Home আন্তর্জাতিক ম্যারাডোনাকে হারিয়ে শোকের মাতম আর্জেন্টিনায়

ম্যারাডোনাকে হারিয়ে শোকের মাতম আর্জেন্টিনায়

SHARE

শোকের নগরী বুয়েন্স এইরেস, কারণ একটাই বিশ্বফুটবল থেকে আর্জেন্টিনাকে সব এনে দেয়া দেবদুত হঠাৎ করেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। শোক বয়ে স্থানীয় রীতিতে চলছে ফুটবল লিজেন্ডকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি।

কি হচ্ছে বুয়েন্স এইরেসে! শোককে শক্তিতে রুপান্তর করার প্রয়াসে পুরো শহর মিলেছে এক বিন্দুতে, চোখে জল নিয়ে প্রথাগত শোকের মাতম। বিশ্বফুটবল থেকে আর্জেন্টিনাকে সব এনে দেয়া প্রচন্ড রকমের একগুয়ে আর ক্ষ্যাপাটে প্রিয় মানুষটা নেই, আহ !! ম্যারাডোনা, পুরো বিশ্বই স্তব্দ, বড্ড অসময়ে চলে যাওয়া।

ম্যারাডোনা, বোকা জুনয়ির্স এক সুতোয় গাথা দুইটা নাম, বোকা জুনিয়র্স ক্লাব থেকেই বিশ্বজয়ের যাত্রা শুরু ফুটবল ঈশ্বরের, বোকা জুনিয়র ভক্তের চোখে জল, মেনে নিতে পারছেননা, হঠাত করেই সাদা কালো ফ্রেমে বন্দী হয়ে গেলেন ম্যারাডোনা।

তারা বলেন, বোকার ফ্যান হিসেবে দিয়াগো আমার জন্য সবকিছু, আর একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে বলবো সে গ্রেটদের গ্রেট, এটা আমার জন্য খুবই বেদনাদায়ক। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে সে আমাদের বিশ্বকাপ এনে দিয়েছে, এক কথায় বিশ্ব ফুটবল থেকে সে আমাদের সব দিয়েছে।

শোক বয়ে চলেছে, বুয়েন্স এইরেস থেকে বার্সেলোনা, বার্সায় ৩৬ ম্যাচের ক্যারিয়ার, স্মৃতির ধুলো ঝেড়ে ঝাপসা চোখে ধরা গলায় ভক্তের আওয়াজ, লিজেন্ডস নেভার ডাই।

বার্সেলোনায় ম্যারাডোনার ভক্তরা বলেন, সে ছিলো সারা বিশ্বের ফুটবল ঈশ্বর, সে এমন একজন ফুটবলার ছিলো, যে ছিলো সেরাদের সেরা। ম্যারডোনা সারা বিশ্বের লিজেন্ড, এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।

বার্সেলোনা থেকে ইতালির নেপলস শহরের ক্লাব নাপোলি, ১৯৮৪ থেকে ৯১ একটা ক্লাবকে একাই পুরো বিশ্বকে চিনিয়েছিলেন ম্যারাডোনা, তাইতো নেয়াপলিতানরদের ঘরের ছেলে হারানোর শোক।

৬০ বছরের জীবনে এমনকিছু করে গেলেন তাতে ৬০ যুগ নয় ম্যারাডোনার নাম লেখা থাকবে আজন্ম, একটা নাম দ্যা লিজেন্ডস ম্যারাডোনা।