Home Blog Page 3518

নতুন প্রেমিকের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে জ্যাকি শ্রফ কন্যা!

0

চলতি বছরের গোড়ার দিকে থাইল্যান্ডের বিচে জ্যাকি শ্রফ কন্যা কৃষ্ণা শ্রফের প্রাক্তন প্রেমিক পরশ নাওয়াল–এর সঙ্গে চুম্বনের ছবি ভাইরাল হয়েছিল নেট দুনিয়ায়। আবারও অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা দিলেন কৃষ্ণা। তবে পরশ-এর সঙ্গে নয়। ইনস্টা অ্যাকাউন্ট থেকে বাস্কেটবল খেলোয়াড় ইবান হ্যামস-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে ধরা দিলেন তিনি।
তবে কি ইবান-ই কৃষ্ণার নতুন ভালবাসা? ছবির ক্যাপশন অন্তত তেমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ছবিতে কৃষ্ণা লিখেছেন,নিজেদের চরকায় তেল দিচ্ছি।এটাই ভাগ্য। কিছু একটা স্পেশাল আমাদের মধ্যে নিশ্চয়ই রয়েছে, যার অনুভূতি স্বর্গীয়।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক বিলাসবহুল রেস্তরাঁতে খাওয়া দাওয়া করছেন তাঁরা। তবে সেই উদ্দেশ্যও যেন প্রাথমিক ভাবে গৌণ হয়ে গিয়েছে। দু’জনে দু’জনের দিকে চেয়ে রয়েছেন মোহিতদৃষ্টিতে। ছবির কমেন্ট সেকশনও ভরে উঠেছে ফ্যানেদের মিষ্টি বার্তায়।
কৃষ্ণার দাদা টাইগার শ্রফও বলি দুনিয়ায় পরিচিত মুখ। দাদার মতো কৃষ্ণাও ফিটনেস ফ্রিক। কিছুদিন আগেই মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলেছেন তিনি।

ছয় দিন পর বাড়ল সূচক

0

অবশেষে টানা ছয় দিন পর সূচক বেড়েছে পুঁজিবাজারে। আজ বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৬ পয়েন্ট। আবারও উঠে এসেছে ৫ হাজার পয়েন্টের ওপরে। অবস্থান করছে ৫ হাজার ১৩ পয়েন্টে। গতকাল সূচকটি ৫ হাজার পয়েন্টের মনস্তাত্ত্বিক সীমার নিচে নেমে যায়। গত ছয় কার্যদিবসে ডিএসইএক্স কমে ১৯২ পয়েন্ট।

অপর দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক (সিএএসপিআই) বেড়েছে ৫০ পয়েন্ট।

আজ ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪২৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার; যা গতকালে চেয়ে বেশি। গতকাল লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা। হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৯২টির। কমেছে ৯৭টির। দর অপরিবর্তিত আছে ৬৩টির।

আজ লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, আইপিডিসি, ফরচুন, মুন্নু সিরামিকস, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, মুন্নু স্টাফলার, ডরিন পাওয়ার, ন্যাশনাল টিউবস, স্টাইল ক্র্যাফট ও সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

দর বাড়ার শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ড, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ লিমিটেড, গোল্ডেন হারভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, দেশবন্ধু, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, এসইএমএল লেকচার ইকুটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, মুন্নু স্টাফলার, ন্যাশনাল টিউবস ও এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ড।

দর কমার শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো ফার্স্ট ফাইন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক ফার্স্ট আইসিবি এএমসিএল মিউচুয়াল ফান্ড, শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড, কপার টেক, জুট স্পিনিং, সি পার্ল, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ভিএফএস থ্রেড ডায়িং লিমিটেড, ফারইস্ট ফাইন্যান্স ও জেমিনি সি ফুড।

অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর কমেছে ১৩০টির। বেড়েছে ৯৭টির। দর অপরিবর্তিত আছে ৩৬টির।

শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : জিএম কাদের

0

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, রওশন এরশাদকে সম্মান করি, যতটুকু শুনেছি, তিনি নিজে থেকে নিজের কথা বলেননি। যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো ঘোষণা দিলেই তো তা বাস্তব হয় না। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা নিয়ে অস্থির হওয়ার কিছু নেই। জাপা ভাঙেনি। কোনো ভাঙনের মুখে পড়েনি।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বনানীর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা।
জিএম কাদের বলেন, ‘আমাকে এরশাদ সাহেব তার অবর্তমানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করতে নির্বাচিত করেছেন। গঠনতন্ত্রের ২০ ধারার ক উপধারায় বলা আছে, চেয়ারম্যান জাপার যে কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ ও নিজের স্থলাভিষিক্ত করতে পারবেন। এইচ এম এরশাদ আমাকে তার স্থলাভিষিক্ত করে গেছেন। মৃত্যুর আগের আমাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। মৃত্যুর পর কী হবে সেটা গঠনতন্ত্রে বলা নেই।’
তিনি বলেন, ‘কাউন্সিল ছাড়া অন্য কাউকে স্থলাভিষিক্ত করা যাবে না। তার (এইচএম এরশাদ) অবর্মানে আমাকে স্থলাভিষিক্ত করে গেছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাকি চেয়ারম্যান তা এরশাদ সাহেব বলে গেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দলের এমপিদের কাছে জানতে চেয়েছি কার প্রতি তাদের আস্থা আছে। ২৫ জন এমপির মধ্যে ১৩ জন আমার পক্ষে রয়েছেন। এর আগে জাতীয় সংসদে দলের নেতা এরশাদ দিয়েছেন, এমপিদের মতামতের ভিত্তিতেই দিয়েছেন।’
বিরোধীদলীয় নেতার পদ পাওয়া প্রসঙ্গে জিএম কাদের বলেন, ‘আমরা যা করেছি তা আইনসম্মতভাবে করেছি। গঠনতন্ত্র মোতাবেক করেছি। কাউকে ছোট করার জন্য করিনি।’

জাপানে ট্রেন-ট্রাকের সংঘর্ষে আহত ৩০

0

জাপানের টোকিওর কাছের এক ক্রসিংয়ে বৃহস্পতিবার ট্রেন ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। দেশটির উদ্ধার কর্মীরা এ কথা জানান।
ইকোহামা স্থানীয় দমকল বিভাগের মুখপাত্র বলেন, ‘এ দুর্ঘটনায় আমরা ৩০ জন আহত হওয়ার কথা জেনেছি। তবে তাদের অবস্থা কেমন সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু আমরা এখন নিশ্চিত করতে পারছি না।’
টেলিভিশনের ভিডিও ফুটেজে ট্রেনটির প্রথম বগি লাইনচ্যুত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া ট্রেনটির জানালার কাচ ভাঙ্গা এবং কিছু অংশ পুড়ে যাওয়া দেখা যাচ্ছে।
ট্রেনটির অপারেটর কেইকিয়ু কর্পোরেশন জানায়, এ দুর্ঘটনায় ‘অনেক লোক’ আহত হয়েছে।
কেইকিয়ু মুখপাত্র তাকুরো সেকিন এএফপিকে ট্রাকের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষের খবর নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, টোকিওর দক্ষিণে একটি ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

অক্টোবরে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের ফের বাণিজ্য আলোচনা

0

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য আলোচকরা আগামী অক্টোবর মাসের গোড়ার দিকে ওয়াশিংটনে ফের বাণিজ্য আলোচনা শুরু করবেন বলে আজ বৃহস্পতিবার বেইজিং জানিয়েছে ।
নতুন করে আরোপ করা শাস্তিমূলক শুল্ক বৃদ্ধির কারণে দীর্ঘায়িত এ আলোচনা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ার পর এমন কথা জানানো হলো।
এএফপির খবরে বলা হয়, নতুন করে দ্বিমুখী শুল্ক আরোপের পর এ আলোচনার কথা বলা হলো। এ আলোচনা মূলত এ মাসেই হওয়ার কথা ছিল।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকালে দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী লিউ হি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইটজার ও অর্থমন্ত্রী স্টিভান মুচিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় তারা একত্রে কাজ করতে এবং আলোচনার জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাপারে সম্মত হন।
বিবৃতিতে বলা হয়, উভয় পক্ষ আলোচনার প্রাক্কালে ‘আন্তরিক যোগাযোগ বজায়’ রাখবে।
শীর্ষ কর্মকর্তারা সর্বশেষ গত জুলাইয়ে সাংহাইয়ে বাণিজ্য আলোচনা করেন। সেখানের আলোচনা গঠনমূলক হয়েছে বলে উল্লেখ করা হলেও কোনো ঘোষণা ছাড়াই তা শেষ হয়।
পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনি শাস্তিমূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে নতুন করে অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলারের(৫০০,০০০,০০০,০০০) বেশি মূল্যের আমদানির ওপর শুল্ক বাড়াবেন। ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপের জবাবে বেইজিং ৭৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়।
এ সপ্তাহে চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। নতুন করে আরোপ করা শুল্ক ওয়াশিংটন কার্যকর করার এক দিন পর বেইজিং এ অভিযোগ দায়ের করে।

যুক্তরাষ্ট্রে ইউটিউবকে ১৭ কোটি ডলার জরিমানা

0

শিশুদের গোপনীয়তা নীতিমালা অমান্য করায় ইউটিউবকে রেকর্ড ১৭ কোটি মার্কিন ডলার জরিমানা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) সঙ্গে মীমাংসায় জরিমানা দিতে রাজি হয়েছে ইউটিউবের মালিক প্রতিষ্ঠান গুগল।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাবা-মায়ের সম্মতি ছাড়াই ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ডেটা সংগ্রহের অভিযোগ আনা হয়েছে ইউটিউবের বিরুদ্ধে।
এফটিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, এই ডেটা ব্যবহার করে শিশুদেরকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছিলো, যা ১৯৯৮ চিলড্রেন’স অনলাইন প্রাইভেসি প্রোটেকশন অ্যাক্ট (কোপপা) অমান্য করছে।
এফটিসি চেয়ারম্যান জো সিমন্স বলেন, ‘এ আইন অমান্য করায় ইউটিউবের কোনো অজুহাত নেই।’
সিমন্স আরও বলেন, কোপপা মানার বিষয়ে গুগল অস্বীকার করছে যে মূল ইউটিউব সেবার একটি অংশ শিশুদের জন্য। কিন্তু ব্যবসায়িক গ্রাহকদের কাছে উপস্থাপনায় তারা ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে।
উদাহরণ হিসেবে এফটিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘শীর্ষস্থানীয় টিভি চ্যানেলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ৬ থেকে ১১ বছরের শিশুদের নাগালে পৌঁছাতে ইউটিউব এখন সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।’
এফটিসিকে গুগল জরিমানা দেবে ১৩ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা কোপপা মামলার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বাকি ৩.৪ কোটি ডলার দিতে হবে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যকে।

মশার ওষুধ ক্রয়ে ঢাকার দুই সিটির দুর্নীতির অনুসন্ধান

0

দুই সিটির মেয়রের সঙ্গে কথা বলবে দুদক টিম, জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের * মশা নিধনের টাকায় ডিএসসিসির কর্মকর্তারা চার বছরে বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন * আইসিডিডিআরবি ‘অকার্যকর’ ঘোষণার পরও মশার ওষুধ ব্যবহার করেছে দুই সিটি

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির বিরুদ্ধে মশক নিধনে অবহেলা ও ওষুধ ক্রয়ে দুর্নীতির ঘটনা অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক। সংস্থাটির এক পরিচালকের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের একটি দল কাজ শুরু করেছে। দুদকের হটলাইন ১০৬-এ আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথম দফায় একটি এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে।

তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে দুদক এবার সরাসরি মশক নিধনে ওষুধ ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে। দুই সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘অ্যানোফিলিস, এডিস, হেমাগোগাস মশার ওষুধ ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ’ শিরোনামে অনুসন্ধানটি শুরু হয়।

টিমের প্রধান দুদক পরিচালক মুহাম্মদ ইউসুফ অনুসন্ধানের বিষয়ে বলেন, জনগণের সেবা সংক্রান্ত বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। কী কী তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, কাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে, সে বিষয়ে আমার টিমের সদস্যদের কিছু গাইডলাইন দিয়েছি।

টিমের অপর এক সদস্য জানান, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দুই সিটির মেয়রের সঙ্গে তারা কথা বলবেন। এ জন্য নোটিশ দেয়া হবে, না তাদের দফতরে গিয়ে কথা বলবেন, তা পরে ঠিক করা হবে। তিনি বলেন, দুই সিটির সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব কর্মকর্তাকেই অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মানহীন ওষুধ কেন আমদানি করা হল, কাদের কাছ থেকে এসব ওষুধ কেনা হয়েছে তাদেরও অনুসন্ধানের আওতায় আনা হবে।

এদিকে, দুদক থেকে এনফোর্সমেন্ট টিম গঠন করার বিষয়ে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মশক নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তারা অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন না। এছাড়া তারা অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন- এমন অভিযোগ পাওয়ায় ওই টিম গঠন করা হয়।

টিমের সদস্য দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ চৌধুরী ও মাহবুব আলম প্রাথমিক তথ্য অনুসন্ধানের পর সম্প্রতি সুপারিশসহ কমিশনে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে মশা নিধন নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয় তুলে ধরেন।

তাতে উল্লেখ করা হয়, মশক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করে অনিয়ম-দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে। মশার লার্ভা ধ্বংস করার জন্য পর্যাপ্ত টিম গঠন করে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনার কথা থাকলেও এ ব্যাপারে তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

মান পরীক্ষা করে ওষুধ ছিটানোর কথা থাকলেও মানহীন ওষুধ ছিটানোর কারণে মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ৪-৫ বছরে বিদেশ থেকে পর্যাপ্ত কিট ও ওষুধ আনার কথা থাকলেও তা না করে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণের নামে বিদেশ ভ্রমণ করেন।

এমতাবস্থায় এবার মশার প্রজনন মৌসুমে এডিস মশার উপদ্রব বেড়ে জনগণ মৃত্যুর মুখে পতিত হয়েছে।

গত ৬ আগস্ট দুদকের ওই কমিটির সদস্যরা লালবাগের ঢাকা মশক নিবারণী দফতর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ভাণ্ডার ও ক্রয় বিভাগ সরেজমিন পরিদর্শন করেন। ওইদিন মশক নিবারণী দফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ.ন.ম ফজলুল হককে তার অফিসে পাওয়া যায়নি।

ওই অফিসের স্টোর কিপার গিয়াস উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, দফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ.ন.ম ফজলুল হক ছুটিতে থাকায় তার দায়িত্বে যিনি রয়েছেন তিনিও অফিসে আসেন না। উল্টো তার অফিসে গিয়ে ফাইলপত্র স্বাক্ষর করাতে হয়।

জানা যায়, ২৯ জুলাই পর্যন্ত ওই মশক নিবারণী দফতরে ৪০০ লিটার ওষুধ ছিল। ২ আগস্ট ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন উত্তর সিটি কর্পোরেশন থেকে ১০ হাজার লিটার মশার ওষুধ ধার নেয়। ৬ আগস্ট পর্যন্ত মশক নিবারণী দফতরে এসব ওষুধের ৩ হাজার ৪০০ লিটার অবশিষ্ট ছিল।

ওই দফতরের মজুদ মশা নিয়ন্ত্রণে ওষুধের ড্রাম খালি অবস্থায় পাওয়া যায় উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, মশার অবাধ বিস্তারে সহায়ক। গোডাউনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও মশার অবাধ বিচরণ রয়েছে। মূলত কর্মকতাদের অবহেলা, অনিয়ম আর দুর্নীতির কারণেই এমনটি হয়েছে।

মশক নিধনে কী ধরনের দুর্নীতি হয়েছে- মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, মশার ওষুধ ক্রয়ে ধাপে ধাপে পার্সেন্টেজ (কমিশন) দিতে হয়।

কাজ নিতে ১৮ পার্সেন্ট, বিল নিতে ১২ পার্সেন্ট, ‘কিকবেক’ নিতে ১০ পার্সেন্ট, ভ্যাট-ট্যাক্স বাবদ ১৩ দশমিক ৫ পার্সেন্ট, ‘রিটেনশন মানি’ ১০ পার্সেন্ট। বাকি ৩৬ দশমিক ৫ পার্সেন্টে (টাকা) মশা মারার ওষুধ কেনা হয়।

তিনি আরও বলেন, কমিশন নেয়ার পর যে টাকা অবশিষ্ট থাকে তা দিয়ে কীভাবে মশার ওষুধ কেনা সম্ভব? এ টাকা দিয়ে ওষুধ তো নয়, ওষুধের গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। তার এই কথার কিছুটা সত্যতা মেলে আইসিডিডিআরবির প্রতিবেদনে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সিটির ব্যবহৃত ওষুধে মশা মরছে না। ওষুধের চেয়ে মশার প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি।

এদিকে দুদকের অনুসন্ধান প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুদক মশার ওষুধ ক্রয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য চেয়ে চিঠি দেয়নি। তদন্তের প্রয়োজনে দুদক কোনো সহায়তা চাইলে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাইও দুদকের অনুসন্ধান সংক্রান্ত কোনো নোটিশ বা চিঠি পাননি বলে জানান। তবে যদি দুদক তদন্তের প্রয়োজনে এ ধরনের কোনো তথ্য চায় আমরা তা সরবরাহ করব।

চলতি মৌসুমে প্রথমে রাজধানীতে ডেঙ্গু ভাইরাস দেখা দেয়। পরে তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। সরকারি হিসাবে, ডেঙ্গু আক্রান্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৫৭ জন বলা হয়। তবে যুগান্তরের হিসাবে ১০ জন চিকিৎসক, একজন এডিশনাল আইজির স্ত্রী, কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ১২৫ জন মারা গেছে।

যদিও বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা দেড় শতাধিক হতে পারে বলে ধারণা দেয়া হচ্ছে।

যুগান্তরের অনুসন্ধানে জানা গেছে, মশক নিধনের ওষুধ অকার্যকর জানার পরও তা পরিবর্তনের বিষয়ে গুরুত্ব দেয়নি ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। ২০১৮ সালে জাতীয় নির্বাচনের বছর ছিল বলে অকার্যকর ওষুধের বিষয়টি চেপে যেতে চান দুই দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এবার মশা বাড়বে- স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের এমন সতর্কবার্তাও তারা কানে নেয়নি।

জানা যায়, সিন্ডিকেটের কবলে পড়ায় গতবারের কেনা মশার ওষুধ নিয়ে এবার সবচেয়ে বেশি কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে। ঢাকাসহ সারা দেশে ডেঙ্গু রোগী ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ওষুধ পরিবর্তনের কথা বলেন।

কিন্তু এরই মধ্যে সরবরাহকারীরা ওষুধ সরবরাহ করে তাদের পকেটভারি করে নিয়েছেন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উত্তর সিটি কর্পোরেশন মশকনিধনে ১৪ কোটি টাকা ও দক্ষিণ সিটি ১৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকার ওষুধ কিনেছে বলে ওই দফতর সূত্রে জানা যায়।

কিন্তু ওই টাকার ওষুধে ভেজাল ও কমিশন বাণিজ্যের কারণে জনগণের কাছে সেবা সেভাবে পৌঁছেনি। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) মশকনিধনের ওষুধ পরীক্ষা করে বলেছে, দুই সিটির সরবরাহকৃত ওষুধ ‘অকার্যকর’।

একই ওষুধ পরীক্ষা করে সরকারের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখাও (সিডিসি) বলেছে, ‘ওষুধ অকার্যকর’।

অনুসন্ধানে জানা যায়, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মশার ওষুধ ক্রয় করছে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে। ওই প্রতিষ্ঠান মশার ওষুধ আমদানি করে না। ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো নিবন্ধনও নেই।

অন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়ে তারা সরবরাহ করে বলে জানা যায়। তাদের নিবন্ধিত একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বেলাল অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড থেকে ওষুধ নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের ঢাকেশ্বরীর মশক নিবারণী দফতরের গুদামে পৌঁছে দেয়।

ডিএসসিসিতে সরবরাহকৃত এক ওষুধ থেকে লভ্যাংশ পায় আমদানি প্রতিষ্ঠান ‘লিমিট অ্যাগ্রো’ এবং বেলাল অ্যান্ড ব্রাদার্স।

‘লিমিট অ্যাগ্রো’র ওষুধ দক্ষিণ সিটি কিনেছে প্রতি লিটার ৩৭৮ টাকা দামে। অথচ সেই প্রতিষ্ঠানই গত বছর অক্টোবরে উত্তর সিটির কাছে প্রতি লিটার ২১৭ টাকায় বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিল।

উত্তর সিটির কাছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১ লাখ লিটার মশা মারার ওষুধ বিক্রিতে লিমিট অ্যাগ্রো ও ‘নোকন’সহ তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে কাজ পায় লিমিট অ্যাগ্রো।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে লিমিট অ্যাগ্রো ৬৫ হাজার লিটার ওষুধ দেয়। অথচ এই প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত ওষুধ মাঠ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

পরবর্তীতে উত্তর সিটির কর্মকর্তারা লিমিটের কার্যাদেশ বাতিল করেন এবং এক বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত করে। এই কালো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেই দক্ষিণ সিটি মশক নিধনের ওষুধ নেয়। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কী ধরনের দুর্নীতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে দুদক।

অন্যদিকে, উত্তর সিটি ‘নোকন’ নামের যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গত অর্থবছরে ওষুধ নিয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানটিও নিম্নমানের ওষুধ সরবরাহ করেছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, দুই সিটি কর্পোরেশন স্বচ্ছতার সঙ্গে ওষুধ কেনার ব্যাপারে তেমন গুরুত্ব দেয়নি। এমনকি বিজ্ঞানীদের তথ্যের প্রতিও চরম অবহেলা প্রদর্শন করেছে। আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, ডেঙ্গু ভাইরাস বাহক এডিস মশা প্রচলিত কীটনাশক ব্যবহারে মরছে না।

ঢাকা শহরের এডিস মশা ওষুধপ্রতিরোধী। গত বছরের ২২ মে এই গবেষণার ফলাফল স্বাস্থ্য অধিদফতর ও দুই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সামনে উপস্থাপন করেন আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানীরা। ওই গবেষণাতেই ওষুধের অকার্যকারিতা ধরা পড়ে।

মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসির ছেলে আবদুল্লাহর মৃত্যু

0

মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রয়াত মোহাম্মদ মুরসির ছেলে আবদুল্লাহ মুরসি মারা গেছেন। বুধবার রাতে আকস্মিক হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে।
আল-জাজিরাসহ বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুরসির ছোট ছেলে আবদুল্লাহ মুরসি রাজধানী কায়রোর দক্ষিণের গিজা শহরের একটি হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন।
তবে তিনি আগে থেকে অসুস্থ ছিলেন কিনা বা কী কারণে হুট করেই তিনি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলেন সে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।
এর আগে চলতি বছরের ১৭ জুন আদালতে শুনানি চলাকালীন হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মারা যান মোহাম্মদ মুরসি। রাজধানী কায়রোর পূর্বাঞ্চলীয় নাসার শহরে তাকে দাফন করা হয়। অনেকটা গোপনেই তার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছিল।
মুরসির মৃত্যুর পর তার পরিবারের বিভিন্ন বিষয়ে বাইরের লোকদের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব ছিল আবদুল্লাহ মুরসির ওপরেই। পরিবারের মুখপাত্র হিসেবেই দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। তার বাবার মৃত্যুর জন্য তিনি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদেরই দায়ী করে আসছিলেন।
২০১২ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মুরসি। এর মাত্র এক বছরের মাথায় সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারান তিনি। এর পরই মুরসিসহ তার দল মুসলিম ব্রাদারহুডের বেশ কিছু নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সেনা অভ্যত্থানের পর থেকেই তারা একাধিক মামলায় এখনও কারাভোগ করছেন। মুরসিকেও জীবনের শেষ দিনগুলো কারাগারেই কাটাতে হয়েছে।

ইরানে ৪০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে চীন

0

ইরান এবং চীনের ভেতরে ২০১৬ সালে যে ২৫ বছরের বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছিল তা হালনাগাদ করে বিনিয়োগের মাত্রা ৪০ হাজার কোটি ডলার ঠিক করা হয়েছে।
গত মাসের শেষ দিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ চীন সফর করেন এবং শেষ সময় এ চুক্তি হালনাগাদ করা হয়।
সে সময় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্টেট কাউন্সিলর ওয়াং ই ইরান ও চীনকে ‘কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
নতুন চুক্তির ফলে বিশ্বে তেল ও গ্যাসক্ষেত্রে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস শিল্পে একটা বড় পরিবর্তন আসবে। চীন ও ইরানের মধ্যে এই চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো মার্কিন ডলার ব্যবহৃত হবে না।
চীন যে চল্লিশ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে তার ভেতরে ২৮ হাজার কোটি ডলার ইরানের তেল গ্যাস এবং পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। বাকি ১২ হাজার কোটি ডলার ইরানের পরিবহন এবং ম্যানুফ্যাকচারিং অবকাঠামো গড়ে তোলার কাজে ব্যয় করা হবে। বিনিয়োগের বেশিরভাগ অর্থ প্রথম পাঁচ বছরে ব্যয় করা হবে। এরপরে ধাপে ধাপে প্রয়োজন অনুসারে বাকি অর্থ বিনিয়োগ করা হবে।

শাহজালালে ১০ কেজি স্বর্ণসহ কেবিন ক্রু আটক

0

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০ কেজি স্বর্ণসহ একটি বেসরকারি এয়ারলাইনসের এক কেবিন ক্রুকে আটক করা হয়েছে। আটক ওই ক্রুর নাম রোকেয়া শেখ মৌসুমী।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ওমানের মাসকাট বিমানবন্দর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে আসা একটি বেসরকারি এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে ওই ক্রুর কাছ থেকে এ স্বর্ণ পাওয়া যায়।
এ তথ্য নিশ্চিত করে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস অ্যান্ড মিডিয়া) আলমগীর হোসেন বলেন, বেলা ১১টার দিকে মাসকাট থেকে একটি ফ্লাইট ঢাকায় আসে। সেই ফ্লাইটের ক্রুরা গ্রিন চ্যানেল পার হয়ে বের হয়ে আসেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের সদস্যরা কেবিন ক্রু মৌসুমীকে চ্যালেঞ্জ করেন। তাকে কাস্টম জোনে এনে তল্লাশি করা হলে ১০ কেজি স্বর্ণ পাওয়া যায়।