Home আন্তর্জাতিক লা লিগার ম্যাচে প্রায়শই রেফারিদের মান নিয়ে সমালোচনা হয়ে থাকে। অনেকেই মনে...

লা লিগার ম্যাচে প্রায়শই রেফারিদের মান নিয়ে সমালোচনা হয়ে থাকে। অনেকেই মনে করেন এই লিগে রেফারিংয়ের মান মোটেই মানসম্মত নয়। যে কারণে প্রায়ই খেলোয়াড়দের প্রায়শই ভুগতে হচ্ছে। গত মৌসুমে ভ্যালেন্সিয়ার ডিফেন্ডার হোসে গায়া ও রিয়াল বেটিসের সাবেক মিডফিল্ডার সার্জিও ক্যানালেস রেফারির সমালোচনা করে চার ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। গত গ্রীষ্মে বুন্দেসলিগা থেকে লা লিগা ক্লাব বার্সেলোনায় যোগ দেয়া পোলিশ তারকা রবার্ট লিওয়ানদোস্কি সম্প্রতি স্প্যানিশ ফুটবলে রেফারিংয়ের মান নিয়ে পোলিশ গণমাধ্যম মেজিকি ও ইলেভেন স্পোর্টসে সরাসরি সম্প্রচারিত এক অনুষ্ঠানে কথা বলেছেন। সেখানে তিনি একইসাথে পুরো লিগের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেছেন। এ সময় লেভা বলেন, ‘লা লিগা মোটেই কোন আকর্ষণীয় লিগ নয় এবং এখানে কোন আগ্রাসী ভাবও নেই। রেফারিরা পুরো লিগকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আমি মোটেই লা লিগা থেকে এই মানের ফুটবল প্রত্যাশা করি না।’ অনেকেই যে লিওয়ানদোস্কির এ মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করবেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ইউরোপীয়ান অন্যান্য শীর্ষ লিগের তুলনায় ক্রমেই লা লিগা তার আকর্ষন হারিয়ে ফেলছে। এখানকার প্লেয়িং স্টাইলের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে অনেক তারকা খেলোয়াড়ই অন্যত্র পাড়ি জমাচ্ছেন। বার্সেলোনা ম্যানেজার জাভি গেতাফের বিরুদ্ধে মৌসুমের প্রথম ম্যাচে গোলশুন্য ড্র হওয়া ম্যাচটিতে রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছেন।

45
0
SHARE

যুক্তরাষ্ট্র সরকার বলছে, দক্ষিণ ইউক্রেনে রাশিয়ার গড়ে তোলা দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষাব্যূহের বিরুদ্ধে যে অভিযান চালাচ্ছে কিয়েভের বাহিনী- তাতে তারা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা মুখপাত্র জন কারবি বলেছেন, জাপোরিশার দক্ষিণে গত ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধে এসব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা সিএনএনকে বলেছেন, কিয়েভের বাহিনী সামনে এগুচ্ছে কিন্তু এর জন্য ‘কঠিন লড়াই’ করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে রাশিয়া দাবি করছে যে তারা উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনের কুপিয়ানস্ক শহরের কাছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি মালভূমি দখল করেছে। তবে এসব দাবির কোনটিই নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা যায়নি।
কারবি বলেন, কিয়েভ নিজেই স্বীকার করেছে যে দক্ষিণ দিকে তারা যে অভিযান চালাচ্ছে তা তাদের প্রত্যাশার চাইতে ধীরগতিতে এগুচ্ছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ক্রাইমিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে থাকা স্থল-করিডোরটিকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা।
মার্কিন মুখপাত্র বলেন, রাশিয়ার রক্ষণব্যূহের দ্বিতীয় স্তরটির বিরুদ্ধে ইউক্রেন কিছু সাফল্য পেয়েছে।
এর আগের সপ্তাহে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বলেছিল যে তারা জাপোরিশা অঞ্চলের রবোটাইন গ্রামটি পুনর্দখল করেছে।
আরও সৈন্য সমাবেশ করছে রাশিয়াও
অন্যদিকে উত্তর-পূর্বে খারকিভের পূর্ব দিকে ইউক্রেন যেসব এলাকা মুক্ত করেছিল, সেগুলো আবার দখল করার জন্য রাশিয়া সৈন্য সমাবেশ করছে।
এ ছাড়া ইউক্রেনের দক্ষিণে রাশিয়া বহুসংখ্যক সুড়ঙ্গ ও পরিখার এক জাল তৈরি করেছে এবং সংলগ্ন এলাকায় মাইন পেতে সেগুলোকে সুরক্ষিত করেছে।

এ ছাড়াও সেখানে কামান বসানো হয়েছে এবং কংক্রিটের ট্যাংক-প্রতিরোধী ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে- যার নাম দেয়া হয়েছে ‘ড্রাগনের দাঁত’।
ইউক্রেন তার পশ্চিমা মিত্র দেশগুলো থেকে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র পাওয়া এবং সেনা ব্যাটালিয়ন গড়ে তোলার পর রুশ বাহিনী বিরুদ্ধে এক পাল্টা অভিযান শুরু করেছিল।
কিন্তু এ ক্ষেত্রে অগ্রগতি খুবই ধীর গতিতে হচ্ছে এবং কিয়েভ এখন নেটো দেশগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছে যেন তাদের ট্যাংক, মাইন পরিষ্কারের যন্ত্রপাতি এবং এফ-সিক্সটিনের মতো যুদ্ধবিমান সরবরাহ করা হয়।
ইউক্রেনের এই পাল্টা অভিযানের ধীরগতি নিয়ে যারা সমালোচনা করছেন বৃহস্পতিবার তাদের ব্যাপারে বিরক্তি প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা।
স্পেনে ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক সভায় তিনি বলেন, ‘আমি এই সমালোচকদের বলব, মুখ বন্ধ রাখুন এবং ইউক্রেনে এসে নিজেরা এক বর্গ সেন্টিমিটার এলাকা মুক্ত করার চেষ্টা করে দেখুন।’
নতুন পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘যুদ্ধের জন্য তৈরি’
শুক্রবার রাশিয়ার সেনাবাহিনী ঘোষণা করেছে যে তারা ‘সারমাট’ নামে নতুন একটি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাকে ‘কমব্যাট ডিউটিতে’ রেখেছে অর্থাৎ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত অবস্থায় রেখেছে।
দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রে ‘মাল্টিপল ওয়ারহেড’ বা একাধিক বিস্ফোরক বোমা সংযুক্ত থাকে।

এই নিয়োগের বিষয়টি স্বাধীন সূত্র থেকে নিশ্চিত করা যায়নি।

এ ছাড়া শুক্রবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একটি অনুষ্ঠানে বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার বিজয় প্রমাণ করে যে এই জাতি অপরাজেয়।
খবর বিবিসি