Home Blog Page 3519

বিএনপি নেতাদের জনগণের ওপর আস্থা নেই : তথ্যমন্ত্রী

0

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের জনগণের ওপর কোনো আস্থা নেই। তাদের আস্থা বিদেশিদের ওপর। তারা বারবার কূটনীতিকদের সঙ্গে বসে এটাই প্রমাণ করছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘কোনো কিছু হলেই তারা নালিশ করতে যায় বিদেশিদের কাছে। অনেকেই বলেন, বিএনপি এখন বাংলাদেশ নালিশ পার্টিতে পরিণত হয়েছে।’
আগামী অক্টোবরে বিএনপি আন্দোলনে যাবে, মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আন্দোলন কোনো বছরের অক্টোবরে হবে তা কেউ জানে না। এমন আন্দোলনের ঘোষণা তারা অতীতে বহুবার দিয়েছেন। কিন্তু মাঠে তাদের কাউকে দেখা যায়নি।
তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কথা বলার ক্ষেত্রে সফল, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে বিফল।
বিএনপির আন্দোলনের সক্ষমতা আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসলে বিএনপির সঙ্গে জনগণ নেই। জনগণ তো দূরের কথা, তারা যে আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছেন, সেখানে তাদের সঙ্গে নিজেদের কর্মীরাও নেই। যে নেতারা হাইকোর্টে বোরকা পরে হাজির হয়, তাদের ওপর কর্মীদের আস্থা থাকার কথা নয়।

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ২৩

0

ভারতের পাঞ্জাবের বাতালা শহরে বুধবার আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণে অন্তত ২৩ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছে।
পুলিশের বরাত দিয়ে মিডিয়ার খবরে বলা হয়, গতকাল বিকাল ৪টার দিকে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পাশের ভবনগুলোর ক্ষতি হয়েছে এবং এতে ২শ মিটারের মধ্যে আবাসিক ভবন ও বাণিজ্যিক স্থাপনার জানালা ভেঙে গেছে ।
বিস্ফোরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, তবে পুলিশের মহাপরিদর্শক সুরিন্দার পাল সিং পারমার নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনাস্থলের কাছ দিয়ে এক বয়স্ক নারী এবং তার নাতি যাচ্ছিলেন, নিহতদের মধ্যে তারাও রয়েছেন।
২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি কারখানাটিতে একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে, এতে এক ব্যক্তি নিহত ও অপর তিনজন আহত হয়।

‘সমুদ্রদূষণ রোধে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে’

0

‘সমুদ্রের জৈবসম্পদ সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকার মৎস্য আহরণের সব ধরনের ক্ষতিকর পদ্ধতি ও উপায়কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সমুদ্রকেন্দ্রিক অপরাধ ও দূষণ বিষয়ে সবাইকে সর্তক হওয়ার পাশাপাশি এসব বন্ধে সব দেশকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে তৃতীয় ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) মন্ত্রী পর্যায়ের ‘সুনীল অর্থনীতি সম্মেলন’ উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সমুদ্রকেন্দ্রিক অপরাধ ও দূষণ বিষয়ে সবাইকে সর্তক হওয়ার পাশাপাশি এসব বন্ধে সব দেশকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সাগর আজ ভয়াবহ হুমকির সম্মুখীন। সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং অন্যান্য অপরাধ দমনেও কার্যকর আইন প্রণয়ন করেছে। ‘
প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের দূষণসহ মানবসৃষ্ট নানা কারণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপ্রিয় হলেও সত্যি যে মনুষ্য-সৃষ্ট নানা কারণে আমাদের সাগর আজ ভয়াবহ হুমকির সম্মুখীন। তিনি বলেন, মাত্রাতিরিক্ত সম্পদ আহরণ, পরিবেশ দূষণ, তেল নিঃসরণ, প্লাস্টিক বর্জ্য দ্বারা দূষণ, শব্দ দূষণ ও সর্বোপরি জলবায়ু পরিবর্তন এসবের অন্যতম কারণ। এর ফলে সাগর-মহাসাগরের উষ্ণতা বাড়ছে এবং জীববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বেশিরভাগ আইওআরএ সদস্যভুক্ত দেশগুলো সুনামি ও সাইক্লোনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দ্বারাও আক্রান্ত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক উষ্ণায়ন উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎকে বিপদগ্রস্ত করে তুলছে এবং মানবজাতিকে ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
আসন্ন বিপর্যয় মোকাবিলায় সবাই মিলে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাগর ও মহাসাগর গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রায় ৩০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত তাপের প্রায় ৯০ শতাংশই শোষণ করে।
মেরিন ইকোলজি (সমুদ্র বাস্তুতন্ত্র) ধ্বংস হলে মানবজাতির অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়বে। অতিসত্বর সবাই মিলে এই বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য আমাদের কাজ করতে হবে।
সমুদ্রকেন্দ্রিক অপরাধের বিষয়ে সবাইকে সর্তক এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রকে কেন্দ্র করে সংগঠিত সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আমাদের সতর্ক হতে হবে। আমাদের বুঝতে হবে, মহাসাগর ও তার বিপুল সম্পদ সংরক্ষণে আমরা যত বেশি বিনিয়োগ করবো, যত বেশি পদক্ষেপ নেবো তা সামগ্রিকভাবে দীর্ঘমেয়াদি সুফল বয়ে আনবে।
ক্ষতিকর উপায়ে সমুদ্র সম্পদ আহরণে বাংলাদেশের নেওয়া ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সমুদ্রের জৈবসম্পদ সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকার মৎস্য আহরণের সব ধরনের ক্ষতিকারক পদ্ধতি ও উপায়কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং অন্যান্য অপরাধ দমনেও কার্যকর আইন প্রণয়ন করেছে। তিনি বলেন, শান্তি, নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের মধ্যে একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। খেয়াল রাখতে হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে গিয়ে যেন সমুদ্রের সুস্থ পরিবেশ বিঘ্নিত না হয়। তাই আমাদের সুনীল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি সুনীল চিন্তাও করতে হবে।

একীভূত টেকসই সুনীল অর্থনৈতিক বেষ্টনী গড়ে তুলুন : প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইওরা সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সমুদ্রের তলদেশের অনাবিষ্কৃত সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে এই অঞ্চলে একটি অভিন্ন টেকসই সুনীল অর্থনৈতিক বেষ্টনী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুনীল অর্থনীতিকে সামনে রেখে সমুদ্রে অব্যবহৃত ও এর তলদেশে অ-উন্মোচিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে এই অঞ্চলে যার যার টেকসই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করার সুযোগ রয়েছে। সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করে আমরা দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারি।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে তৃতীয় আইওরা সুনীল অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের (ব্লু ইকনমি মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্স) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওরা) দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একীভূত টেকসই সুনীল অর্থনীতির সর্বোচ্চ সুফল পেতে অংশীজনদের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ‘আপনাদের প্রতি আহ্বান জানাই এ সম্মেলনেই যেন আমরা সম্মিলিতভাবে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-১৪ অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে পারি।’
শান্তি, নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নের মধ্যে একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খেয়াল রাখতে হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে গিয়ে যেন সমুদ্রের সুস্থ পরিবেশ বিঘিœত না হয়। তাই আমাদের সুনীল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি সুনীল চিন্তাও করতে হবে এবং সে লক্ষ্যে সমন্বিত, লাভজনক ও সর্বোপরি সমুদ্র সংরক্ষণমূলক নীতি নির্ধারণ ও সে অনুযায়ী কর্মকা- পরিচালনা করতে হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর তবেই ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ৯ বিলিয়ন মানুষের জীবন ধারণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই সুনীল অর্থনীতিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।’
সরকারপ্রধান বলেন, আইওরা মেরিটাইম সুরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহায়তা, মৎস্য ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ ঝুঁঁকি ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহায়তা, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সর্বোপরি সুনীল অর্থনীতির সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে। তথাপি, নানাবিধ সীমাবদ্ধতার কারণে অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় আমরা কিছু ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছি।
তিনি বলেন, আপনারা ইতোমধ্যেই আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমুদ্র শাসন, সম্পদ উন্মোচন ও আহরণের টেকসই পদ্ধতি, নৌপরিবহন, পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনসহ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আইওরা সদস্যদের মধ্যে যে কর্মতৎপরতা ও উদ্যম সৃষ্টি হয়েছে তা নিকট ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে।
২০১৭ সালে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অনুষ্ঠিত আইওরা লিডার্স সামিটে অংশগ্রহণের প্রসংগ টেনে তিনি বলেন, ‘সেখানে আমরা আইওরা’র নেতৃত্বে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতির উন্নয়নে কাজ করার এবং সমুদ্রযান চলাচলের স্বাধীনতায় সম্মান দেখানোর অঙ্গীকার করেছিলাম।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আগামী ১ অক্টোবর দুবছরের জন্য আইওরার সহ-সভাপতি এবং ১ অক্টোবর ২০২১ পরবর্তী দুবছরের জন্য সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
এই গুরুদায়িত্ব পালনে তিনি সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বলেন, ‘সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ও উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে এবং সকলের কল্যাণ নিশ্চিত করতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্র সম্পদের গুরুত্ব উপলব্ধি করেই জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম ‘সমুদ্র অঞ্চলের সীমা নির্ধারণ, সমুদ্র সীমানায় বিভিন্ন কর্মকা- পরিচালনা ও সমুদ্র সম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণের জন্য ‘দি টেরিটোরিয়াল ওয়াটার্স অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট, ১৯৭৪’ প্রণয়ন করেন।
তিনি বলেন, এই আইনটি জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষণার আট বছর পূর্বেই বাংলাদেশে কার্যকর করা হয়। যখন আন্তর্জাতিক পরিম-লে এ সম্পর্কে ততটা ধারণাই ছিল না।
সরকারপ্রধান বলেন, সমুদ্রকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা শিল্পগুলো যেমন- পণ্য পরিবহন, মৎস্য শিল্প, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ, নবায়নযোগ্য জ¦ালানি, সমুদ্র বন্দর, পর্যটন, মেরিন জেনেটিক রিসোর্সেস, মেরিন বায়োটেকনোলজি ইত্যাদি বর্তমানে বিশ্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অবদান রাখছে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশ ও তেল পরিবহণের ৬০ শতাংশ এই সাগর-মহাসাগর দিয়েই হচ্ছে। বিগত ১৫ বছরে সমুদ্র বাণিজ্যের পরিমাণ ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ২০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

লাঞ্চের আগে তৃতীয় উইকেট তুলে নিলেন মাহমুদউল্লাহ

0

চট্টগ্রামে একমাত্র টেস্টে ব্যাট করছে আফগানিস্তান। লাঞ্চের আগে মাহমুদউল্লাহর শিকারে পরিণত হন হাশমতউল্লাহ শাহিদি। লাঞ্চ বিরতির সময় ৩২ ওভার ৪ বলে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭৭ রান। রহমত শাহ ৩১ রানে অপরাজিত আছেন।
লাঞ্চের আগে এটিই ছিল শেষ ওভার। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান প্রথমবারের মতো বল তুলে দেন মাহমুদউল্লাহর হাতে। আক্রমণে এসে নিজের প্রথম ওভারেই উইকেট পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। অফ স্পিনারকে কাট করে চার মারতে চেয়েছিলেন হাশমতউল্লাহ শাহিদি। তবে ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ চলে যায় স্লিপে। দুবারের চেষ্টায় দারুণ একটি ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার। ৩২ বলে ২ চারে হাশমতউল্লাহ করেন ১৪ রান।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বেশ সতর্ক ও সাবধানী করেছিল সফরকারীরা। ইনিংস তথা ম্যাচের প্রথম বাউন্ডারির জন্য তারা অপেক্ষা করে ১০ম ওভার পর্যন্ত। তবে দ্বাদশ ওভারে বাংলাদেশের অপেক্ষার অবসান ঘটান তাইজুল। আফগান ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানকে সরাসরি বোল্ড করে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের এ মাইলফলকে পৌঁছান বাংলাদেশের এই বাঁ-হাতি স্পিনার। ইনিংসের ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তাইজুলের করা বলের লাইন মিস করে সরাসরি বোল্ড হয়ে যান ইব্রাহিম, বনে যান তাইজুলের শততম শিকার।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে ১০০ উইকেটে দ্রুততম বোলার হয়ে যান তাইজুল। উইকেটের এ সেঞ্চুরি করতে তার প্রয়োজন পড়ল ২৫টি টেস্ট ম্যাচের ৪৪টি ইনিংস। তার আগে বাংলাদেশের পক্ষে ১০০’র বেশি উইকেট শিকার করেছেন মোহাম্মদ রফিক ও সাকিব আল হাসান। এর মধ্যে সাকিব ২৮ ও রফিক খেলেছিলেন ৩৩টি ম্যাচ।
এর পর দ্বিতীয় উইকেটও আসে তাইজুলের হাত ধরেই। দ্বিতীয় উইকেটে রানের গতি বাড়িয়েছিলেন তিনে নামা রহমত শাহ। আরেক ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান খেলে যাচ্ছিলেন টেস্ট মেজাজে। দুজনের জুটিতে দলীয় পঞ্চাশের দিকে ছুটছিল আফগানরা। কিন্তু ২৫তম ওভারে আর মনোযোগ ধরে রাখতে পারেননি ডানহাতি এ ওপেনার। উইকেট ছেড়ে বোলারের মাথার ওপর দিয়ে বড় শট খেলতে গিয়ে তিনি ধরা পড়েছেন লংঅফে দাঁড়ানো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে। ৪৮ রানের মাথায় আউট হওয়ার আগে ৬৯ বল খেলে ৩ চারের মারে ২১ রান করেছেন ইব্রাহিম।
এর আগে চট্টগ্রামে একমাত্র টেস্টে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আফগানিস্তান।

রওশন এরশাদকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ঘোষণা

0

জিএম কাদের এখন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হতে চাওয়ায় বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে এরশাদপত্নী রওশনকেই পাল্টা চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন তার অনুসারী নেতাকর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রওশনের উপস্থিতিতে তার বাসভবনে ওই সংবাদ সম্মেলনে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘রওশন এরশাদ পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী ৬ মাসের মধ্যে কাউন্সিল করে গণতান্ত্রিক উপায়ে স্থায়ী চেয়ারম্যান ঠিক করব।’

জাতীয় পার্টির ‘গঠনতন্ত্র ভেঙে’ জিএম কাদের চেয়ারম্যান হয়েছেন অভিযোগ করে আনিসুল বলেন, ‘জিএম কাদেরকে কো-চেয়ারম্যানের সম্মান দেবেন রওশন এরশাদ।’
দলে বিভাজনের বিষয়টি স্বীকার করে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই সাবেক বিরোধীদলীয় নেতা রওশন বলেন, ‘পার্টি এখন উদ্বিগ্ন আছে। পার্টিতে কী হচ্ছে? জাপা অতীতেও ভাগ হয়েছে, এবারও কি সেটি হচ্ছে নাকি? হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এত কষ্ট করে পার্টি গড়ে তুলেছেন, এখন সেই পার্টিটা ভালেভাবে চলুক, মান অভিমান ভুলে যারা চলে গেছে, তারা ফিরে আসুক। আমি চাই পার্টির সবাই মিলেমিশে জনগণের সেবা করব।’
সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সোহেল রানা, সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু, মজিবুল হক চুন্নু, নাসিম ওসমান, ফখরুল ইমাম, লিয়াকত হোসেন খোকা, নুরুল ইসলাম ওমর, প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী, মীর আবদুস সবুর আসুদ ও সফিকুল ইসলাম সেন্টু।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুলাই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর চার দিন পর ১৮ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদেরকে জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দেন দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা। এরপর ২৩ জুলাই জিএম কাদেরকে চেয়ারম্যান হিসেবে অস্বীকার করে বিবৃতি দেন রওশন এরশাদসহ দলের সাত জন সংসদ সদস্য ও দুই জন প্রেসিডিয়াম সদস্য। তবে, পরবর্তী সময়ে এরশাদের চেহলাম উপলক্ষে কয়েকটি মিলাদ মাহফিলে একসঙ্গে দেখা যায় রওশন এরশাদ ও জিএম কাদেরকে।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার মনোনয়ন নিয়েও সংকট তৈরি হয়েছে জাতীয় পার্টিতে। এ নিয়ে গত দুই দিন ধরে চলছে চিঠি, পাল্টা চিঠি চালাচালির ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও সংসদ সদস্যরা দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এক পক্ষ চায়, জিএম কাদেরকে বিরোধীদলীয় নেতা করতে। অন্য পক্ষ চায় রওশন এরশাদকে। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে দলীয় প্যাডে নিজেকে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার পদে নিয়োগ দিতে স্পিকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেন জিএম কাদের। এর পর বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) জিএম কাদেরের চিঠির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তা গ্রহণ না করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন রওশন এরশাদ।

ডিএনসিসিতে মশা মারায় বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩০৫৭ কোটি টাকার বাজেট

0

মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য বরাদ্দ বাড়িয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৩০৫৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার বাজেট দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
আজ বৃহস্পতিবার গুলশান-২ নম্বরে অবস্থিত নগর ভবনে এ বাজেট ঘোষণা করেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

নতুন এ বাজেটে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৪৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা, যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দ থেকে ১৮২ শতাংশ বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ খাতের সংশোধিত বাজেট বরাদ্দ ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
মশা নিয়ন্ত্রণে যন্ত্রপাতিতেও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। মশক নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতির জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। এ খাতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দ ছিল ৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট থেকে এ খাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ বেড়েছে ২৫ শতাংশ।
ডিএনসিসির নতুন বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৫৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা, যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে থেকে ১ হাজার ২৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ১ হাজার ৮২২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বেশি।
নতুন এ বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১০৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা আগের বছর থেকে ৩১৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা বেশি।

বাহামাসে হারিকেন ডোরিয়ানের আঘাতে নিহত ২০

0

হারিকেন ডোরিয়ানের আঘাতে বাহামাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২০-এ দাঁড়িয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রী হুবার্ট মিন্নিস একে দ্বীপপুঞ্জের জন্য ‘ঐতিহাসিক বিপর্যয়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

বুধবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে ডোরিয়ানের আঘাতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা আবাকো আইল্যান্ডসে লুটপাটের খবরে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
হারিকেনের আঘাতে নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে মিন্নিস বলেছেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি এই সংখ্যা আরও বাড়বে। আমরা আপনাদের পরিবার ও প্রিয়জনের মৃত্যুতে প্রার্থনা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
ক্যাটাগরি ৫ হারিকেন রূপে ১ সেপ্টেম্বর ঘণ্টায় একটানা সর্বোচ্চ ২৯৮ কিলোমিটার বাতাসের বেগ নিয়ে বাহামাসে আঘাত হানে ডোরিয়ান। দুদিন ধরে এটি বাহামাসের উত্তরাংশের আবাকো ও গ্রান্ড বাহামা আইল্যান্ডে তাণ্ডব চালায়।
আবাকো আইল্যান্ডসের বিস্তৃত অঞ্চলে এখনো উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছতে সক্ষম হন নি। সেই সুবাদে হারিকেনের আঘাতে ঠিক কতটুকু ক্ষতি হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো পাওয়া যায় নি।
জাতিসংঘের মানবিক সংশ্লিষ্ট ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয় বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক লোকক জানিয়েছেন, তার সংস্থার হিসেবে বাহামাসের উত্তরাঞ্চলের প্রায় ৭০ হাজার লোকের ত্রাণ প্রয়োজন।
উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, ধ্বংসের মাত্রার কারণে এবং উত্তরের দ্বীপগুলো প্রত্যন্ত হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতা চালানো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেসব জায়গায় যাওয়া যাচ্ছে সেখানে পানির ব্যবস্থা কাজ না করায় কর্মীরা আকাকোসে স্থায়ী উদ্ধার ক্যাম্প স্থাপন করতে পারছে না।

অপপ্রচারকারী চিহ্নিত করুন সতর্ক থাকুন

0

সব ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন সরকারের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা মূলত দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যেরই ক্ষতি সাধন করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কিছু লোক আছে, যারা অনবরত আমাদের বিরুদ্ধে দেশের বাইরে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যারা আমাকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়, কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হন আপনারা, ব্যবসায়ীরা।
এদেরকে আপনাদের (ব্যবসায়ী নেতারা) চিহ্নিত করতে হবে। ’
গতকাল বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর তেজগাঁও কার্যালয়ে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নেতারা সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের উন্নয়নে তৈরি পোশাক শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পণ্য রপ্তানির জন্য এর আকর্ষণ বাড়াতে হলে আপনাদের পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ’
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনারদের অংশগ্রহণে গত জুলাই মাসে লন্ডনে অনুষ্ঠিত দূত সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দেওয়া ভাষণের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘বাংলাদেশি পণ্যের জন্য তাঁদেরকে নতুন বাজার খুঁজে বের করতে বলেছি। ’
ব্রেক্সিট ইস্যু বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলবে না—এমন অভিমত ব্যক্ত করে সরকারপ্রধান বলেন, বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত রপ্তানি চুক্তির কারণে ব্রেক্সিট কোনোক্রমেই বাংলাদেশের ব্যবসা, বিশেষ করে রপ্তানিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না, এসব চুক্তির সঠিক বাস্তবায়নই চলবে।
বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হকের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া পেশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান সিনহা, আরওয়াল-উল-আলম পারভেজ, সিদ্দিকুর রহমান, প্রথম জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মাদ আব্দুস সালাম ও জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফয়সল সামাদ অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং প্রেসসচিব ইহসানুল করিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নে সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করছি, কেননা এটি আমাদের জন্য বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে, বিশেষ করে নারীদের জন্য।
একই সঙ্গে এই খাত দেশের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছে। ’
সরকারপ্রধান এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘দেশের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের সমস্যা সমাধানেও আমরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেছি। ’
বাংলাদেশকে একটি কৃষিপ্রধান দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেশকে সকল ক্ষেত্রেই এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আর সে জন্য আমাদের কৃষি এবং শিল্পায়ন দুটি ক্ষেত্রকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কেননা শিল্পায়ন ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নতি হতে পারে না। ’
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই দেশে শিল্প স্থাপনের গোড়াপত্তন করেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বিজিএমইএ নেতাদের পথের ধারে বা যত্রতত্র শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে না তুলে এর জন্য নির্দিষ্ট শিল্পাঞ্চলেই শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সংহতি সৃষ্টি এবং ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত বন্ধে শক্তিশালী ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মুসলিম দেশগুলোর মধ্যকার ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত বন্ধে ওআইসি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারে। ’
সফররত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোহাম্মাদ জাভেদ জারিফ গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর তেজগাঁও কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিবদমান সংঘাত প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুসলিমরা তাদের নিজেদের মধ্যকার বিভাজনের জন্যই রক্তপাতের শিকার হচ্ছে। এর ফলে তৃতীয় পক্ষ বা দেশ এর সুবিধা ভোগ করছে। ’
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির শুভেচ্ছাও প্রধানমন্ত্রীকে পৌঁছে দেন। বাংলাদেশের উন্নয়নকে দৃষ্টান্তমূলক অর্জন আখ্যায়িত করে জাভেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমি খুবই সন্তুষ্ট এবং এটা কেবল আপনার (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) ব্যক্তিগত নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে। ’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওআইসি ফোরামেও প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
দেশের সব টিভি চ্যানেল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে সম্প্রচার উদ্বোধন ১ অক্টোবর : বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ গতকাল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১ অক্টোবর দেশের ৩৪টি টিভি চ্যানেলের সব কটিতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর (বিএস-১) সেবা অনুষ্ঠানিকভাবে চালু করবেন। সূত্র : বাসস।

৩৩৩ জনকে চাকরি দেবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড

0

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) ৩টি পদে ৩৩৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)

পদের নাম: সহকারী হিসাবরক্ষক
পদসংখ্যা: ১০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্যে স্নাতক
বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

পদের নাম: উচ্চমান হিসাব সহকারী
পদসংখ্যা: ২৩ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্যে স্নাতক
বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

পদের নাম: নিম্নমান হিসাব সহকারী
পদসংখ্যা: ৩০০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্যে এইচএসসি
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

চাকরির ধরন: অস্থায়ী
বয়স: ০১ আগস্ট ২০১৯ তারিখে ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২-৪০ বছর

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা http://bpdb.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে।

আবেদনের সময়: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখ সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হবে। আবেদন শেষ হবে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বিকেল ০৫টায়।