Home Blog Page 36

গাজীপুর জেলায় ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু

0

সরকারের অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ পরিকল্পনার আওতায় গাজীপুর জেলার সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর এনসিডি কর্ণার কে ডিজিটালাইজ করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (এনসিডিসি) প্রোগ্রামের সহায়তায় একটি গবেষণা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

উক্ত গবেষণা কার্যক্রম এর ওরিয়েন্টেশন সভা গত ২৯ মে ২০২৪ তারিখে গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। এই গবেষণা প্রকল্পটির মাধ্যমে গাজীপুর জেলার গ্রামে বসবাসকারী সকল প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নির্ণয় এবং ডব্লিউ এইচ ও পেন প্রোটোকল অনুসারে তার সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। এবং বর্তমান সরকারের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার রেফারেল পদ্ধতিকে জোরদার করা হবে।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মাহমুদা আক্তার, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এনসিডিসি প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডাঃ মোঃ রোবেদ আমিন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রোগ্রাম ম্যানেজার-১ ডাঃ নুরুল ইসলাম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলার সকল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও আবাসিক মেডিকেল অফিসারগণ। এই গবেষণা কার্যক্রমটির প্রধান গবেষক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সাইন্সেস এর অসংক্রামক রোগ বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মিথিলা ফারুক।

এবিএন/অমিত বনিক/জসিম/গালিব

সরকার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে : ভূমিমন্ত্রী

0

সরকারের ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপকূলীয় অঞ্চলে জীবনযাপন কঠিন করে তুলছে। যদিও দুর্যোগ প্রশমনে সরকারের উদ্যোগ এবং আন্তরিকতার কোন অভাব নেই। ইতোমধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলসহ দুর্যোগ প্রবণ এলাকার জন্য সরকার দুর্যোগ প্রতিরোধে নানামূখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অতিতের চেয়ে অনেকাংশে কমে এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর আঘাতে যেসব স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে পোল্ডারের ভিতরে প্লাবিত হয়েছে এর বেশির ভাগ বাঁধ দুর্বল ছিল বলে জানা গেছে। কেন দুর্বল ছিল এবং কেন মজবুত করা যায়নি সেটি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি পানি উন্নয়ন কর্মকর্তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের নামে কোন বাঁধ নির্মাণ কাজ আটকিয়ে রাখা যাবে না। সরকার এখন ভূমি অধিগ্রহণে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি মূল্য দেয়।

তিনি বুধবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর আঘাতে পাইকগাছা উপজেলার দেলুটী ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত তেলিখালী এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে ফুলবাড়ী বাজারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র বলেন, দেলুটীর ২ নং পোল্ডার কৃষিতে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এলাকা। এখানে লবণ পানি ওঠানো হয় না। কৃষি ফসল হয়, সবুজে ভরা গাছ-পালা, গবাদি পশু ও মিষ্টি পানির মাছ চাষ করে এখানকার মানুষ সুন্দর জীবন যাপন করতো। এখান থেকে বছরে কোটি কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি হয়। দুর্যোগ এখানকার সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকার ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে থাকবে। অর্থের কারণে বাঁধ মেরামত কাজ আটকে থাকবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ সম্পর্কে অবহিত আছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন। দ্রুত মেরামত এবং মজবুত বাঁধ যাতে হয় সে ব্যাপারে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এমপি রশীদুজ্জামান ভূমি মন্ত্রীর মাধ্যমে দ্রুত বাঁধ মেরামত, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার লবণ পানি নিষ্কসন ও দুর্গত মানুষকে যতদ্রুত সম্ভব তাদের ঘরে ফিরিয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত কুমার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পিতান কুমার মন্ডল, ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাস, উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, জনস্বাস্থ্যের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহাদাৎ হুসাইন, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল, কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিশিত রঞ্জন ও দেলুটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্মল মন্ডল।

কয়রায় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

0

গত ২৬ মে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত কয়রা সদর এলাকা পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ মহিবুর রহমান। এ উপলক্ষে গত বুধবার দুপুর ১২টায় তিনি হেলিকপ্টারযোগে কয়রার কপোতাক্ষ কলেজ মাঠে অবতরণ করেন।

দুপুর ১টায় প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিদর্শন শেষে কপোতাক্ষ কলেজ মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

আরো বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান, ভোলা-৪ আসনের এমপি আব্দুল্লাহ আল জ্যাকব, ত্রান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ কামরুল হাসান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফিন, পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম তারিক উজ-জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মামুনার রশিদ। প্রধান অতিথি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ মহিবুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের মানুষের সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নির্মাণ করা সহ উপকূলের রাস্তাঘাট সংস্কার জরুরী ভিত্তিতে করা হবে। পরে রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের হাতে প্রতিমন্ত্রী ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

0

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িঘর নির্মাণ করে দেওয়াসহ যা যা প্রয়োজন সব করে দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ শেষে আয়োজিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা আছে বলেই দেশে উন্নতি হচ্ছে। ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার। আর ধারাবাহিক গণতন্ত্র আছে বলেই দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরেছে সরকার।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এসেছে বলেই এই উপকূলীয় অঞ্চলে শান্তি এসেছে। অনেকেই ক্ষমতায় ছিল কিন্তু কেউ তা পারেনি। এই অঞ্চলের বাংলাদেশের কেউ ভূমিহীন থাকবে না। উপকূলীয় অঞ্চলে সবাইকে ঘর করে দিয়েছি। ঘূর্ণিঝড়ে আমাদের দেওয়া কোনো বাড়ি নষ্ট হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট-বাঁধ মেরামত শুরু হয়ে গেছে। আমরা উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দেবে। যাতে কোনো দুর্যোগে সেগুলো নষ্ট না হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দল ও সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে। সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার। অতীতে এমন দুর্যোগ হয়েছে কিন্তু কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। দুর্যোগ আসবেই কিন্তু তা মোকাবিলা করে টিকে থাকার সামর্থ অর্জন করতে হবে। সেটাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে সমসময় মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকদের ক্ষতিপূরণে সার-বীজসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। ভেঙে যাওয়া বাঁধ ও ঘরবাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দেওয়া হবে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল কবলিত এলাকা পরিদর্শনে বেলা পৌনে ১২টার দিকে পটুয়াখালী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে গিয়ে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ মে রাত থেকে ২৭ মে শেষ রাত পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড় রিমাল। এর প্রভাবে ঝড়, বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাসে দেশের বিভিন্ন জেলার মতো উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

পটুয়াখালী জেলায় ৩ লাখ ২৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ২৩৫টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ১ হাজার ৮৬৫টি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষি খাতে ২৬ কোটি টাকা এবং মৎস্য খাতে ২৮ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়।

ধান বিক্রি করে ৯৬ হাজার টাকা পেলেন প্রধানমন্ত্রী

0

নিজের জমির ধান বিক্রি করে ৯৬ হাজার টাকা আয় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

টুঙ্গিপাড়া খাদ্য গুদামের কাছে নিজ নামের জমির ৩ মেট্রিক টন ধান সরকার নির্ধারিত ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে ৯৬ হাজার টাকা আয় করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ মে) প্রধানমন্ত্রীর ধান সংগ্রহ করা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর ঠিকানা হিসেবে ধানমণ্ডির ‘সুধা সদন’ উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া এ জমিতেই উৎপাদিত আরো ৪ মেট্রিক টন ধান দুই প্রতিবেশীর নামে খাদ্য গুদামে বিক্রি করা করা হয়েছে। মোট ৭ মেট্রিক টন মোট ২ লাখ ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

টুঙ্গিপাড়ার খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস এ সব তথ্য জানিয়েছেন।

বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস বলেন, লটারির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে ৩ মেট্রিক টন ধান বিক্রি করেছেন। এছাড়া একই পদ্ধতিতে প্রতিবেশী মো. নওশের আলীর নামে প্রধানমন্ত্রীর জমির ৩ মেট্রিক টন এবং মো. ইস্রাফিলের নামে ১ মেট্রিক টন ধান খাদ্য গুদামে সংগ্রহ করা হয়।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, অনেক বছর পতিত পড়ে থাকা পুবের বিলে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে গত মৌসুম থেকে সমবায় ভিত্তিতে বোরো আবাদ শুরু হয়। গেল মৌসুমে প্রধানমন্ত্রী পৈতৃক ১৪ বিঘা জমি থেকে দেড়শ মণ ধান পেয়েছিলেন। আর এবার দ্বিতীয়বারের মতো ওই জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়। সেখান থেকে ১শ ৭৫ মণ (৭ মেট্রিক টন) ধান পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৩৮ শতাংশ : ইসি সচিব

0

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিদায়ী সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেছেন, তৃতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮৭ উপজেলায় ৩৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। তবে, ভোট পড়ার এ হার আরও বাড়তে পারে। কারণ এখনও ৮৭ কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বিদায়ী সচিব ও নবাগত সচিব শফিউল আজিমের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

গতকাল (বুধবার) ভোট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, এ যাবৎ উপস্থিতির যে তথ্য পেয়েছি, সেটি আমাদের পর্যালোচনায় ৩৫ শতাংশের কম-বেশি হতে পারে। বেশিও হতে পারে। নিশ্চিত করে বলত হয়তো আরও ২৫ ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আমার কাছে তথ্য চাইতেন। অনেক সময় তথ্য থাকতো না। আপনারা আমাকে খোঁচা দিতেন। আমি হয়তো আপনাদের সঙ্গে এমন আচরণ করছি, যা শোভন নয়। তবে, আমাদের স্বচ্ছতার কোনও ঘাটতি ছিল না। আমার আচরণে আপনাদের সহসা কষ্ট দিতে চাইনি। তবুও বিদায় বেলায় আপনারা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

গণমাধ্যমের সহযোগিতা পেয়েছেন জানিয়ে ইসির বিদায়ী সচিব বলেন, আপনারাই আমাদের জনগণের কাছে চিনিয়েছেন।

ইসরায়েলে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার

0

ইসরায়েলে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা। গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি গণহত্যার কঠোর সমালোচনা করায় বেশ কয়েক মাস ধরে ইসরায়েল ও ব্রাজিলের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর মাঝেই রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের ঘোষণা দিল ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট।

বুধবার (২৯ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার এ বিষয়ে সরকারি একটি গেজেট জারি করেছে ব্রাজিল সরকার। তবে ইসরায়েল তাৎক্ষণিক কোন প্রতিক্রিয়া জানায় নি।

গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার বড় সমালোচক লুলা। এ বছরের শুরুতে ইসরায়েলি হামলাকে হলোকাস্টের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি। তার এমন মন্তব্যের পর ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতকে জনসাধারণের সামনে তিরস্কার করতে জেরুজালেমের জাতীয় হলোকাস্ট জাদুঘরে তলব করেছিলেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ। এ ছাড়া ইসরায়েলে লুলাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছিল।

ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের দেশের রাষ্ট্রদূতকে অপমান করায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে গণমাধ্যমকে দাঁড়াতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

0

দেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে গণমাধ্যমকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

বুধবার (২৯ মে) বিকালে রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডের তথ্য ভবন মিলনায়তনে ‌‘বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক ২০২৩’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশটা আমাদের সবার। এদেশের স্বার্থের বিপক্ষে যেসব ষড়যন্ত্র হবে সেগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশে একটা অসাম্প্রদায়িক মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমাজ গড়ার ক্ষেত্রে, এ সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে প্রচেষ্টা সেক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবাইকে সম্মিলিত ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সরকার পূর্ণাঙ্গভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। কারণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অংশ। যে স্বপ্ন নিয়ে এদেশ তৈরি হয়েছিল সে স্বপ্নের একটি বড় জায়গায় গণতন্ত্র, মানবাধিকারের সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। এ বিষয়গুলো আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছিল ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট এ দেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে। তারপর অন্ধকারের শক্তি এ দেশে ক্ষমতায় এসেছে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। সামরিক শাসন জারি করে, গণমাধ্যমের গলা টিপে, মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা করে, মানবাধিকার বিনষ্ট করে, স্বাধীনতার স্বপ্নগুলোকে ভূলুঠিত করে এ দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রতিক্রিয়াশীল ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তিকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। সেই বাস্তবতা থেকে গত পনেরো বছরে অন্ধকার জায়গা থেকে ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে আলোর দিকে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এই চেষ্টার অংশ হিসেবে প্রেস কাউন্সিলকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও শক্তিশালী করা, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের পরিবেশ আরো উন্নততর করা, আরো স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, গণমাধ্যমের সাথে সম্পৃক্ত যারা আছেন তারা যাতে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে পারেন, সে কারণে সরকার বিভিন্নভাবে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। গণমাধ্যম সব ধরণের স্বাধীনতা ভোগ করে সরকারের সমালোচনাও যদি করে সেগুলো বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার স্বাগত জানাতে চায়। সরকারের চোখ হিসেবে কাজ করে গণমাধ্যম। কোথাও কোন বিচ্যুতি-ব্যর্থতা থাকলে, সমস্যা থাকলে গণমাধ্যম সেটি নিরপেক্ষভাবে এবং পেশাদারিত্বের সাথে তুলে ধরবে। এর মাধ্যমে সরকার মনে করে গণমাধ্যম সরকারের সহযোগিতাই করছে।

তিনি আরো বলেন, সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে আমরা গণমাধ্যমকে দেখতে চাই। সরকারের বিচ্যুতি-ব্যর্থতা বা কোন সমস্যা সত্য তথ্যের ভিত্তিতে তুলে ধরলে সেগুলোকে সরকার স্বাগত জানাবে এবং স্বীকৃতি দিয়ে পুরস্কারও হাতে তুলে দেবে। এ সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যার সরকার। যারা সমালোচক তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়। কাজেই সমালোচনা নেয়ার ব্যাপারে শেখ হাসিনা সরকারের যে সহনশীলতা বা তার যে দৃষ্টিভঙ্গি সেটি প্রেস কাউন্সিল পদক প্রদানের মাধ্যমে প্রমাণ হচ্ছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, যখন বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা গণমাধ্যমের ঘাড়ে চেপে বসে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে অপব্যবহার করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, বৈদেশিক বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত হয়ে দেশ ও দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, অপতথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে, তখন সমস্যা তৈরি হয়। এগুলোকে সরকার সমালোচনা বলে না, সেগুলো হলো অপপ্রচার অপসংবাদিকতা, অপতথ্য, অন্যায় এবং ষড়যন্ত্র। অন্যায়, অপতথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে মানুষকে ধোকা দেয়া হলে, অপসংবাদিকতা হলে পেশাদার সাংবাদিকরা সেটা দমন করতে চায় সুষ্ঠু ও সুস্থ সাংবাদিকতার স্বার্থে। সরকার পেশাদার সাংবাদিকদের সাথে আছে।

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে জার্মানির ডয়চে ভেলে একটি তথ্যচিত্র বানিয়ে প্রচার করেছে। আন্তর্জাতিকভাবে শান্তি রক্ষা মিশনে আমাদের যে সাফল্য ও সুনাম, সে সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য, আমাদের খাটো করে দেখানোর জন্য এক ধরণের দূরভিসন্ধিমূলক অপপ্রচারের একটি তথ্যচিত্র তারা তৈরি করেছে। এটি বাংলাদেশের বিপক্ষে। কোনো দলের বিপক্ষে নয়, কোন ব্যক্তির বিপক্ষে নয়। যে প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে সুরক্ষা দেয়, যে প্রতিষ্ঠান গোটা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রগামী ভূমিকা রেখেছে, বাংলাদেশের সুনাম যারা বৃদ্ধি করেছে, সেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে খাটো করা মানে বাংলাদেশকে খাটো করা। একটা গোষ্ঠী সিন্ডিকেট করে আন্তর্জাতিক কিছু গণমাধ্যম ব্যবহার করে এ ধরনের অপপ্রচার করছে। ডয়চে ভেলে বা যে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংবাদ সংস্থা তারা যদি মানবাধিকারের প্রতি তাদের কোন সৎ অঙ্গীকার থেকে কোন প্রতিবেদন বা তথ্যচিত্র করে সেটাকে আমরা স্বাগত জানাবো। ডয়চে ভেলের যদি মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার থাকে, সততা থাকে তাহলে আমি তাদের চ্যালেঞ্জ করতে চাই, আজকে বিশ্বে যে যুদ্ধের ডামাডোল, মধ্যপ্রাচ্যের গাজায় যেভাবে নারী-শিশুকে হত্যা করে মানবাধিকার ভঙ্গের ন্যাক্কারজনক নজির তৈরি হচ্ছে, যেখানে গণহত্যা হচ্ছে, সেই গণহত্যা নিয়ে তারা একটি তথ্যচিত্র তৈরি করে তুলে ধরুক। তাহলে আমরা বুঝবো তাদের মানবাধিকারের অঙ্গীকারে সততা আছে।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাজী কেরামত আলী এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক ২০২৩ এর জুরি বোর্ডের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবুল মনসুর আহাম্মদ।

অনুষ্ঠানে ৬টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক ২০২৩ প্রদান করা হয়। আজীবন সম্মাননা ক্যাটাগরিতে সাপ্তাহিক বেগম সম্পাদক মরহুম নুরজাহান বেগম, প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা ক্যাটাগরিতে দৈনিক ভোরের কাগজ, আঞ্চলিক প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা ক্যাটাগরিতে দৈনিক কক্সবাজার, উন্নয়ন সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রযোজক (বার্তা) মো. ইকবাল হোসেন, গ্রামীণ সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে সময় টেলিভিশনের পটুয়াখালী জেলা সংবাদদাতা সিকদার জাবীর হোসেন এবং নারী সাংবাদিক ক্যাটাগরিতে দৈনিক ভোরের কাগজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ঝর্ণা মনিকে পদক প্রদান করা হয়।

তৃতীয় ধাপে ভোট পড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ : সিইসি

0

উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ৮৭ উপজেলায় প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

সিইসি বলেন, ভোট পড়ার প্রকৃত তথ্য জানতে আরও কয়েকঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।

বুধবার (২৯ মে) বিকেলে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, এক হাজার ১৫২ জন প্রার্থী ছিলেন। ইভিএমে ১৬ উপজেলায় বাকিগুলো ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। অবাধ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পূর্ণ হয়েছে। এই লক্ষ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেক তৎপর ছিলো।

খুবই সীমিত পরিসরে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। ভোট কারচুপির চেষ্টায় ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। দুইজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষ ঘটনায় ৬ জন আহত হয়েছে। একজন প্রিসাইডিং অফিসার অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছে।

তিনি বলেন, ঘুর্ণিঝড়ের কারনে যে সংখ্যক উপজেলায় নির্বাচন হবার কথা তা হয়নি। ৮৭ উপজেলায় নির্বাচন হয়েছে। নিরপেক্ষ ভাবে নির্বাচন হয়েছে। প্রশাসন তৎপর ছিলো বলে ভালো নির্বাচন ভালো হয়েছে। তারা প্রশংসার দাবিদার। দু-একটি ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সফল হয়েছে। যে সব ঘটনা ঘটেছে তা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারেনি।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দেশের ৮৭টি উপজেলায় বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ।

সারা দেশে শান্তপূর্ণভাবে সুষ্ঠুভাবে এ ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে।

তৃতীয় ধাপে ১০৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও রিমালের কারণে ২২টির ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এ ধাপে মোট ৮৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যমতে, এই ধাপে মোট এক হাজার ১৫২ জন প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৩৯৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৫৬ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৯৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ ধাপে চেয়ারম্যান পদে ১ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৪ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন; অর্থাৎ মোট ১২ জন প্রার্থী ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

কাল রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পটুয়াখালীর কলাপাড়া পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব এমএম ইমরুল কায়েস আজ বুধবার বিকেলে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল সকাল ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার উদ্দেশে রওনা হবেন।

প্রধানমন্ত্রীর পটুয়াখালী সফরকে ঘিরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি চলছে।

জেলায় এ পর্যন্ত ৩ লাখ ২৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ২৩৫টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ১ হাজার ৮৬৫টি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

তারা আরও জানায়, এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষি খাতে ২৬ কোটি টাকার এবং মৎস্য খাতে ২৮ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।