Home জাতীয় ঠুনকো অজুহাতে প্রকল্পের অর্থ অপব্যয় করা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না

ঠুনকো অজুহাতে প্রকল্পের অর্থ অপব্যয় করা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না

61
0
SHARE

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘ঠুনকো অজুহাতে প্রকল্পের কাজ মন্থর করা বা প্রকল্পের অর্থ অপব্যয় করা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।’

উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যম উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্রয় সংক্রান্ত নিয়ম-পদ্ধতি, মন্ত্রণালয়ের অনুশাসন যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। একই সঙ্গে গবেষণা প্রকল্পের ফল প্রকাশে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

২০২১-২২ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ উপখাতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের অধীনে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের নভেম্বর-২০২১ পর্যন্ত অগ্রগতি পর্যালোচনায় এ সভার আয়োজন করা হয়।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি উত্তরোত্তর বাড়াতে হবে। সততা ও স্বচ্ছতা শতভাগ থাকতে হবে। দেশপ্রেম থাকতে হবে। নিজের কাজকে ধারণ করতে হবে। অর্পিত দায়িত্ব সবটুকু আন্তরিকতা নিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ সভায় অংশ নেন।

এতে ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ উপখাতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ১৮টি, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ছয়টি, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের অধীনে বাস্তবায়নাধীন একটিসহ ২৫টি প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

চলতি অর্থবছরে এ প্রকল্পসমূহের নভেম্বর-২০২১ পর্যন্ত আর্থিক অগ্রগতি ২৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, জাতীয় গড় অগ্রগতি ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ।