Home Blog Page 3534

বার্সেলোনাকেই চেয়েছিলেন রয়েস

0

গতকাল চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্র অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। বরাবরের মতোই স্মৃতিতে গেঁথে যাওয়ার মতো বেশ কিছু মুহূর্ত উপহার দিয়েছে উয়েফার বর্ষসেরা পুরস্কার প্রদানের এ অনুষ্ঠান। এরিক কান্টোনার মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া বক্তৃতা, রোনালদোর মেসির সঙ্গে ডিনার করতে চাওয়ার চেয়েও মজার এক দৃশ্য দেখা গিয়েছিল কাল। ড্রতে স্লাভিয়া প্রাহার ভাগ্যে গ্রুপ ‘এফ’ জোটায় তাদের এক কর্মকর্তার অসহায় হাসি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক হাস্যরসের জন্ম দিয়েছিল।

ওই কর্মকর্তার দোষ নেই। ইউরোপের বড় বড় ক্লাবের মাঝে স্লাভিয়া প্রাহার নাম শুনেছেনই-বা কজন। চেক প্রজাতন্ত্রের এই ক্লাব কোয়ালিফাইং রাউন্ড পেরিয়ে এসেছে চ্যাম্পিয়নস লিগে। এমন এক দলের জন্য গ্রুপ ‘জি’ই সবচেয়ে সুবিধাজনক হতো। জেনিত, বেনফিকা ও লিঁওর সঙ্গে লড়াই করার সাহস করাই যায়। কিন্তু গ্রুপ ‘এফ’এ আছে তিন সাবেক চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও ইন্টার মিলান। অসহায় হাসি তাই মুখে ফোটাই স্বাভাবিক।

এর উল্টো দশা ডর্টমুন্ডের। গতবার একটুর জন্য জার্মান লিগ হাতছাড়া করা দলটি উল্টো আশা করছিল বার্সেলোনার সঙ্গে খেলা পড়বে। অধিনায়ক মার্কো রয়েস জানিয়েছেন, ‘সকালের নাশতার সময় দলের কয়েকজন একত্র হয়েছিলাম। তখনই সবাই বলছিলাম, বার্সেলোনার সঙ্গে এক গ্রুপে পড়লে ভালো হবে। সত্যি তাই হওয়ায় বেশ উত্তেজিত বোধ করছি।’

শুধু বার্সা নয়, গ্রুপে ইন্টার মিলান আছে। গত কয়েক মৌসুমে ধীরে ধীরে নিজেদের ফিরে পেয়েছে দলটি। এ মৌসুমে দলের দায়িত্ব নিয়েছেন আন্তোনিও কন্তে। এসেই দলের আক্রমণভাগে নতুন দুই অস্ত্র এনেছেন। রয়েস তাই স্বীকার করছেন এই গ্রুপ থেকে পরের রাউন্ডে ওঠা চ্যালেঞ্জিং হবে। তবু বার্সেলোনার সঙ্গে খেলার অপেক্ষায় জার্মান ফরোয়ার্ড, ‘অবশ্যই গ্রুপটা অনেক কঠিন। এমন কিছু দলের সঙ্গে খেলা যাদের সঙ্গে অনেক দিন শক্তি পরীক্ষা করা হয় না। বার্সেলোনার সঙ্গে ম্যাচটা আমাদের ও সমর্থকদের জন্য উৎসব হয়ে আসবে। আমরা নিজেদের দক্ষতায় বিশ্বাসী এবং আমাদের লক্ষ্য পরের রাউন্ডে যাওয়া।’

ডর্টমুন্ড অবশ্য কালই জানিয়ে দিয়েছে তারা বার্সেলোনার সঙ্গে খেলার অপেক্ষায় আছে। কাল ড্র শেষ হওয়ার আগেই ডর্টমুন্ডের অফিশিয়াল পেজ থেকে টুইট করা হলো, ‘কর্নারের অনুশীলন শুরু করতে হবে!’ অ্যানফিল্ডে বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের অপ্রস্তুত অবস্থায় রেখে দ্রুত কর্নার নিয়েছিলেন ম্যাক্স আরনল্ড। সেখান থেকে দলের চতুর্থ গোল করেছিলেন অরিগি। এ নিয়ে হাসি ঠাট্টা চলছে এখনো। এবার গ্রুপে বার্সেলোনাকে পেয়েই খোঁচা দিয়েছে ডর্টমুন্ড।

ডমিঙ্গোকে দারুণ পছন্দ হয়েছে সাকিব আল হাসানের

0

রাসেল ডমিঙ্গোকে দারুণ পছন্দ হয়েছে সাকিব আল হাসানের। আর কখনো পেশাদার ক্রিকেট না খেলা এই দক্ষিণ আফ্রিকানকেই যদি তাঁর এত পছন্দ হবে, বাকীদের কতটা পছন্দ হয়েছে, তা কি বলে দিতে হবে!

বাংলাদেশ দলের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব কিন্তু বলেই দিলেন। তাঁর চোখে ডমিঙ্গোর নেতৃত্বে এই কোচিং স্টাফই বাংলাদেশের এ যাবৎকালের সেরা। আজ দুপুরে বনানীতে নিজের বাসায় বসে প্রথম আলোকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সাকিব। তারই একপর্যায়ে বলেছেন, ‘এখন আমাদের যে কোচিং স্টাফ, তারা খুবই ভালো। অভিজ্ঞ, রেকর্ড ভালো এ রকম সব কোচ এনেছে ক্রিকেট বোর্ড। এ রকম আমরা আগে পাইনি। ডেভ হোয়াটমোর বিশ্বকাপ জেতা কোচ ছিলেন। এরপর এই প্রথম এত ভালো কোচ এল।’

২২ বছর বয়সে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করা ডমিঙ্গো কোচ হিসেবে অভিজ্ঞ হলেও তাঁর খেলোয়াড়ি জীবন অতটা সমৃদ্ধ নয়। তবে ব্যাটিং কোচ নিল ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন আরেক দক্ষিণ আফ্রিকান পেস বোলিং কোচ চার্ল ল্যাঙ্গেভেল্ট। স্পিন পরামর্শক হিসেবে আসবেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ড্যানিয়েল ভেট্টোরিও। আর ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক তো আগে থেকেই আছেন। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেই বেশির ভাগ কোচ আনাটা ভালো হলো না খারাপ হলো, সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত নন সাকিব, ‘এটা নেতিবাচক বা ইতিবাচক দুই রকমই হতে পারে। এক দেশের হওয়াতে তারা সবাই মিলে একটা দল হয়ে কাজ করবেন এটা যেমন হতে পারে, আবার ভিন্ন ভিন্ন দেশের হলে হয়তো ভিন্ন ভিন্ন মত জানা যেত। তবে আমার বিশ্বাস, বিসিবি এটা আমাদের ভালোর জন্যই করেছে।’

ডমিঙ্গোর সঙ্গে এই কয়দিন কাজ করে তাঁকে ভালো কোচ বলেই মনে হচ্ছে সাকিবের। তবে আগের কোচ স্টিভ রোডসও তাঁর চোখে খারাপ কোচ ছিলেন না। এই ইংলিশ কোচকে বিসিবি বিশ্বকাপের পর পরই বিদায় করে দিলেও সাকিব বলেছেন, ‘রোডসের মধ্যে আমি কোনো সমস্যা দেখিনি। তবে হ্যাঁ, আমি যেমন বলবো না ওনার মধ্যে সমস্যা ছিল, আবার এটাও বলব না যে উনিই আমাদের জন্য ঠিক ছিলেন। বিশ্বকাপের পর বিসিবি মনে করতেই পারে যে রোডস আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সঙ্গে যান না। বোর্ডও চায় আমরা ভালো করি।’

ইংল্যান্ডের বেন স্টোকসের কাছে টেস্টের দ্বিতীয় সেরা অলরাউন্ডারের জায়গা হারিয়েছেন সাকিব। তবে এটাকে তিনি ইতিবাচকভাবেই নিচ্ছেন, ‘এটা তো ভালো। এসব জায়গা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়া উচিত। আগে যখন এক নম্বর হয়েছি, তখন আমার নিচের নামগুলো দেখে ভালো লাগত। রাজ্জাক, জয়াসুরিয়ারা থাকতেন তখন। এখন যারা থাকে, তাদের দেখে অতটা চ্যালেঞ্জ অনুভব করি না। আর স্টোকস যেরকম খেলছে, ও জায়গাটা দাবি করতেই পারে।’

গাজীপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

0

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মোগরখাল এলাকায় ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে মোগরখালের ঢাকা-বাইপাস সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহত দুজনই মোটরসাইকেলের আরোহী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লেবু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, সংঘর্ষের পরপর মোটরসাইকেলের দুই আরোহী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও মোটরসাইকেলটি থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যেন কারবালার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো ৩২ নম্বরে

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কারবালায় যেভাবে নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যেন কারবালার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো ৩২ নম্বরে। আমরা দুইবোন ভাগ্যক্রমে সেদিন বেঁচে যাই।

আজ শুক্রবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ‘৫ আগস্টে শুধু একটা পরিবারকে হত্যা নয়। এর মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের ইতিহাস মুছে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়। বাংলাদেশ সৃষ্টিতে যার অবদান, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে যত আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান তা মুছে দেওয়া হয়েছিল।

‘তখন একটি মাত্র টেলিভিশন ছিল-বিটিভি। সেই বিটিভিতেও একটি বারের জন্য বঙ্গবন্ধুর নামটি আসেনি। একেবারে ইতিহাস থেকেই মুছে ফেলার অপচেষ্টা করা হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের পর যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই ১৫ আগস্টের খুনিদের মদদ দিয়েছে। যেভাবে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে খুনিদের দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিল সেভাবে খালেদা জিয়াও পুনর্বাসন করেছেন। এরশাদও খুনিদের মদদ দিয়েছে পুরস্কৃত করেছে।

মাদারীপুরে মানব পাচার চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার

0

মাদারীপুরে মানব পাচার চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুরে তাঁদের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত চারজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেপ্তার চার ব্যক্তি হলেন—ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগ গ্রামের মোস্তফা মালের ছেলে মো. আলাউদ্দিন মাল (২৪), রফিজুল ইসলাম মালের ছেলে দুলাল মাল (১৯), ফারুক মালের ছেলে রাসেল মাল (২০) ও রতন মালের স্ত্রী কুলসুম বিবি (৩৮)।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পশ্চিম মিনাজদী গ্রামের মাজেদ শিকদারের ছেলে আল-মামুন শিকদার (২২) আট মাস আগে দালালের মাধ্যমে ইরাকে যান। ইরাকে যাওয়ার পর আশানুরূপ কাজ না পাওয়ায় ইরাকে অবস্থানরত দালাল রতন মালের ছেলে মিলন মালের কাছে কাজের খোঁজে যান মামুন। এ সময় মামুনকে আটক করে তাঁর পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন মিলন। মুক্তিপণের টাকা ভোলায় বসবাসকারী ছোট ভাই মঞ্জু মালের কাছে দেওয়ার জন্য বলেন তিনি। এ ঘটনায় ২৭ আগস্ট কালকিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন মামুনের বাবা মাজেদ শিকদার। এরপর গতকাল মধ্যরাতে বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগ গ্রামে অভিযান চালিয়ে মানব পাচার চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও মুঠোফোনের তিনটি সিম উদ্ধার করা হয়।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক প্রথম আলোকে বলেন, ‘একটি মানব পাচারকারী দল বাংলাদেশ থেকে ইরাকে কাজ করতে যাওয়া ব্যক্তিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করে। ওই চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঞ্জু মাল পালিয়ে গেলে আমরা তাঁর মা-কে আটক করি। মঞ্জুকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।’

এখন তাঁকে নুসরাত নামেই চেনে বলিউড

0

১০ বছর ধরে বলিউডে আছেন নুসরাত বারুচা। তবে তিনি সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা হয়ে জ্বলে উঠেছেন গত বছর, ‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’ ছবি দিয়ে। এই ছবির পর যেন সবাই তাঁর নাম নতুন করে জানতে পেরেছে। বলিউডে প্রতিষ্ঠা পেতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে তাঁকে। ‘আকাশবাণী’ ফ্লপ করার পর তিনি ভেঙে পড়েন এবং পারিশ্রমিক ফিরিয়ে দেন। অবশেষে নুসরাত বারুচার সেই সংগ্রাম সাফল্যের মুখ দেখেছে। ১০ বছর বলিউডকে দিয়েছেন, এবার বলিউডও দুহাত ভরে দিতে শুরু করেছে। দিন ফিরেছে নুসরাত বারুচার।

‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা’ ছবির পর সবার কাছে তিনি ছিলেন ‘পঞ্চনামা গার্ল’। কিন্তু অনেকেই নাম জানতে পারেনি। ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নুসরাত বারুচা বলেছেন, ‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’ ছবির পর সবাই তাঁর নাম জানতে শুরু করেছে। সামনেই মুক্তি পাবে নুসরাত বারুচা আর আয়ুষ্মান খুরানার ছবি ‘ড্রিম গার্ল’। ইতিমধ্যে এই ছবির গান খুব পছন্দ করেছেন দর্শক। এই ছবি দিয়ে তিনি চিরতরে ‘পাঞ্চনামা গার্ল’ ট্যাগ মুছে নিজের নাম প্রতিষ্ঠিত করতে চান বলিউডে। আইএএনএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও উঠে এসেছে সেই ইচ্ছার কথা।

‘প্রথম দিকে আমি “পঞ্চনামা গার্ল” ট্যাগকে ভালোভাবেই নিয়েছিলাম। কারণ, এই ছবিতে আরও দুজন নারী ছিলেন। কিন্তু সবাই আমাকে এই নামে ডাকছে। পরে দেখলাম, মানুষ আমাকে আমার নামে কম চেনে। আমাকে ডাকছে “পঞ্চনামা গার্ল” নামে। “সোনু কে টিটু কি সুইটি” ছবির সাফল্যের পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে।’ বললেন নুসরাত বারুচা।

‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’ যে এত বড় হিট হবে ভাবতে পেরেছিলেন? নুসরাত বললেন, ‘ভাবতে পারিনি কেউ। এই ছবির সঙ্গে যুক্ত সবার কাছেই এটা ছিল আশাতীত আকস্মিক উপহার। আমরা সবাই কম-বেশি একসঙ্গেই ক্যারিয়ার শুরু করেছি। “প্যায়ার কা পঞ্চনামা” প্রথম হিট করল। “প্যায়ার কা পঞ্চনামা টু” আগের চেয়েও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। আর দর্শক “সোনু কে টিটু কি সুইটি” ছবিকে এমন একটা জায়গায় এগিয়ে নেন, যেটা কেউ কল্পনা করিনি। তবে এই ছবির গল্প এমন, যা কেউ আগে থেকে কিছুই আন্দাজ করতে পারবে না।’

নুসরাত বারুচা কাজ করেছেন আয়ুষ্মান খুরানা আর রাজ কুমার রাওদের মতো গুণী অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে। তাঁদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার নিয়ে বললেন, ‘আমি সব সময় এই মানের গুণী অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে থাকি। একটু যে ভয় ভয় করে না, তা না। তবে সব সময় আমার ভেতরে কাজ করে, আমার সহশিল্পী যতটা প্রতিভাবান, আমাকেও তাঁর পাশে সেই মান বজায় রাখতে হবে। নয়তো একই ফ্রেমে আমাকে ম্লান দেখাবে। এভাবে নিজের ভেতর থেকে ভালো অভিনয় বের করে আনি।’

নুসরাত বারুচা‘ড্রিম গার্ল’ চলচ্চিত্রে আয়ুষ্মান খুরানার চরিত্র খুবই পছন্দ নুসরাতের। এ রকম একটা ছবির সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে পেরে খুবই আনন্দিত তিনি। চলতি বছর ১৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে ‘ড্রিম গার্ল’। ‘হার্দাং’ নামে আরও একটি ছবির কাজ চলছে। এই ছবিতে নুসরাত বারুচার বিপরীতে দেখা যাবে সানি কৌশলকে। ছবির গল্প গত শতকের নব্বই দশকের। ওই সময় তরুণেরা দিনের একটা বড় সময় কাটাত রাস্তায়, আন্দোলন করে। আত্ম–অনুসন্ধানে চলে যেত আরও অনেকটা সময়।

৩৪ বছর বয়সী নুসরাত এই ছবিতে নিজের চরিত্র নিয়ে এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘“হার্দাং” ছবিতে আমার চরিত্রটা খুব শক্ত, দৃঢ় আর সাহসী একজন নারীর। সেসব জাত, ধর্ম, শ্রেণিবিভেদের বিপক্ষে। আমি চরিত্রটা পছন্দ করি, কারণ এ চরিত্র অন্যের মতো করে নয়, বরং নিজের মতো করে বাঁচতে জানে।’

শ্রদ্ধা বললেন, ‘বাংলাদেশের ছবির ব্যাপারে কিছুই জানি না’

0

বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করবেন বলিউডের এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা শ্রদ্ধা কাপুর। ছবির নাম ‘মাসুদ রানা’। খবরটি আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুকে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার ভেরিফায়েড পেজ থেকে জানা যায়। এরপর দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রের অনলাইন সংস্করণ ও নিউজ পোর্টালগুলোতে খবরটি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু আজ ভারতের স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে তিনটা নাগাদ ভারতের মুম্বাই থেকে শ্রদ্ধা কাপুর জানান, তিনি বাংলাদেশের কোনো ছবিতে অভিনয় করছেন না। প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধিকে শ্রদ্ধা কাপুর বলেছেন, ‘এই ছবির ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।’ আর শ্রদ্ধা কাপুরের নিজস্ব জনসংযোগ প্রতিষ্ঠান থেকে জানানো হয়েছে, এটি পুরোপুরি ভুয়া খবর।

এ ব্যাপারে জানার জন্য জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ছবিটি পরিচালনা করছেন আসিফ আকবর। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই পরিচালক হলিউডে ২০০৬ সাল থেকে কাজ করছেন। এই ছবির অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলী চূড়ান্ত করার দায়িত্বে আছে যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডের সিলভার লাইন। শ্রদ্ধা কাপুরের সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠান থেকেই যোগাযোগ করা হয়েছে। আমরা এর বেশি কিছু জানি না। আমাদের আজ সকালে খবরটি সংবাদমাধ্যমকে জানাতে বলা হয়েছে। এরপর আমরা ফেসবুকে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ভেরিফায়েড পেজে তা প্রকাশ করেছি।’

‘মাসুদ রানা’ চরিত্রটি নিয়ে এবার চলচ্চিত্র নির্মাণ হবে। ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের ছবির অন্যতম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া থেকে জানানো হয়েছে, এরই মধ্যে ছবির অনেক কিছুই চূড়ান্ত হয়েছে। যেমন ছবিটি পরিচালনা করবেন হলিউডের আসিফ আকবর। ছবির বাজেট ৮৩ কোটি টাকা। শুটিং হবে মরিশাস, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশে। ছবিটি দুটি ভাষায় তৈরি হবে—বাংলা আর ইংরেজিতে। বাংলা ভাষায় মুক্তি পাবে বাংলাদেশ ও ভারতের কলকাতায়। সারা বিশ্বে একযোগে ইংরেজি ভাষায় ছবিটি মুক্তি পাবে। ‘মাসুদ রানা’ চরিত্রে যিনি অভিনয় করবেন, তাঁকেও চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগিরই তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

‘মাসুদ রানা’ সিরিজের এই ছবির চিত্রনাট্য পরিমার্জন, পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করেছেন আবদুল আজিজ, আসিফ আকবর ও নাজিম উদ দৌলা। এরপর হলিউডের পেশাদার স্ক্রিপ্ট রাইটার আর চলচ্চিত্র সমালোচকদের নিয়ে চূড়ান্ত চিত্রনাট্য তৈরি করা হয়েছে।

বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ছাড়া সহযোগী প্রযোজক হিসেবে থাকছে আরও তিনটি প্রতিষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডের সিলভার লাইন। আরও জানানো হয়েছে, চলচ্চিত্রের জন্য সেবা প্রকাশনী ও কাজী আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ‘ধ্বংস পাহাড়’সহ ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের তিনটি উপন্যাসের কপিরাইট নিয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া।

মোস্তাফিজকে আপাতত বিশ্রাম দেয়া হয়েছে

0

নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে দুদিনের যে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছেন প্রাথমিক দলে থাকা ক্রিকেটাররা, মোস্তাফিজুর রহমান পড়েছেন লাল দলে। সাকিব আল হাসানের লাল দল আজ সারাটা দিন ব্যাটিং করেছে। লাল দলের হয়ে মোস্তাফিজের ব্যাটিং-বোলিং কিছুই করতে হয়নি। বসে বসে কাটিয়ে দিলেন দিনটা।

পড়ন্ত বিকেলেও দেখা গেল ডাগ আউটে অলস বসে আছেন মোস্তাফিজ। পরিচিত এক সাংবাদিককে দেখতেই জানতে চাইলেন, টেস্ট দলে কোন কোন পেসার আছেন। ইবাদত হোসেন, আবু জায়েদের সঙ্গে ফিরেছেন তাসকিন আহমেদ। ‘ভালো টিম হয়েছে। সবারই কমবেশি সুযোগ দরকার আছে’, টেস্ট দল থেকে বাদ পড়েছেন, এ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত মনে হলো না তাঁকে। মোস্তাফিজ বরং হাসিমুখে বললেন, ‘না, হিসাব ঠিক আছে। আমার একটু সমস্যা আছে। আচ্ছা, টি-টোয়েন্টি সিরিজটা শুরু হবে কবে?’

টেস্ট দলে নেই। ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণের খবর আপাতত তাঁর কাছে গুরুত্বহীন। যে সংস্করণটা খেলবেন, সেটি নিয়ে ভাবাই বুদ্ধিমানের কাজ মনে করছেন মোস্তাফিজ। সে তিনি মনে করতেই পারেন। কিন্তু তাঁর পরনের সাদা পোশাক যদি কথা বলতে পারত, নিশ্চিত বড় আক্ষেপ নিয়ে বলত, ‘মোস্তাফিজ, রঙিন পোশাকে কত দুর্দান্তই না খেল, ক্রিকেটের আদি সংস্করণ—এই আমার জন্য তেমন কিছু করতে পারলে না।’

ভাবার কারণ নেই মোস্তাফিজ ইচ্ছে করে টেস্ট খেলছেন না! নিশ্চয়ই কারণ আছে। মোস্তাফিজ বললেন তাঁর ‘একটু সমস্যা আছে।’ সমস্যাটা কোমরের কাছে। চোটটা পুরোনো। তবে কন্ডিশনিং ক্যাম্প করতে গিয়েই ব্যথাটা বেড়েছে। পরশু অনুশীলনের পর অ্যাপোলো হাসপাতালে পর্যন্ত গিয়েছিলেন। স্বস্তির খবর এতটুকু, এ চোটে পড়ে তাঁকে লম্বা সময় দলের বাইরে থাকতে হচ্ছে না। ব্যথা আছে অ্যাঙ্কেলেও। আজও দেখা গেল দুই পায়ের গোড়ালি পেঁচিয়ে রেখেছেন ব্যান্ডেজ দিয়ে। সতর্কতাবশতই মোস্তাফিজকে টেস্টের বাইরে রাখা হয়েছে বলে জানালেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন, ‘কন্ডিশনিং ক্যাম্পে মোস্তাফিজ হালকা চোট পেয়েছে। কাল এটি দেখা হয়েছে। সামনে অনেক টেস্ট ম্যাচ আছে। ভারত সফর আছে। টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজ আছে। এ কারণে তাঁকে কদিনের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।’

বাংলাদেশের সর্বশেষ টেস্টেও খেলেননি এই বিশ্রাম তত্ত্বেই। টেস্টে তাঁর ‘বিশ্রাম’ নতুন কিছু নয়। তা সাদা পোশাকের চ্যালেঞ্জটা কবে নেবেন? প্রশ্নটার উত্তর আপাতত নেই মোস্তাফিজের কাছে।

রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে সাত প্রতারক গ্রেপ্তার

0

রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে সাত প্রতারক গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে চাকরি ওয়ার্ক পারমিট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজ দেখিয়ে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন বাপ্পী ইসলাম (৪৩), নিয়াজুল ইসলাম (৫৪), সাত্তার (৫৮), সাব্বির হাসান (২৪), রাসেল হাওলাদার (২৪), সোহরাব হোসেন সৌরভ (৩৮) ও মোহাইমিনুল ইসলাম (৩৫)।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকাল থেকে আজ শুক্রবার (৩০ আগস্ট) ভোররাত পর্যন্ত খিলক্ষেত থানা পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের এসব সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ভুয়া আইডিকার্ড, বিভিন্ন লোকের নামে বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রথম পাতার ফটোকপি, বিদেশে কাজ ও হিসাবের খাতা, বিমানের টিকেটের ফটোকপি, জরুরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পত্র, বাংলাদেশ জার্মান টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার কর্তৃক প্রদত্ত বিভিন্ন লোকের নামে বিভিন্ন দেশের টেনিং সার্টিফিকেট, বিভিন্ন দেশের নামে ইমিগ্রেশন নোটিশ, বাংলাদেশ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর মূল ও ফটো কপি, কম্পিউটার সিপিইউ ও প্রিন্টার এবং বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।

খিলক্ষেত থানা পুলিশ জানায়, গত ২৮ আগস্ট জনৈক সোহেল মিয়া অভিযোগ করেন যে, একটি সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্র কানাডায় পাঠানোর কথা বলে অর্থের বিনিময়ে তাকে জাল কানাডিয়া ওয়ার্ক পারমিট প্রদান করে। সেই সাথে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন তারিখে তার কাছ থেকে নগদ ৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ অভিযোগে একটি মামলা করা হয়।

পরদিন ২৯ আগস্ট খিলক্ষেত থানাধীন রাজউক ট্রেড সেন্টারের সামনে থেকে বাপ্পী ইসলাম ও নিয়াজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে অন্য পাঁচ প্রতারককে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার (৩০ আগস্ট) তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বাংলাদেশের নৌপরিবহন ও বন্দর উন্নয়ন খাতে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়া

0

বাংলাদেশের নৌপরিবহন ও বন্দর উন্নয়ন খাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দলের দক্ষিণ কোরিয়া সফরকালে সেই দেশের সমুদ্র ও মৎস্য বিষয়ক মন্ত্রী মুন সং ইয়ক এ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ২৭ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে দক্ষিণ কোরিয়া সফর করেন। সফরকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধূরী দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্র ও মৎস্য বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিঞ্জপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জুলফিকার আজিজসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আলোচনাকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যেকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার পাশাপাশি নৌপরিবহন খাতে বিরাজমান সম্পর্ককে আরো জোরদার করবার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাছাড়া বাংলাদেশে ব্লু বায়ো-টেকনোলজি, টাইডাল এনার্জি, ওসান সেফটি, মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণ, কোরিয়ার জাহাজে বাংলাদেশের নাবিকদের কর্মসংস্থান এবং জাহাজ নির্মাণ খাতে প্রযুক্তি বিনিময়সহ পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন যে, বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠির উপস্থিতি এই দেশকে একটি বৃহৎ ও বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় বাজারে রূপান্তর করেছে। তিনি এই সম্ভাবনাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানের লক্ষ্যে কোরিয়াকে বাংলাদেশের নৌপরিহন ও গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ খাতে বিনিয়োগের আহবান জানান। সেই সাথে নৌপরিবহন খাতে কোরিয়া সরকার কর্তৃক প্রদত্ত উন্নয়ন সহায়তা আরো বৃদ্ধি করবার জন্যেও তিনি অনুরোধ জানান।

কোরিয়ার মন্ত্রী মুন সং ইয়ক এসময় উল্লেখিত সকল খাত সমূহে তার সরকার কর্তৃক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তাছাড়া, বাংলাদেশের নৌপরিবহন ও বন্দর উন্নয়ন খাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর আগে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বুসানের নতুন ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর এবং পুরাতন সমুদ্র বন্দরগুলি পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বন্দর উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।