Home Blog Page 3551

মিয়ানমারের ৩০ সেনা নিহত

0

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের শান রাজ্যের বিদ্রোহী গোষ্ঠী নর্দার্ন অ্যালায়েন্স এর সঙ্গে সংঘর্ষে দেশটির সেনাবাহিনীর অন্তত ৩০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। চীন সীমান্তের কাছের এই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পৃথক সংঘর্ষে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রাণহানি ঘটে বলে দাবি করেছে বিদ্রোহী ওই গোষ্ঠী। এছাড়া সংঘর্ষে গৃহহীন হয়ে পড়েছে আরো ২ হাজারের বেশি মানুষ।

তবে মিয়ানমার সেনাবাহিনী এতো সংখ্যক সেনা সদস্য নিহত হওয়ার দাবিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

বুধবার থাইল্যান্ডভিত্তিক মিয়ানমারের ইংরেজি দৈনিক দ্য ইরাবতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে মিয়ানমার সেনাবাহিনী প্রাণহানির এই খবর উড়িয়ে দিয়ে বলেছে, নর্দার্ন অ্যালায়েন্সের এই দাবি অসম্ভব।

নর্দান অ্যালায়েন্স বলছে, শান রাজ্যের লাশিও থেকে মুসে মহাসড়কের কুটকি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ৯টি সংঘর্ষ হয়েছে। এসব সংঘর্ষের কোনোটি ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ধরে চলেছে। তবে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে এই সংঘর্ষের অবসান ঘটে।

দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহী এই গোষ্ঠী বলছে, সরকারি ৩০ সেনাসদস্য নিহত ও ১৬ সদস্য আহত হয়েছে। তবে সংঘের্ষ বিচ্ছিন্নতাবাদী এই গোষ্ঠীর কয়েকজন সদস্য আহত হলেও কারও প্রাণহানি ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জ্য মিন তুন বলেন, সংঘর্ষ হলেও ৩০ সৈন্যের প্রাণহানি অসম্ভব। তিনি বলেন, নং চো ও কিয়াকমি শহরে দুটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কিয়াকমির সংঘর্ষে বিদ্রোহী গোষ্ঠী তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (টিএনএলএ) একটি অস্থায়ী ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে।

নর্দান অ্যালায়েন্স দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদী তিনটি গোষ্ঠীর জোট। টিএনএলএ ছাড়াও আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ) এই জোটের সদস্য।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জ্য মিন তুন বলেন, কুটকাই এলাকায় আরো একটি সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, সামরিক সরঞ্জাম এবং একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। আমরা খবর পেয়েছি যে, লাশিও এবং কুটকাই এলাকায় বিদ্রোহীদের অনেক সদস্য নিহত হয়েছে। আমরা এখন পর্যন্ত ১০ বিদ্রোহীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ১৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার দাবি করেছে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স। সংঘর্ষের ষষ্ঠ দিন বুধবার কুটকাইয়ে আবারও সংঘর্ষের দাবি করেছে বিদ্রোহীদের এই জোট।

বুধবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে বলছে, মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের সহিংসতা বিধ্বস্ত শান রাজ্যের নতুন এই সংঘর্ষ দেশটির নেত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির জন্য বড় ধাক্কা।

উত্তরাঞ্চলের রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর রক্তাক্ত অভিযান ও বাংলাদেশে পালিয়ে আসার ঘটনায় ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চাপের মুখে রয়েছেন সু চি। এর মাঝে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর নতুন এই সংঘর্ষ সু চি নেতৃত্বাধীন বেসামরিক সরকারের ভাবমূর্তিকে আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

সূত্র : দ্য ইরাবতি

বিশ্বের পারমাণবিক শীতও নেমে আসতে পারে

0

রাশিয়ার (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন) সঙ্গে তিন দশক আগে করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক চুক্তি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে এসছে যুক্তরাষ্ট্র। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্ভাচেভ ১৯৮৭ সালে স্নায়ুযুদ্ধ নিরসনে চুক্তিটি করেন।

মস্কো বারবার চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করছে বলে অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে আসে। ধারণা করা হচ্ছে, চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণাকে রাশিয়ার সঙ্গে নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতায় যাওয়ার পরোক্ষ ঘোষণই দিল যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে পরমাণু শক্তিশালী দু’টি দেশের মধ্যে যদি কোনো কারণে উত্তেজনা বেড়ে যায় তাহলে সারাবিশ্ব মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। বিশ্বের পারমাণবিক শীতও নেমে আসতে পারে বলে একটি নতুন গবেষণায় বলা হচ্ছে। জার্নাল অব জিওফিজিকাল রিসার্চ: অ্যাটমোস্ফিয়ারসে গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করা হয়েছে।

গবেষণাটি ২০০৭ সালের একটি জলবায়ু মডেলের সঙ্গে তুলনা করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সেখানে বলা হয়, যদি কোনো কারণে এই পরাশক্তি দুটি পরমাণু যুদ্ধে জড়িয়ে পরে আর প্রচুর পরিমাণে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়; তাহলে পারমাণবিক বিস্ফোরণে উত্পন্ন ধোঁয়ায় সারাবিশ্ব যথেষ্ট পরিমাণে শীতল হয়ে যাবে। বিস্ফোরণের ফলে ধোঁয়া সূর্যকে ঢেকে রাখবে। বছরের পর বছর ধরে এই গ্রহে সূর্যের আলো এসে পৌঁছবে না।

২০০৭ সালের একটি জলবায়ু মডেল ব্যবহারের পরও আরো একটি নতুন মডেল ব্যবহার করে গবেষণায় একই ফলাফল পাওয়া যায়। গবেষণায় কমিউনিটি আর্থ সিস্টেম মডেল-হোল অ্যাটমোস্ফিয়ার কমিউনিটি ক্লাইমেট মডেল-ভার্সন ফোর নামে একটি মডেল ব্যবহার করা হয়। সেই মডেলে দেখানো হয়, পারমাণবিক যুদ্ধের ফলে সারা বিশ্বে শীতল অবস্থা তৈরি হতে পারে। এতে করে বৈশ্বিক তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেতে পারে।

গবেষণায় বলা হয়, যুদ্ধের কয়েক মাস পর ৩০ শতাংশ বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাবে। আর যদি এ অবস্থা চলতে থাকে তাহলে সারা বিশ্বে ধোঁয়া দীর্ঘদিন ঠিকে থাকবে। এর ফলে শীতের মাত্রা বেড়ে যাবে। নেমে আসবে পারমাণবিক শীত (নিউক্লিয়ার উইন্টার)। এর ফলে পৃথিবীতে কোনো মানুষ ঠিকে থাকতে পারবে না।

গবেষণার বলা হয়, এ ধরনের যুদ্ধের ফল মানব জাতির জন্য ভয়বাহ পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে। মানব জাতির বিলুপ্তি ঘটতে পারে। অতীত তত্ত্বগুলো এমনই বার্তা দেয় বলে গবেষকরা জানান।

পারমাণবিক শীত বা নিউক্লিয়ার উইন্টার কী?

নিউক্লিয়ার উইন্টার বা পারমাণবিক শীত ভলকানিক উইন্টারের মতোই। খুব শক্তিশালী আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছাই ও বস্তুকণা তৈরি হয় যা বায়ুমণ্ডলে ভাসতে থাকে ও সূর্যালোক প্রতিফলিত করে বাইরের দিকে পাঠিয়ে দেয়। ফলে পৃথিবী ঠাণ্ডা হয়ে আসে। ইতিহাস থেকে দেখা যায় এসব ভলকানিক উইন্টার কয়েক বছর অব্যহত থাকে। এমনকি পৃথিবীতে মানুষের আগমনের আগে কয়েক বার মাস প্রাণীজগতের বিলুপ্তির পেছনে কিছুটা হলেও এসব ভলকানিক উইন্টারের হাত ছিলো। তারা পৃথিবীকে সম্ভবত কয়েকশ বছর পর্যন্ত ঠাণ্ডা করে রাখতো।

অনেকটা এই ধরনেরই হবে নিউক্লিয়ার উইন্টার। তবে এখানে বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ছাইগুলো হবে রেডিওঅ্যাকটিভ। এই ছাই নিঃশ্বাসের সাঙ্গে বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে হবে মৃত্যু।

এমন একটি নিউক্লিয়ার উইন্টার নিয়ে আসার জন্য রাশিয়া ও যুক্তরাশষ্ট্রের পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ যথেষ্ট। এর ফলে সূর্যের প্রায় সবটা আলো থেকে বঞ্চিত হবে পৃথিবী, কয়েক বছরের জন্য। ফলে অন্ধকারে ঢেকে যাবে এই গ্রহ। এতে বন্ধ হয়ে যাবে জীবন ধারণের অপরিহার্য একটি প্রক্রিয়া, আলোকসংশ্লেষণ। বেশিরভাগ উদ্ভিদ মারা যাবে নিউক্লিয়ার উইন্টারে। আমাদের মানব প্রজাতিটিও বিলুপ্ত হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা আছে।

সূত্র: ফক্সনিউজ।

চীনের সঙ্গে সংঘাতে গেলে যুক্তরাষ্ট্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরাজিত হবে

0

চীনের সঙ্গে সংঘাতে গেলে যুক্তরাষ্ট্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরাজিত হবে বলে দাবি করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র চীনের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। এই এলাকায় চীনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালে বড় বিপদে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনাইটেড স্টেটস স্টাডি সেন্টারের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বুধবার সিএনএন একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়ায় চীনের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে যেসব অস্ত্র রয়েছে তা দিয়ে এই এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরাস্ত করতে পারবে।

ইউনাইটেড স্টেটস স্টাডি সেন্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাধান্যকে টেক্কা দিতে চীন উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন একগুচ্ছ ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রেখেছে।

সূত্র: সিএনএন

কলকাতায় অভিযুক্তরা উঁচু ক্লাসের ছাত্রী নার্সারির ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন

0

আবারো নাবালিকা ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এবার কলকাতার নামকরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ঘটনা ঘটেছে। সেখানে নার্সারির ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার ঘটনার অভিযোগে এবার কাঠগড়ায় খিদিরপুরের একটি স্কুল।

অভিযোগ উঠেছে, নার্সারির এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্থা করা হয়েছে। ওই ছাত্রী আপাতত ভর্তি রয়েছে ইকবালপুরের একটি নার্সিংহোমে। স্কুল কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ না ওনয়ার জেরে বুধবার স্কুলের বাইরে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা।

অভিযোগ উঠেছে, গত সোমবার ওই ছাত্রীকে স্কুলের শৌচাগারে যৌন নিপীড়ন করা হয়। সে তার বাবা-মাকে জানিয়েছে, তিনজন উঁচু ক্লাসের ছাত্রী ওই ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নবম শ্রেণিতে পড়ে। বাকি দু’জনকে চিহ্নিত করার জন্য ওই ছাত্রীর বাবা-মা অন্যান্য অভিভাবকদের পুরো ব্যাপারটা জানান। তারা জানান, স্কুল কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ অভিভাবকদের একাংশের।

আজ স্কুলের বাইরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। একবালপুর থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। নিগৃহীত ছাত্রীর বাবা-মা জানান, মেয়েটা ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছে। স্কুলের নাম শুনলেই কেঁদে উঠছে।

যদিও পুলিশ জানিয়েছে, ওই ছাত্রীর পরিবার এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ থানায় জানায়নি। অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করবে। স্কুলের বাইরে যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে ব্যাপারেও সজাগ রয়েছে পুলিশ। স্কুলের গেটে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা পুলিশ।

কলকাতার বেসরকারি স্কুলগুলোর ভিতর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। যৌন নিগ্রহ থেকে ছাত্রীর আত্মহত্যা গত এক বছরে এমন ঘটনা বেশ কয়েকবার ঘটেছে।

দুই মাস আগে রানিকুঠির জিডি বিড়লা স্কুলের ছাত্রী কৃত্তিকা পালের আত্মহত্যার পর হাইকোর্ট পর্যন্ত নির্দেশ দিয়েছিল সমস্ত স্কুলের নিরাপত্তাকে আটোসাঁটো করার। শিক্ষামহলের অনেকের মতে, এই সমস্ত স্কুল প্রচুর টাকা বেতন নেয়। তবু পরিকাঠামো নিয়ে কোনো হেলদোল নেই। একটা করে ঘটনা ঘটে। একটু করে হাওয়া গরম হয়। তারপর আবার একই অবস্থা।

অর্থ পাচারের অভিযোগে ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পালানিয়াপ্পান চিদাম্বারামকে গ্রেপ্তার

0

দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পালানিয়াপ্পান চিদাম্বারামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চিদাম্বারামের বিরুদ্ধে অর্থমন্ত্রী থাকাকালে ঘুষের বিনিময়ে বিদেশী বিনিয়োগের অর্থ আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চিদাম্বারাম।

ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের এই সিনিয়র নেতা ১৯৮৪ সাল থেকে সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বুধবার সেন্ট্রাল বুর‍্যো অব ইনভিস্টিগেশন (সিবিআই) সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করার সময় তার সমর্থক এবং গণমাধ্যম কর্মীরা তার গাড়ির আশেপাশে ভিড় করে।

মঙ্গলবার রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার দিল্লির বাসভবনে কর্মকর্তারা যাওয়ার চেষ্টা করলে বলা হয় যে তিনি বাসায় নেই।

চিদাম্বারামের গ্রেপ্তারের ঘন্টাখানেক আগে তিনি সুপ্রিম কোর্টেরও শরনাপন্ন হয়েছিলেন, কারণ তার আগেরদিন দিল্লি হাইকোর্ট তার জামিনের আবেদন নাকচ করে দেয়।

চিদাম্বারামের ছেলে কার্তি চিদাম্বারাম তামিল নাড়ুর কংগ্রেসের একজন এমপি। আদালতে তার আইনজীবী অভিযোগ করেন, ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন সরকার চিদাম্বারাম ও তার ছেলে কার্তির বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক প্রতিশোধ’ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে এই মামলা সাজিয়েছে।

২০০৭ সালে অর্থমন্ত্রী থাকাকালে আইএনএক্স গ্রুপের দশ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিদেশী বিনিয়োগ আত্মসাত করার অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

চিদাম্বারামের ছেলে কার্তি চিদাম্বারামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ওই বিনিয়োগের ছাড়পত্র পাইয়ে দেয়ায় আইএনএক্স’এর কাছ থেকে ঘুষ পেয়েছিলেন তিনি।

আর্থিক লেনদেন বিষয়ক অপরাধের তদন্ত করা সংস্থা সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত করছে।

২০১৮ সালে কার্তি চিদাম্বারামকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। কিন্তু পরে তাকে জামিনে ছাড়া হয়। তিনি ভারতের দক্ষিনাঞ্চলের রাজ্য তামিল নাড়ুর একজন কংগ্রেস এমপি।

আজও শরীরে ৪০টি স্প্রিন্টার বয়ে বেড়াচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

0

বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় এখনও শরীরে ৪০টি গ্রেনেডের স্প্র্রিন্টার বয়ে বেড়াচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

গ্রেনেড হামলার মুহুর্তে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য অস্থায়ীভাবে ট্রাকের উপর তৈরিকৃত মঞ্চের পাশেই ছিলেন। ঘাতকদের গ্রেনেড হামলা শুরু হওয়ার সাথে সাথে তিনিসহ শেখ হাসিনার পাশে থাকা সিনিয়র আওয়ামীলীগ নেতারা মানব দেয়াল রচনা করে শেখ হাসিনাকে রক্ষার চেষ্ঠা করেন।

এসময় তার শরীরে অসংখ্যা গ্রেনেডের স্প্রিন্টার বিদ্ধ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তৎকালীন দুই নারী নেত্রীর সহযোগীতায় তিনি প্রথমে ঢাকার সিকদার মেডিকেলে ভর্তী হন। সেখানে ৮ দিন থাকার পর ২৯শে আগস্ট তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য বেলজিয়ামে যান। সেখানে কয়েকটি স্প্রিন্টার বের করতে পারলেও এখনও ৪০টি স্প্রিন্টার তিনি বয়ে বেড়াচ্ছেন।

২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ৪৯১ জন সাক্ষীর মধ্যে তিনি অন্যতম রাজ স্বাক্ষী। রাজ স্বাক্ষী হিসেবে তিনি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষ্য প্রদানকালে তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা এবং আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করাই একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল।

ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেন, সেদিন ঘটনাস্থলে তিনি উপস্থিত ছিলেন। ওইদিন বিষ্ফোরিত আর্জেস গ্রেনেডের অসংখ্য স্প্রিন্টার তার শরীরে ঢুকে যায়। চিকিৎসায় কিছু স্প্রিন্টার বের করা হয়। বাকি অসংখ্য স্প্রিন্টার এখনো তার শরীরে রয়ে গেছে। যেগুলো বের করতে গেলে তার নার্ভ কেটে বের করতে হবে। ফলে তার মৃত্যুও হতে পারে। তাই তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাকি স্প্রিন্টার বের করেননি।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক একাউন্টে ২১ আগস্টের সময় আহত হওয়ার দুর্লভ ১ ছবি জুড়ে দিয়ে ইংরেজিতে স্ট্যাটাস দেন ড. হাছান মাহমুদ। সেখানে তিনি লেখেন, ‘ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দৃশ্য এটি, আমি গুরুতর আহত। আমাদের দলের দুই নারী নেত্রীর সহায়তায় কোনোভাবে একটি বাসে উঠেছিলাম। সেদিন আমার জীবন রক্ষা করার জন্য তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। যখন আমি হাসপাতালের পথে তখন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মনে হচ্ছিল আমার সমস্ত শক্তি নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। যদি আর এক ঘণ্টা দেরি হতো তাহলে সেদিন অন্যকিছু হয়ে যেতে পারতো। এখনো আমার শরীরের নিচের অংশে ৪০টি স্প্রিন্টার আছে। আমাদের সবার উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে সেই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া।

শুভসূচনা হলো ‘ল্যাকমে ফ্যাশন উইক উইন্টার/ফেস্টিভ ২০১৯’-এর

0

মনে হচ্ছিল এক টুকরো শরতের আকাশ নেমে এসেছে ফেমাস স্টুডিওর অন্দরে। নিয়ন আলোর বুকে যেন ভেসে বেড়াচ্ছিল পেজা তুলোর মতো মেঘ। আর তার মধ্যে হেঁটে বেড়াচ্ছিলেন এক সারি মেঘবালিকা।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে মুম্বাইয়ের প্রাচীন ফেমাস স্টুডিওতে শুভসূচনা হলো ‘ল্যাকমে ফ্যাশন উইক উইন্টার/ফেস্টিভ ২০১৯’-এর। ফ্যাশন উৎসব শুরুতেই জমে উঠেছিল খ্যাতনামা ফ্যাশন ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রা এবং বলিউড সুন্দরী ক্যাটরিনা কাইফের যুগলবন্দীতে। এই ওপেনিং শোটির আয়োজক ছিল ‘লাভ অ্যান্ড কেয়ার’।

মনীশের আয়োজন মানেই অভিনবত্বের ছোঁয়া। নারী-পুরুষ সবার পোশাকেই ছিল মনীশের সম্ভারে। অনুষ্ঠানের শুরুতে মনীশের ডিজাইন করা দুধসাদা লেহেঙ্গা, শাড়ি, লং স্কার্ট, টপ পরে মঞ্চ আলোকিত করেন মডেলরা। উৎসবের আমেজে সাদা যে ব্রাত্য নয়, তা আবারও প্রমাণ করলেন এই নামজাদা ডিজাইনার। সাদার ওপর জরদৌসি, সিকোয়েন্স, চিকনকারির কাজ ছিল নজর কাড়ার মতো।
মনীশ পুরুষের আয়োজনেও রেখেছেন সাদার বৈচিত্র্য। তবে উৎসবের রাতে অনেকে বেছে নেন কালো জমকালো পোশাক। মনীশ তাঁদেরও নিরাশ করেননি। ভেলভেটের ওপর কালো পোশাকের বৈচিত্র্য ছিল তাঁর এই রাতের আয়োজনে। তবে এই ব্যতিক্রমী রাতকে আরও উজ্জ্বল করে তোলেন বলিউড সুন্দরী ক্যাটরিনা কাইফ। তাঁর অঙ্গে ছিল কালো রঙের ভারী, ছড়ানো লেহেঙ্গা ও চোলি। তার ওপর রুপালি জরির কাজ।

ল্যাকমেময় এই রাতে রীতিমতো চাঁদের হাট বসেছিল। সামনের সারিতে বসে উদ্বোধনী এই আয়োজন উপভোগ করেছেন করণ জোহর, খুশি কাপুর, দিয়া মির্জা, চিত্রাঙ্গদা সিং, কারিশমা কাপুর, অমৃতা অরোরা, কণিকা কাপুর, সোফি চৌধুরী, ডেইজি শাহ, ইসাবেলা, আয়ুষ্মান খুরানা, ঈশান খট্টর, আয়ুশ শর্মাসহ আরও অনেক বলিউড তারকা।
আজ বুধবার থেকে মুম্বাইয়ের সেন্ট রেগিস হোটেলে বসছে ‘ল্যাকমে ফ্যাশন উইক’-এর এবারের আসর। পাঁচ দিনের এই আসর শেষ হবে ২৫ আগস্ট।

৮ সেপ্টেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন

0

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকাল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে। প্রথম দিনে অধিবেশনের শুরুতে চলতি সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন ও তা নিয়ে আলোচনা শেষে অধিবেশন মূলতবি করা হবে।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, আজ বুধবার রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। গত ১১ জুলাই চলতি সংসদের তৃতীয় ও চলতি অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শেষ হয়। সাংবিধানিক বাধ্য-বাধকতার কারণে সংসদের এই অধিবেশন আহবান করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এক অধিবেশন শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যকতা রয়েছে। তাই এই অধিবেশনের মেয়াদ সংক্ষিপ্ত হবে। অধিবেশন শুরুর আগে সংসদের কার্য-উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচী নির্ধারণ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এইচ এম এরশাদের মৃত্যুর কারণে শুন্য হওয়া বিরোধীদলীয় নেতার পদটি চলতি অধিবেশনেই পূরণ হবে। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করবেন। অবশ্য এ বিষয়ে এখনো তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি। তবে, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করা হয়েছে।

রেওয়াজ অনুযায়ী চলতি সংসদের কোন সদস্য মারা গেলে তার ওপর আনীত শোক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শেষে ওই দিনের বৈঠক মূলতবি করা হয়। তাই অধিবেশনের শুরুর দিনই চলতি সংসদের সদস্য এরশাদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন ও তা আলোচনা শেষে গ্রহণ করা হবে। সাধারণতঃ সংসদ নেতাসহ সকল দলের সংসদ সদস্যরা ওই আলোচনায় অংশ নেন।

ডিএমপি’র নিরাপত্তা নির্দেশনা জন্মাষ্টমী উপলক্ষে

0

আগামী ২৩ আগস্ট শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মদিন (জন্মাষ্টমী) উপলক্ষে মূল শোভাযাত্রা শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির হতে শুরু হয়ে বাহাদুর শাহ্ পার্কে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রা চলাকালীন যানজট পরিহারের লক্ষ্যে উক্ত এলাকায় চলাচলরত গাড়ি চালক/ব্যবহারকারীদের বিকাল সাড়ে ৩টা হতে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কয়েকটি রুট পরিহারের জন্য অনুরোধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

শোভাযাত্রার রুট :

শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির হতে পলাশী মোড়-জগন্নাথ হল-কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-দোয়েল চত্ত্বর-হাইকোর্ট বটতলা-সরকারি কর্মচারি হাসপাতাল-ফিনিক্স রোড (পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর সমানে)-গোলাপশাহ্ মাজার-বঙ্গবন্ধু স্কোয়ার-গুলিস্তান (সার্জেন্ট আহাদ বক্সের সামনে)-নবাবপুর রোড-রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ্ পার্ক পর্যন্ত।

এছাড়াও শোভাযাত্রা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ এর উদ্দেশ্যে কিছু নিরাপত্তা নির্দেশনাবলী মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেছে ডিএমপি।

নির্দেশনাবলী :

১। উল্লেখিত জন্মাষ্টমীর রুটে কোন ধরনের যানবাহন পার্কিং না করতে অনুরোধ করা হলো।

২। রুট এলাকার আশপাশের সকল দোকান শোভাযাত্রা চলাকালীন বন্ধ রাখতে অনুরোধ করা হলো।

৩। উচ্চস্বরে পিএ/সাউন্ড সিস্টেম না বাজানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

৪। শোভাযাত্রায় প্রারম্ভিক অবস্থা থেকে মিলিত হতে হবে। কোনক্রমেই শোভাযাত্রার মাঝপথ দিয়ে কোন ব্যক্তি শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

৫। নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ড ব্যাগ, ট্রলি ব্যাগ, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষতিকারক তরল, ব্লেড, দিয়াশলাই, গ্যাসলাইট ইত্যাদি সাথে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়া যাবে না।

৬। শোভাযাত্রা চলাকালীন রুটে কোন ধরণের ফলমূল ছোড়া যাবে না।

৭। শোভাযাত্রা চলাকালীন রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

৮। সন্দেহজনক কোন ব্যক্তি বা বস্তু পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করুন।

৯। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ভলান্টিয়ার (স্বেচ্ছাসেবক) ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পরামর্শ মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো।

১০। ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করুন।

গার্মেন্ট মালিকের আশ্বাস পেয়ে আন্দোলনরত শ্রমিকরা সড়ক ছেড়েছেন

0

বিজিএমইএ ও গার্মেন্ট মালিকের আশ্বাস পেয়ে শ্যামলী বাস টার্মিনাল এলাকায় আলিফ অ্যাপারেলস নামে একটি পোশাক কারখানার আন্দোলনরত শ্রমিকরা সড়ক ছেড়েছেন। হঠাৎ করেই কারখানা বন্ধ করায় তারা সড়ক অবরোধ করেছিলেন।

আজ বুধবার দুপুর ১২টায় পুলিশের মধ্যস্থতায় মালিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসে তাদের একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় তারা সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন।

এর আগে বুধবার সকাল আটটার দিকে শ্রমিকরা রাস্তা বন্ধ করে দেয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে সড়কে যানচলাচল শুরু হয়। এরপর সকাল নয়টার দিকে ফের সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অফিসযাত্রীদের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়ার পর ওই সড়কে যান চলাচল এখন স্বাভাবিক হয়েছে বলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি জি জি বিশ্বাস জানিয়েছেন।

জানা যায়, ঈদের ছুটির পর আজকে আলিফ অ্যাপেয়ারেলস ১, ২ ও আলিফ গার্মেন্টস নামের এ তিনটি কারখানা খোলার কথা ছিল। সে অনুযায়ী শ্রমিকরা কারখানায় আসার পর দেখে যে, ফটকে কারখানা বন্ধের নোটিশ ঝোলানো। এরপর তারা সড়ক অবরোধ করে।