গেছে। তবে সে কোথায় আছে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত হচ্ছে, তাকে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যদি কেউ অন্যায় করে তাহলে তার শাস্তি বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী হবে। তার বিষয়ে তদন্ত চলছে। তিনি অন্যায় করেছেন না কি নির্দোষ, তিনি কি কর ফাঁকি দিয়েছেন না কি অন্যভাবে অর্থ সম্পদ গড়েছেন, সেটা তদন্ত শেষ হলে সে অনুযায়ী তার বিচার করা হবে।

তদন্ত চলমান অবস্থায় একজন আইজিপি বিদেশ চলে যেতে পারেন কি না, জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, সে এখনো দেশে আছে নাকি বিদেশ চলে গেছে এটা আমি জানি না।

আইজিপির এমন কর্মকাণ্ডে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, না, এটা ব্যক্তিগত বিষয়। আমাদের পুলিশ বাহিনী অনেক কষ্ট করে। জঙ্গি-সন্ত্রাস দমন, কোভিডসহ যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারা জীবন বাজি রেখে কাজ করেছে। কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার দায় প্রতিষ্ঠান নেয় না।

জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহায়তা জরুরি : পরিবেশমন্ত্রী

0

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের জলবায়ু কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ৮৭৬ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, দেশের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০৫০ সালের মধ্যে অভিযোজনের জন্য ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বাস্তবায়নের জন্য ১৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন।

মন্ত্রী আরও বলেন, মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা (এমসিপিপি) এবং বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০-এর জন্য চিহ্নিত অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য ৪৭১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য সরকার বাংলাদেশ জলবায়ু উন্নয়ন অংশীদারিত্ব গঠন করেছে।

সাবের হোসেন চৌধুরী আজ শনিবার সাভারের ব্রাক সিডিএমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট ফাইন্যান্স এক্সেস অ্যান্ড মোবিলাইজেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক তিন দিন ব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

সাবের চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন শুধু একটি পরিবেশগত বিষয় নয়, এটি একটি অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং উন্নয়নমূলক বিষয়, যা আমাদের সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে। জলবায়ু অর্থায়ন সংগ্রহ আমাদের নি¤œ-কার্বন, জলবায়ু-সহনশীল অর্থনীতিতে রূপান্তরকে সমর্থন করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, আমাদের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল এবং উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থাকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে এবং জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার কার্যকর করার জন্য আমাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

সাবের চৌধুরী বলেন, উন্নত দেশগুলোর উন্নয়নশীল দেশগুলোকে তাদের জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করার নৈতিক এবং আইনগত দায়িত্ব রয়েছে। আমরা আমাদের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো সম্মান করতে এবং পূর্বানুমেয়, পর্যাপ্ত এবং প্রবেশযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করার আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, আমাদের সবুজ বন্ড, জলবায়ু বীমা এবং পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বের মতো উদ্ভাবনী অর্থায়নের উৎসগুলোও খুঁজে বের করতে হবে।

প্রয়োজনীয় সম্পদ সংগ্রহ করতে রূপান্তরমূলক কর্ম বাস্তবায়ন করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ভালো, নিরাপদ এবং টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করতে সবার প্রতি আহবান জানান তিনি।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, সুইডেনের দূতাবাসের উন্নয়ন সহযোগিতার উপ-প্রধান নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রোম, ব্রিটিশ হাই কমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার এবং উন্নয়ন পরিচালক ম্যাট ক্যানেল, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির বাংলাদেশস্থ প্রতিনিধি স্টেফান লিলারও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সিভিল সোসাইটির প্রধান অংশীদারদের একত্রিত করেছিল। যারা বাংলাদেশে জলবায়ু অর্থায়ন বৃদ্ধির এবং এর কার্যকর ব্যবহারের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।

আফগানিস্তানে নৌকাডুবিতে ২০ জনের প্রাণহানি

0

আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহার প্রদেশে একটি নদী পার হওয়ার সময় নৌকা ডুবিতে শিশুসহ ২০ জন প্রাণ হারিয়েছে। শনিবার প্রাদেশিক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় প্রদেশের তথ্য বিভাগের প্রধান কুরাইশি বদলুন বলেন, আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহার প্রদেশের ‘মোমান্দ দারা জেলার বাসাউল এলাকার ওই নদীতে শনিবার সকাল ৭টায় নারী ও শিশুদের নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যায়।’

তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় পাঁচজন প্রাণে বেঁচে গেছে। নৌকাডুবির কারণ জানতে তদন্ত করা হচ্ছে।

নানগারহার তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ জানায়, কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাস্থলে একটি মেডিকেল টিম এবং অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছে।

প্রাদেশিক সরকারের কর্মকর্তারা জানান, এ ঘটনায় কমপক্ষে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্যদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, সেখানে নদীটির ওপর কোন সেতু না থাকায় ওই এলাকার বাসিন্দারা তা পার হতে নিয়মিত নৌকা ব্যবহার করে থাকে।
খবর এএফপি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে পাহাড়ে শান্তির সু-বাতাস বইছে : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

0

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে পাহাড়ে শান্তির সু-বাতাস বইছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি পাহাড়ে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে একই ছাতার নিচে নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, পাহাড়ে উন্নয়নের জোয়ার বইছে।

শুক্রবার (৩১ মে) খাগড়াছড়ি সদর কমলছড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত স্থানীয় এনজিও পার্বত্য বৌদ্ধ মিশন (পিবিএম) অনাথালয় পুনরায় চালু উপলক্ষ্যে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রফেসর বোধিসত্ব চাকমার সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসাবে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, মং সার্কেল চীফ রাজা সাচিংপ্রুু চৌধুরী, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চাইথোঅং মারমা, পাজেপ নির্বাহী কর্মকর্তা টিটন খীসা, সাবেক প্রফেসর ড. সুধীন কুমার চাকমা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যান সংসদের সভাপতি সুশিল জীবন ত্রিপুরা, নারী নেত্রী শেফালীকা ত্রিপুরা ও পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মধুমঙ্গল চাকমা।

বাজি ধরে নিষিদ্ধ হলেন ইংলিশ পেসার

0

বিভিন্ন ধরনের ক্রিকেট ম্যাচে ৩০৩টি বাজি ধরায় ইংল্যান্ড জাতীয় দল ও ডারহাম কাউন্টি ক্লাবের পেসার ব্রাইডন কার্সকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ৩ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। একই সঙ্গে ১৩ মাসের জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে তাকে।

২৮ বছর বয়সী এ পেসার ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে এখনো পর্যন্ত ১৭টি ম্যাচ খেলেছেন। সবশেষ গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা গেছে তাকে।

ইসিবির নতুন স্বাধীন সংস্থা ‘ক্রিকেট রেগুলেটর’-এর তদন্তের কার্সের বাজি ধরার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। কার্সও তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন। ইংলিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যযন্ত বিভিন্ন ম্যাচে কার্স বাজি ধরলেও এসব ম্যাচের কোনোটিতেই খেলেননি তিনি। তবে পেশাদার ক্রিকেটার, কোচ, কোচিং স্টাফের সদস্যরা বাজি ধরতে পারবেন না, এ কারণেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ইংলিশ এই পেসার।

‘ক্রিকেট রেগুলেটর’ তাদের দেয়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘তদন্তের কাজে কার্স আমাদের সহযোগিতা করেছেন এবং কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা করেছেন।’ এদিকে বাজি ধরাইয় নিজের দায় নিয়ে কার্স বলেন, ‘বাজিগুলো কয়েক বছর আগে ধরলেও এটিকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চাই না। আমি আমার কার্যকলাপের সব দায় (মাথা পেতে) নিচ্ছি।’

একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবার মাঠে ফেরার প্রতাশার কথাও জানিয়েছেন কার্স। তিনি বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে আমাকে সমর্থন দেওয়ায় আমি ইসিবি, ডারহাম এবং প্রফেশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আগামী ১২ সপ্তাহ আমি কঠোর পরিশ্রম করব এবং এটা নিশ্চিত করছি, আপনারা আমাকে যে সমর্থন দিচ্ছেন, তা আবারও খেলতে নেমে শোধ করব।’

‘অল আইজ অন রাফাহ’ স্লোগানে সরব বলিউড তারকারাও

0

রাফাহ শহরের শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদ করেছেন বলিউড তারকারাও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টে বলিউড অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা ইসরায়েলের নৃশংসতার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।

এই তালিকায় রয়েছেন-কারিনা কাপুর খান, আলিয়া ভাট, প্রিয়াংকা চোপড়া, মাধুরী দীক্ষিত, দিয়া মির্জা ও সামান্থা রুথ প্রভু ও বরুণ ধাওয়ানসহ আরও অনেকে।

ইনস্টাগ্রামে চোখ রাখলেই এ মুহূর্তে দেখা মিলবে বিশেষ একটি বাক্য লেখা ছবির। অল্প সময়ের মধ্যেই ‘অল আইজ অন রাফাহ’ লেখা ছবিটি কার্যত উঠে এসেছে ট্রেন্ডিংয়ে। বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায়- সবার নজর রাফাহর দিকে। বলিউড তারকারাও ছবিটি শেয়ার করে ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।

দুই দিন আগে রাফাহর একটি ক্যাম্পে বোমা হামলায় ৭৫-এর অধিক ফিলিস্তিনি জীবন্ত পুড়ে মারা যান এবং অগ্নিদগ্ধ ও আহত হয়েছেন কয়েক শতাধিক। এই হামলার নিন্দা জানিয়ে আলিয়া তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, পৃথিবীর সব শিশুরই নিরাপত্তা ও ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। সবাই শান্তি পাওয়ার অধিকার রাখেন।

এছাড়া ইউনিসেফের শুভাচ্ছাদূত প্রিয়াংকা চোপড়াকে কখনো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কথা বলতে দেখা যায়নি। এবার তিনিও এই গণহত্যার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক তারকা নিন্দা জানিয়েছেন

এইচএসসি পরীক্ষা ৩০ জুনই, পেছানোর খবর ভুয়া

0

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা এক মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে একটি বিজ্ঞপ্তি গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটিকে ভুয়া আখ্যায়িত করে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকা।

শনিবার সকালে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ সম্পর্কিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রচারিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শাখা কর্তৃক ইস্যু করা নয়। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সময়সূচি অনুসারে আগামী ৩০ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

পূর্বঘোষিত পরীক্ষা পেছানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আবুল বাসারও।

উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়।‌ সূচি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৩০ জুন শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে শেষ করতে হবে।

রুটিন অনুযায়ী, প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

দেশে রাতকানা রোগ প্রায় নির্মূল হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল হওয়ায় দেশে রাতকানা রোগ প্রায় নির্মূল হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

আজ শনিবার (১ জুন) সকালে রাজধানীর মহাখালীতে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিনে জাতীয় (নিপসম) ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৪ এর উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অন্ধত্ব রোধে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ালে শিশুর পুষ্টি বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাড়ে। এ ছাড়া রাতকানা রোগ, হাম, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ কমাতেও সাহায্য করে।

এ সময় অবিভাবকদের স্থানীয় স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান মন্ত্রী।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে ক্যাম্পেইন কার্যক্রম শুরু করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। নিজে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে দেন। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ২৭ লাখ শিশুকে একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে লাল রঙের একটি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ। বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম।

প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী ও প্রায় ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী এই আয়োজনে যুক্ত আছেন।