Home Blog Page 3528

বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র ছিলো রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার নুরের

0

কক্সবাজারের টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে নিহত রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার নুর মোহাম্মদ নির্বাচন কমিশন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ‌স্মার্টকার্ড নিয়েছিলেন। ফলে তিনি একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী হলেও আইনগতভাবে বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন।
রোববার (০১ সেপ্টেম্বর) ইসি সূত্র জানায়, নূর মোহাম্মদের কাছে বাংলাদেশের একটি স্মার্টকার্ড আছে। যার নম্বর ৬০০৪৫৮৯৯৬৩। এই কার্ডের তথ্যানুযায়ী, তার নাম নূর আলম। বাবার নাম কালা মিয়া।
এবিষয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গা ডাকাত নুর মোহাম্মদ কীভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হলেন সে প্রশ্ন আমাদেরও। একজন রোহিঙ্গা ডাকাত কীভাবে ভোটার হলেন? বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য দুই এক দিনের মধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। অপরাধীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে।
এর আগে রোববার ভোরে টেকনাফের হ্নীলা জাদিমোড়া ২৭নং ক্যাম্পের পাহাড়ি এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন রোহিঙ্গা উগ্রপন্থী সংগঠনের স্বঘোষিত নেতা, ইয়াবা গডফাদার ও রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার নুর মোহাম্মদ।
টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, ১৯৯২ সালে মিয়ানমারের আকিয়াব এলাকা থেকে বাংলাদেশে আসেন নূর মোহাম্মদ। পরে হ্নীলা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের জাদিমুরা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকা শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় জমি কিনে বাড়ির মালিক হন। গড়ে তুলেন সন্ত্রাসী বাহিনী। আর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার বাড়াতে টেকনাফে রোহিঙ্গাদের প্রতিটি ক্যাম্পে বিয়ে করেন তিনি।

মিন্নির জামিনে আর বাধা নেই

0

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের বিষয়ে আইনগত যে বাধা ছিল সেটি কেটে গেছে।

আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে মিন্নিকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আটকাতে রাষ্ট্রপক্ষ যে আবেদন করেছিল তা নাকচ হয়েছে। বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বার আদালত সোমবার ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন।

এর ফলে মিন্নির জামিন বহাল থাকছে এবং তার মুক্তিতে কোনো বাধা থাকছে না বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

মিন্নির আইনজীবী জেডআই খান পান্না ছাড়াও চেম্বার আদালতে মিন্নির পক্ষে শুনানি করেন এ এম আমিন উদ্দিন ও মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সারোয়ার কাজল ও মো. সারোয়ার হোসাইন বাপ্পী।

রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি অশুভ শক্তি চক্রান্ত করছে : নাসিম

0

সবাইকে নিয়েই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করব বলে জানিয়েছেন ১৪ দলের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলকে অনুরোধ করব ঐক্যবদ্ধভাবে আপনারা আমাদের সরকারকে সমর্থন করুন, সরকারকে সাহায্য করুন। আমরা দলবাজি করতে চাই না।

আজ সোমবার কাকরাইলে কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত ‘সদ্য প্রয়াত ন্যাপ সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের শোক সভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।

নাসিম বলেন, সারা দুনিয়াকে বলব, অনুরোধ করব, দয়া করে চাপ সৃষ্টি করে মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা করুন। আমার দেশ ছোট দেশ। ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে আজকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে অশুভ শক্তি কাজ করছে। আমরা প্রমাণ পেয়েছি কয়েক দিন আগে।

তিনি বলেন, ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি শক্তিশালী হয়ে বিএনপি-জামাতের স্থান দখল করতে হবে। আজকে ১৪ দল মনে করে অধ্যাপক মোজাফ্ফরকে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্যে দিয়ে আমরা আরো সংঘবদ্ধ হয়েছি, ঐক্যবদ্ধ হয়েছি আমাদের শক্তির পক্ষে, অসাম্প্রদায়িক শক্তির পক্ষে।

তিনি আরো বলেন, অধ্যাপক মোজাফ্ফর সারাজীবন শেখ হাসিনাকে যেকোনো দুর্যোগ মূহুর্তে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। শেখ হাসিনাও নিজে এসে তার মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। শোক বানী দিয়েছেন, সম্মান জানিয়েছেন।

শোক সভায় আরো বক্তৃতা করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, কমিউনিস্ট পার্টির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মনজুরুল আহসান খান, জাতীয় পার্টি (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, সাবেকমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ঐক্য ন্যাপের নেতা পংকজ ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ প্রমুখ।

জলবায়ু সেশনে মডারেটর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

0

মালদ্বীপের মালেতে শুরু হওয়া ‘চতুর্থ সাউথ এশিয়ান স্পিকার্স সামিট’-এ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত সেশনে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
সামিটের আজ সোমবার দ্বিতীয় দিনে ‘ক্যাটালাইজিং দ্য গ্লোবাল এজেন্ডা অন ক্লাইমেট চেঞ্জ- ওভারকামিং চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ইউটিলাইজিং অপরচুনিটিজ টু স্ট্রেনদেন দ্য রিজিওনাল এজেন্ডা ফর ডেলিভারিং অন দ্যা প্যারিস অ্যাগ্রিমেন্ট’ সেশনে তিনি মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন।
সেশনে প্যানেল আলোচক ছিলেন মালদ্বীপ পার্লামেন্টের ইনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ কমিটির সভাপতি আহমেদ সালিম এমপি, নেপালের অ্যাটমোসফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের রিজিওনাল ম্যানেজার অরনিকো কুমার পান্ডে এবং ইউএনডিপি সদর দপ্তরের ইনক্লুসিভ পলিটিক্যাল প্রসেস টিম লিডার চার্লস চ্যাওভেল।
সেশনে প্যারিস চুক্তির ভবিষ্যৎ বাস্তবায়নের গতি এবং প্যারিস চুক্তির সফল বাস্তবায়নের জন্য আইনগত বিচ্যুতিসমূহ দূর করার কর্মপরিকল্পনা ও সঠিক বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া সেশনে আঞ্চলিক দায়বদ্ধতার জন্য সংসদসমূহের ভূমিকা শক্তিশালীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ু দূষণ ও স্বাস্থ্যের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় সাধন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং বিদ্যমান দুর্যোগ ঝুঁকি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী ও ইকোসিস্টেম বিষয়ে আলোচনা হয়।
সম্মেলনে মালদ্বীপের স্পিকার মোহাম্মদ নাশিদ, ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুনগং, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের স্পিকার যোগ দেন। এতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি অংশ নেন।
খবর বাসস

দুই বছরে ৩৩ ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী’ বন্দুকযুদ্ধে নিহত

0

কক্সবাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ গত দুই বছরে ৩৩ জন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছাড়াও হত্যা, ডাকাতি, মাদক পাচার, অপহরণ, চাঁদাবাজী ও মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেকটি ঘটনায়ই মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে জানিয়ে পুলিশ বলছে রোহিঙ্গাদের অপরাধ প্রবণতা মোকাবেলায় ক্যাম্পের চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রোহিঙ্গাদের সংগঠনগুলোতে প্রশ্ন করা হলে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যান রাইটস বলেছে নিহতরা রোহিঙ্গা কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত নয়৷ কারণ তারা নিহত হয়েছেন ক্যাম্পের বাইরে৷ তবে কিছু রোহিঙ্গা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলেও স্বীকার করেন রোহিঙ্গাদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যান রাইটস-এর সাধারণ সম্পাদক সাঈদ উল্লাহ।
সর্বশেষ রবিবার ভোর রাতে টেকনাফের হ্নীলা জাদিমুরা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন রোহিঙ্গা নূর মোহাম্মদ৷ গত ২২ আগস্ট যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামি ছিলেন তিনি৷ টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস বলেন, ‘নূর মোহাম্মদ একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের নেতা৷ তাকে আটকের পর ওই এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে গিয়েছিল পুলিশ৷ এসময় তার সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিনি নিহত হয়৷ এই ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন৷ আর ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৮ রাউন্ড গুলি, ২০ রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে৷’
অনুরূপ ঘটনায় গত ২৩ আগস্ট একই এলকায় ওমর ফারুক হত্যা মামলার আরো দুই আসামি রোহিঙ্গা শরনার্থী মোহাম্মদ শাহ ও মোহাম্মদ শুক্কুর পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। তাদেরও ডাকাত দলের সদস্য বলে দাবি করে পুলিশ৷
রোহিঙ্গাদের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘গত দুই বছরে ৩৩জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে৷’
তিনি বলেন, ‘নিহতরা হত্যা, ডাকাতি, মাদক পাচার, অপহরণ, চাঁদাবাজী ও মুক্তিপণ আদায়ের মত অপরাধে জড়িত ছিল৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার পর বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় তারা৷ প্রতিটি ঘটনায়ই মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে৷’
রোহিঙ্গাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া অপরাধ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকে বেশ কিছু সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গড়ে উঠছে৷ তাদের কাছে অবৈধ অস্ত্র আছে৷ তারা ক্যাম্পে এবং আশেপাশের এলাকায় নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে৷’
গত দুই বছরে রোহিঙ্গাদের অপরাধের পরিসংখ্যান ঘেটে তিনি বলেন, কক্সবাজার জেলা পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, দুই বছরে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়া ছাড়াও নিজেদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বে আরো ৪৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী নিহত হয়েছেন৷ এ দুবছরে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চারশ’ ৭১টি মামলা হয়েছে৷ এসব মামলায় আসামির সংখ্যা এক হাজার ৮৮ জন৷ রোহিঙ্গাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া মাদক অপরাধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হলো মাদক সংক্রান্ত মামলা৷ যার সংখ্যা দুইশ’৷
তিনি আরো জানান, মানব পাচারের অভিযোগে চারটি মামলাসহ অস্ত্র, ধর্ষণ, ধর্ষণচেষ্টা, নারী নির্যাতন, অপহরণ ও পুলিশের ওপর হামলার মামলা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে৷
রোহিঙ্গাদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যান রাইটস-এর সাধারণ সম্পাদক সাঈদ উল্লাহ গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেন, ‘যারা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে তারা রোহিঙ্গা কি না আমরা জানিনা। তারা যে রোহিঙ্গা শরনার্থী এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি। কারণ যারা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে তাদের কেউ ক্যাম্পের বাসিন্দা নয়। তারা ডাকাত এবং সন্ত্রাসী। রোহিঙ্গারা শরণার্থী ক্যাম্পে থাকেন। ক্যাম্পের বাইরে কে কোথায় কি করে তা আমাদের জানা নেই।’
কিছু রোহিঙ্গা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলেও স্বীকার করেন সাঈদ উল্লাহ। তিনি বলেন, ‘তবে কিছু রোহিঙ্গা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে৷ ক্যাম্পের মধ্যেও কিছু অপরাধের ঘটনা ঘটছে৷ এত মানুষ যেখানে থাকেন সেখানে কিছু অপরাধ হওয়াতো স্বাভাবিক৷’ তবে তাঁর দাবি, রাখাইনে থাকার সময়ের চেয়ে কক্সবাজারের ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা অনেক কম৷
কক্সবাজারের ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাস্পে এখন সব মিলিয়ে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে। এর মধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট-এর পর থেকে এসেছে প্রায় আট লাখ। এসব ক্যাম্পের নিরাপত্তায় নয়টি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে ১১০০ পুলিশ সদস্য।
রোহিঙ্গাদের অপরাধ প্রবণতা মোকাবেলায় ক্যাম্পগুলোর চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন। এছাড়া অননুমোদিত মোবাইল সিম বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি৷

৬৮ প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত অর্থ জমা দিতে হবে কোষাগারে

0

দেশের ৬৮টি সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে উদ্বৃত্ত টাকার পরিমাণ ২ লাখ ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
এ জন্য ‘স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাসমূহের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান আইন-২০১৯’-এর অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
আজ সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
আজ সচিবালয়ে ছয় নম্বর ভবনের ১৩ তলায় নতুন মন্ত্রিসভা কক্ষে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠক হয়। বৈঠকে পাঁচটি এজেন্ডা পাস হয়। বৈঠক শেষে সচিব সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
সচিব জানান, সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে ৬৮টি প্রতিষ্ঠানের নাম তালিকাভুক্ত করেছে। এদের (৬৮টি প্রতিষ্ঠানের) উদ্বৃত্ত টাকার পরিমাণ দুই লাখ ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা, যা এসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর করে রেখেছে। নতুন আইন পাস হলে এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ব্যয় মিটিয়ে যে বাড়তি টাকা থাকবে সেই টাকার ২৫ শতাংশ রেখে বাকি টাকা সরকারি তহবিলে জমা দিয়ে দিতে হবে।
তিনি জানান, শীর্ষ ২৫ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (উদ্বৃত্ত অর্থের পরিমাণ-২১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা), পেট্রোবাংলা (১৮ হাজার ২০৪ কোটি টাকা), রাজধানী উন্নয়ন করপোরেশন বা রাজউকের (চার হাজার ৩০ কোটি টাকা), জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (দুই হাজার ২৩২ কোটি টাকা) রয়েছে। এর বাইরেও আছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুৎ বিভাগ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

যে সৈকতে একসঙ্গে উল্লাসে মাতে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা

0

বাঘ-বকরি এক ঘাটে জল খাওয়ার কথা শোনা যায়। কিন্তু বাস্তবে সেই দৃশ্য চোখে পড়ে না। একইভাবে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতার দৃশ্যই দেখে এসেছে বিশ্ববাসী।

এবার সেই ইসরায়েলের জনগণ আর ফিলিস্তিনের বাসিন্দাদের একসঙ্গে সৈকতে আনন্দে মেতে উঠতে দেখা গেল। অবশ্য গত চার বছর ধরে এভাবে সৈকতে আনন্দে মেতে উঠছে বৈরিভাবাপন্ন দুই দেশের বাসিন্দারা।

জানা গেছে, রবি বর্মনের হাত ধরে দুই দেশের বাসিন্দারা বছরে একদিন একসঙ্গে জলকেলি করার সুযোগ পাচ্ছেন। তিনিই দুই দেশের বাসিন্দাদের একস্থানে নিয়ে আসার কাজ করছেন।

ফিলিস্তিদের আধঘণ্টার দূরত্বে ওই সমুদ্র সৈকত হলেও সেখানে তারা যেতে পারেন না। কারণ, সেখানে যেতে হলে ইসরায়েলের অনুমোদনসহ নানা রকম ঝক্কি-ঝামেলা রয়েছে।

রবি বর্মন চেষ্টা করছেন, ফিলিস্তিনিদের সেখানে নিয়ে এসে ইসরায়েলিদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ দেওয়ার। যেন দুই দেশের বাসিন্দার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ একটা সম্পর্ক তৈরি হয়।

জানা গেছে, যারা সেখানে গেছেন, তাদের অনেকেই কখনো সমুদ্র দেখেনি। এমনকি তাদের সেখানে যাওয়ার অনুমোদনও নেই। সে কারণে, ফিলিস্তিনিদের পিকআপে করে নিয়ে এসে দিনভর মজা করার পর আবার রেখে আসা হয়। আর সারাদিন তাদের এতটা বিনোদন দেওয়া হয়, যেন দিনটাকে তারা ভুলতে না পারে।

আর এ কাজে ইসরায়েলের কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। স্বেচ্ছাসেবক রাব্বি জনাথন বলেন, আমি মনে করি আলাদা বিশ্বাসের দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে কাঁটাতারের সীমানা পেরিয়েও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি ইহুদিদের মূল্যবোধগুলো অন্যদের কাছে পৌঁছানো দরকার এবং আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে শান্তি স্থাপন করা উচিত। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এনআরসিতে বাদ পড়া ব্যক্তিরা ‘রাষ্ট্রহীন’ নন : ভারত

0

ভারতের আসাম রাজ্যে নাগরিক তালিকায় (ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার অব সিটিজেন্স, সংক্ষেপে এনআরসি) বাদ পড়া ১৯ লাখ বাসিন্দা ‘রাষ্ট্রহীন’ নন। এনআরসির ভিত্তিতে তাদের ‘বিদেশি’ও বলা যাবে না। এমনকি এনআরসিতে বাদ পড়ার কোনো প্রভাব তাদের ওপর পড়বে না এবং তারা কোনো অধিকার থেকেও বঞ্চিত হবেন না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রভিশ কুমার রবিবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানান।

ভারত সরকার বলেছে, ১৯৪৭ সালের ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী কেবল বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কাউকে ‘বিদেশি’ হিসেবে ঘোষণা করা যায়। মানবাধিকারের সুরক্ষাসহ প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের ওপর ভিত্তি করে ভারতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বেশ সময় লাগবে। আর এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় গণতান্ত্রিক রীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভারতীয় আইনের ‘ফোর কর্নারের’ (আইনি মতবাদ) ভিত্তিতেই নেওয়া হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, গত শনিবার আসাম রাজ্যে এনআরসির সমন্বয়ক এনআরসির আওতায় চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা প্রকাশ করেছে। এই পর্যায়ে প্রায় তিন কোটি ৩০ লাখ আবেদন বিবেচনা করা হয়েছে। ১৯ লাখ আবেদনকারীর নাম চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পায়নি। গোপনীয়তার স্বার্থে বাদ পড়াদের নাম প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। তবে বাদ পড়া ব্যক্তিরা অনলাইনে তাদের আবেদনের ফলাফল জানতে পারছেন।

ভারত সরকারের বিবৃতি অনুযায়ী, আসামে এনআরসিতে বাদ পড়া প্রত্যেক ব্যক্তি এ সংক্রান্ত ‘নোটিফিকেশন’ (বিজ্ঞপ্তি) পাবেন। সেই বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার ১২০ দিনের (চার মাস) মধ্যে নির্দিষ্ট ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে তারা আপিল করার অধিকার রাখেন। এই ট্রাইব্যুনাল এনআরসিতে বাদ পড়াদের আপিল আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। এটি একটি বিচারিক প্রক্রিয়া। আপিল আবেদন করার সময় (বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার পর থেকে ১২০ দিন) শেষ হওয়ার পর ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। এটি এ বছরের ৩১ ডিসেম্বরের পর হতে পারে।

ভারত সরকার বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের রায়ে অসন্তুষ্ট যে কেউ আসাম হাইকোর্টে যেতে পারবেন। সেখানেও রায়ে সন্তুষ্ট না হলে তিনি ভারতের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারবেন। আসাম সরকার এ ক্ষেত্রে আগ্রহী সবাইকে আইনি সহযোগিতা দেবে।

ভারত সরকার বলেছে, আসামে এনআরসি একটি সংবিধিবদ্ধ আইনি প্রক্রিয়া। ১৯৮৫ সালে ভারত সরকার, আসাম রাজ্য সরকার এবং অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন ও অল আসাম গণ সংগ্রাম পরিষদের মধ্যে সই হওয়া ‘আসাম চুক্তি’ বাস্তবায়ন করতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এনআরসি হালনাগাদ করা হয়েছে। রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের উদ্যোগে এনআরসি হয়নি। সুপ্রিম কোর্টই এ যাবৎ এনআরসির তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এছাড়া এনআরসি ছিল আবেদনভিত্তিক প্রক্রিয়া। বাড়ি বাড়ি গিয়ে আদমশুমারি নয় বরং এনআরসিতে নাম ওঠাতে ইচ্ছুক এমন ব্যক্তিদের আবেদনের ভিত্তিতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তাদের প্রমাণ করতে হয়েছে যে তারা ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে আসামের বাসিন্দা ছিলেন বা তাদের বংশধর।

ভারত সরকারের দাবি, এই প্রক্রিয়ায় কোনো বৈষম্য করা হয়নি। হালনাগাদ এনআরসির জন্য আবেদনপত্রে ধর্মীয় পরিচয় সংক্রান্ত কোনো তথ্যই চাওয়া হয়নি।
এনআরসিতে বাদ পড়া ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তির আবেদন গ্রহণের জন্য আসাম রাজ্য সরকার বিদ্যমান একশ ট্রাইব্যুনালের পাশাপাশি সোমবার থেকে আরো দু’শ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করছে। আগামী ডিসেম্বর মাস নাগাদ আরো দু’শ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করবে আসাম রাজ্য সরকার। আপিল আবেদনকারীদের সুবিধার্থে ব্লক পর্যায়ে ট্রাইব্যুনালগুলো স্থাপন করা হবে।

মোদিকে প্রতিহিংসার রাজনীতি ছেড়ে অর্থনৈতিক সঙ্কট কাটানোর পরমার্শ মনমোহনের

0

ভারতের আসামে চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা বা এনআরসি প্রকাশের পর দেখা গেছে ১৯ লাখের বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছে। এছাড়া কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল করে বিশেষ সুবিধা কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের জেরে বিভিন্ন মহলে সমালোচিত হচ্ছে মোদি সরকার।

এদিকে চরম অর্থনৈতিক অব্যবস্থার জন্য সার্বিকভাবে ভারতের প্রবৃদ্ধি ধাক্কা খেয়েছে। গত ত্রৈমাসিকে তা নেমে এসেছে মাত্র পাঁচ শতাংশে। ভারতের শিল্পোৎপাদনে বৃদ্ধি মাত্র শূন্য দশমিক ছয় শতাংশে নেমে এসেছে।

এরকম পরিস্থিতিতে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেন, এটা ম্যানমেড সঙ্কট! এই সঙ্কটের পরিস্থিতি কিছু ভুল সিদ্ধান্তের জন্য তৈরি হয়েছে। এক, নোট বাতিল। দুই, যেমন তেমন করে জিএসটি তথা পণ্য পরিষেবা কর ব্যবস্থার বাস্তবায়ন করা।

মনমোহন সিং বোঝাতে চান, ২০০৮ সালে থেকে বিশ্বজনীন মন্দা চলছিল। টানা নেতিবাচক পরিস্থিতির কারণে বেহাল হয়ে পড়েছিল অর্থনীতি। এখন পরিস্থিতি আরো ভালো করা যেত। কিন্তু সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হচ্ছে সরকারকে। ২০০৮ সালে তীব্র মন্দার বাজারেও ভারতের অর্থনীতিকে ভেঙে পড়তে দেননি। অনেকেই বুঝতে পারেননি যে মন্দা চলছে। আর এখন তো রিজার্ভ ব্যাঙ্কের টাকায় হাত দিতে হয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি ছেড়ে শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের কথা শুনুন। আর তা শুনে এই অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে দেশকে উদ্ধার করুন।

প্রতিহিংসার রাজনীতি নেতিবাচক বাতাবরণ তৈরি করছে। ভারতকে বৃদ্ধির পথে নিয়ে যেতে গেলে উদার ভাবমূর্তি নিয়ে চলতে হবে। এই কথা বোঝাতেই এমন মন্তব্য করেছেন মনমোহন সিং বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

বিধ্বংসী হ্যারিকেন ডোরিয়ান আছড়ে পড়তে চলেছে বাহামায়, আতঙ্কে ফ্লোরিডা

0

বিধ্বংসী হারিকেন ডোরিয়ান ক্যাটাগরি ৫ মাত্রা ধারণ করেছে বলে সতর্ক করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঝড়টি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ পূর্ব উপকূল বাহামা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ক্যাটাগরি ৫ মাত্রার এই ঝড় তছনছ করে দিতে পারে বহু এলাকা। স্থলভূমিতে আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের গতি হতে পারে ঘণ্টায় ২৪১ কিলোমিটার। ওই গতিতে আছড়ে পড়লে বিস্তীর্ণ কোনো এলাকা যে তছনছ হয়ে যেতে পারে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ঝড়টি এখন সমুদ্রের ওপরই অবস্থান করছে। আর তা এগিয়ে যাচ্ছে অতি ধীর গতিতে। ঘণ্টায় মাত্র ১২ কিলোমিটার বেগে সেটি স্থলভূমির দিকে আসছে। বাহামার স্থানীয় সময় রবিবার রাত ৮টা নাগাদ ঝড়টি আছড়ে পড়তে পারে।

ক্যারাবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দিকে ধাবমান এই দানব ঝড় দুলকি চালেই এগিয়ে যাচ্ছে বাহামা, আলবাকো দ্বীপপুঞ্জ ও গ্র্যান্ড বাহামার দিকে। বাহামায় আছড়ে পড়ার পর তা ক্রমশ ফ্লোরিডার দিকে ধাবমান হতে পারে।

সোমবার তা ফ্লোরিডা পৌঁছানোর কথা। সে কারণে আতঙ্কের পারদ ক্রমশ চড়ছে। এর আগে ক্যাটাগরি ৪ মাত্রা থেকে ঝড়টি ৫ ক্যাটাগরিতে উঠে এসেছে। আগে থেকেই হিসাব করে ক্যাটাগরি ৫ হতে গেলে যে তীব্রতা ঝড়ের লাগে তার খুব কাছাকাছি দেখা যাচ্ছিল ডোরিয়ানের তীব্রতা।

এরই মধ্যে বাহামাসহ আশপাশের এলাকায় সরকারিভাবে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উপকূল থেকে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঝড়ের সময় কাউকে বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে।

আতঙ্কে মানুষজন খাবার পানি ও শুকনো খাবার বাড়িতে মজুত করতে শুরু করেছেন। ঝড়ের তাণ্ডবের চেহারা কেমন হতে চলেছে, তার একটা আন্দাজ করেই আতঙ্কিত মানুষজন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধারকাজের সবরকম বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এমনকি ফ্লোরিডায় চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।